02 Mar 2026 +880 1886 456688
image

Laws & Rules

সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯
Click here for Deep-Dive

সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯

চতুর্থ অধ্যায় : নিষিদ্ধ ঘোষণা ও তালিকাভুক্তকরণ এবং জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের রেজুলেশন বাস্তবায়ন ( সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯ )
১৭। সন্ত্রাসী কার্যের সহিত জড়িত ব্যক্তি বা সত্তা

এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, কোন ব্যক্তি বা সত্তা সন্ত্রাসী কার্যের সহিত জড়িত বলিয়া গণ্য হইবে, যদি সেই ব্যক্তি বা উহা -

(ক) সন্ত্রাসী কার্য সংঘটিত করে বা উক্ত কার্যে অংশগ্রহণ করে;

(খ) সন্ত্রাসী কার্যের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করে;

(গ) সন্ত্রাসী কার্য সংঘটনে সাহায্য বা উৎসাহ প্রদান করে;

(ঘ) সন্ত্রাসী কার্যের সহিত জড়িত কোন সত্তাকে সমর্থন ও সহায়তা প্রদান করে;

(ঙ) জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের রেজুলেশন নং ১৩৭৩ (UNSCR 1373) এ উল্লিখিত নিম্নবর্ণিত তালিকাভুক্তি বা নিষিদ্ধের মানদণ্ডের (listing criteria) আওতাভুক্ত হয়, যথা:-

(১) যদি কোন ব্যক্তি বা সত্তা কোন সন্ত্রাসী কার্য করে বা প্রচেষ্টা গ্রহণ করে বা অংশগ্রহণ করে বা সন্ত্রাসী কার্য সংঘটনে সহযোগিতা করে;

(২) তালিকাভূক্ত বা নিষিদ্ধ ঘোষিত যে কোন ব্যক্তি বা সত্তার প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ মালিকানাধীন বা নিয়ন্ত্রানাধীন কোন সত্তা;

(৩) তালিকাভূক্ত বা নিষিদ্ধ ঘোষিত যে কোন ব্যক্তি বা সত্তার পক্ষে বা নির্দেশে কাজ করে এইরূপ অন্য কোন ব্যক্তি বা সত্তা।

(চ) কোন সন্ত্রাসী ব্যক্তিকে আশ্রয় প্রদান করে; অথবা

(ছ) অন্য কোনভাবে সন্ত্রাসী কার্যের সহিত জড়িত হয়।]

১৮। নিষিদ্ধ ঘোষণা ও তালিকাভুক্তকরণ

(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকার, কোন ব্যক্তি বা সত্তা সন্ত্রাসী কার্যের সহিত জড়িত রহিয়াছে মর্মে যুক্তিসঙ্গত কারণের ভিত্তিতে, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, উক্ত ব্যক্তিকে তফসিলে তালিকাভুক্ত করিতে পারিবে বা সত্তাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা ও তফসিলে তালিকাভুক্ত করিতে পারিবে 3[বা সত্তার যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করিতে পারিবে]।

(২) সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, যে কোন ব্যক্তি বা সত্তাকে তফসিলে তালিকাভুক্ত করিতে বা তফসিল হইতে বাদ দিতে পারিবে অথবা অন্য কোনভাবে তফসিল সংশোধন করিতে পারিবে।]

১৯। পুনঃনিরীক্ষা (Review)

(১) ধারা ১৮ এর অধীন সরকার কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ দ্বারা সংক্ষুব্ধ 2[ব্যক্তি বা সত্তা], আদেশ প্রদানের তারিখ হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে, উহার বিরুদ্ধে লিখিতভাবে, যুক্তি উপস্থাপনপূর্বক, সরকারের নিকট পুনঃনিরীক্ষার জন্য আবেদন করিতে পারিবে এবং সরকার, আবেদনকারীর শুনানী গ্রহণপূর্বক3[এই আইনের অধীন প্রণীত বিধি মোতাবেক] , আবেদন প্রাপ্তির তারিখ হইতে নব্বই দিবসের মধ্যে উহা নিষ্পন্ন করিবে।

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন পুনঃনিরীক্ষার আবেদন নামঞ্জুর করা হইলে, উক্ত সংক্ষুব্ধ 4[ব্যক্তি বা সত্তা] আবেদন নামঞ্জুর হইবার তারিখ হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপীল দায়ের করিতে পারিবে।

(৩) সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, উপ-ধারা (১) এর অধীন দায়েরকৃত পুনঃনিরীক্ষার দরখাস্তসমূহ নিষ্পত্তির জন্য একটি তিন সদস্য বিশিষ্ট পুনঃনিরীক্ষা কমিটি (Review Committee) গঠন করিবে।

২০। তালিকাভুক্ত ব্যক্তি বা নিষিদ্ধ সত্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ

(১) 3[যদি কোন ব্যক্তি বা সত্তার বিরুদ্ধে ধারা ১৮ এর উপ-ধারা (১) এ বর্ণিত কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়], তাহা হইলে, এই আইনে বর্ণিত অন্যান্য ব্যবস্থা গ্রহণ ছাড়াও সরকার, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, নিম্নবর্ণিত যে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করিবে, যথা:-

(ক) উক্ত সত্তার কার্যালয়, যদি থাকে, বন্ধ করিয়া দিবে;

(খ) ব্যাংক এবং অন্যান্য হিসাব, যদি থাকে, অবরুদ্ধ করিবে, এবং উহার সকল সম্পত্তি জব্দ বা আটক করিবে;

(গ) 4[উক্ত] সত্তার সদস্যদের দেশ ত্যাগে বাধা নিষেধ আরোপ করিবে;

(ঘ) সকল প্রকার প্রচারপত্র, পোস্টার, ব্যানার অথবা মুদ্রিত, ইলেকট্রনিক, ডিজিটাল বা অন্যান্য উপকরণ বাজেয়াপ্ত করিবে; এবং

5[(ঙ) উক্ত সত্তা কর্তৃক বা উহার পক্ষে বা সমর্থনে যে কোন প্রেস বিবৃতির প্রকাশনা বা মুদ্রণ কিংবা গণমাধ্যম, অনলাইন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা অন্য যে কোন মাধ্যমে যে কোন ধরনের প্রচারণা, অথবা মিছিল, সভা-সমাবেশ বা সংবাদ সম্মেলন আয়োজন বা জনসম্মুখে বক্তৃতা প্রদান নিষিদ্ধ করিবে।]

(২) 6[উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত] সত্তা উহার আয় ও ব্যয়ের হিসাব এতদুদ্দেশ্যে সরকার কর্তৃক মনোনীত উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল করিবে এবং আয়ের সকল উৎস প্রকাশ করিবে।

(৩) যদি প্রতীয়মান হয় যে, 7[ধারা ১৮ এর উপ-ধারা (১) এর অধীন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হইয়াছে এইরূপ কোন ব্যক্তি বা সত্তার] সম্পত্তি অবৈধভাবে অর্জিত হইয়াছে অথবা এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটনে ব্যবহৃত হইয়াছে, তাহা হইলে উক্ত সম্পত্তি আদালত কর্তৃক রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত হইবে]

২০ক। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের রেজুলেশন বাস্তবায়নে পদক্ষেপ

(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের রেজুলেশন নং ১২৬৭ এবং উহার অনুবর্তী রেজুলেশনসমূহ ও জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের রেজুলেশন নং ১৩৭৩ এবং ব্যাপক ধ্বংসাত্মক অস্ত্রের বিস্তার ও উহাতে অর্থ সংস্থান প্রতিরোধ, দমন এবং ব্যাহতকরণ সম্পর্কিত জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের রেজুলেশনসমূহ বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে, বাংলাদেশ সরকারের এই আইনের অন্যান্য ধারা অথবা আপাতত বলবৎ অন্যান্য আইনে উল্লিখিত ক্ষমতার অতিরিক্ত হিসাবে নিম্নবর্ণিত ব্যবস্থাসমূহ গ্রহণ করিবার ক্ষমতা থাকিবে:

(ক) তালিকাভুক্ত ব্যক্তি বা সত্তা কর্তৃক অথবা তালিকাভুক্ত ব্যক্তি বা সত্তার মালিকানাধীন বা উক্ত ব্যক্তি বা সত্তা কর্তৃক প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে নিয়ন্ত্রিত কোন সংস্থা কর্তৃক অথবা, যদি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ১২৬৭ নং রেজুলেশনের অধীন সংকলিত তালিকায় কোন স্বাভাবিক ব্যক্তি (natural person) বা সত্তার নাম অন্তর্ভুক্ত থাকে, তাহা হইলে উক্ত স্বাভাবিক ব্যক্তি বা সত্তার পক্ষে, ধারণকৃত সম্পত্তি, তহবিল বা অন্যান্য আর্থিক পরিসম্পদ বা আর্থিক উৎসসহ উহা হইতে উদ্ভূত বা সৃষ্ট তহবিল, পূর্ব নোটিশ ব্যতীত, অনতিবিলম্বে অবরুদ্ধ, জব্দ বা ক্রোক করিবে;

(খ) সন্ত্রাসী কার্য সংঘটন বা সংঘটনের প্রচেষ্টাকারী বা সন্ত্রাসী কার্য সংঘটনে অংশগ্রহণ বা সুযোগ সৃষ্টিকারী কোন ব্যক্তি অথবা উক্তরূপ ব্যক্তির মালিকানাধীন বা তৎকর্তৃক প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে নিয়ন্ত্রিত সত্তার অথবা উক্তরূপ ব্যক্তি বা সত্তার পক্ষে বা নির্দেশনা অনুসারে কার্য সম্পাদনকারী ব্যক্তি বা সত্তার অথবা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ কর্তৃক তালিকাভুক্ত বা ১৩৭৩ নং রেজুলেশনের অধীন নিষিদ্ধ বা তালিকাভুক্ত ব্যক্তির এবং সহযোগী ব্যক্তি ও সত্তার তহবিল বা অন্যান্য আর্থিক পরিসম্পদ বা আর্থিক উৎসসহ উহা হইতে উদ্ভূত বা সৃষ্ট তহবিল, পূর্ব নোটিশ ব্যতীত, অনতিবিলম্বে অবরুদ্ধ, জব্দ বা ক্রোক করিবে;

(গ) বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বা বাহিরে কোন ব্যক্তি বা সত্তা কর্তৃক কোন তহবিল সন্ত্রাসী কার্যে ব্যবহারের অভিপ্রায়ে বা উহা সন্ত্রাসী কার্যে ব্যবহৃত হইবে এইরূপ জ্ঞাত থাকিয়া, স্বেচ্ছায় প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে, তহবিল গঠন বা সংগ্রহ করা হইলে, উহা নিষিদ্ধ করিবে;

(ঘ) জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ কর্তৃক তালিকাভুক্ত বা ১৩৭৩ নং রেজুলেশনের অধীন নিষিদ্ধ বা তালিকাভুক্ত ব্যক্তি বা সত্তার অথবা উক্তরূপ ব্যক্তির মালিকানাধীন বা তৎকর্তৃক প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে নিয়ন্ত্রিত সত্তার অথবা উক্তরূপ ব্যক্তির পক্ষে বা নির্দেশনা অনুসারে কার্য সম্পাদনকারী ব্যক্তি বা সত্তার প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ কল্যাণে কোন ব্যক্তি বা সত্তা কর্তৃক কোন তহবিল গঠন, আর্থিক পরিসম্পদ বা আর্থিক উৎস বা সম্পৃক্ত অন্যান্য সেবা সৃষ্টি করা হইলে, উহা নিষিদ্ধ করিবে;

(ঙ) কার্যকর সীমানা নিয়ন্ত্রণ এবং অভিবাসন ব্যবস্থার মাধ্যমে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ কর্তৃক তালিকাভুক্ত ব্যক্তিগণের বাংলাদেশে প্রবেশ বা বাংলাদেশের ভিতর দিয়া অন্য দেশে গমনাগমন প্রতিরোধ করিবে;

(চ) জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ কর্তৃক তালিকাভুক্ত কোন ব্যক্তি বা সত্তার নিকট, প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে, বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বা বাহিরে কোন অস্ত্র এবং গোলাবারুদ এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট উপকরণ, বস্তু, হাতিয়ার (equipment), পণ্য এবং প্রযুক্তি সরবরাহ, বিক্রয় এবং হস্তান্তর প্রতিরোধ করিবে;

(ছ) জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ কর্তৃক তালিকাভুক্ত ব্যক্তি বা সত্তার মালিকানাধীন, ইজারাধীন বা তৎকর্তৃক বা উহার পক্ষে পরিচালিত যে কোন বিমান (any aircraft) তাহাদের রাষ্ট্রীয় সীমানায় উড্ডয়ন বা অবতরণের অনুমতি প্রদানে অস্বীকৃতি প্রদান করিবে;

(জ) জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ কর্তৃক তালিকাভুক্ত ব্যক্তি বা সত্তার নিকটে বা নিকট হইতে প্রেরিত কার্গো পরিদর্শনের মাধ্যমে পারমাণবিক, রাসায়নিক বা জৈব (Biological) অস্ত্রসমূহ, উহা সরবরাহের সরঞ্জাম এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বস্তুর অবৈধ পাচার প্রতিরোধ করিবে;

(ঝ) জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ কর্তৃক তালিকাভুক্ত ব্যক্তি এবং সত্তার সহিত সম্পর্কিত উক্ত রেজুলেশনে উল্লিখিত যেকোন কার্য নিষিদ্ধ এবং প্রতিরোধ করিবে;

(ঞ) এই ধারার যথাযথ বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট কর্তৃক রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থাকে সময় সময় নির্দেশ প্রদান করিবে;

(ট) দফা (ক) হইতে (ঝ) তে বর্ণিত ক্ষমতা মোতাবেক প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের জন্যে সরকার সময়ে সময়ে প্রজ্ঞাপন বা আদেশ জারির মাধ্যমে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ নির্ধারণ করিবে।

(২) যদি কোন ব্যক্তি বা সত্তা এই ধারার অধীন প্রদত্ত অবরুদ্ধ বা ক্রোক আদেশ লংঘন করে, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি বা উক্ত সত্তার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অনধিক ৪ (চার) বৎসরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন অথবা অবরুদ্ধ বা ক্রোকযোগ্য সম্পত্তির মূল্যের দ্বিগুণ অর্থের সমপরিমাণ অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

(৩) যদি কোন ব্যক্তি বা সত্তা উপ-ধারা (১) এর দফা (গ) এবং (ঘ) লংঘন করিয়া কোন কার্য করে বা কোন কার্য করিতে ব্যর্থ হয়, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি বা সত্তা সন্ত্রাসী কার্যে অর্থায়নের অপরাধ সংঘটন করিয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে এবং ধারা ৭ এর উপ-ধারা (৩), (৪)(ক) বা, ক্ষেত্রমত, (৪)(খ) এর বিধান অনুসারে দণ্ডিত হইবে।

(৪) যদি কোন ব্যক্তি বা সত্তা উপ-ধারা (১) এর দফা (ঙ) হইতে (জ) লংঘন করিয়া কোন কার্য করে বা কোন কার্য করিতে ব্যর্থ হয়, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি বা সত্তা সন্ত্রাসী কার্যের অপরাধ সংঘটন করিয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে এবং ধারা ৬ এর উপ-ধারা (২), (৩)(ক) বা, ক্ষেত্রমত, (৩)(খ) এর বিধান অনুসারে দণ্ডিত হইবে।

(৫) যদি কোন রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থা এই ধারার অধীন বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট কর্তৃক প্রদত্ত অনুশাসনাবলী প্রতিপালনে ব্যর্থ হয়, অথবা এই ধারার অধীন অবিলম্বে অবরুদ্ধ কার্যক্রম গ্রহণে ব্যর্থ হয়, তাহা হইলে উক্ত রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থা বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট কর্তৃক নির্ধারিত এবং নির্দেশিত অনধিক ২৫ (পঁচিশ) লক্ষ টাকা তবে অন্যূন ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকা জরিমানা অথবা সন্দেহযুক্ত তহবিলের দ্বিগুণ পরিমাণ অর্থ, উহাদের মধ্যে যাহা অধিক হয়, জরিমানা পরিশোধ করিতে বাধ্য থাকিবে এবং বাংলাদেশ ব্যাংক উক্ত সংস্থা বা সংস্থার কোন শাখা, সেবাকেন্দ্র, বুথ বা এজেন্টের বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনা বন্ধ করিবার উদ্দেশ্যে নিবন্ধন বা লাইসেন্স স্থগিত করিতে পারিবে বা, ক্ষেত্রমত, নিবন্ধনকারী বা লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষকে উক্ত সংস্থার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্ত বিষয়টি সম্পর্কে অবহিত করিবে।

(৬) কোন জনসেবকের (public servant) বিরুদ্ধে, এই ধারার বিধান কার্যকর করিবার ক্ষেত্রে, কোনরূপ অবহেলা করিবার অভিযোগ প্রমাণিত হইলে, তাহার নিজস্ব চাকুরি বিধিমালা অনুসারে তাহার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক কার্যক্রম গ্রহণ করা হইবে।]

img