02 Mar 2026 +880 1886 456688
image

Laws & Rules

সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯
Click here for Deep-Dive

সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯

অষ্টম অধ্যায় : সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হইতে উদ্ভূত সম্পদ ( সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯ )
৩৪। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড-লব্ধ সম্পদের দখল (Possession of property obtained from terrorist activities)]

(১) কোন সন্ত্রাসী ব্যক্তি বা সন্ত্রাসী সত্তা বা অন্য কোন ব্যক্তি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হইতে উদ্ভূত বা কোন সন্ত্রাসী ব্যক্তি বা সন্ত্রাসী সত্তা কর্তৃক প্রদত্ত অর্থ বা সম্পদ বা অন্য যে কোন সন্ত্রাসী সম্পত্তি ভোগ করিতে বা দখলে রাখিতে পারিবে না

(২) এই আইনের অধীন দণ্ডপ্রাপ্ত হউক বা না হউক, এরূপ কোন সন্ত্রাসী ব্যক্তি বা কোন সন্ত্রাসী সত্তা বা অন্য কোন ব্যক্তির দখলে থাকা কোন সন্ত্রাসী সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে।]

(৩) এই আইনের আওতায় কোন অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্ট কোন ব্যক্তি বা সত্তার কোন সম্পত্তি, কোন বিদেশী রাষ্ট্র বা সংস্থার অনুরোধের প্রেক্ষিতে সরকার কর্তৃক জব্দযোগ্য হইবে এবং সংশ্লিষ্ট দেশের সাথে পারস্পরিক আইনগত সহযোগিতার আওতায় বা ক্ষেত্রমত, সরকার কর্তৃক নিস্পত্তিযোগ্য হইবে।

(৪) সরকার কর্তৃক গৃহীত কোন আর্ন্তজাতিক, আঞ্চলিক বা দ্বি-পাক্ষিক চুক্তি, জাতিসংঘের কনভেনশন বা জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ কর্তৃক গৃহিত সংশ্লিষ্ট রেজুলেশনের আওতায় কোন ব্যক্তি বা সত্তার সম্পদ জব্দযোগ্য হইবে।]

৩৫। [সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড-লব্ধ সম্পদ এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হইতে উদ্ভূত সম্পদ বাজেয়াপ্ত (Confiscation of assets obtained from terrorist activities and proceeds of terrorism)]

(১) যেক্ষেত্রে বিচারক এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে, কোন 3[সন্ত্রাসী কার্য হইতে সৃষ্ট (deriving from terrorist activities) বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড-লব্ধ সম্পদ হইতে উদ্ভূত (or it constitutes from proceeds of terrorism)] হইবার কারণে কোন সম্পত্তি জব্দ বা ক্রোক করা হইয়াছে, সেইক্ষেত্রে তিনি উক্ত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবেন।

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীনে 4[সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড-লব্ধ সম্পদ (proceeds of terrorism) বা কোন সন্ত্রাসী কার্য হইতে সৃষ্ট কোন সম্পত্তি] বাজেয়াপ্ত করা হইলে, যে সত্তার নিকট হইতে উক্ত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হইবে, সেই সত্তার বিরুদ্ধে এই আইনের ধারা ১৮ ও ২০ এ বর্ণিত আইনানুগ ব্যবস্থা সরকার কর্তৃক গ্রহণ করা যাইবে।

(৩) এই আইনের ধারা ৩৪ এর উপ-ধারা (৪) অনুযায়ী জব্দকৃত সম্পদ সংশ্লিষ্ট চুক্তি, কনভেনশন বা জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ কর্তৃক গৃহিত সংশ্লিষ্ট রেজুলেশনের আলোকে সংশ্লিষ্ট আদালত কর্তৃক বাজেয়াপ্তযোগ্য ও নিষ্পত্তিযোগ্য হইবে।

(৪) বাজেয়াপ্তকৃত সম্পদে দোষী ব্যক্তি বা সত্তা ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তি বা সত্তার স্বত্ব, স্বার্থ বা অধিকার থাকিলে উহা সংশ্লিষ্ট আদালত কর্তৃক ফেরতযোগ্য হইবে।]

36. সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড-লব্ধ সম্পদ বাজেয়াপ্তকরণের পূর্বে কারণ দর্শাইবার নোটিশ জারী

(১) সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড-লব্ধ সম্পদ বাজেয়াপ্ত করিবার আদেশ প্রদানের পূর্বে, যে ব্যক্তির নিয়ন্ত্রণ অথবা দখলে উক্ত সম্পদ থাকে, উক্ত ব্যক্তিকে 1[ফৌজদারি কার্যবিধির বিধান অনুসরণপূর্বক কারণ দর্শানোর নোটিশ জারী করিতে হইবে] এবং নোটিশে প্রদত্ত সময়সীমার মধ্যে লিখিত জবাব প্রদানের সুযোগ এবং শুনানীর যুক্তিসঙ্গত সময় প্রদান ব্যতিরেকে কোন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড-লব্ধ সম্পদ বাজেয়াপ্ত করিবার আদেশ প্রদান করা যাইবে না 

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন কোন বাজেয়াপ্তির আদেশ প্রদান করা যাইবে না, যদি অনুরূপ ব্যক্তি প্রমাণ করিতে সক্ষম হন যে, উক্ত সম্পদ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে- লব্ধ সম্পদ ছিল তাহা তিনি অবগত ছিলেন না এবং উপযুক্ত মূল্যের বিনিময়ে তিনি তাহা খরিদ করিয়াছেন।

৩৭। আপীল

(১) ধারা ৩৫ এর অধীন প্রদত্ত বাজেয়াপ্তকরণ আদেশ দ্বারা সংক্ষুব্ধ কোন ব্যক্তি উক্ত আদেশ প্রাপ্তির তারিখ হইতে এক মাসের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করিতে পারিবেন।

(২) হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক ধারা ৩৫ এর অধীন প্রদত্ত কোন আদেশ সংশোধিত বা বাতিল করা হইলে অথবা এই আইনের কোন বিধান লংঘনপূর্বক কোন মামলা দায়ের করা হইলে, যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে ধারা ৩৫ এর অধীন বাজেয়াপ্তির আদেশ প্রদান করা হইয়াছে, উক্ত ব্যক্তি খালাসপ্রাপ্ত হইলে উক্ত বাজেয়াপ্তকৃত সম্পত্তি ফেরত প্রদান করা হইবে এবং যদি উক্ত ব্যক্তির নিকট বাজেয়াপ্তকৃত সম্পত্তি ফেরত প্রদান সম্ভব না হয়, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তিকে উক্ত সম্পত্তি সরকারের নিকট বিক্রয় হইয়াছে গণ্যে, সম্পত্তি জব্দের দিন হইতে যুক্তিসঙ্গত সুদ গণনাপূর্বক এবং যুক্তিসঙ্গতভাবে মূল্য নির্ধারণপূর্বক উহার মূল্য পরিশোধ করিতে হইবে।

img