- ৩৯। অপরাধের আমলযোগ্যতা ও জামিন অযোগ্যতা
- ৪০। তদন্ত ও বিচার বিষয়ে পূর্বানুমোদনের অপরিহার্যতা
- ৪১। বিশেষ ট্রাইব্যুনালে এবং বিশেষ ট্রাইব্যুনাল হইতে মামলা স্থানান্তর
- ৪২। তফসিল সংশোধনের ক্ষমতা
- ৪৩। বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা
- ৪৪। মূল পাঠ এবং ইংরেজী পাঠ
- ৪৫। রহিতকরণ ও হেফাজত
দশম অধ্যায় : সাধারণ বিধানাবলী ( সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯ )
৩৯। অপরাধের আমলযোগ্যতা ও জামিন অযোগ্যতা
(১) এই আইনের অধীন সকল অপরাধ আমলযোগ্য (cognizable) হইবে।
(২) এই আইনের অধীন সকল অপরাধ জামিন অযোগ্য (non-bailable) হইবে।
৪০। তদন্ত ও বিচার বিষয়ে পূর্বানুমোদনের অপরিহার্যতা
[(১) এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটিত হইলে, সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা, তাৎক্ষণিভাবে সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিতক্রমে মামলা রুজু করিবে এবং তদন্ত কার্যক্রম শুরু করিবে ।]
(২) সরকারের পূর্বানুমোদন (sanction) ব্যতিরেকে কোন আদালত এই আইনের অধীন কোন অপরাধ বিচারার্থ আমলে গ্রহণ (cognizance) করিবে না।
৪১। বিশেষ ট্রাইব্যুনালে এবং বিশেষ ট্রাইব্যুনাল হইতে মামলা স্থানান্তর
সরকার, সাক্ষ্য সমাপ্তির পূর্বে, বিচারের যে কোন পর্যায়ে, যুক্তিসঙ্গত কারণে, এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংক্রান্ত মামলা বা মামলাসমূহ কোন দায়রা আদালত হইতে কোন বিশেষ ট্রাইব্যুনালে বা কোন বিশেষ ট্রাইব্যুনাল হইতে কোন দায়রা আদালতে স্থানান্তর করিতে পারিবে।
৪২। তফসিল সংশোধনের ক্ষমতা
সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপিত আদেশ দ্বারা, এই আইনের তফসিল সংশোধন করিতে পারিবে।
৪৩। বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা
সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে।
৪৪। মূল পাঠ এবং ইংরেজী পাঠ
এই আইনের মূল পাঠ বাংলাতে হইবে এবং ইংরেজীতে অনূদিত উহার একটি নির্ভরযোগ্য পাঠ থাকিবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, বাংলা ও ইংরেজী পাঠের মধ্যে বিরোধের ক্ষেত্রে বাংলা পাঠ প্রাধান্য পাইবে।
৪৫। রহিতকরণ ও হেফাজত
(১) সন্ত্রাস বিরোধী অধ্যাদেশ, ২০০৮ (২০০৮ সনের ২৮ নং অধ্যাদেশ) এতদ্বারা রহিত করা হইল।
(২) উক্তরূপ রহিতকরণ সত্ত্বেও, রহিত অধ্যাদেশের অধীন কৃত কাজকর্ম বা গৃহীত ব্যবস্থা এই আইনের অধীন কৃত বা গৃহীত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।