- ৭৮। তথ্য প্রাপ্তির অধিকার
- ৭৯। তথ্য সরবরাহের পদ্ধতি
- ৮০। তথ্য প্রদানের বাধ্যবাধকতা
- ৮১। সরল বিশ্বাসে কৃত কার্য রক্ষণ
চতুর্দশ অধ্যায় : তথ্য প্রাপ্তির অধিকার ( স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯ )
৭৮। তথ্য প্রাপ্তির অধিকার
(১) প্রচলিত আইনের বিধান সাপেক্ষে, বাংলাদেশের যে কোন নাগরিকের পরিষদ সংক্রান্ত যে কোন তথ্য, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, প্রাপ্তির অধিকার থাকিবে।
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, সরকার জনস্বার্থ এবং স্থানীয় প্রশাসনিক নিরাপত্তার স্বার্থে গেজেট প্রজ্ঞাপন দ্বারা, যে কোন রেকর্ড বা নথিপত্র ক্লাসিফাইড রেকর্ড হিসাবে বিশেষ শ্রেণীভুক্ত করিতে পারিবে।
(৩) কোন ব্যক্তির উক্তরূপ বিশেষ শ্রেণীভুক্ত রেকর্ড ও নথিপত্রের তথ্য জানিবার অধিকার থাকিবে না এবং পরিষদ এই সংক্রান্ত যে কোন আবেদন অগ্রাহ্য করিতে পারিবে।
(৪) সরকার, সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা, এলাকার জনসাধারণের নিকট সরবরাহযোগ্য তথ্যের একটি তালিকা প্রকাশের জন্য পরিষদকে আদেশ দিতে পারিবে।
৭৯। তথ্য সরবরাহের পদ্ধতি
(১) কোন ব্যক্তির কোন তথ্যের প্রয়োজন হইলে তাহাকে নির্ধারিত ফরমে এবং নির্ধারিত ফি দিয়া পরিষদের চেয়ারম্যানের বরাবরে লিখিত আবেদন করিতে হইবে; উক্ত দরখাস্ত নামঞ্জুর বা অন্যরূপ নিষ্পত্তি না হইলে সচিব নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যাচিত তথ্য সরবরাহ করিবেন।
(২) কোন ব্যক্তির আবেদন নামঞ্জুর হইলে উক্ত নামঞ্জুরের কারণ তাহাকে লিখিতভাবে জানাইতে হইবে।
৮০। তথ্য প্রদানের বাধ্যবাধকতা
(১) পরিষদের সচিব বা দায়িত্বপ্রাপ্ত অন্য কোন কর্মকর্তা বা কর্মচারী এই অধ্যায়ে বর্ণিত নোটিফাইড রেকর্ডপত্র ব্যতীত অন্যান্য তথ্য নির্ধারিত পদ্ধতিতে নির্দিষ্ট মেয়াদের মধ্যে সরবরাহ করিতে বাধ্য থাকিবে।
(২) যদি সচিব বা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা কর্মচারী নির্দিষ্ট মেয়াদের মধ্যে উক্তরূপ তথ্য সরবরাহ না করেন, তাহা হইলে প্রতিদিনের বিলম্বের জন্য ৫০/- (পঞ্চাশ) টাকা হারে জরিমানা দিতে হইবে এবং উক্ত জরিমানার অর্থ পরিষদের তহবিলে জমা হইবে।
(৩) পরিষদের সচিব বা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা কর্মচারী যদি তথ্য সরবরাহ না করেন, অথবা যদি তাহার জানা সত্ত্বেও অসত্য বা ভুল তথ্য সরবরাহ করেন, তাহা হইলে তিনি অন্যূন ১,০০০/- (এক হাজার) টাকা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
৮১। সরল বিশ্বাসে কৃত কার্য রক্ষণ
এই আইন, বিধি বা প্রবিধান বা আদেশের অধীন সরল বিশ্বাসে কৃত কোন কার্যের ফলে কোন ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হইলে বা ক্ষতিগ্রস্ত হইবার সম্ভাবনা থাকিলে তজ্জন্য সরকার, পরিষদ বা উহাদের নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন দেওয়ানী বা ফৌজদারী মামলা বা অন্য কোন আইনগত কার্যক্রম গ্রহণ করা যাইবে না।