- ১৭। পানি সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা ও উহার ব্যবস্থাপনা
- ১৮। পানি সংকটাপন্ন এলাকায় পানি সম্পদের অগ্রাধিকার ভিত্তিক ব্যবহার ও অব্যাহতি
- ১৯। ভূগর্ভস্থ পানিধারক স্তরের সর্বনিম্ন সীমা নির্ধারণ ও ভূগর্ভস্থ পানি আহরণে বিধি-নিষেধ
- ২০। জলস্রোতের স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিতকরণ
- ২১। বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের সুরক্ষা
- ২২। জলাধার সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা
- ২৩। পানি অঞ্চলে বিভক্তিকরণ ও উহার ব্যবস্থাপনা
- ২৫। বন্যা নিয়ন্ত্রণ অঞ্চল ঘোষণা ও উহার ব্যবস্থাপনা
- ২৬। জলাধারের সমগ্র পানি আহরণে বিধি-নিষেধ
- ২৭। সুরক্ষা আদেশ ইস্যু ও উহার দ্ধারা বিধি-নিষেধ বা শর্তারোপের ক্ষমতা
- ২৮। পানির দূষণ নিয়ন্ত্রণ
পঞ্চম অধ্যায় : পানির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ এবং পানি সম্পদের সুরক্ষা ও সংরক্ষণ ( বাংলাদেশ পানি আইন, ২০১৩ )
১৭। পানি সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা ও উহার ব্যবস্থাপনা
(১) সরকার নির্বাহী কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে জলাধার বা পানিধারক স্তরের সুরক্ষার জন্য, যথাযথ অনুসন্ধান, পরীক্ষা নিরীক্ষা বা জরিপের ফলাফলের ভিত্তিতে, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, যেকোন এলাকা বা উহার অংশবিশেষ বা পানি সম্পদ সংশ্লিষ্ট যেকোন ভূমিকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য পানি সংকটাপন্ন এলাকা হিসাবে ঘোষণা করিতে পারিবে।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন জারিকৃত প্রজ্ঞাপনে মৌজা ম্যাপ ও দাগ নম্বর উল্লেখ করিয়া পানি সংকটাপন্ন এলাকার সীমানা নির্দিষ্ট করিতে হইবে।
(৩) নির্বাহী কমিটি পানি সংকটাপন্ন এলাকার সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করিবার লক্ষ্যে, এই আইনের বিধানাবলি সাপেক্ষে, সুরক্ষা আদেশ দ্বারা যেকোন বিধি-নিষেধ আরোপ করিতে পারিবে।
১৮। পানি সংকটাপন্ন এলাকায় পানি সম্পদের অগ্রাধিকার ভিত্তিক ব্যবহার ও অব্যাহতি
(১) আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, জাতীয় ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর স্বার্থে, পানি সংকটাপন্ন এলাকার পানির প্রাপ্যতা সাপেক্ষে, নিম্ন ক্রমানুযায়ী পানির আহরণ বা ব্যবহার করিতে হইবে, যথা:-
(ক) খাবার পানি
(খ) গৃহস্থালী কাজ;
(গ) কৃষি কাজ;
(ঘ) মৎস্য চাষ;
(ঙ) পরিবেশের ভারসাম্য;
(চ) বন্য প্রাণী
(ছ) নদীতে পানি প্রবাহ অক্ষুণ্ণ রাখা;
(জ) শিল্প খাত
(ঝ) লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণ
(ঞ) বিদ্যুৎ উৎপাদন;
(ট) বিনোদন; এবং
(ঠ) অন্যান্য।
(২) নির্বাহী কমিটি, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, সংশ্লিষ্ট এলাকার আর্থ-সামাজিক অবস্থা ও জনগণের মতামতের ভিত্তিতে উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত ক্রম পরিবর্তন করিতে পারিবে।
(৩) এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে কোন পানি সংকটাপন্ন এলাকার পানির প্রাপ্যতার বিষয়ে, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, ডিজিটাল, ইলেক্ট্রনিক বা প্রিন্ট মিডিয়ায় গণবিজ্ঞপ্তি দ্বারা বহুল প্রকাশ ও সাধারণ্যে প্রচার করিতে হইবে।
১৯। ভূগর্ভস্থ পানিধারক স্তরের সর্বনিম্ন সীমা নির্ধারণ ও ভূগর্ভস্থ পানি আহরণে বিধি-নিষেধ
(১) আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, নির্বাহী কমিটি, যথাযথ অনুসন্ধান, পরীক্ষা-নিরীক্ষা বা জরিপের ফলাফলের ভিত্তিতে, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, যেকোন এলাকার ভূগর্ভস্থ পানিধারক স্তরের সর্বনিম্ন নিরাপদ আহরণ সীমা (safe yield) নির্ধারণ করিতে পারিবে
(২) ভূগর্ভস্থ পানিধারক স্তরের সর্বনিম্ন নিরাপদ আহরণ সীমা যে এলাকার জন্য প্রযোজ্য হইবে সেই এলাকার মৌজা ম্যাপ ও দাগ নম্বর উল্লেখ করিয়া উহার সীমানা উপ-ধারা (১) এর অধীন জারিকৃত প্রজ্ঞাপনে নির্দিষ্ট করিতে হইবে।
(৩) কোন ব্যক্তি বা উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ, ভূগর্ভস্থ পানিধারক স্তরের সর্বনিম্ন নিরাপদ আহরণ সীমা ও বিদ্যমান অন্যান্য আইনের বিধানাবলি সাপেক্ষে, ভূগর্ভস্থ পানি আহরণের জন্য বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, গভীর বা অগভীর নলকূপ স্থাপন করিতে পারিবে
(৪) ভূগর্ভস্থ পানিধারক স্তর হইতে পানির নিরাপদ আহরণ নিশ্চিত করিবার লক্ষ্যে নির্বাহী কমিটি, এই আইনের বিধানাবলি সাপেক্ষে, সুরক্ষা আদেশ দ্বারা যেকোন বিধি-নিষেধ আরোপ করিতে পারিবে।
ব্যাখ্যা: এই ধারায় "নিরাপদ আহরণ সীমা" অর্থ পানিধারক স্তর হইতে পানির এমন কোন পরিমাণ উত্তোলন যাহার ফলে পানিধারক স্তর নিরাপদ ও সুরক্ষিত থাকে।
২০। জলস্রোতের স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিতকরণ
(১) উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত কোন ব্যক্তি বা সংস্থা, কোন জলাধারে, তীরবর্তী হউক বা না হউক, স্থাপনা নির্মাণ করিয়া বা জলাধার ভরাট করিয়া বা জলাধার হইতে মাটি বা বালু উত্তোলন করিয়া জলস্রোতের স্বাভাবিক প্রবাহ বন্ধ বা উহার প্রবাহে বাধা সৃষ্টি বা উহার গতিপথ পরিবর্তন বা পরিবর্তনের চেষ্টা করিতে পারিবে না:
তবে শর্ত থাকে যে, জলাধারের উন্নয়নের স্বার্থে বা উহার তীরের ভাঙ্গন রোধকল্পে যথাযথ সমীক্ষার ভিত্তিতে এবং উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে, জলাধারে যেকোন স্থাপনা নির্মাণ বা জলাধার সম্পূর্ণ বা উহার অংশবিশেষ ভরাট করা যাইবে:
আরও শর্ত থাকে যে, প্রাকৃতিক বন্যার কবল হইতে জনসাধারণ ও তাহাদের সম্পদ রক্ষার্থে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে, ধারা ২১ এর সামগ্রিকতাকে ক্ষুণ্ন না করিয়া জলাধারে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণ করা যাইবে
(২) জলস্রোতের স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করিবার লক্ষ্যে নির্বাহী কমিটি, এই আইনের বিধানাবলি সাপেক্ষে, সুরক্ষা আদেশ দ্বারা যেকোন বিধি-নিষেধ আরোপ করিতে পারিবে।
২১। বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের সুরক্ষা
(১) বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের স্থায়িত্ব রক্ষার স্বার্থে উহার উপর বা উহার পার্শ্বঢালে কোন ব্যক্তি, উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ব্যতীত, কোন প্রকার ঘরবাড়ি, স্থাপনা বা অবকাঠামো নির্মাণ করিতে পারিবেন না।
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, বাঁধ মজবুতকরণ এবং সরকারের বনায়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য, প্রচলিত নীতিমালা অনুসরণপূর্বক, বাঁধের পার্শ্বে সুসংগঠিত ও পরিকল্পিত উপায়ে উপযুক্ত বৃক্ষ রোপণ করা যাইবে।
(৩) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, বাঁধের সুরক্ষার জন্য ব্যবহৃত ভূমির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিতকল্পে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ, উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে, সড়ক বা রাস্তা হিসাবে ব্যবহার করা যাইব
(৪) যদি কোন ব্যক্তি, উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত, উপ-ধারা (১) এর বিধান লংঘন করিয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের উপর কোন প্রকার ঘর-বাড়ি, স্থাপনা বা অবকাঠামো নির্মাণ করেন, তাহা হইলে নির্বাহী কমিটি বিদ্যমান অন্যান্য আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, অপসারণ আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।
(৫) বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করিবার জন্য নির্বাহী কমিটি, এই আইনের বিধানাবলি সাপেক্ষে, সুরক্ষা আদেশ দ্বারা যেকোন বিধি-নিষেধ আরোপ করিতে পারিবে।
২২। জলাধার সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা
(১) আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যথাযথ অনুসন্ধান, পরীক্ষা-নিরীক্ষা বা জরিপের ফলাফলের ভিত্তিতে, নির্বাহী কমিটির নিকট যদি এই মর্মে প্রতীয়মান হয় যে,
(ক) কোন প্রাকৃতিক বা অন্য কোন কারণে সুপেয় পানির তীব্র সংকট থাকায় সুপেয় পানির উৎস হিসাবে কোন দীঘি, পুকুর বা অনুরূপ কোন জলাধার সংরক্ষণ করা আশু প্রয়োজন; বা
(খ) অতিথি পাখির নিরাপদ অবস্থান, অবাধ বিচরণ এবং অভয়াশ্রম নিশ্চিত করিবার জন্য কোন হাওর, বাঁওর বা অনুরূপ কোন জলাধার সংরক্ষণ করা আশু প্রয়োজন,
তাহা হইলে নির্বাহী কমিটি, সীমানা নির্ধারণ করিয়া, সুপেয় পানির উৎস হিসাবে সংশ্লিষ্ট জলাধার সংরক্ষণের জন্য উহার মালিক বা উপযুক্ত কর্তৃপক্ষকে সুরক্ষা আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন প্রদত্ত আদেশ জলাধারের মৌজা ম্যাপ ও দাগ নম্বর উল্লেখ করিয়া উহার সীমানা নির্দিষ্ট করিতে হইবে।
(৩) জলাধারের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করিবার লক্ষ্যে নির্বাহী কমিটি, এই আইনের বিধানাবলি সাপেক্ষে, সুরক্ষা আদেশ দ্বারা যেকোন বিধি-নিষেধ আরোপ করিতে পারিবে।
২৩। পানি অঞ্চলে বিভক্তিকরণ ও উহার ব্যবস্থাপনা
পানির কার্যকর এবং সুষ্ঠু ব্যবহারের উদ্দেশ্যে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য মন্ত্রণালয়, বিভাগ বা সংস্থার সহিত আলোচনা ও সমন্বয়পূর্বক নির্বাহী কমিটি, যথাযথ অনুসন্ধানের ভিত্তিতে, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, যেকোন এলাকাকে নিম্নরূপ অঞ্চলে বিভক্ত করিতে পারিবে, যথা:-
(ক) শিল্প পানি অঞ্চল;
(খ) কৃষি পানি অঞ্চল;
(গ) ঈষৎ লোনা পানিতে মৎস্য চাষ (ব্রাকিশ একুয়াকালচার) পানি অঞ্চল;
(ঘ) হ্যাচারি পানি অঞ্চল।
(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত পানি অঞ্চলের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করিবার লক্ষ্যে নির্বাহী কমিটি, এই আইনের বিধানাবলি সাপেক্ষে, সুরক্ষা আদেশ দ্বারা যেকোন বিধি-নিষেধ আরোপ করিতে পারিবে।
২৫। বন্যা নিয়ন্ত্রণ অঞ্চল ঘোষণা ও উহার ব্যবস্থাপনা
(১) বন্যার জলস্রোতের প্রবাহ নির্বিঘ্ন করিবার লক্ষ্যে যথাযথ অনুসন্ধান ও জরীপের ফলাফলের ভিত্তিতে নির্বাহী কমিটি, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, যেকোন জলাভূমিকে, জাতীয় ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর স্বার্থে, বন্যা নিয়ন্ত্রণ অঞ্চল হিসাবে ঘোষণা করিতে পারিবে।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন জারিকৃত প্রজ্ঞাপনে বন্যা নিয়ন্ত্রণ অঞ্চলের মৌজা ম্যাপ ও দাগ নম্বর উল্লেখ করিয়া উহার সীমানা নির্দিষ্ট করিতে হইবে।
(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীন ঘোষিত বন্যা নিয়ন্ত্রণ অঞ্চলের সুরক্ষার জন্য নির্বাহী কমিটি, সাধারণ ক্ষেত্রে বিধি দ্বারা এবং বিশেষ ক্ষেত্রে আদেশ দ্বারা, উক্ত অঞ্চলের মধ্য দিয়া বন্যার পানির প্রবাহে বাঁধা বা জলাধারের পানির প্রবাহ পরিবর্তনকারী যেকোন কর্মকান্ড নিষিদ্ধকরণ বা উহার উপর শর্তারোপ করিতে পারিবে।
২৬। জলাধারের সমগ্র পানি আহরণে বিধি-নিষেধ
আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন জলাধারের সমগ্র পানি আহরণ করিয়া সম্পূর্ণ নিঃশেষ করা যাইবে নাঃ
তবে শর্ত থাকে যে, এই আইনের বিধানবলি সাপেক্ষে, ব্যক্তিমালিকানাধীন জলাধারের পানি আহরণের ক্ষেত্রে এই ধারার বিধানবলি প্রযোজ্য হইবে না।
২৭। সুরক্ষা আদেশ ইস্যু ও উহার দ্ধারা বিধি-নিষেধ বা শর্তারোপের ক্ষমতা
(১) আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, নির্বাহী কমিটি, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, ধারা ৪২ এর বিধান সাপেক্ষে, সুরক্ষা আদেশ ইস্যু করিতে পারিবে ও জারি করিবে।
(২) সুরক্ষা আদেশ প্রদানের পূর্বে, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, সংশ্লিষ্ট এলাকার জনগণকে শুনানির সুযোগ প্রদান করিয়া তাহাদের বক্তব্য বিবেচনা করিতে হইবে।
(৩) সুরক্ষা আদেশে অন্যান্য বিষয়ের সহিত আরও উল্লেখ থাকিবে যে, উপযুক্ত কারণ ব্যতীত উক্ত আদেশ প্রতিপালন করা বাধ্যতামূলক এবং উহা প্রতিপালন না করা জরিমানাযোগ্য এবং একটি দণ্ডনীয় অপরাধ।
(৪) এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সুরক্ষা আদেশ জারির বিষয়টি, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, ডিজিটাল, ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় গণবিজ্ঞপ্তি দ্বারা বহুল প্রকাশ ও সাধারণ্যে প্রচার করিতে হইবে।
২৮। পানির দূষণ নিয়ন্ত্রণ
পানির দূষণ নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (১৯৯৫ সনের ১নং আইন) এর বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে।
ব্যাখ্যা: ‘‘পানি দূষণ’’ অর্থ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে পানির ভৌত, রাসায়নিক বা জৈব গুণাবলির ক্ষতিকর কোন পরিবর্তন।