(১) প্রত্যেক সমবায় সমিতির হিসাব পত্র প্রতি সমবায় বর্ষে অন্ততঃ একবার নিরীক্ষা করার জন্য অধিদপ্তরের কোন কর্মচারীকে বা অন্য ব্যক্তিকে বা উক্ত সমবায় সমিতিকে অনুদান বা ঋণ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের কোন কর্মচারীকে নিবন্ধক ক্ষমতা প্রদান করিতে পারিবেন এবং নিরীক্ষক উক্ত সমিতির সকল সম্পদ ও হিসাবপত্রসহ অন্যান্য সকল রেজিষ্টার ও বহি নিরীক্ষা করিতে পারিবেন৷
(২) সমবায় সমিতি উহার হিসাবপত্র নিরীক্ষার জন্য বিধি মোতাবেক ফি প্রদান করিবে৷
যদি নিরীক্ষার সময় কোন সমবায় সমিতির সকল হিসাব হালনাগাদ না হইয়া থাকে, তাহা হইলে নিরীক্ষক সমিতির খরচে উক্ত হিসাবপত্র লিপিবদ্ধ করাইতে পারিবেন৷
৪৩ ধারার অধীনে সম্পাদিত নিরীক্ষায় নিম্নত্ত বিষয়াদি অর্ন্তভুক্ত থাকিবে,-
(ক) নগদ তহবিল ও নিরাপত্তা জামানত পরীক্ষা;
(খ) আমানতকারী এবং পাওনাদারদের পাওনার স্থিতি এবং খাতকদের নিকট সমিতির পাওনার পরিমাণ পরীক্ষা;
(গ) মেয়াদোত্তীর্ণ ঋণ, যদি থাকে, পরীক্ষা;
(ঘ) সমিতির সম্পদ ও দেনার মূল্যায়ন;
(ঙ) আর্থিক লেনদেনসহ সমিতির লেনদেনসমূহ বিধি মোতাবেক নির্ধারিত সীমা পর্যন্ত পরীক্ষা;
(চ) ব্যবস্থাপনা কমিটি কর্তৃক নির্ধারিত ফরমে প্রস্তুতকৃত হিসাব বিবরণী পরীক্ষা;
(ছ) আদায়কৃত লাভের প্রত্যয়ন;
(জ) হালনাগাদ সদস্য তালিকা পরীক্ষা;
(ঝ) বিধিদ্বারা নির্ধারিত অন্যান্য বিষয়সমূহ৷
নিরীক্ষক সমবায় সমিতির নিরীক্ষিত হিসাব বিবরণীর সহিত নিম্নv³ বিবরণীসহ একটি নিরীক্ষা প্রতিবেদন নিবন্ধক এবং উক্ত সমিতির নিকট দাখিল করিবেন:-
(ক) এমন লেনদেন যাহা আইন, বিধিমালা বা উপ-আইনের পরিপন্থি বলিয়া তাহার নিকট প্রতীয়মান হয়;
(খ) এমন লেনদেন যাহা হিসাবে অন্তর্ভুক্ত হওয়া উচিত্ ছিল কিন্তু করা হয় নাই;
(গ) কোন ঘাটতি অথবা লোকসান যাহা অবহেলা কিংবা অসদাচরণের ফলশ্রুতিতে ঘটিয়াছে বলিয়া প্রতীয়মান হয় অথবা যাহার অধিক তদন্ত দরকার;
(ঘ) সমিতির মালিকানাধীন কোন অর্থ অথবা সম্পত্তি যাহা কোন ব্যক্তি কর্তৃক আত্মসাত্ করা হইয়াছে বা বেআইনী বা প্রতারণামূলকভাবে অধিকারে রাখা হইয়াছে;
(ঙ) সন্দেহজনক বা কুসম্পদ হিসাবে প্রতীয়মান হয় এমন সম্পদ;
(চ) নির্ধারিত অন্য কোন বিষয়৷
(১) নিরীক্ষা প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর প্রাথমিক সমবায় সমিতি ৬০ (ষাট) দিন এবং অন্যান্য সমবায় সমিতি ১২০ (একশত বিশ) দিনের মধ্যে উক্ত প্রতিবেদনে উল্লিখিত দোষত্রুটি ও অনিয়মসমূহ সংশোধন করিবে এবং গৃহীত ব্যবস্থা সম্পর্কে নিবন্ধককে অবহিত করিবে।
(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত সময়ের মধ্যে ব্যবস্থাপনা কমিটি নিরীক্ষা প্রতিবেদনে উল্লিখিত দোষত্রুটি ও অনিয়মসমূহ সংশোধন না করিলে নিবন্ধক ধারা ২২ অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবেন।]
(১) কোন সমবায় সমিতি অর্থ সরবরাহকারী সংস্থা হইলে যে কোন সময় উহার কোন কর্মকর্তা বা ক্ষমতাপ্রদত্ত অন্য কোন ব্যক্তির দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে ইহার ঋণ গ্রহণকারী সমবায় সমিতির কার্যক্রম পরিদর্শন করাইতে পারিবে৷
(২) নিবন্ধক বিধি দ্বারা নির্ধারিত ক্ষেত্রে ও পদ্ধতিতে যে কোন সমবায় সমিতির কার্যক্রম পরিদর্শন করিতে পারিবেন৷
(৩) এই ধারার অধীন যে কোন পরিদর্শন প্রতিবেদনের কপি উক্ত সমিতি এবং নিবন্ধককেও প্রদান করিতে হইবে৷
(১) নিবন্ধক 1[স্বয়ং অথবা তদ্কর্তৃক গঠিত কমিটি বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি] কোন সমবায় সমিতির কার্যক্রম নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে তদন্ত করিতে পারিবেন:-
(ক) কোন সমবায় সমিতি যদি কোন অর্থ সরবরাহকারী সংস্থার সদস্য হয় বা উক্ত সংস্থা হইতে ঋণ গ্রহণ করিয়া থাকে এবং ঐ অর্থ সরবরাহকারী সংস্থা যদি উক্ত ঋণ সম্পর্কে ঋণগ্রহীতা সমিতির কার্যক্রম তদন্তের জন্য আবেদন করে;
(খ) ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যদের এক-তৃতীয়াংশ সদস্য যদি কোন বিষয়ে তদন্তের আবেদন করেন;
(গ) সমিতির মোট সদস্যের ১০% যদি কোন বিষয়ে তদন্তের আবেদন করেন;
(ঘ) সমিতির নিরীক্ষা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে যদি তদন্তের প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হয়;
(ঙ) মাঠ পর্যায়ে কর্মরত নিবন্ধকের অধঃস্তন কোন কর্মকর্তা যদি তদন্তের সুপারিশ করিয়া সুনির্দিষ্ট রিপোর্ট পেশ করেন৷
(২) উপধারা (১) এর অধীনে প্রদত্ত তদন্ত আদেশে নিবন্ধক-
(ক) উক্ত উপ-ধারার দফা (ঘ) এবং (ঙ) তে বর্ণিত ক্ষেত্রে সমিতির বিগত দশ বত্সরের কার্যক্রম পরীক্ষার জন্য নির্দেশ দিতে পারিবেন;
(খ) অন্যান্য ক্ষেত্রে প্রাপ্ত আবেদনে উল্লিখিত বা তত্সংক্রান্ত বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দিতে পারিবেন৷
2[(৩) এই ধারায় যাহা কিছুই থাকুক না কেন, সরকার স্বতঃপ্রণোদিতভাবে অথবা কোন ব্যক্তি বা সমবায় সমিতির সদস্যের আবেদনের প্রেক্ষিতে সমবায় সমিতির কার্যক্রম তদন্তের নির্দেশ দিতে পারিবে এবং তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে, প্রয়োজনে, নিবন্ধককে ধারা ৮৪ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আদেশ দিতে পারিবে৷]