(১) কোন সমবায় সমিতির নির্বাচনসহ উহার যে কোন কার্যক্রম পরিচালনা বা অবসায়ক কর্তৃক অবসায়ন কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে উদ্ভূত কোন বিরোধে নিম্নবর্ণিত কোন ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষ জড়িত থাকিলে উহা এই আইনের অধীনে একটি বিরোধ বলিয়া গণ্য হইবে, যথা:-
(ক) সমবায় সমিতি, ইহার ব্যবস্থাপনা কমিটির কোন সদস্য, বা সমিতির এজেন্ট বা সমিতির অবসায়ক; অথবা
(খ) সমিতির কোন সদস্য অথবা প্রাক্তন সদস্য বা মৃত সদস্যের মাধ্যমে স্বার্থ অর্জনকারী কোন ব্যক্তি; অথবা
(গ) সমিতির বর্তমান, বিগত বা মৃত সদস্যের জামিনদার, সদস্য হউক আর না হউক, অথবা সংশ্লিষ্ট সমিতির সংগে লেনদেনকারী কোন ব্যক্তি; অথব
(ঘ) অন্য যে কোন সমবায় সমিতি অথবা ঐ সমিতির অবসায়ক; অথবা
1[(ঙ) নির্বাচন অনুষ্ঠানের পূর্বে প্রার্থীতা বাতিলের বিষয়ে সংক্ষুব্ধ কোনো সদস্য এবং নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরে নির্বাচনের ফলাফলে সংক্ষুব্ধ কোনো প্রার্থী;
(চ) কোনো সমবায় সমিতির কার্যক্রম সম্পর্কে সমিতির কোনো আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ কোন সদস্য।]
(২) উপধারা (১) এ উল্লিখিত প্রতিটি বিরোধ সালিসকারীর নিকট লিখিতভাবে নিম্নবর্ণিত সময়সীমার মধ্যে পেশ করিতে হইবে, যথা:-
(ক) নির্বাচনের ক্ষেত্রে, নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ বা ঘোষণার পরবর্তী ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে;
(খ) অন্যান্য ক্ষেত্রে, উক্ত বিরোধের কারণ উদ্ভব হওয়ার পরবর্তী 2[১৮০ (একশত আশি) দিনের] মধ্যে৷
(৩) উপধারা (১) এ উল্লিখিত বিরোধ নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে নিবন্ধক, বিধি সাপেক্ষে, লিখিত আদেশ দ্বারা উপ-সহকারী নিবন্ধক বা তদূর্ধ্ব কর্মকর্তাকে সালিসকারী হিসাবে নিয়োগ করিবেন
(৪) এই ধারার অধীন সালিসকারী প্রদত্ত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে উহা প্রদানের ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে সংক্ষুব্ধ পক্ষ 3[***] নির্ধারিত আপীল কর্তৃপক্ষের নিকট আপীল করিতে পারিবেন৷
(৫) এই ধারার অধীন সকল বিরোধ বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে নিষ্পত্তি করিতে হইবে৷
কোন বিরোধে জামানত হিসাবে বন্ধক দেওয়া কোন সম্পদ জড়িত থাকিলে এই আইনের অধীনে প্রদত্ত রায়ের কার্যকরতা দেওয়ানী আদালত কর্তৃক প্রদত্ত চূড়ান্ত মর্টগেজ ডিক্রী বলিয়া বিবেচিত হইবে এবং তদনুযায়ী উহা বাস্তবায়ন করা যাইবে৷
(১) নিম্নবর্ণিত বিরোধগুলি এই আইন ও বিধি সাপেক্ষে জেলা জজের এখ্তিয়ারভুক্ত হইবে:-
(ক) ধারা ৫০(৪) এর অধীনে নিষ্পত্তিকৃত আপীলে কোন আইনগত প্রশ্ন জড়িত থাকিলে এবং আপীল কর্তৃপক্ষ প্রদত্ত সিদ্ধান্তে উক্ত আইনগত প্রশ্নে সুষ্পষ্ট ভুল থাকিলে এবং সেই কারণে ন্যায় বিচার বিঘ্নিত হইয়াছে বলিয়া উক্ত আপীলের কোন পক্ষ উক্ত সিদ্ধান্ত প্রদত্ত হওয়ার ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে আবেদন করিলে;
(খ) ধারা ৫০ তে উল্লিখিত কোন বিরোধ বা আপীলে কোন জটিল আইনগত প্রশ্ন জড়িত থাকার কারণে সালিসকারী বা আপীল কর্তৃপক্ষ উক্ত বিরোধ বা ক্ষেত্রমত আইনগত প্রশ্নটি সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করিয়া জেলাজজের নিকট প্রেরণ করিলে৷
(২) উপধারা (১) এর অধীনে জেলা জজের নিকট কোন আবেদন দায়ের করা হইলে বা সালিসকারী বা আপীল কর্তৃপক্ষ কোন বিরোধ বা আপীল প্রেরণ করিলে এবং জেলা জজ উক্ত বিষয়ে আইনগত প্রশ্ন জড়িত আছে কি না তত্সম্পর্কে প্রাথমিকভাবে সন্তু(৩) উপধারা (১)(খ) এর অধীনে সালিসকারী বা আপীল কর্তৃপক্ষ পত্রের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট পরিস্থিতি বর্ণনা ও সুনির্দিষ্ট আইনগত প্রশ্নটি উল্লেখপূর্বক সংশ্লিষ্ট নথি সহ জেলাজজের নিকট পত্রের মাধ্যমে যোগাযোগ করিতে পারিবেন৷ ষ্ট হইলে বিষয়টি শুনানীর জন্য গ্রহণ করিবেন৷ অন্যথায় সংশ্লিষ্ট কারণ উল্লেখপূর্বক উক্ত আবেদন বা আইনগত প্রশ্নে উপধারা (১)(খ) এর অধীনে প্রেরিত বিষয় সরাসরি নাকচ করিবেন৷
(৩) উপধারা (১)(খ) এর অধীনে সালিসকারী বা আপীল কর্তৃপক্ষ পত্রের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট পরিস্থিতি বর্ণনা ও সুনির্দিষ্ট আইনগত প্রশ্নটি উল্লেখপূর্বক সংশ্লিষ্ট নথি সহ জেলাজজের নিকট পত্রের মাধ্যমে যোগাযোগ করিতে পারিবেন৷
(৪) এই ধারার অধীনে উত্থাপিত আইনগত প্রশ্নটি জেলাজজ শুনানীর জন্য গ্রহণ করিলে তিনি উহা স্বয়ং নিষ্পত্তির জন্য তাহার অধীনস্থ কোন অতিরিক্ত জেলাজজ বা সাব-জজের নিকট প্রেরণ করিতে বা উহা প্রত্যাহার করিয়া অনুরূপ অপর কোন বিচারকের নিকট প্রেরণ করিতে বা স্বয়ং নিষ্পত্তি করিতে পারিবেন
(৫) এই ধারার অধীন পেশকৃত আবেদন বা প্রেরিত বিরোধ বা আপীল নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে জেলাজজ, বা ক্ষেত্রমত অতিরিক্ত জেলাজজ বা সাব-জজ-
(ক) শুধুমাত্র আইনগত প্রশ্নে সিদ্ধান্ত প্রদান করিবেন না, ঘটনাগত প্রশ্নেও সিদ্ধান্ত প্রদান করিবেন, তবে আইনগত সিদ্ধান্ত প্রদানের সুবিধার্থে সংশ্লিষ্ট ঘটনাবলী বিবেচনা করিতে পারিবেন;
(খ) সংশ্লিষ্ট পক্ষগণকে ব্যক্তিগতভাবে বা উপযুক্ত প্রতিনিধি বা কোন কৌশলীর মাধ্যমে তাহাদের বক্তব্য উপস্থাপনের সুযোগ দান করিবেন এবং উত্থাপিত আইনগত প্রশ্নে কোন পক্ষ নির্ধারিত তারিখে তাহাদের বক্তব্য উপস্থাপন না করিলেও নথিতে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে তাহার রায় প্রদান করিতে পারিবেন;
(গ) বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ করিবেন এবং কোন বিষয়ে বিধি না থাকিলে তাহার বিবেচনামত যথাযথ যে কোন পদ্ধতি অবলম্বন করিতে পারিবেন৷
(৬) এই ধারার অধীনে জেলাজজ, বা ক্ষেত্রমত, অতিরিক্ত জেলাজজ বা সাব-জজ কর্তৃক প্রদত্ত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপীল চলিবে না বা উহা পুনরীক্ষণের জন্য আবেদন করা যাইবে না৷
(৭) উপধারা (১) উল্লিকিত বিষয় বা এই আইনে সুনির্দিষ্টভাবে অনুমোদিত এমন কোন বিষয় ব্যতীত জেলাজজের নিকট বা অন্য দেওয়ানী আদালতে এই আইনের অধীনে গৃহীত কোন কার্যক্রমের বৈধতা বা যথার্থতা সম্পর্কে কোন প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না, এবং বিশেষতঃ নিম্নবর্ণিত বিষয়ে উক্ত আদালতের কোন এখ্তিয়ার থাকিবে না:-
(ক) কোন সমবায় সমিতি নিবন্ধন অথবা উহার উপ-আইন প্রণয়ন বা সংশোধন এর ব্যাপারে নিবন্ধক কর্তৃক গৃহীত কার্যক্রম বা প্রদত্ত সিদ্ধান্ত;
(খ) কোন ব্যবস্থাপনা কমিটি বাতিল এবং উহার বাতিলের প্রেক্ষিতে সমিতির ব্যবস্থাপনা পরিচালনা সংক্রান্ত কার্যক্রম;
(গ) ধারা ৫০ অনুযায়ী সালিসকারীর নিকট প্রেরণযোগ্য কোন বিরোধ;
(ঘ) কোন সমবায় সমিতির অবসায়ন বা উহার নিবন্ধন বাতিলের ব্যাপারে নিবন্ধকের সিদ্ধান্ত বা কার্যক্রম৷
(৮) কোন সমবায় সমিতি অবসায়ন কার্যক্রম চলাকালে সমিতির ব্যবসা সংশ্লিষ্ট কোন বিষয়ে এই আইন বা অন্য কোন আইনের অধীনে কোন মামলা বা আইনগত কার্যক্রম কিংবা অবসায়কের বিরুদ্ধে অথবা সমিতি কিংবা উহার কোন সদস্যের বিরুদ্ধে কোন মামলা বা অন্য কোনরূপ আইনগত কার্যক্রম শুরু বা দায়ের করিতে হইলে নিবন্ধকের পূর্বানুমতির প্রয়োজন হইবে এবং এইরূপ অনুমতি ব্যতীত কোন আদালত উক্তরূপ কোন মামলা গ্রহণ করিবে না৷