এই আইনের ধারা ১৪ এর অধীন এ্যাক্রেডিটেশন সনদ গ্রহণ করিয়া পরীক্ষাগার, সনদ প্রদানকারী সংস্থা, পরিদর্শন সংস্থা, প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান, ইত্যাদি স্থাপন ও পরিচালনা করা যাইবে৷
পরীক্ষাগার, সনদ প্রদানকারী সংস্থা, পরিদর্শন সংস্থা, প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান, ইত্যাদি স্থাপন ও পরিচালনার শর্তাবলী প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হইবে৷
(১) পরীক্ষাগার, সনদ প্রদানকারী সংস্থা, পরিদর্শন সংস্থা, প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান, ইত্যাদি স্থাপন ও পরিচালনায় ইচ্ছুক কোন ব্যক্তি এ্যাক্রেডিটেশনের জন্য বোর্ডের নিকট প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে ও ফরমে আবেদন করিতে পারিবেন৷
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন প্রাপ্ত আবেদনে উল্লিখিত তথ্যাবলীর সত্যতা যাচাইয়ের জন্য বোর্ড আবেদন প্রাপ্তির সাত দিনের মধ্যে উহা বাছাই কমিটির নিকট প্রেরণ করিবে৷
(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন আবেদন প্রাপ্তির অনধিক নব্বই দিনের মধ্যে বাছাই কমিটি আবেদনে উল্লিখিত স্থান সরেজমিনে পরিদর্শন করিবে এবং প্রাপ্ত তথ্যাবলী পরীক্ষা ও যাবতীয় বিষয় অনুসদ্ধান করিবার পর তদবিষয়ে একটি পূর্ণাংগ প্রতিবেদন বোর্ডের নিকট দাখিল করিবে৷
ধারা ১৩ এর উপ-ধারা (৩) এর অধীন প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর বোর্ড-
(ক) যদি এই মর্মে সন্তষ্ট হয় যে, আবেদনকারী পরীক্ষাগার, সনদ প্রদানকারী সংস্থা, পরিদর্শন সংস্থা, প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান, ইত্যাদি স্থাপন ও পরিচালনার জন্য প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত শর্ত পূরণে সক্ষম, তাহা হইলে বোর্ড ধারা ১৮ এর অধীন নির্ধারিত এ্যাক্রেডিটেশন ফিস আদায় করিয়া ত্রিশ দিনের মধ্যে আবেদনকারীকে এ্যাক্রেডিটেশন সনদ প্রদান করিবে; অথবা
(খ) যদি এইরূপ অভিমত পোষণ করে যে, প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত শর্তাবলী পূরণ করিবার জন্য আবেদনকারীকে সুযোগ প্রদান করা সমীচীন, তাহা হইলে উক্ত শর্তাবলী পূরণ করিবার জন্য বোর্ড আবেদনকারীকে ত্রিশ দিন সময় প্রদান করিবে, এবং
(অ) উক্ত সময়ের মধ্যে উল্লিখিত সকল শর্তাবলী প্রতিপালন করিতে আবেদনকারী সক্ষম হইয়াছে মর্মে সন্তুষ্ট হইবার পরবর্তী পনের দিনের মধ্যে আবেদন মঞ্জুর করিয়া এ্যাক্রেডিটেশন সনদ প্রদান করিবে; বা
(আ) উক্ত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় শর্তাবলী পূরণ করিতে আবেদনকারী ব্যর্থ হইলে আবেদন নামঞ্জুর করিয়া আবেদনকারীকে অবহিত করিবে; অথবা
(গ) যদি এইরূপ অভিমত পোষণ করে যে আবেদনকারী প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত শর্তাবলীর মধ্যে অধিকাংশ শর্ত পূরণ করিতে সক্ষম হয় নাই এবং আবেদনকারীকে দফা (খ) তে উল্লিখিত সুযোগ প্রদান করা হইলে উক্ত সময়ের মধ্যে অবশিষ্ট শর্তাবলী পূরণ করিতে সক্ষম হইবার সম্ভাবনা নাই, তাহা হইলে আবেদনকারীর আবেদন সরাসরি নামঞ্জুর করিয়া পনের দিনের মধ্যে আবেদনকারীকে অবহিত করিবে৷
এই আইন কার্যকর হইবার অব্যবহিত পূর্বে কোন ব্যক্তি কোন পরীক্ষাগার, সনদ প্রদানকারী সংস্থা, পরিদর্শন সংস্থা, প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান, ইত্যাদি স্থাপন ও পরিচালনা করিয়া থাকিলে তিনি এই আইন কার্যকর হইবার ত্রিশ দিনের মধ্যে ধারা ১৩ এর উপ-ধারা (১) এ নির্ধারিত পদ্ধতিতে ও ফরমে বোর্ডের নিকট আবেদন করিতে পারিবে এবং উক্তরূপ আবেদন প্রাপ্তির পর বোর্ড ধারা ১৩ এর উপ-ধারা (২), (৩) এবং ধারা ১৪ তে বর্ণিত পদ্ধতি অনুসরণ করিবে৷
এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে বোর্ড, ভাইস চেয়ারম্যান, ধারা ৫(১) এর দফা (ঙ)-(ছ) এর অধীন মনোনীত সদস্যের মধ্য হইতে একজন সদস্য ও মহাপরিচালকের সমন্বয়ে একটি বাছাই কমিটি গঠন করিবে৷
(১) ধারা ১৪ এর অধীন প্রদত্ত এ্যাক্রেডিটেশন সনদের মেয়াদ হইবে তিন বত্সর৷
(২) উপ-ধারা (১) এ বর্ণিত এ্যাক্রেডিটেশন সনদের মেয়াদ শেষ হইবার নব্বই দিন পূর্বে এ্যাক্রেডিটেশন সনদ নবায়নের নির্ধারিত ফিসসহ নবায়নের জন্য বোর্ডের নিকট প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত ফরমে আবেদন করিতে হইবে এবং উক্তরূপ আবেদন প্রাপ্তির পর বোর্ড ধারা ১৩ এর উপ-ধারা (২), (৩) এবং ধারা ১৪ তে বর্ণিত পদ্ধতি অনুসরণ করিবে৷
বোর্ড, প্রবিধান দ্বারা, এ্যাক্রেডিটেশন ফিস এবং নবায়ন ফিসের হার নির্ধারণ ও পুনঃনির্ধারণ করিতে পারিবে৷
ধারা ১৪ এর অধীন প্রদত্ত প্রতিটি এ্যাক্রেডিটেশন সনদ সংরক্ষণ করিতে হইবে এবং এ্যাক্রেডিটেশন প্রাপ্ত সকল পরীক্ষাগার, সনদ প্রদানকারী সংস্থা, পরিদর্শন সংস্থা, প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি কর্তৃক উক্ত সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের একটি দৃষ্টিগ্রাহ্য স্থানে উহা প্রদর্শনের ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে হইবে৷
(১) ধারা ১৪ এর অধীনে এ্যাক্রেডিটেশন সনদপ্রাপ্ত পরীক্ষাগার, সনদ প্রদানকারী সংস্থা, পরিদর্শন সংস্থা, প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি কর্তৃক এ্যাক্রেডিটেশন মার্ক ব্যবহার করিতে হইবে৷
(২) কোন পরীক্ষণ অথবা অন্যবিধ কর্মকান্ড পরিচালনার জন্য কোন পরীক্ষাগার, সনদ প্রদানকারী সংস্থা, পরিদর্শন সংস্থা, প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি যতদিনের জন্য এ্যাক্রেডিটেশন সনদপ্রাপ্ত হইবে, এ্যাক্রেডিটেশন মার্কটিও ততদিন বৈধ থাকিবে৷
(১) ধারা ১৪ এর অধীনে এ্যাক্রেডিটেশন সনদপ্রাপ্তি ব্যতিরেকে কোন ব্যক্তি, পরীক্ষাগার, সনদ প্রদানকারী সংস্থা, পরিদর্শন সংস্থা, প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির পক্ষে, কোন পেটেন্ট, ট্রেডমার্কে বা ডিজাইনে কিংবা বিজ্ঞাপনে অথবা অন্যকোন প্রক্রিয়ায় এ্যাক্রেডিটেশন মার্ক অথবা উহার সহিত সামঞ্জস্যপূর্ণ কোন মার্কের প্রতিচ্ছবি ব্যবহার করা যাইবে না৷
(২) বোর্ড কর্তৃক প্রদত্ত সনদের শর্তাবলী প্রতিপালন ব্যতীত কোন পরীক্ষাগার, সনদ প্রদানকারী সংস্থা, পরিদর্শন সংস্থা, প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট এ্যাক্রেডিটেশন মার্ক বা উহার সহিত সামঞ্জস্যপূর্ণ কোন মার্কের প্রতিচ্ছবি ব্যবহার করিতে পারিবে না৷
(১) উপ-ধারা (২) এ বর্ণিত শর্ত সাপেক্ষে কোন ব্যক্তি এই আইনের অধীন বোর্ডের জন্য প্রদত্ত কোন নাম বা উহার এক্রোনিম ব্যবহার করিয়া কোন কার্যক্রম, ব্যবসা, বাণিজ্য বা পেশা পরিচালনা করিতে পারিবেন৷
(২) বোর্ডের লিখিত অনুমোদন ব্যতিরেকে-
(ক) Trade Marks Act, 1940 (Act No. V of 1940) এর অধীনে ইতিমধ্যে নিবন্ধিত না হইয়া থাকিলে বোর্ড কর্তৃক গৃহীত কোন ট্রেড মার্ক, ডিভাইস, ব্র্যান্ড, হেডিং, লেবেল, টিকেট, সচিত্র উপস্থাপনা, নাম, স্বাক্ষর, অক্ষর, সংখ্যা অথবা নাম বা নামের এক্রোনিমের শব্দ সমন্বয়ে গঠিত কোন স্বাক্ষর, অক্ষর, সংখ্যা অথবা এইসবের যুক্ততা Trade Marks Act, 1940 (Act No. V of 1940) এর অধীনে নিবন্ধন করা যাইবে না, এবং
(খ) ধারা ১৪ এর অধীন এ্যাক্রেডিটেশন প্রাপ্তি ব্যতিরেকে কোন ব্যক্তি “বাংলাদেশ এ্যাক্রেডিটেশন” শব্দসম্বলিত মার্কের অথবা ধারা ১৪ এর অধীনে এ্যাক্রেডিটেশন প্রাপ্ত হইয়াছে এমন ধারণা সৃষ্টিকারী শব্দের বর্ণনার আওতায় কোন সেবা বা সুযোগ (facility) প্রদান করিতে পারিবে না
(৩) কোন ব্যক্তি এই আইন কার্যকর হইবার তারিখে কোন কার্যক্রম, ব্যবসা, বাণিজ্য বা পেশা অথবা উপ-ধারা (২) (ক) তে উল্লিখিত কোন নামে নিবন্ধিত থাকিলে উক্ত উপ-ধারা (২) এর শর্তাদি নির্বিশেষে কার্যক্রম, ব্যবসা, বাণিজ্য বা পেশা চালাইয়া যাইতে কিংবা উক্ত নামে নিবন্ধিত থাকিতে পারিবে৷
কোন ইন্সট্রুমেন্টে বোর্ডের সীল যুক্ত করিবার ক্ষেত্রে বোর্ড কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত একজন কর্মকর্তার উপস্থিতি এবং প্রত্যয়ন প্রয়োজন হইবে৷
(১) বোর্ডের প্রয়োজন অনুযায়ী প্রত্যেক আবেদনকারী সনদ প্রাপ্তির জন্য প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে ব্যবহৃত বস্তু বা বিষয়ের নমুনা এবং তথ্যাবলী বোর্ডকে প্রদান করিবে৷
(২) প্রত্যেক আবেদনকারী বোর্ডের কর্মকর্তাকে নিবন্ধনকৃত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে প্রবেশাধিকার দিতে বাধ্য থাকিবে৷
ধারা ১৪ এর অধীনে এ্যাক্রেডিটেশন সনদপ্রাপ্ত কোন পরীক্ষাগার, সনদ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান, পরিদর্শন সংস্থা, প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি এই আইন বা তদধীন প্রণীত বিধি বা প্রবিধানমালায় উল্লিখিত শর্তাবলী বা নির্ণায়কসমূহ লঙ্ঘন করিলে বা প্রতিপালন করিতেছে না মর্মে বোর্ডের নিকট প্রতীয়মান হইলে, যথাযথ তদন্ত সাপেক্ষে, বোর্ড প্রবিধানমালার বিধান অনুযায়ী, এ্যাক্রেডিটেশন সনদ বাতিল করিত পারিবে৷
(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, মহাপরিচালক বা তদকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তা কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ বা নির্দেশের দ্বারা যদি কোন ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত বা সংক্ষুব্ধ হয়, তাহা হইলে উক্ত ক্ষতিগ্রস্ত বা সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি অনুরূপ আদেশ বা নির্দেশ প্রদানের তারিখের নব্বই দিনের মধ্যে প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত ফিস পরিশোধ সাপেক্ষে প্রতিকার লাভের উদ্দেশ্যে-
(ক) আদেশটি যদি মহাপরিচালক কর্তৃক প্রদান করা হইয়া থাকে, তাহা হইলে সরকারের নিকট; এবং
(খ) আদেশটি যদি কোন কর্মকর্তা কর্তৃক প্রদান করা হইয়া থাকে, তাহা হইলে চেয়ারম্যানের নিকট, আপীল করিতে পারিবেন৷
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন কন আপীলের ক্ষেত্রে অনধিক নব্বই দিনের মধ্যে উহা নিষ্পত্তি করিতে হইবে৷
(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীন আপীলের ক্ষেত্রে সরকারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলিয়া গণ্য হইবে৷
বোর্ডের কোন সদস্য বা কর্মকর্তা বা কর্মচারী বা অ্যাসেসর কর্তৃক এই আইনের অধীনে প্রদত্ত কোন বিবরণ বা সরবরাহকৃত তথ্যাবলী বা সাক্ষ্য-প্রমাণ বা পরিদর্শন রিপোর্ট হইতে প্রাপ্ত যে কোন তথ্য গোপনীয় বলিয়া বিবেচিত হইবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, এই আইনের অধীনে কোন মামলার কারণে কোন তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে এই ধারার বিধান কার্যকর হইবে না৷