| বিধি নং | SRO No. 291-Act/2015 | পার্ট | |
|---|---|---|---|
| বিধি সন | ২০১৫ | অধ্যায় | ১৯ |
| বিধি তারিখ | ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৫ | বিধি | ৩৬৭ |
| সংশোধনী | ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২২ | তফশিল | ৭ |
| সর্বশেষ সংশোধনী | ফর্ম | ৮১ |
Notification
Date: 31st Bhadra, 1422 BS corresponding to 15th September 2015
SRO No. 291-Act/2015. The government formulates the following rules by dint of powers given in the section 351 of the Bangladesh Labor Act, 2006 (Act No. 42 of 2006) such as:
1| (1) GB wewagvjv evsjv‡`k kªg wewagvjv, 2015 bv‡g AwfwnZ nB‡e|
(2) Bnv Awej‡¤¦ Kvh©Ki nB‡e|
(১) বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থি কোন কিছূ না থাকিলে, এই বিধিমালায় -
(ক) “আইন” অর্থ বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ (২০০৬ সনের ৪২ নং আইন)
(খ) “উপযুক্ত ব্যক্তি” অর্থ এই বিধিমালার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সরকার বা মহাপরিদর্শক বা শ্রম পরিচালক কর্তৃক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞতাসম্পন্ন মনোনীত কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান;
(গ) “উত্তোলক যন্ত্র (--------)" অর্থ ক্রেন (---),
welq ev cÖm‡½i cwicwš’ †Kvb wKQy bv _vwK‡j, GB wewagvjvq-
(K) ÒAvBbÓ A_© evsjv‡`k kªg AvBb, 2006 (2006 m‡bi 42bs
AvBb);
(L) ÒDchy³ e¨w³Ó A_© GB wewagvjvi D‡Ïk¨ c~iYK‡í miKvi ev
gnvcwi`k©K ev kÖg cwiPvjK KZ…©K mswkøó wel‡q AwfÁZvm¤úbœ g‡bvbxZ ‡Kvb e¨vw³ ev
cÖwZôvb;
(M) ÒD‡ËvjK hš¿Ó (Lifting machinery)Ó A_© ‡µb (Crane), DB (Winche), n‡q÷ (Hoists), †WwiK eyg (Derrick Boom), †WwiK I gv÷ e¨vÛ (Derrick and Mast Band) ¸R †bK (Goose Neck), AvB‡evë (Eyebolt), †¯cÖWvi (Spreader) Ges †Kvb cOwμqvi mwnZ m¤úwK©Z DVvBevi-bvgvBevi Kv‡R e¨eüZ fviD‡ËvjK (Derrick), gv¯‘j (Mast) Ges cvUvZb (Deck) Gi mwnZ ¯’vqxfv‡e ms¯’vwcZ hš¿;
(N) ÒRvnvR (Ship)Ó A_© m¤ú~Y©fv‡e `voUvbv bq A_P
†bŠ-cwien‡bi Kv‡R e¨eüZ †h ‡Kvb †bŠ-hvb, Z‡e †Kvb †`wk †bŠKv ev eRiv Bnvi
AšÍfy©³ nB‡e bv;
(O) Ò‡Uwj‡dvb mvwf©mÓ A_© ‡gvevBj Acv‡iUi cÖwZôvb I
j¨vÛ ‡dvb Acv‡iUi cÖwZôvbmn ‡Uwj‡hvMv‡hvM m¤úwK©Z †mev cÖ`vbKvix ‡Kvb mvwf©m;
(P) ÒwVKv`vi ms¯’vÓ A_©
aviv 3K Gi Aaxb wbewÜZ cÖwZôvb hvnv ‡Kvb Pzw³i Aaxb ‡Kvb KvR m¤úv`bK‡í kÖwgK
mieivn K‡i;
(Q) ÒZ`viwK Kg©KZ©vÓ A_© gvwjK ev e¨e¯’vcbv KZ©„c¶ KZ©„K wjwLZfv‡e
ÿgZvcÖvß Ggb †Kvb e¨w³ whwb D³ ÿgZve‡j KviLvbv ev cÖwZôv‡bi ‡Kvb kvLvi ‡Kvb
Kv‡Ri ev †mevi j¶¨gvÎv wba©viY, Kv‡Ri cwiwa wbqš¿Y, ev¯Íevqb Kvh©µg wbqš¿Y,
Kv‡Ri g~j¨vqb ev ch©v‡jvPbv, kÖwgK‡`i w`K wb‡`©kbv cÖ`vb ev Z`viwK K‡ib;
(R) ÒZdwmjÓ A_© GB wewagvjvi ‡Kvb Zdwmj;
(S) ÒavivÓ A_©
AvB‡bi †Kvb aviv;
(T) ÒcÖkvmwbK ev e¨e¯’vcbvg~jK Kv‡R `vwqZ¡cÖvß †Kvb e¨w³Ó A_©
gvwjK ev e¨e¯’vcbv KZ©„cÿ KZ©„K wjwLZfv‡e ÿgZvcÖvß †Kvb e¨w³ whwb D³ ¶gZve‡j
KviLvbv ev cÖwZôv‡b kÖwgK ev Kg©Pvix‡`i wb‡qvM, ‡eZb I fvZvw` wba©viY,
PvKwii Aemvb ev PvKwi nB‡Z AcmviY, P~ovšÍ cvIbvw`
cwi‡kva Ges cÖwZôv‡bi e¨q Aby‡gv`b ev wbqš¿Y Kv‡R wb‡qvwRZ;
(U) cÖwµqv (Process)Ó A_©
Rvnv‡R A_ev Rvnv‡Ri cv‡k Ae¯’vbK…Z Ab¨ Rvnv‡R gvjvgvj ev R¡vjvbx †evSvB Kiv ev
RvnvR nB‡Z gvjvgvj ev R¡vjvwb ev †Zj RvZxq c`v_© Lvjvm Kwievi Rb¨ cÖ‡qvRbxq KvR
Ges Bnvi mwnZ
Avbylw½K Ab¨vb¨ KvRI Bnvi AšÍfy©³ nB‡e;
(V) ÒcÖv½Y (Premises)Ó
A_© WK (Dock), NvU (Wharf), †RwU (Quay)
A_ev Rvnv‡R gvj ev R¡vjvwb ev †Zj RvZxq c`v_© DVvBevi-bvgvBevi Kv‡R e¨eüZ ‡Kvb
¯’vb;
(W) Òc~jx eøK (Pulley
block)Ó A_© ‡µ‡bi
mwnZ e¨env‡ii Rb¨ ¯’vqxfv‡e hy³ Ges GB D‡Ï‡k¨ we‡klfv‡e wbwg©Z †μb ev eøK bq Ggb c~jx (Pulley), eøK
(Block), wRb (Gin) ev GKB ai‡bi wMqvi;
(X) ÒdigÓ A_©
GB wewagvjvi †Kvb dig;
(Y) Ò‡evW©Ó A_© GB wewagvjvq DwjøwLZ †ÿÎgZ,
RvgvbZ Znwej cwiPvjbv †evW©, wbb¥Zg gRywi †evW©, ‡K›`ªxq Znwej cwiPvjbv †evW©,
kÖwgK AskMÖnY I kªwgK Kj¨vY Znwej cwiPvjbv †evW©, fwel¨ Znwej Uªvw÷ †evW©,
Pv-evMvb kÖwgK fwel¨ Znwej Uªvw÷ †evW© ev wkÿaxbZv Kvh©µg cwiPvjbv †evW©;
(Z) Òmsev`cÎ kªwgKÓ A_© wcÖ›U I B‡j±ªwbK wgwWqvq
Kg©iZ †Kvb mvsevw`K, cÖkvmwbK kªwgK A_ev msev`cÎ QvcvLvbv kªwgK;
(_) Òn¨vPÓ A_© cÖwµqv Pvjv‡bvi Rb¨ ev
cwicvwUKiY ev evqy PjvP‡ji Rb¨ ‡Kvb †W‡Ki gyL;
(`) Òn¨vPI‡qÓ A_© W‡Ki Dci nB‡Z wfZi ch©šÍ
n¨v‡Pi meUzKz RvqMv;
(a) Ò‡nv‡Uj I ‡i÷z‡i›U
cwiPvjbvKvixÓ A_©
†Kvb e¨w³ whwb Pzw³, jxR ev Ab¨ †Kvbfv‡e AwaKvicÖvß nBqv †Kvb †nv‡Uj I †i÷z‡i›U
cwiPvjbv K‡ib|
(2) GB wewagvjvq
e¨eüZ nBqv‡Q wKš‘ msÁvwqZ nq bvB GBiƒc †h †Kvb Awfe¨w³ AvB‡b †h A‡_© msÁvwqZ
nBqv‡Q †mB A‡_© e¨eüZ nB‡e|
(১) কোন প্রতিষ্ঠানের মালিক শ্রমিকদের বা বিশেষ শ্রেণির শ্রমিকদের চাকরি নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্য নিজস্ব চাকরি বিধি প্রবর্তন করিতে চাহিলে তিনি মহাপরিদর্শকের নিকট উক্ত চাকরি বিধির খসড়ার অন্তত পাঁচ কপি করিয়া জমা প্রদান করিবেন।
(২) মালিক কর্তৃক ধারা ৩ এর উপ-ধারা (২) মোতাবেক মহাপরিদর্শকের নিকট দাখিলকৃত খসড়া চাকরি বিধিমালায় তাহার প্রতিষ্ঠানে নিযুক্ত শ্রমিকদের চাকরির শর্তাবলির বিবরণ থাকিতে হইবে এবং মহাপরিদর্শকের নিকট বিধিমালার খসড়া জমা প্রদান করিবার সময় উহার সহিত এতদ্সংক্রান্ত তথ্য ফরম-১ অনুযায়ী সংযোজন করিতে হইবে।
(৩) খসড়া চাকরি বিধিতে আইন ও এই বিধিমালায় বর্ণিত সংশ্লিষ্ট বিধানসমূহের প্রতিফলন থাকিতে হইবে এবং এই সকল বিধান কোন শ্রমিকের জন্য আইনে বর্ণিত অনুরূপ বিধান অপেক্ষা কম সুবিধাজনক হইবে না।
(৪) মহাপরিদর্শকের নিকট পেশকৃত খসড়া চাকরি বিধির সহিত প্রতিষ্ঠানের চাকরিতে নিযুক্ত শ্রমিকদের সংখ্যা ও ট্রেড ইউনিয়নের (যদি থাকে) প্রয়োজনীয় তথ্যাবলি যথাক্রমে ফরম-২ ও ২(ক) অনুযায়ী সংযোজন করিতে হইবে।
(৫) একই মালিকের একই ধরনের ভিন্ন ভিন্ন প্রতিষ্ঠান অথবা একই ধরনের প্রতিষ্ঠানের ভিন্ন ভিন্ন মালিকগণের কোন গ্রুপ একটি চাকরি বিধি প্রণয়ন করিতে চাহিলে উক্ত মালিক বা মালিকগণ বা গ্রুপের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি নিম্নবর্ণিত বিষয়গুলিসহ অনুরূপ খসড়া চাকরি বিধি পেশ করিতে পারিবেন, যথা:-
(ক) উক্ত গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত মালিকদের তালিকা এবং তাহাদের প্রতিষ্ঠানসমূহের নাম ও পূর্ণ ঠিকানা;
(খ) এই মর্মে একটি ঘোষণা যে, গ্রুপের পক্ষে পেশকৃত চাকরি বিধির শর্তাবলি তাহারা মানিয়া চলিতে বাধ্য থাকিবেন;
(গ) এই মর্মে একটি ঘোষণা যে, কোন প্রতিষ্ঠান অনুরূপ গ্রুপে যোগদান করিলে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিগণ পরবর্তী সাতদিনের মধ্যে উহা পরিদর্শককে অবহিত করিবেন।
(৬) কোন প্রতিষ্ঠান গ্রুপ ত্যাগ করিলে যতক্ষণ পর্যন্ত না উহার নিজস্ব চাকরি বিধির অনুমোদন সম্পন্ন হয় ততক্ষণ পর্যন্ত গ্রুপের চাকরি বিধি উক্ত প্রতিষ্ঠানের উপর প্রযোজ্য থাকিবে।
(৭) অনুমোদিত চাকরি বিধির অন্যূন একটি কপি সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি কর্তৃক অনুমোদনের পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত উক্ত প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের নিকট প্রেরণ করিতে হইবে।
(১) খসড়া চাকরি বিধি প্রাপ্তির ১০ (দশ) দিনের মধ্যে মহাপরিদর্শক উহার কপি প্রাপ্তি স্বীকারপত্রসহ রেজিস্ট্রি ডাকযোগে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মালিক এবং ট্রেড ইউনিয়ন (যদি থাকে) এর নিকট প্রেরণ করিবেন এবং এতদ্সঙ্গে ফরম-৩ অনুযায়ী একটি নোটিসও প্রেরণ করিবেন।
(২) সংশ্লিষ্ট মালিক উক্ত নোটিস পাইবার ৭ (সাত) দিনের মধ্যে খসড়া চাকরি বিধিসহ নোটিসটি তাহার প্রতিষ্ঠানের নোটিস বোর্ডে টাঙ্গাইয়া দিবেন এবং উহা প্রকাশের তারিখ উল্লেখসহ নোটিসটি প্রকাশ করা হইয়াছে মর্মে মহাপরিদর্শক বরাবরে প্রত্যয়ন করিবেন।
(৩) নোটিশে সংযুক্ত চাকরি বিধির খসড়ার উপর শ্রমিকগণ বা ট্রেড ইউনিয়ন ১০ (দশ) দিনের মধ্যে তাহাদের প্রস্তাব বা আপত্তি (যদি থাকে) ফরম-৩(ক) অনুযায়ী মহাপরিদর্শকের নিকট যুক্তিসহ পেশ করিবেন।
(৪) শ্রমিকগণের বা ট্রেড ইউনিয়নের নিকট হইতে আপত্তি বা প্রস্তাব পাইবার ১৪ (চৌদ্দ) দিনের মধ্যে মহাপরিদর্শক নির্ধারিত তারিখে ও স্থানে আপত্তি বা প্রস্তাবগুলি শ্রবণ করিবেন এবং তাহার নিকট কোন আপত্তি বা প্রস্তাব যুক্তিযুক্ত মনে হইলে তিনি উক্তরূপ শুনানি অনুষ্ঠানের পরবর্তী ১০ (দশ) দিনের মধ্যে মালিকের নিকট প্রেরণ করিবেন।
(৫) মালিক উপ-বিধি (৪) এর অধীন প্রাপ্ত আপত্তি বা প্রস্তাবনার উপর পরবর্তী ১০ (দশ) দিনের মধ্যে তাহার প্রতিষ্ঠানের মতামত মহাপরিদর্শককে অবহিত করিবেন।
(৬) মহাপরিদর্শক উপ-বিধি (৫) এর অধীন প্রাপ্ত মতামত বিবেচনার পর খসড়া চাকরি বিধি প্রস্তাবিত সংশোধনীসহ বা ব্যতীত গৃহীত হইবে কিনা সে সম্পর্কে ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিবেন এবং প্রস্তাবিত সংশোধনীসহ চাকরি বিধির খসড়া চূড়ান্তকরণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হইলে সেই ক্ষেত্রে মহাপরিদর্শক গৃহীত সংশোধনীসমূহ অন্তর্ভুক্ত করিয়া চাকরি বিধির সংশোধিত খসড়ার ৫ (পাঁচ) কপি পরবর্তী ৭ (সাত) দিনের মধ্যে জমা প্রদান করিবার জন্য মালিককে নির্দেশ প্রদান করিবেন।
(৭) উপ-বিধি (৬) এর অধীন সংশোধিত খসড়া প্রাপ্তির পর মহাপরির্দশক উহা অনুমোদন করিবেন এবং অনুমোদনের বিষয়টি মালিককে অবহিত করিবেন।
(৮) সংশোধনীসহ বা ব্যতীত, যাহাই হউক না কেন, মহাপরিদর্শক যদি মনে করেন যে, খসড়া চাকরি বিধিটি আইনের বিধানের পরিপন্থি বা সাংঘর্ষিক হইয়াছে বা আইনের উদ্দেশ্য পূরণে অপর্যাপ্ত হইয়াছে, তাহা হইলে তিনি প্রয়োজনীয় সংশোধনীসহ একটি নূতন খসড়া চাকরি বিধি পেশ করিবার জন্য মালিককে নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবেন।
(১) যে সকল প্রতিষ্ঠানে নিজস্ব চাকরি বিধি প্রচলিত রহিয়াছে সে সকল প্রতিষ্ঠানের মালিক এই বিধিমালা জারি হইবার তিন মাসের মধ্যে উহা আইন এবং এই বিধিমালার সহিত সামঞ্জস্য সাধন করিয়া প্রস্তুতকৃত খসড়া অনুমোদনের জন্য মহাপরিদর্শকের নিকট পেশ করিবেন।
(২) উপ-বিধি (১) এর অধীন চাকরি বিধি দাখিলের ক্ষেত্রে বিধি ৩ এর বিধান এবং উহা অনুমোদনের ক্ষেত্রে বিধি ৪ এর বিধান, যতদূর সম্ভব, অনুসরণ করিতে হইবে।
চাকরি বিধির সংশোধনের ক্ষেত্রে বিধি ৩ ও ৪ এ উল্লিখিত পদ্ধতি অনুসরণ করিতে হইবে।
(১) কোন ঠিকাদার সংস্থা কর্তৃক কোন সংস্থায় কর্মী সরবরাহ করিবার লক্ষ্যে কার্যক্রম পরিচালনার উদ্দেশ্যে রেজিস্ট্রেশন ও লাইসেন্স গ্রহণের জন্য মহাপরিদর্শকের নিকট ফরম-৭৭ অনুযায়ী আবেদন করিতে হইবে।
(২) উপ-বিধি (১) এ উল্লিখিত আবেদন পত্রের সহিত নি¤ড়ববর্ণিত কাগজপত্র ও তথ্যাদি দাখিল করিতে হইবে, যথা:
(ক) আবেদনকারীর ৫ (পাঁচ) কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি (আবেদনকারী কোম্পানি, প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তি সংঘ, অংশীদারি কারবার, সংঘ ও সমিতি হইলে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সকল পরিচালক ও অংশীদারদের ছবি);
(খ) আবেদনকারীর নাগরিকত্ব সনদপত্র (আবেদনকারী কোম্পানি, প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তি-সংঘ, অংশীদারি কারবার, সংঘ ও সমিতি হইলে প্রয়োজ্য ক্ষেত্রে সকল পরিচালক ও অংশীদারদের);
(গ) আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি (আবেদনকারী কোম্পানি, প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তি-সংঘ, অংশীদারি কারবার, সংঘ ও সমিতি হইলে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সকল পরিচালক ও অংশীদারদের) তবে আবেদনকারী বিদেশি নাগরিক হইলে বৈধ পাসপোর্ট ও বসবাসের বৈধ কাগজের কপি;
(ঘ) ট্রেড লাইসেন্সের সত্যায়িত কপি;
(ঙ) টি, আই, এন, সনদপত্র (ঞধী ওফবহঃরভরপধঃরড়হ ঘঁসনবৎ - ঈবৎঃরভরপধঃব) এর সত্যায়িত কপি;
(চ) মূল্য সংযোজন কর রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের সত্যায়িত কপি;
(ছ) আর্থিক স্বচ্ছলতার প্রমাণ স্বরূপ ব্যাংকের সনদপত্র;
(জ) আবেদনকারী কোম্পানি, প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তি-সংঘ, অংশীদারি কারবার, সংঘ ও সমিতি হইলে ক্ষেত্রমত উহার অংশীদারি দলিল বা মেমোরেন্ডাম অব এসোসিয়েশন ও আর্টিকেলস অব এসোসিয়েশনের সত্যায়িত কপি এবং রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের সত্যায়িত কপি;
(ঝ) মহাপরিদর্শকের অনুকূলে জামানত হিসাবে তফসিল-৭ এ নির্ধারিত পরিমাণ অর্থ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত ব্যংক হিসাবে জমা রাখিতে হইবে;
(ঞ) বিধি ১০ অনুসারে প্রদত্ত লাইসেন্স ফি-এর ব্যাংক-ড্রাফট, পে-অর্ডার বা ট্রেজারি চালানপত্র;
(ট) বেসরকারি সেবা প্রদানকারী বা কর্মী সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের ঠিকানাসহ অবস্থান ও অফিস ব্যবস্থাপনার বিবরণ;
(ঠ) যোগাযোগের আধুনিক যন্ত্রপাতি, যেমন- ফ্যাক্স, ফোন, ইন্টারনেট সংযোগ, ইত্যাদিও তালিকাসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় সনদপত্র; এবং
(ড) যে ধরনের পদে লোক সরবরাহ করিতে ইচ্ছুক, উক্ত পদের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতামূলক নিজস্ব প্রশিক্ষণ সুবিধার ব্যবস্থা অথবা সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ প্রদানে সক্ষম এমন অন্য কোন অনুমোদিত প্রশিক্ষণ প্রদানকারী সংস্থার সহিত চুক্তি (যদি থাকে)।
(৩) উপ-বিধি (১) এর অধীন আবেদনপ্রাপ্ত হইলে মহাপরিদর্শক প্রাপ্ত আবেদনে উল্লিখিত তথ্যাবলির সঠিকতা যাচাইয়ের জন্য তাহার অধস্তন কোন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব অর্পণ করিয়া লিখিত প্রতিবেদন দাখিল করিবার জন্য নির্দেশ প্রদান করিবেন এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে আবেদনকারীর প্রাক-পরিচিতি পুলিশের জেলা বিশেষ শাখা বা নগর বিশেষ শাখা বা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত অন্য যে কোন উপযুক্ত সংস্থার মাধ্যমে যাচাই করিতে পারিবে।
(৪) উপ-বিধি (৩) এর অধীন নির্দেশপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবেদনে উল্লিখিত স্থান সরেজমিনে পরিদর্শন করিবেন এবং প্রাপ্ত তথ্যাবলি পরীক্ষা ও যাবতীয় বিষয়ে অনুসন্ধান করিবার পর তদ্বিষয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন মহাপরিদর্শকের নিকট দাখিল করিবেন।
(৫) উপ-বিধি (৪) এর অধীন প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর মহাপরিদর্শক সন্তুষ্ট হইলে লাইসেন্স প্রদানের আবেদন মঞ্জুর করিবেন অথবা ক্ষেত্রমত নামঞ্জুর করিয়া আবেদনকারীকে অবহিত করিবেন।
(৬) এই বিধিমালার অধীন লাইসেন্স প্রাপ্তির আবেদন গ্রহণ, লাইসেন্স প্রদান, নবায়ন বা নামঞ্জুর করিবার ক্ষমতা মহাপরিদর্শক তাহার অধস্তন কোন কর্মকর্তার নিকট অর্পণ করিতে পারিবে না।
(৭) উপ-বিধি (৫) এর অধীন কোন আবেদন মঞ্জুর করা হইলে ফরম-৭৮ অনুযায়ী লাইসেন্স ইস্যু করিতে হইবে এবং এতদ্সম্পর্কিত তথ্যাদি ফরম-৭৯ অনুযায়ী রেজিস্টারে সংরক্ষণ করিতে হইবে।
(৮) ঠিকাদার সংস্থার লাইসেন্স প্রাপ্তির আবেদন এবং লাইসেন্স প্রদানের যাবতীয় কার্যক্রম ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন লাইনে সম্পাদন করা যাইবে, তবে এতদ্সংক্রান্ত মুদ্রিত নথি সংরক্ষণ করিতে হইবে।
(১) লাইসেন্স গ্রহীতা, মহাপরিদর্শকের পূর্বানুমতি ব্যতিরেকে, কোন কর্মীর নিকট হইতে সার্ভিস চার্জ গ্রহণ করিতে পারিবে না।
(২) ঠিকাদার সংস্থা ও সেবা গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তির কোন শর্ত ভঙ্গের বিষয়ে পক্ষদ্বয় লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ বরাবর নিষ্পত্তির জন্য আবেদন করিতে পারিবে।
(৩) ঠিকাদার সংস্থা ও কর্মীর মধ্যে সম্পাদিত চাকরির নিয়োগপত্রে আইনে বর্ণিত শর্তাদি অপেক্ষা কম অনুকূল শর্তাদি সনিড়ববেশ করা যাইবে না।
(১) এই বিধিমালার অধীন কোন ঠিকাদার সংস্থা কর্তৃক সেবা প্রদান করিবার ক্ষেত্রে কোনরূপ প্রতারণামূলক কার্যμম অথবা দাখিলকৃত তথ্যাদি ভুল প্রমাণিত হইলে বা নিরাপত্তা জামানত ব্যতিরেকে অন্য কোনভাবে অর্থের বিনিময়ে কর্মী নিয়োগ করা হইলে উক্ত অভিযোগ প্রমাণ হওয়া সাপেক্ষে, তৎকর্তৃক প্রদত্ত জামানত সরকার বরাবরে বাজেয়াপ্ত হইবে এবং উক্ত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে।
(২) কোন লাইসেন্স গ্রহীতা তাহার কার্যμম বন্ধ ঘোষণা করিলে তৎকর্তৃক প্রদত্ত জামানতের টাকা, উক্ত কার্যμম বন্ধ করিবার ৩ মাস সময়ের মধ্যে তৎবরাবরে বা তৎকর্তৃক মনোনীত প্রতিনিধিকে ফেরত প্রদান করা যাইবে।
(১) মহাপরিদর্শক লাইসেন্স প্রদানের আবেদন মঞ্জুর করিলে উক্ত মঞ্জুরের তারিখ হইতে ১০ (দশ) কর্মদিবসের মধ্যে নির্ধারিত পরিমাণ লাইসেন্স ফি জমা প্রদান করিতে হইবে।
(২) লাইসেন্স নবায়নের জন্য বিধি ৩৫৫(৩) এর বিধান অনুযায়ী মহাপরিদর্শকের নিকট আবেদন করিতে হইবে।
(৩) জামানত, লাইসেন্স ফি ও লাইসেন্স নবায়নের ফি তফসিল-৭(৬) অনুযায়ী নির্ধারিত হইবে এবং ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা প্রদান করিতে হইবে।
(৪) ঠিকাদার সংস্থা একটি প্রতিষ্ঠান হিসাবে বিবেচিত হইবে এবং ধারা ৩১৯ এ মহাপরিদর্শক ও অন্যান্য পরিদর্শকদের পরিদর্শন সংμাšও এখতিয়ার ঠিকাদার সংস্থার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হইবে।
(১) লাইসেন্স প্রাপ্তির জন্য প্রত্যেক ঠিকাদার সংস্থাকে জামানত হিসাবে নির্ধারিত পরিমাণ অর্থ “ঠিকাদার সংস্থা জামানত তহবিল” বরাবরে জমা প্রদান করিতে হইবে।
(২) জামানতের অর্থ তফসিল-৭ এর দফা-৬ অনুযায়ী নির্ধারিত হইবে।
(৩) ঠিকাদার সংস্থা জামানত তহবিল পরিচালনার জন্য নিম্নবর্ণিত সদস্যের সমন্বয়ে “ঠিকাদার সংস্থা জামানত তহবিল পরিচালনা বোর্ড” নামে একটি বোর্ড গঠিত হইবে, যথা:
(ক) শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত মাননীয় মন্ত্রী; যিনি ইহার চেয়ারম্যানও হইবেন;
(১) ঠিকাদার সংস্থা জামানত তহবিল পরিচালনা বোর্ডের সদস্যগণের মেয়াদ হইবে তাহার মনোনয়নের তারিখ হইতে পরবর্তী ২ (দুই) বৎসর।
(২) যে কোন সদস্য চেয়ারম্যানের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন এবং চেয়ারম্যান কর্তৃক উহা গৃহীত হইবার তারিখ হইতে উক্ত পদটি শূন্য বলিয়া গণ্য হইবে।
কোন ব্যক্তি বিধি ১১ এর অধীন বোর্ডের সদস্য হইবার বা থাকিবার যোগ্য হইবেন না, যদি-
(ক) উপযুক্ত আদালত তাহাকে অপ্রকৃতিস্থ বা দেউলিয়া বলিয়া ঘোষণা করে;
(খ) তিনি ইতিপূর্বে পরপর দুইবার বোর্ডের সদস্য হিসাবে মনোনীত হইয়া থাকেন;
(গ) তিনি নৈতিক স্খলনজনিত কোন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হইয়া আদালত কর্তৃক অন্যূন ১(এক) বৎসরের কারাদ-ে দ-িত হন এবং তাহার মুক্তি লাভের পর পাঁচ বৎসর অতিবাহিত না হইয়া থাকে; এবং
(ঘ) তিনি চেয়ারম্যানের অনুমতি ব্যতীত বোর্ডের পর পর তিনটি সভায় অনুপস্থিত থাকেন।
বোর্ড, সরকারের অনুমোদন সাপেক্ষে, বোর্ডের যে কোন সদস্যকে লিখিত আদেশ দ্বারা অপসারণ করিতে পারিবে, যদি তিনি-
(ক) তাহার উপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হন বা অস্বীকার করেন;
(খ) সরকারের বিবেচনায় উক্ত দায়িত্ব সম্পাদনে অক্ষম বিবেচিত হন; এবং
(গ) সরকারের বিবেচনায় সদস্য হিসাবে তাহার পদের অপব্যবহার করিয়া থাকেন।
(১) লাইসেন্সের আবেদনের শর্ত হিসাবে প্রদত্ত কর্মী নিয়োগ বিধিমালার তিন কপি আবেদনপত্রের সহিত সংযুক্ত করিয়া মহাপরিদর্শকের নিকট আবেদন করিতে হইবে এবং মহাপরিদর্শক উহা অনুমোদনের পর এক কপি করিয়া সীলমোহরসহ আবেদনকারী এবং শ্রম পরিচালক বরাবর প্রেরণ করিবেন।
(২) উপ-বিধি (১) এ উল্লিখিত অনুমোদন প্রদানের ক্ষেত্রে মহাপরিদর্শক বিধি ৪ এ বিধৃত চাকরি বিধিমালা অনুমোদনের বিধানাবলি অনুসরণ করিবে।
(১) ঠিকাদার সংস্থা যে প্রতিষ্ঠানে শ্রমিক বা কর্মী বা সেবা সরবরাহ করিবে উক্ত প্রতিষ্ঠান যে শিল্পের অন্তর্ভুক্ত, উক্ত শিল্পের সংশ্লিষ্ট পদের জন্য সরকার ঘোষিত নিমড়বতম মজুরির (যদি থাকে) অপেক্ষা কম মজুরি ও ভাতাদি প্রদান করিতে পারিবে না ।
(২) কোন ঠিকাদার সংস্থা যদি কোন প্রতিষ্ঠানের নির্দিষ্ট কোন কাজ সম্পাদনের জন্য চুক্তি করে সেই ক্ষেত্রে উক্ত কাজ সম্পাদনের জন্য ঠিকাদার সংস্থা কর্তৃক নিয়োজিত শ্রমিক-কর্মীদের ক্ষেত্রে মজুরি, কর্মঘন্টা, বিশ্রাম, অধিকাল ভাতা, ছুটি, বিষয়ে আইনের বিধানাবলি অনুসরণ করিতে হইবে।
(৩) ঠিকাদার সংস্থাকে এই মর্মে নিশ্চিত হইতে হইবে যে, যে প্রতিষ্ঠানে শ্রমিক বা কর্মী সরবরাহ করা হইতেছে, উহা কর্মক্ষেত্রে আইনের পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা সংμান্ত সকল বিধি-বিধান অনুসরণ করিয়া পরিচালিত হয়।
(৪) উপ-বিধি (৩) এ উল্লিখিত নিশ্চয়তা লাভে ব্যর্থতার ক্ষেত্রে কর্মক্ষেত্রে আইনের পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা সংμান্ত কোন ব্যত্যয় ঘটিলে আইনের বিধান সমভাবে মালিক ও ঠিকাদার সংস্থা উভয়ের বিরুদ্ধে প্রযোজ্য হইবে।
(৫) ঠিকাদার সংস্থা ও শ্রমিক নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তিতে প্রত্যেক শ্রমিক বা কর্মীর জন্য যে মজুরি ও ভাতাদি ধার্য করা হইবে উহার চাইতে কম মজুরি ও ভাতাদি প্রদান করা যাইবে না এবং শ্রমিক নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান উহার স্থায়ী জনবল কাঠামোর কোন পদে ঠিকাদার সংস্থার মাধ্যমে কোন শ্রমিক বা কর্মী নিয়োগ করিতে পারিবে না।
(১) প্রত্যেক ঠিকাদার সংস্থাকে লাইসেন্স প্রাপ্তির ছয় মাসের মধ্যে উক্ত সংস্থার নামসম্বলিত ‘কর্মী সামাজিক নিরাপত্তা তহবিল’ নামে যে কোন তফসিলি ব্যাংকে একটি ব্যাংক হিসাব শুরু করিতে হইবে।
(২) ব্যাংক হিসাবে ঠিকাদার সংস্থায় নিয়োগকৃত ও বিভিনড়ব প্রতিষ্ঠানে সরবরাহকৃত প্রত্যেক কর্মীর বিপরীতে কর্মীর প্রতি সস্পূর্ণ বৎসরের চাকরির জন্য ক্ষতিপূরণ বাবদ প্রাপ্য এক মাসের মূল মজুরির সমপরিমাণ অর্থ অথবা ধারা ২(১০) অনুসারে গ্রাচুইটি (যদি প্রযোজ্য হয়) হিসাবে জমা রাখিতে হইবে; যাহা শুধুমাত্র কর্মীর চাকরি যে কোন ধরনের অবসানে আইন অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ বা গ্রাচুইটির অর্থ পরিশোধের অংশ হিসাবে কর্মীকে সরাসরি চেকের মাধ্যমে পরিশোধ করিতে হইবে।
(৩) তফসিলি ব্যাংকে হিসাব খোলা ও পরিচালনার জন্য সরকার প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করিবে।
প্রত্যেক মালিক তাহার প্রতিষ্ঠানের জন্য চাকরি বিধিমালার সহিত সাংগঠনিক কাঠামো (অর্গানোগ্রাম) প্রণয়ন করিবে এবং উহা মহাপরিদর্শক কর্তৃক অনুমোদিত হইতে হইবে এবং উক্ত সাংগঠনিক কাঠামোতে শ্রমিকের শ্রেণি, সংখ্যা ও প্রকৃতি উল্লেখ করিতে হইবে।
(১) কোন মালিক নিয়োগপত্র প্রদান না করিয়া কোন শ্রমিককে নিয়োগ করিতে পারিবেন না।
(২) কোন প্রতিষ্ঠানে চাকরিকালীন কোন ব্যক্তিকে কেবল একবার নিয়োগপত্র প্রদান করিতে পারিবে।
(৩) কোন শ্রমিকের নিয়োগপত্র হারাইয়া গেলে বা নষ্ট হইলে শ্রমিকের আবেদনের প্রেক্ষিতে তাহার ব্যক্তিগত ফাইলে রক্ষিত নিয়োগপত্রের ফটোকপি বা হুবহু নকল সরবরাহ করা যাইবে।
(৪) ধারা ৫ মোতাবেক শ্রমিককে প্রদত্ত নিয়োগপত্রে নি¤ড়ববর্ণিত তথ্যের উল্লেখ থাকিবে, যথা :জ্জ
(ক) শ্রমিকের নাম;
(খ) পিতার নাম;
(গ) মাতার নাম;
(ঘ) স্বামী বা স্ত্রীর নাম (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে);
(ঙ) ঠিকানা : বর্তমান:
স্থায়ী:-
(চ) পদবি, কাজের ধরন, যোগদানের তারিখ;
(ছ) শ্রমিকের শ্রেণি;
(জ) মজুরি বা বেতন স্কেল (মজুরি বা বেতন এবং বাৎসরিক বেতন বৃদ্ধির হার যদি থাকে);
(ঝ) অন্যান্য প্রদেয় আর্থিক সুবিধা (বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা, শিক্ষা, খাদ্য, যাতায়াত, উৎসব ও হাজিরা ভাতা এবং গ্রাচুইটি (যদি থাকে); এবং
(ঞ) নিয়োগের যাবতীয় শর্ত প্রতিষ্ঠানে বিদ্যমান চাকরি বিধি (যদি থাকে) ও বিদ্যমান শ্রম আইন অনুযায়ী পরিচালিত হইবে মর্মে উল্লেখ।
(৫) প্রত্যেক মালিক তাহার প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত প্রত্যেক শ্রমিককে ফরম-৬ অনুযায়ী মালিকের খরচে ছবিসহ পরিচয়পত্র প্রদান করিবেন।
(৬) শ্রমিক পরিচয়পত্র হারাইয়া ফেলিলে ৫০ টাকা ফি পরিশোধ সাপেক্ষে নূতন পরিচয়পত্র প্রদান করা যাইবে।
(৭) নিয়োগপত্র, পরিচয়পত্র ও সার্ভিস বহি প্রদান সম্পর্কিত তথ্য রেজিস্টারে ফরম-৬(ক) অনুযায়ী সংরক্ষণ করিতে হইবে ।
(৮) এই বিধিমালায় যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কারখানা বা প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত কোন শ্রমিক বা প্রশাসনিক বা ব্যবস্থাপনার দায়িতে¦ নিয়োজিত ব্যক্তি নির্দিষ্ট দায়িত্ব পালনকালে বা চাকরি পরিবর্তনের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক কৌশলের গোপনীয়তা সংরক্ষণ করিবেন।
(১) সার্ভিস বহি ফরম-৭ অনুযায়ী হইবে এবং উহাতে শক্ত মলাটসহ টেকসই কাগজের ১৬ টি মুদ্রিত পৃষ্ঠা থাকিতে হইবে।
(২) ফরম-৭ অনুযায়ী সার্ভিস বহিতে তথ্যসমূহ অন্তর্ভুক্তিকরণের উদ্দেশ্যে উহার মলাট ব্যতীত পৃষ্ঠাসমূহ নিম্নবর্ণিত অংশে বিভক্ত থাকিবে, যথা:-
(ক) প্রম ভাগঃ শ্রমিককে সনাক্ত করিবার মত তথ্যসমূহ (পৃষ্ঠা- ১);
(খ) দ্বিতীয় ভাগঃ মালিকের ও চাকরির তথ্যসমূহ (পৃষ্ঠা, ২-৫);
(গ) তৃতীয় ভাগঃ সার্ভিস রেকর্ড, মজুরি ও ভাতা সংμান্ত তথ্যসমূহ (পৃষ্ঠা ৬-৯);
(ঘ) চর্তু ভাগঃ ভোগকৃত ছুটির বিবরণ (পৃষ্ঠা ১০-১৩);
(ঙ) পঞ্চম ভাগঃ শ্রমিকের আচরণের রেকর্ড (পৃষ্ঠা ১৪-১৬)।
(১) স্থায়ীকরণের তারিখ হইতে এক মাসের মধ্যে মালিক সংশ্লিষ্ট শ্রমিকের প্রয়োজনীয় তথ্যসমূহ তাহার সার্ভিস বহিতে লিপিবদ্ধ করিবেন।
(২) নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ঘটনা সংঘটনের ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে শ্রমিকের পরবর্তী বা নূতন তথ্য সার্ভিস বহিতে লিপিবদ্ধ করিতে হইবে, যথা:-
(ক) বেতনের স্কেল বা মজুরির হার পরিবর্তন;
(খ) একই প্রতিষ্ঠানের অন্য শাখায় বা ভিন্ন চাকরিতে অথবা একই মালিকের ভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বদলি;
(গ) শ্রমিক কর্তৃক কোন প্রশিক্ষণ গ্রহণ বা কোন বিশেষ দক্ষতা অর্জন;
(ঘ) বার্ষিক ছুটি ভোগ করা বা নগদায়ন;
(ঙ) চাকরি হইতে ছাঁটাই, ডিসচার্জ, বরখাস্ত, অবসান, পদত্যাগ বা অবসর গ্রহণ;
(চ) কোন জরিমানা বা দন্ড আরোপ এবং পুরস্কার প্রদান বা প্রশংসা জ্ঞাপন:
তবে শর্ত থাকে যে, শ্রমিকের বিরুদ্ধে আনীত কোন অসদাচরণের অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত উহা সার্ভিস বহিতে লিপিবদ্ধ করা যাইবে না।
(১) কোন শ্রমিক নিয়োগ বা শিক্ষানবিশকাল সমাপ্ত হইবার ১৫ দিনের মধ্যে মালিক প্রত্যেক শ্রমিকের জন্য আলাদা আলাদা সার্ভিস বহি খুলিবার ব্যবস্থা করিবেন ও উহাতে সংযোজনের জন্য শ্রমিকের ছবি উঠাইবার ব্যয় মালিক বহন করিবেন।
(২) শ্রমিক চাকরিতে যোগদানকালে তাহার পূর্বের চাকরির সার্ভিস বহি, যদি থাকে, মালিকের নিকট জমা প্রদান করিবেন এবং মালিক তাহাকে ফরম-৭(ক) অনুযায়ী একটি রসিদ প্রদান করিবেন।
(৩) কোন শ্রমিক নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের নিকট সার্ভিস বহির মূল্য বাবদ ২০/- (বিশ) টাকা নগদে জমা প্রদান করিয়া অবিকল নকল সার্ভিস বহি নিজের হেফাজতে সংরক্ষণ করিতে পারিবেন।
(৪) উপ-বিধি (৩) এ উল্লিখিত সার্ভিস বহিতে ‘অবিকল নকল’ কথাটি লেখা থাকিবে।
(৫) কোন শ্রমিক কর্তৃক উপ-বিধি (৩) এ উল্লিখিত টাকা জমা প্রদান করিবার ৭ (সাত) দিনের মধ্যে মালিক বা ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ অবিকল নকল সার্ভিস বহি প্রদান করিবেন।
(৬) শ্রমিকের নিকট সংরক্ষিত সার্ভিস বহি হারাইয়া গেলে বা নষ্ট হইয়া গেলে তৎক্ষণাৎ উহা লিখিতভাবে মালিককে অবহিত করিতে হইবে, এবং সেই ক্ষেত্রে উক্ত শ্রমিক নগদে ৩০/- (ত্রিশ) টাকা কর্তৃপক্ষের নিকট জমা প্রদান করিয়া পুনরায় অবিকল নকল একটি সার্ভিস বহি সংগ্রহ করিতে পারিবে।
(৭) কোন শ্রমিকের চাকরি অবসানের দুই কর্মদিবসের মধ্যে মালিক সার্ভিস বহি ফেরত প্রদান করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, চূড়ান্ত পাওনা পরিশোধের সময় শ্রমিককে উক্ত সার্ভিস বহি সঙ্গে আনিয়া উহাতে উক্ত পাওনা পরিশোধের তথ্য লিপিবদ্ধ করাইয়া লইতে হইবে।
(৮) শ্রমিককে সার্ভিস বহি প্রদানকালে কর্তৃপক্ষ ইচ্ছা করিলে উহার একটি ডুপ্লিকেট কপি তাহার ব্যক্তিগত নথিতে সংরক্ষণ করিতে পারিবেন।
(৯) সার্ভিস বহি ডিজিটাল পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করা যাইবে এবং সেই ক্ষেত্রে শ্রমিককে কপি সরবরাহ করিতে হইবে।
(১) প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত সকল শ্রেণির শ্রমিকের জন্য একটি শ্রমিক রেজিস্টার ফরম-৮ অনুযায়ী সংরক্ষণ করিতে হইবে এবং উহা শ্রমিকের শ্রেণিবিভাগ অনুযায়ী বিন্যস্ত থাকিবে।
(২) রেজিস্টারে সকল বিবরণ বাংলায় অন্তর্ভুক্ত করিতে হইবে এবং খ্রিস্টিয় বর্ষপঞ্জি অনুসারে তারিখ লিখিতে হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, প্রতিষ্ঠান ইচ্ছা করিলে বাংলার পাশাপাশি ইংরেজিতেও রেজিস্টার সংরক্ষণ করিতে পারিবে।
(৩) যদি কোন প্রতিষ্ঠান ডিজিটাল পদ্ধতিতে নির্ধারিত ফরমে শ্রমিক রেজিস্টার সংরক্ষণ করে তাহা হইলে উহার মুদ্রিত কপি শ্রমিক রেজিস্টার বলিয়া গণ্য হইবে।
(১) ধারা ১০ মোতাবেক ছুটির রেজিস্টার ফরম-৯ অনুযায়ী রক্ষিত হইবে এবং উহাতে ধারা ১১৫, ১১৬ ও ১১৭-তে বর্ণিত ছুটির হিসাব লিপিবদ্ধ করিতে হইবে।
(২) কোন প্রতিষ্ঠান ডিজিটাল পদ্ধতিতে নির্ধারিত ফরমে ছুটির রেজিস্টার সংরক্ষণ করিলে উহা ছুটির রেজিস্টার বলিয়া গণ্য হইবে।
(৩) ডিজিটাল পদ্ধতিতে ছুটির রেজিস্টার সংরক্ষণ করা হইলে ইহার মুদ্রিত কপি সংশ্লিষ্ট শ্রমিকের ব্যক্তিগত নথিতে সনিড়ববেশিত করিতে হইবে।
(১) ধারা ১২ এর উপ-ধারা (৮) অনুযায়ী কোন শ্রমিককে লে-অফ করা হইলে অথবা ধারা ১৩ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হইলে সংশ্লিষ্ট ক্ষতিগ্রস্থ ও কর্মহীন শ্রমিকের সংখ্যা উল্লেখসহ উক্তরূপ লে-অফ বা বন্ধের নোটিস ও ফরম-১০ অনুযায়ী একটি বিবরণী অনতিবিলম্বে সংশ্লিষ্ট পরিদর্শকের নিকট প্রেরণ করিতে হইবে।
(২) লে-অফকৃত প্রতিষ্ঠান বা কারখানার লে-অফ বা বন্ধ ৪৫ দিনের অধিক হইলে ধারা ২০ মোতাবেক সকল পাওনা পরিশোধপূর্বক শ্রমিকদেরকে ছাঁটাই করা যাইবে :
তবে শর্ত থাকে যে, কোন প্রতিষ্ঠান বা কারখানা ধারা ১৩ এর অধীন বন্ধ হইলে কোন শ্রমিক ধারা ২০ (২)(ক) অনুয়ায়ী নোটিস বা নোটিশের পরিবর্তে মজুরি পাইবে না।
(৩) লে-অফকৃত বা সাময়িকভাবে বন্ধকৃত কোন কারখানা বা প্রতিষ্ঠান শ্রমিকের আইনানুগ যাবতীয় পাওনা রিশোধ না করিয়া অন্য কোন মালিকের নিকট বা সংস্থার নিকট লীজ প্রদান বা ভাড়ার চুক্তি করিয়া উৎপাদন বা সেবা প্রদান প্রμিয়ার সহিত যুক্ত করিতে পারিবেন না।
ধারা ১৭ মোতাবেক লে-অফকৃত শ্রমিকদের তালিকা ফরম-১০(ক) অনুযায়ী সংরক্ষণ করিতে হইবে।
ধারা ২০ এর উপ-ধারা (২) এর দফা (ক) মোতাবেক শ্রমিককে প্রদত্ত ছাঁটাইয়ের নোটিশে নি¤ড়ববর্ণিত তথ্যসমূহের উল্লেখ থাকিতে হইবে, যথা:জ্জ
(ক) প্রতিষ্ঠানের নাম;
(খ) শ্রমিকের নাম, পদবি ও কার্ড নম্বর;
(গ) ছাঁটাইয়ের কারণ;
(ঘ) ছাঁটাই কার্যকর হইবার তারিখ;
(ঙ) মোট চাকরিকাল;
(চ) শ্রমিকের প্রাপ্যতা:
(অ) নোটিস পে (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে);
(আ) গ্র্যাচুইটি বা ক্ষতিপূরণ;
(ই) অভোগকৃত বার্ষিক ছুটির মজুরি;
(ঈ) বকেয়া মজুরি, অন্যান্য ভাতা ও অধিকাল ভাতা (যদি পাওনা থাকে); এবং
(ছ) পাওনা পরিশোধের তারিখ।
(১) ধারা ২২ এ বর্ণিত রেজিস্টার্ড চিকিৎসক কর্তৃক শ্রমিকের অক্ষমতার প্রত্যয়নপত্র ফরম-১১ অনুযায়ী হইতে হইবে এবং উহার একটি কপি সংশ্লিষ্ট শ্রমিককেও সরবরাহ করিতে হইবে।
(২) রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের প্রদান করা প্রত্যয়নে শ্রমিক অথবা মালিক সন্তুষ্ট না হইলে তিনি উহা প্রাপ্তির ১০ (দশ) দিনের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষা করিবার জন্য সরকারি মেডিকেল কলেজের অন্যূন সহকারী অধ্যাপকের পদমর্যাদাসম্পনড়ব কোন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের নিকট পেশ করিতে পারিবেন এবং উক্ত পুনঃপরীক্ষার খরচ আবেদনকারীকে বহন করিতে হইবে।
(১) কোন শ্রমিকের কোন আচরণ বা কাজ অসদাচরণ কিনা উহা যাচাই করিবার উদ্দ্যেশ্যে মালিক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তা যদি ধারা ২৪ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (খ) অনুসারে কোন প্রকার কৈফিয়ত তলব করেন এবং তদ্প্রেক্ষিতে শ্রমিক কর্তৃক প্রদত্ত জবাব-
(ক) সন্তোষজনক হইলে অভিযোগ নিষ্পত্তি হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে এবং এই বিষয়টি শ্রমিকের পরবর্তী চাকরির ক্ষেত্রে কোন প্রকার প্রভাব ফেলিবে না ;
(খ) সন্তোষজনক না হইলে মালিক শাস্তি প্রμিয়া অনুসরণের জন্য ব্যবস্থাপক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তাকে তদন্ত কমিটি গঠনপূর্বক তদন্ত কার্যμম সম্পনড়ব করিয়া তাহার নিকট ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে রিপোর্ট পেশ করিতে নির্দেশ প্রদান করিবেন।
(২) অনধিক ৬ জন সদস্য সমন্বয়ে উক্ত তদন্ত কমিটি গঠিত হইবে।
(৩) তদন্ত কমিটি উপ-কমিটি গঠন করিতে পারিবে।
(৪) উপ-কমিটির রিপোর্ট চূড়ান্তকরণের জন্য তদন্ত কমিটির নিকট পেশ করিবে।
(৫) তদন্ত কমিটি উহার তদন্ত প্রতিবেদন প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্তের জন্য কর্তৃপক্ষের বরাবরে প্রেরণ করিবে।
(৬) তদন্ত কমিটিতে মালিক পক্ষের প্রতিনিধি মালিক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্তৃক উক্ত কারখানা বা প্রতিষ্ঠান হইতে মনোনীত হইবেন।
(৭) তদন্ত কমিটিতে শ্রমিক পক্ষের প্রতিনিধি, অভিযুক্ত শ্রমিকের লিখিত প্রস্তাবμমে উক্ত কারখানা বা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শ্রমিকদের মধ্য হইতে মনোনীত হইবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, অভিযুক্ত ব্যক্তির নি¤ড়বপদের কাউকে প্রতিনিধি মনোনয়ন করা যাইবে না:
আরও শর্ত থাকে যে, ধারা ২৩ এর উপ-ধারা (৪) এর দফা (খ) ও (ছ) এর অধীন কোন শ্রমিক বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনীত হইলে অভিযুক্ত শ্রমিক বা কর্মচারী ইচ্ছা করিলে তাহার প্রতিনিধি হিসাবে প্রতিষ্ঠানের ট্রেড ইউনিয়ন (যদি থাকে) এর কোন সদস্য অথবা ট্রেড ইউনিয়ন না থাকিলে অংশগ্রহণকারী কমিটির কোন শ্রমিক প্রতিনিধিকে তাহার প্রতিনিধি হিসাবে মনোনয়ন করিতে পারিবে।
(৮) শ্রমিকের আইনানুগ পাওনা আদায়ের জন্য প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন অথবা দৈনন্দিন কাজের ব্যঘাত না ঘটাইয়া এবং সম্পদ হানি না করিয়া কোন নিয়মতান্ত্রিক কার্যμম পরিচালনাকে ধারা ২৩ এর উপ-ধারা (৪) এর দফা (ছ) এ উল্লিখিত উচ্ছৃঙ্খলতা বুঝাইবে না।
ধারা ২৫ এর বিধান মোতাবেক জরিমানা ফরম-১২ অনুযায়ী একটি রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করিতে হইবে এবং ব্যয়িত অর্থের ভাউচার বা রসিদ রেজিস্টারের সহিত সংযুক্ত করিয়া রাখিতে হইবে।
ধারা ৩১ মোতাবেক চাকরি অবসান বা সমাপ্তির ক্ষেত্রে শ্রমিকের আবেদনের ১৫(পনের) দিনের মধ্যে তাহাকে ফরম-১৩ অনুযায়ী প্রত্যয়নপত্র প্রদান করিতে হইবে।
ধারা ২৮ক অনুযায়ী মালিক ও শ্রমিক সম্পর্ক হইবে নি¤ড়বরূপ, যথা:-
(ক) কারখানা বা প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন কার্যμম স্থায়ীভাবে বন্ধ হইবার ক্ষেত্রে:
(অ) আকষ্মিক প্রাকৃতিক বিপর্যয় বা মানুষের নিয়ন্ত্রণ বহির্ভূত বিপর্যয় বা জরুরি প্রয়োজনে মালিক কর্তৃক মহাপরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত পরিদর্শককে (৩) তিন কর্মদিবসের মধ্যে নির্ধারিত ফরম-১০ অনুযায়ী যাবতীয় তথ্যাদি অবহিত করিতে হইবে;
(আ) মালিক শ্রমিকদেরকে ছাঁটাই করিবেন এবং আইনানুগ পাওনাদি পরিশোধ করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত কারখানা বা প্রতিষ্ঠানে উৎপাদন কার্যμম পুনরায় চালু হইবার সম্ভবনা থাকিলে মালিক কারখানা বা প্রতিষ্ঠান লে-অফ ঘোষণা করিতে পারিবেন ;
(ই) কারখানা বা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হইবার সময় পর্যন্ত শ্রমিক পূর্ণ মজুরিতে কর্মরত ছিলেন বলিয়া গণ্য হইবেন;
(ঈ) শ্রমিককে মালিক তাহার অধীন একই ধরনের অন্য প্রতিষ্ঠানে সমপদে কাজে নিয়োজিত করিতে চাহিলে দফা (খ)-তে বর্ণিত বিধান প্রযোজ্য হইবে;
(উ) স্থায়ীভাবে বন্ধ না করিয়া মালিক ইচ্ছা করিলে ধারা ১২ মোতাবেক কাজ বন্ধ রাখিতে পারিবেন এবং সেই ক্ষেত্রে শ্রমিক ধারা ১৬ মোতাবেক লে-অফ বেনিফিট প্রাপ্য হইবেন;
(ঊ) পাওনা পরিশোধের ব্যাপারে কোন আপত্তি বা বিরোধ দেখা দিলে সেই ক্ষেত্রে মালিক সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ট্রেড ইউনিয়নের (যদি থাকে) সহিত আলোচনাμমে বা সাধারণ শ্রমিকদের (ট্রেড ইউনিয়ন না থাকিলে) সহিত আলোচনাμমে অথবা ধারা ১২৪ক অনুসারে মালিক শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ করিবেন;
(ঋ) আকষ্মিক প্রাকৃতিক বিপর্যয় বা মানুষের নিয়ন্ত্রণ বহির্ভূত বিপর্যয় বা জরুরি প্রয়োজনের যথার্থতা নিয়ে কোন প্রশড়ব বা অভিযোগ উত্থাপিত হইলে এই বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলিয়া বিবেচিত হইবে।
ব্যাখ্যা।জ্জএই দফায় অভিযোগ উত্থাপন বলিতে সংশ্লিষ্ট মহাপরিদর্শক বা সরকারের নিকট লিখিতভাবে আপত্তি জানিয়ে দরখাস্ত করাকে বুঝাইবে।
(খ) কারখানা বা প্রতিষ্ঠানের স্থানান্তরের ক্ষেত্রে:
(অ) কারখানা বা প্রতিষ্ঠানের সীমানা হইতেজ্জ
ধারা ৩৩(৩) মোতাবেক চাকরি সংক্রান্ত কোন অভিযোগ শ্রম আদালতে ফরম-১৪ অনুযায়ী পেশ করিতে হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, শ্রম আদালত যৌক্তিক বিবেচনা করিলে ফরম-১৪ অনুসরণ ব্যতীত লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করিতে পারিবে।
(১) যদি কোন ব্যক্তির শিশু বা কিশোর হিসাবে বয়স প্রমাণের জন্য জন্ম নিবন্ধন সনদ বা স্কুল সার্টিফিকেট না থাকে এবং সক্ষমতা প্রত্যয়নের দরকার হয়, তাহা হইলে যেকোন রেজিস্টার্ড চিকিৎসক ফরম-১৫ অনুযায়ী বয়স ও সক্ষমতার প্রত্যয়নপত্র প্রদান করিবেন এবং উক্তরুপ পরীক্ষার বর্ণনা চিকিৎসক ও মালিককে ফরম-১৫(ক) অনুযায়ী আলাদাভাবে রেজিস্টারে সংরক্ষণ করিতে হইবে।
(২) বয়স ও সক্ষমতার প্রত্যয়নপত্র প্রস্তুত করিবার সময় প্রয়োজনীয় বিবরণাদি প্রত্যয়নপত্রে এবং উহার মুড়িতে পূরণ করিতে হইবে এবং সংশ্লিষ্ট শ্রমিকের বাম হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলীর ছাপ প্রত্যয়নপত্রের উভয় অংশে গ্রহণ করিতে হইবে।
(৩) উল্লিখিত প্রত্যয়নপত্রের তথ্য অনুযায়ী যদি তিনি শ্রমিক হিসাবে নিয়োজিত হন, তাহা হইলে উক্ত প্রত্যয়নপত্রের কপি শ্রমিকের ব্যক্তিগত নথিতে সংরক্ষণ করিবেন।
(১) কিশোরের কাজের সময়ের নোটিস ফরম-১৬ অনুযায়ী পরিদর্শকের নিকট হইতে অনুমোদিত হইতে হইবে।
(২) উল্লিখিত নোটিসটি পরিদর্শকের অনুমোদনের পর অনুমোদিত কপি শ্রমিকদের জ্ঞাতার্থে সহজ দৃষ্টিগোচর স্থানে প্রদর্শনের ব্যবস্থা করিতে হইবে।
(৩) অনুমোদিত নোটিস সংরক্ষণ করিতে হইবে এবং পরিদর্শকের পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠানে প্রস্তুত রাখিতে হইবে।
ধারা ৩৯(১) ও ৪০ অনুযায়ী সরকার কর্তৃক ঘোষিত ঝুঁকিপূর্ণ কাজে এবং ধারা ৩৯(৩) ও ৪০ এ বর্ণিত বিপদজনক কাজে কিশোরদের নিয়োগ করা যাইবে না এবং বিধি ৬৮-তে উল্লিখিত বিপজ্জনক চালনাসমূহেও কোন কিশোরকে নিয়োজিত করা যাইবে না।
একজন গর্ভবতী মহিলা শ্রমিকের প্রতি মালিক ও অন্যান্য শ্রমিকের দায়িত্ব হইবে নিম্নরুপ, যথা:-
(ক) এমন কোন আচরণ বা মন্তব্য না করা যাহাতে যাহাতে তিনি শারীরিক বা মানসিকভাবে হেয় প্রতিপনড়ব হন বা অপমানিতবোধ করেন ;
খ) সরকার কর্তৃক ঘোষিত ঝুঁকিপূর্ণ কাজে অথবা তাহার স্বাস্থ্যের প্রতি ঝুঁকিপূর্ণ হয় এমন কোন কাজে নিয়োজিত না করা ;
(গ) ঝুঁকিবিহীন কাজে স্থানান্তর বা পদায়ন করা ;
(ঘ) কর্মকালীন লিফ্ট ব্যবহারে অগ্রাধিকার প্রদান করা ;
(ঙ) সন্তান প্রসব উত্তর কালে তাহার শিশুর দুগ্ধপানের সুযোগ ও পরিবেশ নিশ্চিত করা।
ধারা ৪৬(২) এর ক্ষেত্রে “কোন ছুটি পাইবার অধিকারী” বলিতে সংশ্লিষ্ট শ্রমিক কর্তৃক অর্জিত বার্ষিক ছুটি এবং পীড়া ছুটিকে বুঝাইবে :
তবে শর্ত থাকে যে, পীড়া ছুটি সমন্বয়ের ক্ষেত্রে সন্তান-সম্ভাবার প্রত্যয়নই ডাক্তারী প্রত্যয়নপত্র হিসাবে গণ্য হইবে :
আরও শর্ত থাকে যে, উপরিউল্লিখিত ছুটি সমন্বয়ের পর যদি আরও ছুটির প্রয়োজন হয় সেই ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের মালিক সংশ্লিষ্ট শ্রমিককে বিনা মজুরিতে ছুটি মঞ্জুর করিতে পারিবেন।
(১) ধারা ৪৭(১) মোতাবেক প্রয়োজনীয় নোটিস সন্তান প্রসবের পূর্বে ফরম-১৮ অনুযায়ী এবং ধারা ৪৭(২) অনুযায়ী প্রয়োজনীয় নোটিস সন্তান প্রসবের পরে ফরম-১৮(ক) মোতাবেক প্রদান করিতে হইবে।
(২) ধারা ৪৭(৪) মোতাবেক প্রসব পরবর্তী প্রসূতি কল্যাণ সুবিধা প্রদানের ক্ষেত্রে কোন প্রসূতি স্ব-শরীরে উপস্থিত হইয়া উহা গ্রহণে অপারগ হইলে তাহার নিকট হইতে লিখিতভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তিকে উহা প্রদান করিতে হইবে।
(৩) শ্রমিক কর্তৃক মৌখিক নোটিস প্রদানের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের উক্তরূপ ছুটি মঞ্জুরকারী কর্মকর্তা কর্তৃক বিষয়টি উপরি-উক্ত ফরমে লিপিবদ্ধ করিয়া উহাতে সংশ্লিষ্ট শ্রমিকের স্বাক্ষর বা টিপসহি গ্রহণ করিতে হইবে।
(৪) প্রসূতি কল্যাণ সুবিধা গ্রহণকারী শ্রমিকগণের তথ্য ফরম-১৯ অনুযায়ী সংরক্ষণ করিতে হইবে।
(৫) ধারা ৪৫(৩) এর শর্তাংশ অনুযায়ী সন্তান-সম্ভবা শ্রমিক কর্তৃক প্রদত্ত সক্ষমতার প্রত্যয়নপত্র ফরম-১৭ অনুযায়ী প্রদান করিতে হইবে।
(৬) প্রসূতি কল্যাণ সুবিধা গ্রহণকারী শ্রমিকগণের তথ্য সম্বলিত মাসিক রিটার্ন পরবর্তী মাসের ১০ তারিখের মধ্যে এবং বার্ষিক রিটার্ন পরবর্তী বৎসরের ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে দাখিল করিতে হইবে।
(১) ধারা ৫১(ক) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, ময়লা ও আবর্জনা অপসারণের উপযুক্ত পন্থা হিসাবে ঢাকনা দেওয়া বাক্সে উহা অপসারণ করিতে হইবে, যাহাতে উক্ত আবর্জনা হইতে দর্গন্ধ বা জীবাণু বিস্তার করিতে না পারে।
(২০) ধাতব পদার্ধ, উৎকট গন্ধময় আবর্জনা, রাসায়নিক আবর্জনা ও মেডিকেল আবর্জনা ভিনড়ব ভিনড়ব বাক্সে প্রতিদিন নিয়মিত অপসারণ করিতে হইবে।
ধারা ৫১(খ) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে প্রত্যেক কর্ম কক্ষ নি¤ড়বরূপভাবে ধৌত করিতে হইবে, যথা:
(ক) অবস্থা ভেদে এবং কাজের প্রকৃতি ভেদে উহা পানি দ্বারা ধৌত অথবা রাসায়নিক পদার্থ, তরল বা সলুশোন দ্বারা জীবাণুনাশ করা;
(খ) অবস্থা ভেদে ভিজা কাপড় দ্বারা মুছিয়া নেওয়া;
(গ) প্রয়োজনবোধে জীবানুনাশক ব্যবহার করা।
ধারা ৫১(গ) অনুযায়ী উৎপাদন প্রμিয়ার কারণে মেঝে বা কর্মকক্ষ ভিজিয়া যাইবার সম্ভাবনা থাকিলেজ্জ
(ক) উক্ত মেঝে অবশ্যই অভেদ্য পদার্থ (ওসঢ়বৎারড়ঁং সধঃবৎরধষ) দ্বারা নির্মিত হইতে হইবে;
(খ) উক্ত মেঝের নির্মাণ কৌশল ঢালু বিশিষ্ট এবং উপযুক্ত নিষ্কাশন নালার মাধ্যমে কারখানার মূল নর্দমা ব্যবস্থার সহিত সংযুক্ত থাকিতে হইবে, যাহাতে নিষ্কাশিত পানি অথবা কোন তরল পদার্থ মেঝেতে জমিয়া থাকিতে না পারে।
ধারা ৫১(ঘ) অনুযায়ী প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের সকল অভ্যন্তরীণ দেওয়াল, পার্টিশন, ছাদ, সিড়ি ও যাতায়াত পথ রং বা বার্ণিশ করা থাকিলে এবং বহির্ভাগ মসৃণ হইলে প্রতি চৌদ্দ মাসে অন্তত একবার উহা পানি, ব্রাশ ও ডিটারজেন্ট দ্বারা ঘষিয়া পরিষ্কার করিতে হইবে।
ধারা ৫১(ঘ)-তে উল্লিখিত কার্যাবলি সম্পনড়ব করিবার তারিখ ধারা ৫১(ঙ) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে ফরম-২০ অনুযায়ী রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করিয়া সংরক্ষণ করিতে হইবে।
(১) ধারা ৫২(২) অনুযায়ী প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি কর্মকক্ষে তাপমাত্রা সহনীয় পর্যায়ে রাখিতে হইবে এবং প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি কর্মকক্ষে নির্মল বায়ু প্রবাহের সুবিধার্থে পর্যাপ্ত সংখ্যক বিপরীতমুখী জানালার ব্যবস্থা থাকিতে হইবে :
তবে শর্ত থাকে যে, যেখানে ভেন্টিলেটরের ব্যবস্থা রাখা সম্ভব নয় সেইখানে এক্সজস্ট ফ্যান (ঊীযধঁংঃ ঋধহ) স্থাপন করা যাইবে :
আরও শর্ত থাকে যে, কর্মক্ষেত্রে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ (ড্রাই ও ওয়েট) ব্যবস্থা থাকিলে বায়ু চলাচলের উপরি-উক্ত ব্যবস্থার প্রয়োজন হইবে না।
(২) ধারা ৫২(২) অনুযায়ী প্রত্যেক কর্মকক্ষে অন্তত একটি তাপ পরিমাপক যন্ত্র (থার্মোমিটার) সচল অবস্থায় রাখিতে হইবে এবং উহা যথাযথ মানসম্পনড়ব হইতে হইবে এবং কর্মকক্ষের দেয়ালের দৃশ্যমান স্থানে উহা স্থাপন করিতে হইবে।
(১) ধারা ৫৩(১) বাস্তবায়নের জন্য প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানে বা কর্মকক্ষে উৎক্ষিপ্ত ধূলা-বালি ও ধোঁয়ার কার্যকর নির্গমনের লক্ষ্যে ‘ডাস্ট সাকার’ সহ উপযুক্ত নির্গমন যন্ত্র স্থাপন করিতে হইবে এবং উহা এমনভাবে স্থাপন করিতে হইবে যেন কোনμমেই ধূলা-বালি বা ধোঁয়া কর্মকক্ষে বিস্তার করিতে না পারে।
(২) উক্তরূপ প্রতিষ্ঠানে ধূলা-বালি ও ধোঁয়াময় স্থানে কর্মরত প্রত্যেক ব্যক্তিকে মাস্ক ব্যবহার করিতে হইবে।
(৩) মহাপরিদর্শক কর্মকক্ষে ধূলা-বালি ও ধোঁয়া উৎক্ষেপনের সর্বোচ্চ মান নির্ধারণ করিতে পারিবেন।
(১) ধারা ৫৪ অনুযায়ী সকল বর্জ্য ও তরল অপসারণের ব্যবস্থা পরিবেশ ও স্বাস্থ্য সংμান্ত দেশের প্রচলিত আইনানুগ বিধি-বিধান ও নির্দেশনা অনুযায়ী হইতে হইবে এবং গৃহীত ব্যবস্থা সম্পর্কে পরিবেশ ও সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের ছাড়পত্র পরিদর্শকের নিকট দাখিল করিতে হইবে।
(২) উপ-বিধি (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, পরিদর্শক প্রয়োজন মনে করিলে শ্রমিকের স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করিয়া বর্জ্য অপসারণে অতিরিক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবেন।
(৩) তরল বর্জ্য ও পানি বহনকারী সকল নর্দমা অভেদ্য মাল-মশলা দ্বারা মজবুত ও টেকসইভাবে উপযুক্ত ঢাকনাযুক্ত অবস্থায় নির্মাণ করিতে হইবে যাহাতে নিয়মিত পানি প্রবাহ থাকিবে এবং উক্ত বর্জ্য দূষণমুক্ত করিয়া অপসারণ করিতে হইবে।
(৪) উপরি-উক্ত উভয় বিষয়ে সন্তুষ্ট হইয়া পরিদর্শক উক্ত কারখানার বর্জ্য অপসারণে গৃহীত ব্যবস্থা সম্পর্কে অনুমোদন প্রদান করিবেন।
ধারা ৫২ ও ৫৫ অনুযায়ী তফসিল-১ এ বর্ণিত উপায়ে সূতা ও বয়ন কারখানায় বায়ু চলাচল ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং কৃত্রিম আর্দ্রকরণ রেকর্ড ফরম-২১ অনুযায়ী সংরক্ষণ করিতে হইবে।
(১) ধারা ৫৭ অনুযায়ী যেখানে শ্রমিকগণ কাজ করিয়া থাকেন বা তাহাদিগকে নিয়োগ করা হয় সেই কর্মকক্ষের বা স্থানের আলোক ব্যবস্থা মেঝে হইতে ১.০ মিটার উচ্চতায় কমপক্ষে ৩৫০ লাক্স (খীঁ) হইতে হইবে।
(২) যদি মহাপরিদর্শকের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, কোন নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে উল্লিখিত বিধানের প্রয়োজন নাই সেই ক্ষেত্রে তিনি উক্ত বিধান হইতে উক্ত প্রতিষ্ঠানকে অব্যাহতি প্রদান করিতে পারিবেন অথবা কর্মস্থলের উৎপাদন প্রμিয়ার জন্য প্রয়োজনীয় আলোক ব্যবস্থার মান নির্ধারণ করিতে পারিবেন।
(১) ধারা ৫৮ অনুযায়ী প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে সকল শ্রমিকের সহজগম্য এবং সুবিধাজনক স্থানে পান করিবার জন্য বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের ব্যবস্থা রাখিতে হইবে এবং উহা স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে সংরক্ষণ করিতে হইবে।
(২) পান করিবার পানি সংরক্ষণের স্থানটি কোন প্রতিষ্ঠানে কোন ধৌতাগার, প্রক্ষালন কক্ষ অথবা শৌচাগার হইতে অন্যূন ৬ মিটার দূরত্বে স্থাপন করিতে হইবে।
(৩) উপ-বিধি (১) মোতাবেক সরবরাহকৃত পানিজ্জ
(ক) জীবাণুমুক্ত উপযুক্ত পাত্রে রাখিতে হইবে;
(খ) প্রতিদিন কমপক্ষে একবার বদলাইতে হইবে;
(গ) সকল প্রকার সংμমণ হইতে মুক্ত রাখিবার বাস্তব পদক্ষেপ গ্রহণ করিতে হইবে :
তবে শর্ত থাকে আধুনিক পানি পরিশোধন প্রμিয়ায় পরিশোধিত পানি পাত্রসহ সরবরাহের ব্যবস্থা করা হইলে প্রতিদিন বদলানোর প্রয়োজন হইবে না।
(৪) যে স্থানে শ্রমিকদের পান করিবার পানি সরবরাহ করা হয় সেই স্থানে আশপাশের এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছনড়ব এবং নালা সংযুক্ত অবস্থায় রাখিতে হইবে।
(৫) সরবরাহকৃত ভূগর্ভস্থ পানি বা অন্য কোনভাবে সরবরাহকৃত পানি বা টিউবওয়েলের পানি ব্যবহারের ক্ষেত্রে উহা আর্সেনিক, জীবানুমুক্ত ও খাবার উপযুক্ত কি না উহা অন্তত: বৎসরে একবার বা পরিদর্শক কর্তৃক নির্দেশিত হইলে সরকারের জনস্বাস্থ্য ও প্রকৌশল বিভাগ বা সরকারের অন্যকোন প্রতিষ্ঠান বা সরকার কর্তৃক অনুমোদিত যে কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হইতে মালিককে লিখিত প্রত্যয়নপত্র সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করিতে হইবে।
(৬) যে প্রতিষ্ঠানে সাধারণত ২৫০ জনের অধিক শ্রমিক কাজ করিয়া থাকেন উহার প্রতিটিতে প্রতি বৎসর ১ এপ্রিল হইতে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শ্রমিকদের ক্যান্টিন, খাবার ঘর এবং বিশ্রাম ঘরে পান করিবার জন্য যে পানি সরবরাহ করা হয় উহা পানি ঠা-াকরণ যন্ত্র (ডধঃবৎঈড়ড়ষবৎ) অথবা অন্য কোন কার্যকর পন্থায় ঠা-া করিয়া সরবরাহ করিতে হইবে।
(৭) প্রতিষ্ঠানের ব্যবহৃত কোন যন্ত্রের কারণে যদি এমন তাপ সৃষ্টি হয় যাহা সহনীয় মাত্রার অতিরিক্ত তাপ উদ্রেক করে তাহা হইলে উক্ত যন্ত্রের সনিড়বকটে কর্মরত প্রত্যেক শ্রমিকের জন্য ধারা ৫৮(৪) অনুযায়ী পর্যাপ্ত খাবার স্যালাইন অথবা গুড় বা চিনির শরবত সরবরাহ করিতে হইবে এবং এই গুড় বা চিনি মিশ্রিত শরবতের পরিমাণ প্রতি শ্রমিকের জন্য দৈনিক ন্যূনতম দুই লিটার হইতে হইবে।
ধারা ৫৯ অনুযায়ী প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানে শৌচাগার ও প্রক্ষালন কক্ষের সংখ্যা, উহার অবস্থান এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছনড়বতা তফসিল-২ অনুযায়ী হইতে হইবে।
(১) ধারা ৬০ অনুযায়ী প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে-
(ক) প্রতি ১০০ জন শ্রমিকের জন্য অন্তত একটি করিয়া পৃক আবর্জনা ও পিকদানি বাক্স রাখিতে হইবে;
(খ) পিকদানি বালু ভর্তি থাকিতে হইবে এবং উহার উপরে ব্লিচিং পাউডার থাকিতে হইবে;
(গ) পিকদানিগুলি প্রতি ৭ দিন অন্তর একবার খালি করিয়া পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত করিতে হইবে এবং দৈনিক অন্তত একবার উপরের এক স্তর বালি অপসারণ করিয়া পরিষ্কার করিতে হইবে;
(ঘ) আবর্জনা বাক্স প্লাস্টিকের তৈরি ও ঢাকনাসহ থাকিতে হইবে এবং উহাতে প্রতিদিন জমাকৃত আবর্জনা অপসারণ করিতে হইবে ও উভয় ক্ষেত্রে জীবাণুনাশক দ্বারা পরিষ্কার করিতে হইবে;
(ঙ) উক্ত পিকদানি ও আবর্জনা বাক্স কর্মকক্ষের দরজার সনিড়বকটে স্থাপন করিতে হইবে এবং উহা এমনভাবে স্থাপন করিতে হইবে যাহাতে দুর্গন্ধ না ছড়ায় ও ময়লা আবর্জনা চোখে না পড়ে।
(২) কোন ব্যক্তি কোন প্রতিষ্ঠানে পিকদানি ও আবর্জনা বাক্স ব্যতীত অন্য কোথাও থু থু বা আবর্জনা ফেলিবে না এবং এই বিধান সম্পর্কে নোটিস কারখানার ভিতরে উপযুক্ত স্থানে সহজে দৃষ্টিগোচর হয় এমনভাবে টাঙ্গাইয়া রাখিতে হইবে।
(১) ধারা ৬১(১) বাস্তবায়নের জন্য সময় পরিদর্শক ভবন, পথ, যন্ত্রপাতি বা প্লান্টসহ উক্ত ধারায় উল্লিখিত বিষয়গুলি ব্যতীত কোন প্রতিষ্ঠানের কোন দেওয়াল, চিমনি, সেতু, সুড়ঙ্গ, রাস্তা, গ্যালারী, সিঁড়ি, র্যাম্প, মেঝে, প্লাটফরম, মাচা, রেলপথ বা বৈদ্যুতিক বা যান্ত্রিক পদ্ধতির যানবাহন চালানোর রাস্তা বা অন্য কোন কাঠামো, উহা স্থায়ী বা অস্থায়ী যে রকমই হউক না কেন, বিবেচনায় আনিবেন যেন ইহা মানুষের জীবন বা নিরাপত্তার জন্য বিপদজনক না হয় :
তবে শর্ত থাকে যে, উক্তরুপ ক্ষেত্রে এই বিধিমালা কার্যকর হইবার পূর্বে প্রতিষ্ঠিত বা নির্মিত বা চালুকৃত কারখানা বা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে কোন স্বীকৃত সিভিল ইঞ্জিনিয়ার বা সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ফার্ম কর্তৃক ভবনের স্থায়িত্ব এবং ওজন বহন ক্ষমতা (ষড়ধফ পধঢ়ধপরঃু) এবং যন্ত্রপাতি ও অন্য যে কোন কাঠামো নির্মাণের ক্ষেত্রে প্রচলিত অন্যান্য আইনের সংশ্লিষ্ট বিধানাবলি অনুসরণ করা হইয়াছে কিনা, উহার সনদ পরিদর্শকের নিকট দাখিল এবং প্রদর্শন করিবার জন্য মালিককে নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবেন এবং যাচাই করিতে পারিবেন।
(২) এই বিধিমালা কার্যকর হইবার পর কোন কারখানা ভবন নির্মাণ বা কোন ভবনে কারখানা স্থাপন করিতে হইলে বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড বা প্রয়োজ্য ক্ষেত্রে সরকার কর্তৃক জারিকৃত সর্বশেষ নীতিমালা অনুযায়ী নির্মিত হইয়াছে মর্মে নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানের নিকট হইতে সনদ গ্রহণ করিতে হইবে।
(৩) ধারা ৬১ (২) অনুযায়ী পরিদর্শক কর্তৃক প্রদান করা নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তাহার কর্তৃক নির্দেশিত নির্দিষ্ট ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে কোন মালিক বা কর্তৃপক্ষ ব্যর্থ হইলে উহা চলমান অপরাধ অর্থাৎ প্রতিদিন কৃত অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে।
(১) প্রতিষ্ঠানের ভবনের প্রতিটি কক্ষ যেখানে ২০ জনের অধিক সংখ্যক ব্যক্তি কাজ করেন সেই ক্ষেত্রে অন্যূন দুইটি করিয়া বর্হি:গমন পথ থাকিতে হইবে এবং এইগুলো এমনভাবে অবস্থিত থাকিবে যাহাতে প্রত্যেক ব্যক্তি তাহার কাজের স্থান হইতে বর্হি:গমন পথ পর্যন্ত বাঁধাহীনভাবে এবং স্বচ্ছন্দে পৌঁছাইতে পারে।
(২) উক্তরূপ বর্হিগমন পথ কোন শ্রমিকের কাজের স্থান হইতে পঞ্চাশ মিটারের অধিক দূরত্বে হইবে না এবং উহা প্রস্থে ১.১৫ মিটার এবং উচ্চতায় ২.০০ মিটারের কম হইতে পারিবে না।
(৩) যেক্ষেত্রে কোন প্রতিষ্ঠানের ভবনে বা ভবনের কোন অংশে নিচতলার উপরে কোন সময় ২০ বা ততোধিক শ্রমিক কাজ করিয়া থাকেন অথবা যেখানে দাহ্য পদার্থ বা বিস্ফোরক দ্রব্য ব্যবহার করা হয় বা জমা রাখা হয় অথবা প্রতিষ্ঠানের ভবন বা উহার অংশ ভূ-সমতলের নিচে অবস্থিত, সেই ক্ষেত্রে জরুরি মূহুর্তে বাহির হইবার উপায়ের মধ্যে ভবনের ভিতরে বা বাহিরে স্থায়ীভাবে নির্মিত কমপক্ষে দুইটি মজবুত এবং পৃক সিঁড়ির ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত থাকিবে এবং এইগুলি অগিড়ব প্রতিরোধক পদার্থ দ্বারা নির্মাণ এবং সরাসরি ও বাঁধাহীন যাতায়াতের ব্যবস্থা সম্বলিত হইতে হইবে।
(৪) আগুন লাগিলে বাহির হইয়া যাইবার জন্য ব্যবহৃতব্য প্রত্যেকটি সিঁড়ি মজবুত হ্যান্ড রেইলযুক্ত থাকিবে এবং উক্ত সিঁড়ি উহার রেইল তাপ অপরিবাহী ও অগিড়ব প্রতিরোধক পদার্থ দ্বারা নির্মাণ করিতে হইবে এবং সিঁড়িটি অমসৃণ হইতে হইবে।
(৫) উক্তরূপ সিঁড়ি এই বিধিমালা বলবৎ হইবার পরে নির্মিত হইলে উহার উভয় পার্শ্বে হ্যান্ড রেইল যুক্ত থাকিতে হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, এই বিধিমালা বলবৎ হইবার পূর্বে নির্মিত সিঁড়িসমূহ যদি উভয় পার্শ্বে রেইল যুক্ত না হইয়া থাকে তাহা হইলে পরবর্তী ছয় মাসের মধ্যে উহা উভয় পার্শ্বে রেইল যুক্ত করিতে হইবে:
আরও শর্ত থাকে যে, যদি উক্ত সিঁড়ি রেলিং স্থাপনের জন্য প্রশস্ততা ১.১৫ মিটারের কম হইলে এই শর্ত প্রযোজ্য হইবে না।
(৬) কোন সিঁড়ি সমতল হইতে ৪৫ক্ক কোণের অধিক কৌণিক দূরত্বে নির্মাণ করা যাইবে না।
(৭) ছয় তলা পর্যন্ত উচ্চতা বিশিষ্ট ভবনের কোন সিঁড়ি ১.১৫ মিটারের কম প্রশস্ত হইবে না এবং ষষ্ঠ তলার অধিক উচ্চতাসম্পনড়ব ভবনের সিঁড়ি ২.০০ মিটারের কম প্রশস্ত হইবে না এবং বহুতল বিশিষ্ট কারখানা ভবনের ক্ষেত্রে স্প্রিঙ্কলার ব্যবস্থাবিহীন বিল্ডিং এবং স্প্রিঙ্কলার ব্যবস্থা সম্বলিত বিল্ডিং এর ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোডের বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে :
তবে শর্ত থাকে যে, এই বিধিমালা জারির পূর্বে নির্মিত সকল বহুতল বিশিষ্ট কারখানা ভবনের ক্ষেত্রে কর্মরত শ্রমিকের নিরাপত্তার বিষয়ে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার প্রদানের লক্ষ্যে সিঁড়ির প্রশস্ততা কোনμমেই ১.১৫ মিটারের কম হইবে না :
আরও শর্ত থাকে যে, পুরাতন অবকাঠামোজনিত কারণে যেখানে সিঁড়ির প্রশস্ততা বাড়ানোর সুযোগ নেই সেই ক্ষেত্রে সিড়ির প্রশস্ততা ০.৮২ মিটারের কম হইবে না।
(৮) দুইটি বহির্গমন পথ বা সিঁড়ি ৫০ মিটারের অধিক দূরত্বে এবং পরস্পরের সনিড়বকটে হইবে না এবং কমপক্ষে অর্ধেক সংখ্যক সিঁড়ির শেষ প্রান্ত ভবনের বহির্মুখী হইতে হইবে।
(৯) সিঁড়িতে পর্যাপ্ত বায়ু চলাচল ও আলোর ব্যবস্থা থাকিতে হইবে যেন সিড়িঁটি ধোঁয়াচ্ছনড়ব বা অন্ধকারাচ্ছনড়ব না হইতে পারে এবং চিলেকোঠায় অবস্থিত দরজা কাজ চলাকালীন বন্ধ বা তালাবদ্ধ রাখা যাইবে না।
(১০) প্রতিটি ফ্লোরের ন্যূনতম একটি গ্রীলবিহীন জানালা থাকিবে যা কব্জাসংযুক্ত হইতে হইবে এবং যাহাতে জরুরি প্রয়োজনে খুলিয়া লেডার বা দড়ির মই এর সাহায্যে নীচে নামিয়া আসা যায় এবং নীচ তলায় শক্ত দড়ির জাল সংরক্ষণ করিতে হইবে যাহাতে অগিড়ব দুর্ঘটনার সময় জরুরি প্রয়োজনে দড়ি বহিয়া উক্ত জালে অবতরণ করা যায়।
(১১) ধারা ৬২ অনুযায়ী পরিদর্শক কর্তৃক প্রদত্ত নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তাহার কর্তৃক নির্দেশিত নির্দিষ্ট ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে কোন মালিক বা কর্তৃপক্ষ ব্যর্থ হইলে উহা চলমান অপরাধ অর্থাৎ প্রতিদিন কৃত অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে।
(১) প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানের প্রতি তলায় প্রতি ১০০০ বর্গমিটার মেঝে এলাকার জন্য ২০০ লিটার ধারণ ক্ষমতাসম্পনড়ব পানি ভর্তি একটি ড্রাম এবং ১০ লিটার ধারণ ক্ষমতাসম্পনড়ব চারটি করিয়া ধাতব পদার্থ দ্বারা নির্মিত লাল রংয়ের খালি বালতি ঝুলন্ত অবস্থায় সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণ করিতে হইবে, এবং প্রতিটি বালতিজ্জ
(ক) বাংলাদেশ ষ্ট্যান্ডার্ড স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী যথাযথ মানসম্পনড়ব হইতে হইবে;
(খ) পরিদর্শক কর্তৃক অনুমোদিত অবস্থানে রাখিতে হইবে এবং আগুন নিভানো ব্যতীত অন্য কোন কাজে ব্যবহৃত হইবে না এবং অগিড়ব নির্বাপনের জন্য ব্যবহার্য লেখা সম্বলিত হইতে হইবে;
(গ) কেবলমাত্র দাহ্য তরল বা অন্য পদার্থ হইতে যেখানে আগুন লাগিবার ঝুঁকি বর্তমান এবং যেখানে পানি ব্যবহারযোগ্য নয় সেই ক্ষেত্র ব্যতীত, সব সময় বালি ভর্তি রাখিতে হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, প্রতিষ্ঠানটি যদি ফায়ার হাইড্রেন অথবা স্পির্ঙ্কলার দ্বারা সুরক্ষিত থাকে তবে উপরি-উক্ত বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে না;
(ঘ) প্রত্যেক ভবনে প্রতি ৮৫০ বর্গমিটার স্থানের জন্য প্রতি তলায় ফায়ার সার্ভিস বিভাগের স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী একটি হোজরিল পরিদর্শক কর্তৃক অনুমোদিত
স্থানে স্থাপন করিতে হইবে, উহাতে অবারিত পানির সংযোগ থাকিবে এবং প্রতি বৎসর ন্যূনতম একবার পরীক্ষার ব্যবস্থা করিতে হইবে :
তবে শর্ত থাকে যে, অগিড়ব নির্বাপনের বিকল্প ব্যবস্থা সম্পর্কে নিশ্চিত হইয়া উহা লিখিতভাবে রেকর্ডপূর্বক মহাপরিদর্শক কোন প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এই অনুচ্ছেদের
বিধান প্রতিপালন শিথিল করিতে পারিবেন।
(২) ৯০ বর্গমিটার অধিক আয়তনের মেঝে বিশিষ্ট প্রতিষ্ঠানের এবং যেখানে দাহ্য তরল, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম এবং দাহ্য ধাতু ব্যতীত অন্য দাহ্য বস্তু হইতে আগুন লাগিতে পারে সেখানে উপ-বিধি (১) এ উল্লিখিত নির্ধারিত বালতির অতিরিক্ত প্রতি ৯০ বর্গমিটার স্থানের জন্য একটি ড্রাই কেমিক্যাল পাউডার অগিড়বনির্বাপক বা অনুরূপ ধরনের বহনযোগ্য অগিড়ব নির্বাপক যন্ত্র রাখিতে হইবে।
(৩) যে সব প্রতিষ্ঠানে দাহ্য তরল হইতে বা গ্লোজ বা পেইন্ট হইতে আগুন লাগিতে পারে, সেখানে উপ-বিধি (২) এ বর্ণিত মাত্রায় অগিড়বনির্বাপণ যন্ত্র রাখিতে হইবে এবং সেইগুলি ফোম টাইপ, ড্রাই কেমিক্যাল পাউডার (এ বি সি টাইপ), কার্বন-ডাই-অক্সাইড, অগিড়বনির্বাপক বা অনুরূপ ধরনের হইতে হইবে।
(৪) যেসব প্রতিষ্ঠানে বৈদ্যুতিক যন্ত্রাদি হইতে আগুন লাগিবার সম্ভাবনা থাকে সেইখানে উপ-বিধি (২) এ বর্ণিত মাত্রায় অগিড়বনির্বাপক যন্ত্র রাখিতে হইবে এবং উহা কার্বন-ডাই-অক্সাইড, ড্রাই ক্যামিকেল পাউডার নির্মিত বা অনুরূপ পদার্থ স¤¦লিত হইতে হইবে।
(৫) যে সব প্রতিষ্ঠানে ম্যাগনেশিয়াম, এ্যালুমিনিয়াম বা জিংক-এর গুঁড়া বা চাঁচ অথবা অন্য দাহ্য ধাতু হইতে আগুন লাগিবার সম্ভাবনা থাকে সেইখানে কার্বন-ডাই-অক্সাইড বা ফোম টাইপের অগিড়বনির্বাপক যন্ত্র ব্যবহার করা যাইবে না এবং সেইখানে আগুন নিভানোর জন্য
ড্রাই কেমিক্যাল পাউডার (‘ডি’ টাইপ), পর্যাপ্ত পরিষ্কার মিহি শুকনা বালি, পাথরের গুঁড়া এবং অন্য অদাহ্য পদার্থ মজুদ রাখিতে হইবে।
(৬) প্রত্যেক বহনযোগ্য অগিড়বনির্বাপক যন্ত্র পরিদর্শক কর্তৃক অনুমোদিত স্থানে স্থাপন করিয়া রাখিতে হইবে :
তবে শর্ত থাকে যে, মহাপরিদর্শক যেক্ষেত্রে এইরূপ অভিমত প্রদান করেন যে, প্রতিষ্ঠানের ভবন বা কক্ষে অগিড়বনির্বাপণী কর্তৃপক্ষ (ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর) দ্বারা অনুমোদিত এবং স্বীকৃত পন্থায় পর্যাপ্ত স্বয়ংμিয় অগিড়বনির্বাপক যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হইয়াছে এবং সেইখানে এই
উপ-বিধির শর্ত শিথিল করা যাইতে পারে, সেই ক্ষেত্রে তিনি উক্ত ভবন বা কক্ষের ব্যাপারে যে পরিমাণে উক্ত শর্ত শিথিল করা হইয়াছে উহা লিখিতভাবে উল্লেখপূর্বক এই মর্মে একটি প্রত্যয়নপত্র প্রদান করিতে পারিবেন।
(৭) উপ-বিধি (২) এ বর্ণিত প্রতিটি অগিড়বনির্বাপক যন্ত্রজ্জ
(ক) এমন সুদৃশ্য স্থানে স্থাপন করিতে হইবে যেন সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে;
(খ) তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবহারের জন্য সকল অংশ হইতে প্রবেশযোগ্য স্থানে স্থাপন করিতে হইবে;
(গ) যতদূর সম্ভব প্রত্যেক ফ্লোরের বর্হিগমন হইবার পথ (ঊীরঃ) অথবা সিঁড়ির ভূসংযোগস্থল (ঝঃধরৎ খধহফরহম) এর নিকটবর্তী স্থানে স্থাপন করিতে হইবে,তবে লক্ষ্য রাখিতে হইবে যেন কোন অবস্থাতেই জরুরি নির্গমন বাঁধাগ্রস্থ না হয়;
(ঘ) প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, দেওয়াল (ংঁঢ়ঢ়ড়ৎঃরহম ধিষষ) অথবা কাঠের, ধাতব ও প্লাস্টিকের তৈরি কেবিনেটে এমনভাবে স্থাপন করিতে হইবে যেন অগিড়বনির্বাপক
যন্ত্রের তলদেশ ভূসমতল (মৎড়ঁহফ ষবাধষ) হইতে ১০০০ মিলিমিটার উপরে হয়;
(ঙ) প্রত্যেক ফ্লোরের একই স্থানে স্থাপন করিতে হইবে;
(চ) ভবনের অগিড়ব ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা যেমন-রানড়বাঘর, জনবহুল এলাকা (পৎড়ফিবফধৎবধ), গুদাম, বৈদ্যুতিক বিভাজন পয়েন্ট, দাহ্যবস্তু সম্বলিত এলাকা, ইত্যাদি
স্থানে স্থাপন করিতে হইবে এবং উহা বহনযোগ্য (ঢ়ড়ৎঃধনষব) অগিড়বনির্বাপক যন্ত্র হইতে হইবে;
(৮) প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানের ভবনের প্রত্যেক ফ্লোরে সহজে দৃশ্যমান এক বা একাধিক স্থানে বহির্গমন পথের নকশা (ঊাধপঁধঃরড়হ চষধহ) প্রদর্শনের ব্যবস্থা রাখিতে হইবে।
(৯) প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানে প্রত্যেক টাইপের অগিড়বনির্বাপক যন্ত্রের জন্য যথেষ্ট পরিমাণ স্পেয়ার চার্জ মজুত রাখিতে হইবে এবং প্রয়োজনে ব্যবহার করা যায় এমন অবস্থায় সর্বাধিক স্পেয়ার চার্জ সর্বদা মজুত এবং প্রস্তুত রাখিতে হইবে।
(১০) যতদূর সম্ভব প্রতিষ্ঠানের প্রত্যেক শ্রমিককে, অন্তত প্রতিষ্ঠানের প্রত্যেক বিভাগে নিযুক্ত শ্রমিকদের কমপক্ষে ১৮% শ্রমিককে অগিড়বনির্বাপণ জরুরি উদ্ধার ও প্রাথমিক চিকিৎসা এবং বহনযোগ্য অগিড়বনির্বাপক যন্ত্রের ব্যবহার সম্পর্কে প্রশিক্ষণ প্রদান করিতে হইবে এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শ্রমিকদের মধ্য হইতে অগিড়বনির্বাপক দল, উদ্ধারকারী দল ও প্রাথমিক চিকিৎসা দল (প্রতি দলে ৬% সদস্য) গঠন করিয়া নিরাপত্তা নিশ্চিত করিতে হইবে এবং ফরম-২২ অনুযায়ী এতদসম্পকির্ত রেকর্ড সংরক্ষণ করিতে হইবে।
(১১) অগিড়বনির্বাপণ, উদ্ধারকারী ও প্রাথমিক চিকিৎসা দলকে কাজ চলাকালীন অবশ্যই নির্ধারিত পোশাক পরিধান করিতে হইবে এবং উক্ত পোশাক হইবে নি¤ড়বরূপ, যথা:জ্জ
(ক) অগিড়বনির্বাপণ দল - হলুদ রং এর এপ্রোণ পিছনে লাল রং এ ‘আগুন’ (ঋরৎব) লিখা থাকিবে;
(খ) উদ্ধারকারী দল - হলুদ রং এর এপ্রোণ পিছনে লাল রং এ ‘উদ্ধার’ (জবংপঁব) লিখা থাকিবে ;
(গ) প্রাথমিক চিকিৎসা দল - সাদা রং এর এপ্রোণ পিছনে লাল রং এ ‘প্রাথমিক চিকিৎসা’ (ঋরৎংঃ অরফ) লিখা থাকিবে।
(১২) কমপক্ষে ৫০০ জন শ্রমিক কর্মরত এইরূপ সকল প্রতিষ্ঠান বা কারখানায় একজন ট্রেনিংপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাখিতে হইবে যাহার দায়িত্ব হইবে সব অগিড়বনির্বাপক সরঞ্জামাদির যথাযথ সংরক্ষণ ও প্রস্তুত রাখা এবং উপ-বিধি ১০ এ উল্লিখিত তিনটি দলকে প্রতি ছয় মাস অন্তর পুনঃপ্রশিক্ষণ প্রদান করা।
(১৩) প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক প্রতিষ্ঠান বা কারখানায় আগুন লাগিলে যে ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে হইবে এবং অগিড়বনির্বাপক বিধিমালার যথাযথ কার্যকরীকরণের জন্য একটি বিস্তারিত ‘অগিড়বনির্বাপণী পরিকল্পনা’ প্রস্তুত করিবেন।
(১৪) ধারা ৬২(৮) অনুসারে প্রতি ছয় মাসে অন্তত একবার অগিড়বনির্বাপণ ও দুর্ঘটনার সময় জরুরি নির্গমনের মহড়ার আয়োজন করিতে হইবে এবং ফরম-২২(ক) অনুযায়ী রেকর্ডবুক সংরক্ষণ করিতে হইবে এবং মহড়া আয়োজনের কমপক্ষে ১৫ দিন পূর্বে সংশ্লিষ্ট পরিদর্শক এবং নিকটস্থ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনকে লিখিতভাবে অবহিত করিতে হইবে।
(১৫) প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানে অগিড়ব নির্বাপণের প্রয়োজনে অন্তত ৫০০০ লিটার ধারণ ক্ষমতাসম্পনড়ব একটি জলাধারের ব্যবস্থা থাকিতে হইবে এবং উহা সব সময় পানি দ্বারা পূর্ণ থাকিতে হইবে এবং হোজরিলের সহিত সংযুক্ত রাখিতে হইবে এবং উক্ত জলাধার ভবনের কাঠামোর উপর কোন প্রকার চাপ বা ঝুঁকি সৃষ্টি করিতে পারিবে না:
তবে শর্ত থাকে যে, একই ভবনে একাধিক প্রতিষ্ঠান থাকিলে প্রতিষ্ঠানের মালিকগণ এবং ভবন মালিক সম্মিলিতভাবে উপরি-উক্ত পদ্ধতিতে জলাধার স্থাপন করিতে পারিবেন।
(১৬) একই এলাকায় পাশাপাশি ভবনে অবস্থিত কয়েকটি কারখানা বা প্রতিষ্ঠানের মালিকগণ কর্তৃক যৌথভাবে একটি সুবিধাজনক স্থানে অগিড়ব নির্বাপণের লক্ষ্যে ইচ্ছা করিলে যৌথভাবে প্রত্যেক কারখানা বা প্রতিষ্ঠানের সহিত পাইপের মাধ্যমে সংযুক্ত করিয়া যান্ত্রিক গভীর নলকূপ (উববঢ়ঃঁনববিষষ) বা বৈদ্যুতিক পাম্পযুক্ত জলাধারের ব্যবস্থা করিতে পারিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, এই ক্ষেত্রে মহাপরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত পরিদর্শক উপ-বিধি (১৫) প্রতিপালন হইতে অব্যাহতি প্রদান করিতে পারিবেন।
(১৭) উপ-বিধি (১৫) এবং (১৬) তে উল্লিখিত গভীর নলকূপ বা জলাধার ব্যবস্থার পরিকল্পনা ও নক্সা মহাপরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত পরিদর্শকের অনুমোদনμমে স্থাপন করিতে হইবে।
(১৮) এই বিধিতে বর্ণিত বিষয়াদি প্রতিপালন করিবার ক্ষেত্রে অগিড়ব প্রতিরোধ ও নির্বাপণ আইন, ২০০৩ এবং তদধীন প্রণীত বিধিমালা অনুযায়ী আরো কোন কিছু প্রতিপালন করা প্রতিভাত হইলে উহা সম্পাদন করিতে হইবে।
যন্ত্রপাতি ঘিরিয়া রাখিবার ব্যাপারে ধারা ৬৩(১) এর কোন বিধান লংঘন না করিয়া, অতিরিক্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পরিদর্শক লিখিত নির্দেশ প্রদান করিলে অনুরূপ নির্দেশ উল্লিখিত যন্ত্রপাতির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে।
(১) ধারা ৬৪(১) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে যন্ত্রপাতি চালনা, পরীক্ষা বা মেরামতের কাজে নিয়োজিত শ্রমিকদের তালিকা ফরম-২৩ অনুযায়ী লিপিবদ্ধ করিয়া সংরক্ষণ করিতে হইবে।
(২) চালু যন্ত্রপাতি পরীক্ষা-নিরীক্ষা বা চালনা করা সম্পর্কে পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ না থাকিলে এবং অনুরূপ চালু যন্ত্রপাতির কাজ সংশ্লিষ্ট বিপদ-আপদ সম্পর্কে বাস্তব জ্ঞান না থাকিলে কোন ব্যক্তিকে নিয়োগ করা যাইবে না।
(৩) ধারা ৬৪(১) এর বিধান মোতাবেক উক্তরূপ কাজ করাইবার জন্য নির্দিষ্ট শ্রমিককে ঝুঁকি ভাতা প্রদান করিতে হইবে ও মালিক তাহাকে প্রয়োজনীয় আঁটসাট পোশাক ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা উপকরণ সরবরাহ করিবেন।
(৪) উপ-বিধি (৩) এ উল্লিখিত পোশাক হিসাবে কমপক্ষে একজোড়া মোটা সুতি কাপড়ের আঁটসাট প্যান্ট এবং আঁটসাট হাতাকাটা জামা থাকিবে এবং নূতন পোশাক সরবরাহ করা হইলে পুরানো পোশাক বা শ্রমিকের চাকরি অবসান করা হইলে উক্ত সরবরাহকৃত পোশাক মালিককে ফেরত প্রদান করিতে হইবে।
(১) প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ সরবরাহের লাইন এবং সকল বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি যথাযথ আকৃতির এবং পর্যাপ্ত শক্তিসম্পনড়ব হইতে হইবে এবং এমনভাবে নির্মিত, সংরক্ষিত ও কার্যকর হইতে হইবে যাহাতে উহা কোন ব্যক্তির দৈহিক ঝুঁকির কারণ না হয়।
(২) কারখানা বা প্রতিষ্ঠান উৎপাদনে যাইবার পূর্বে বা ব্যবসা বা সেবা চালু করিবার পূর্বে অবশ্যই বৈদ্যুতিক ওয়্যারিং এর উপযুক্ততা সনদ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নিকট হইতে গ্রহণ করিতে হইবে।
(৩) প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠান যেখানে কোন প্রকার বিদ্যুৎ সরবরাহ রহিয়াছে এবং বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয় সেইখানে এমন স্বয়ংμিয় কারিগরি কৌশল স্থাপন করিতে হইবে, যাহার ফলে কোন প্রকার বৈদ্যুতিক বা অগিড়বকান্ডের দুর্ঘটনা ঘটিলে যে কোন বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি স্বয়ংμিয়ভাবে অচল হইয়া যাইবে।
(৪) উক্তরূপ কারিগরি কৌশল স্থাপনের ব্যাপারে পরিদর্শক নিশ্চিত হইলে তিনি বৈদ্যুতিক সরঞ্জামের ক্ষেত্রে গৃহীত রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থার পর্যাপ্ততা ও অন্যান্য বিষয় বিবেচনার সময় উক্ত কারিগরি কৌশলটি বিবেচনায় গ্রহণ করিবেন।
(৫) প্রতিটি বহনযোগ্য হাত-বাতি অবশ্যই অপরিবাহী পদার্থ দ্বারা বেষ্টিত হাতল সংযুক্ত হইতে হইবে এবং উহার বাল্বটি অবশ্যই ল্যাম্পধারকের ধাতব অংশ হইতে বযুক্তভাবে ভিতরে খাঁচার মধ্যে রাখিতে হইবে।
(৬) বাস্তবসম্মত বহনযোগ্য যন্ত্রপাতি নমনীয়ভাবে এবং সরবরাহ লাইনের মধ্যবর্তী সংযোগ যথাযথভাবে ডিজাইন করিয়া থ্রিপিন প্লাগ ও সুইচ সমেত সকেট সংযুক্ত রাখিতে হইবে, যাহাতে ভুল অন্তঃপ্রবেশ সম্ভব না হয়।
(৭) সকল বৈদ্যুতিক ওয়ারিং ও সুইচ বোর্ডসমূহ বিদ্যুত অপরিবাহী পদার্থ দ্বারা ’কনসিল ওয়ারিং’ এর মাধ্যমে সম্পনড়ব করিতে হইবে।
(৮) নিরাপদ বিদ্যুৎ ব্যবস্থা নিশ্চিত করিতে প্রতি ১২ (বারো) মাসে অন্তত একবার অথবা সার্টিফিকেটে প্রদত্ত মেয়াদ শেষ হইবার পূর্বে একজন উপযুক্ত লাইসে›সপ্রাপ্ত ওয়্যারিং পরিদর্শক বা প্রতিষ্ঠান দ্বারা কারখানা বা প্রতিষ্ঠানের পূর্ণাংগ আর্থিং (বধৎঃযরহম) ও ওয়্যারিং (রিৎরহম) পরীক্ষা করাইয়া ফলাফলসহ প্রত্যয়নপত্র সংরক্ষণ করিতে হইবে।
(৯) বৈদ্যুতিক ওয়্যারিং ও উহা রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব সরকার অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান হইতে সনদপ্রাপ্ত ব্যক্তি ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তিকে প্রদান করা যাইবে না।
(১০) ব্যবহার্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির ধরন, পরিকল্পনা এবং কারখানার যে কোন অংশে যেখানে দহনযোগ্য বা বিস্ফোরক মিশ্রণ ব্যবহৃত হয় বা জমা রাখা হয় সেই অংশের বৈদ্যুতিক তারের লাইন লাগানোর ক্ষেত্রে মহাপরিদর্শককে অবহিত করিতে হইবে।
প্রতিষ্ঠানের কোন স্থানে যন্ত্রপাতি স্থাপনের ক্ষেত্রে দেওয়াল হইতে যন্ত্রের দূরত্ব কমপক্ষে ১ মিটার হইতে হইবে এবং স্থাপিত যন্ত্র বা যন্ত্রসারির পাশে কমপক্ষে ১ মিটার প্রশস্ত চলাচলের রাস্তা থাকিতে হইবে :
তবে শর্ত থাকে যে, বর্তমানে চলমান প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে স্থান সংকুলানের ব্যবস্থা না থাকিলে দেওয়াল হইতে যন্ত্রপাতির দূরত্ব এবং চলাচলের রাস্তা ন্যূনতম ০.৭৫ মিটার রাখা যাইবে।
(ক) কোন প্রতিষ্ঠানে কেবলমাত্র সূক্ষ¥ সুতার দড়ি বা সুতার দড়ির বন্ধনী ব্যতীত অন্য কোন উত্তোলক যন্ত্রপাতি এবং কোন শিকল, দড়ি বা ভারোত্তোলনের দড়ি দ্বারা কপিকল ফরম-৩০ অনুযা(১) ধারা ৬৮ ও ৬৯ অনুসরণের ক্ষেত্রে নি¤ড়ববর্ণিত ব্যবস্থাদি গ্রহণ করিতে হইবে, যথা:
য়ী ঘোষিত যোগ্য ব্যক্তি দ্বারা পরীক্ষা নিরীক্ষা না করাইয়া বা সবগুলো যন্ত্রাংশ সম্পূর্ণভাবে পরখ না করাইয়া প্রমবারের মত ব্যবহারে লাগানো যাইবে না এবং অনুরূপ পরীক্ষাকারী ব্যক্তির নিরাপদ বহন ক্ষমতা বা চলন ক্ষমতা উল্লেখপূর্বক অনুরূপ পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফলাফলসহ একটি প্রত্যয়নপত্র গ্রহণ করিতে হইবে এবং উহা পরিদর্শনের জন্য সংরক্ষিত রাখিতে হইবে;
(খ) সকল জিব μেন এমনভাবে নির্মিত হইবে যেন সঞ্চালক অংশে উঠানামা করাইয়া নিরাপদ বহন ক্ষমতার তারতম্য করানো যায়, জিবের নোয়াবার বা বোঝার ব্যাসার্ধের সহিত যথাযথ বহন ক্ষমতা নির্দেশ করিবার জন্য স্বয়ংμিয় ইন্ডিকেটর জিবটির সহিত যুক্ত থাকিতে হইবে;
(গ) ব্যবহার করা হইতেছে এমন সকল ধরনের এবং সকল আকৃতির শিকল, দড়ি বা ভারোত্তোলক দড়ি কপিকলের নিরাপদ ভারবহন কর্মক্ষমতা প্রদর্শন করে একটি ছকের যৌগিক ঝোলানো শিকলির বিভিনড়ব পাত্রের বিভিনড়ব কোণ হইতে ভারোত্তোলন ক্ষমতার ছক গুদাম ঘরে বা শিকল, দড়ি বা কপিকল ব্যবহার করা যাইবে না এবং কোন ভারোত্তোলক দড়ি কপিকলের গায়ে ইহার নিরাপদ ভারবহন ক্ষমতা বা যৌগিক ঝুলানো শিকলিতে প্রতিটি পায়ের বিভিনড়ব কোন হইতে ভারোত্তোলন ক্ষমতা পরিষ্কারভাবে ইহার গায়ে লিখিত থাকিলে এই উপ-বিধির বিধান সেক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না;
(ঘ) ধারা ৬৮(ক)(৩) ও ৬৯(১)(গ) এর ক্ষেত্রে প্রত্যেক পরীক্ষার প্রতিবেদনে নি¤ড়ববর্ণিত বিবরণসমূহ ফরম-২৪ অনুযায়ী রক্ষিত রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করিয়া রাখিতে হইবে এবং উহা পরিদর্শনের জন্য সংরক্ষিত থাকিতে হইবে, যথা :জ্জ
(অ) প্রতিষ্ঠানের নাম ও ঠিকানা;
(আ) মালিকের নাম;
(ই) উত্তোলক যন্ত্র, শিকল, দড়ি বা ভারোত্তোলক শিকল ও কপিকলে সনাক্তকরণযোগ্য নম্বর, চিহ্ন ও বিবরণ;
(ঈ) প্রতিষ্ঠানে প্রম কোন তারিখে উত্তোলক যন্ত্র, শিকল, দড়ি বা উত্তোলক কপিকল ব্যবহার শুরু হইয়াছে;
(উ) দফা (ক) মোতাবেক পরীক্ষা ও যাচাইপূর্বক প্রদত্ত প্রত্যয়নপত্রের নম্বর ও তারিখ এবং যে ব্যক্তি উক্ত প্রত্যয়নপত্র প্রদান করিয়াছেন তাহার নাম ও ঠিকানা;
(ঊ) মেয়াদ সংμান্ত সামগ্রী পরীক্ষার তারিখ এবং কাহার দ্বারা উক্ত পরীক্ষা সম্পাদিত হইয়াছে;
(ঋ) যে তারিখে উক্ত হয়েস্ট বা লিফটের বিভিনড়ব যন্ত্রপাতি, শিকল, দড়ি বা অন্যান্য অংশ পাইন বা উত্তাপের সাহায্যে সারাই করা হইয়াছে এবং উক্ত কাজ যিনি করিয়াছেন তাহার নাম ও ঠিকানা;
(এ) পরীক্ষার সময় নিরাপদ ভার বহনের প্রতিকূল কোন ত্রুটি পাওয়া গেলে উহার বিবরণ অথবা অনুরূপ ত্রুটি সরানোর জন্য পাইন দেওয়া বা অন্য কোন ব্যবস্থা গৃহীত হইয়া থাকিলে তাহার বিবরণ;
(ঙ) ঝুলাইয়া রাখিবার দড়ি ব্যতীত অন্য সব শিকল এবং উত্তোলক দড়ি বা কপিকল, মহাপরিদর্শক কর্তৃক অব্যাহতিপ্রাপ্ত না হইলে, নির্ধারিত সময়ান্তে ফরম-৩০ অনুযায়ী ঘোষিত যোগ্য ব্যক্তির তত্ত্বাবধানে নি¤ড়ববর্ণিতভাবে পাইন প্রদান করিতে হইবে, যথা:
(অ) গলিত ধাতু বা গলিত ধাতুমল দ্বারা প্রস্তুতকৃত বা আধা ইঞ্চি বা ইহার চেয়ে ছোট বার দ্বারা প্রস্তুতকৃত হইলে সকল চেইন, ঝুলানো শিকল, রিং, হুক, কুলুপ এবং আংটা প্রতি ৬ (ছয়) মাসে অন্তত একবার; এবং
(আ) সাধারণ ব্যবহার্য অন্য সব শিকল, রিং, হুক, কুলুপ এবং আংটা প্রতি ১২ (বার) মাসে অন্তত একবার:
তবে শর্ত থাকে যে, প্রায়শই ব্যবহৃত হয় না এমন শিকল এবং উত্তোলক দড়ি, কপিকল, কেবলমাত্র যখন প্রয়োজন হইবে তখন মহাপরিদর্শকের অনুমোদন সাপেক্ষে পাইন দিতে হইবে এবং অনুরূপ পাইন দেওয়া হইলে উহা দফা (ঘ) তে বর্ণিত রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করিয়া রাখিতে হইবে;
(চ) নি¤ড়ববর্ণিত শ্রেণির শিকল এবং উত্তোলক দড়ি বা কপিকলের ক্ষেত্রে দফা (ঙ) এর কোন কিছু প্রযোজ্য হইবে না, যথা:
(অ) নমনীয় ঢালাই লোহার তৈরি শিকল ;
(আ) প্লেট সংযোগ শিকল ;
(ই) ইস্পাত বা অলৌহ জাতীয় ধাতুর তৈরি শিকল, রিং, হুক, আংটা ও কুলুপ ;
(ঈ) দাঁতওয়ালা চাকা বা প্রোথিত চাকার উপর কার্যরত সংযুক্ত শিকল ;
(উ) সংযুক্ত শিকল, কপিকল ব্যবস্থা বা ওজন বহনের যন্ত্রের সহিত স্থায়ীভাবে যুক্ত হুক এবং আংটা বা কুলুপ;
(ঊ) সুতার মত অংশবিশিষ্ট ¯ঙঊু সম্বলিত হুক এবং কুলুপ বা বল-বিয়ারিং বা অন্য শক্ত বাক্স ;
(ঋ) ধাতু খাদ মিশানো কঠিন টিনের ঢাকনাযুক্ত তারের দড়ির সহিত সংযুক্ত সকেট বেড়ি ;
(এ) বোরদো (ইড়ৎফবধীঁ) সংযোগ:
তবে শর্ত থাকে যে, যেসব শিকল বা উত্তোলক দড়ি বা কপিকলে পাইন দেওয়ার পরিবর্তে “নরমালাইজিং” নামক তাপ প্রয়োগ প্রμিয়া চালানো হইয়াছে সেইসব শিকল বা উত্তোলক দড়ি বা কপিকল প্রতি ১২ (বার) মাসে কমপক্ষে একবার উপযুক্ত ব্যক্তি দ্বারা পূর্ণাঙ্গভাবে পরীক্ষা করাইতে হইবে;
(ছ) ঝুলাইয়া রাখিবার কাজে ব্যবহৃত আঁশের দড়ি বা আঁশের দড়ি ব্যতীত সব উত্তোলক যন্ত্রপাতি, শিকল, দড়ি বা কপিকল, ইত্যাদি কোন কিছু ঝালাই বা অন্য প্রμিয়ায় দৈর্ঘ্যে বাড়ানো বা পরিবর্তন করা হইলে বা মেরামত করা হইলে সেইগুলি পুনরায় ব্যবহার করিবার পূর্বে, যোগ্য ব্যক্তি দ্বারা পর্যাপ্তভাবে পুনঃপরীক্ষা করিতে হইবে এবং অনুরূপ পরীক্ষা বা যাচাই-এর জন্য প্রত্যয়নপত্র প্রদান করিতে হইবে;
(জ) যে সব রেলের উপর দিয়া সচল μেন চালানো হইয়া থাকে এবং যে সব লাইনের উপর দিয়া পরিবাহকের গাড়ি চলাচল করে সেইসব রানওয়ে যথাযথ আকৃতির এবং পর্যাপ্ত শক্তিধর হইতে হইবে এবং সেইগুলির চলাচল তল সমতল হইতে হইবে এবং অনুরূপ প্রতিটি রেল বা লাইন যথাযথভাবে স্থাপিত ও পর্যাপ্ত ভারবহন ক্ষমতাসম্পনড়ব হইতে হইবে এবং উহা যথাযথভাবে সংরক্ষণ করিতে হইবে;
(ঝ) ম্যাগনেটিক μেন চালানের ক্ষেত্রে প্রধান বিদ্যুৎ প্রবাহে বিঘড়ব ঘটিলে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিরবিচ্ছিনড়ব রাখিবার জন্য ব্যাটারি বা জেনারেটরের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা রাখিতে হইবে;
(ঞ) ১৮ বৎসরের নি¤ড়ববয়স্ক কোন ব্যক্তিকে, পর্যাপ্ত শক্তি বা অন্য যে কোনভাবে চালিত বা চালককে সংকেত দেওয়ার জন্য চালিত হউক না কেন, নিয়োগ করা যাইবে না;
(ট) চলাচলকারী μেনের উপরের অংশ নিরাপদ সিঁড়ি সজ্জিত হইতে হইবে অথবা μেনের ক্যাব পর্যন্ত এবং ক্যাব হইতে ব্রীজ পর্যন্ত যাতায়াতের জন্য মই সংযুক্ত থাকিতে হইবে;
(ঠ) চলমান μেনের উপরের অংশের ব্রীজে চলাচলের পথ বা প্লাটফর্ম শেষ মাথায় চাকা বদলানো বা মেরামতের জন্য নিরাপদ অবলম্বন যুক্ত না হইলে উভয় প্রান্তের শেষ মাথায় এতদুদ্দেশ্যে নিরাপদ প্লাটফর্ম প্রস্তুত করিতে হইবে;
(ড) লিফ্টের ক্ষমতার অতিরিক্ত ভার হইলে উহার চলাচল স্বয়ংμিয়ভাবে বন্ধ হইবার ব্যবস্থা থাকিতে হইবে এবং এই বিধির ক্ষেত্রে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ বলিতে কোন প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেকানিকাল বিভাগের ওয়ার্কশপ তত্ত্বাবধায়ক ব্যক্তিকে বুঝাইবে এবং সরকার ফরম-৩০ অনুযায়ী কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে উপযুক্ত বলিয়া ঘোষণা করিতে পারিবে।
(২) যে কোন কারখানার কোন বিশেষ চলমান μেনের উপরাংশের ব্যাপারে মহাপরিদর্শক তাহার লিখিত শর্ত সাপেক্ষে এই বিধির যে কোন বিধান প্রয়োগ হইতে অব্যাহতি প্রদান করিতে পারিবেন।
ধারা ৭০(৩) অনুসারে ঘূর্ণায়মান যন্ত্রপাতির অতিরিক্ত গতিনিয়ন্ত্রণের জন্য স্বয়ংμিয়ভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিনড়ব হইবার ব্যবস্থা থাকিতে হইবে।
(১) ওয়ার্কিং সিলিন্ডার বা প্রধান চালিকা যন্ত্র ব্যতীত প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত প্রত্যেক প্ল্যান্ট বা মেশিনারী বায়ুমন্ডলের স্বাভাবিক চাপ অপেক্ষা অধিকতর চাপে চালিত হইলেজ্জ
(ক) উপযুক্ত শক্তিসম্পনড়ব কার্যকর পদার্থ দ্বারা ত্রুটিহীন ও উত্তমরূপে নির্মিত হইতে হইবে ;
(খ) নিরাপদ অবস্থায় যথোপযুক্তভাবে সংরক্ষণ করিতে হইবে ;
(গ) নি¤ড়ববর্ণিত সরঞ্জামাদি দ্বারা সজ্জিত বা নির্মিত (ঋরঃঃবফ) হইতে হইবে, যথা:-
(অ) সর্বোচ্চ চাপ সহনীয় ক্ষমতা (ডড়ৎশরহম চৎবংংবৎ) অতিμান্ত না হয় তাহার নিশ্চয়তা বিধায়ক একটি নিরাপত্তা বাল্ব বা অনুরূপ কার্যকর কৌশল ;
(আ) সহজে দৃষ্টিগ্রাহ্য যথোপযুক্ত প্রেসার গেজ বা মিটার;
(ই) যথোপযুক্ত স্টপ বাল্ব; এবং
(ঈ) পুঞ্জীভূত তরল পদার্থ নিঃসরণের জন্য নিমড়বভাগে যথোপযুক্ত ড্রেন কক বা বাল্ব সংযোজন :
তবে শর্ত থাকে যে, সেইফটি বাল্ব, প্রেসার গেজ ও ষ্টপ বাল্ব যদি ভ্যাসেলের নিকটবর্তী পাইপ লাইনের উপরে থাকে তাহা হইলে উহা এই দফা মোতাবেক হইতে হইবে এবং কোন প্ল্যান্টে এক বা একাধিক ভ্যাসেল একই প্রেসার লোডে চলিলে এক সেট মাউন্টিং সংযোজন করিতে হইবে, তবে উহা পরস্পর হইতে বিচ্ছিনড়ব করা যাইবে না ;
(ঘ) যোগ্য ব্যক্তির দ্বারা উহা নি¤ড়ববর্ণিতভাবে পরীক্ষা করাইতে হইবে, যথা:-
(অ) ভ্যাসেলের সাধারণ অবস্থা ও ইহার ফিটিং-এর কার্যকারিতা নিশ্চিত করিবার জন্য ছয়মাস অন্তর একবার বহির্বিভাগ;
(আ) অভ্যন্তর ভাগে প্রতি বার মাসে একবার ভ্যাসেলের ভিতর ও বাইরের দেয়াল, সিমস ও টাইম ভ্যাসেলের যন্ত্রাংশের কার্যকারিতা এবং সেরোসনের ত্রুটি:
তবে শর্ত থাকে যে, ভ্যাসেলের নির্মাণগত কারণে ভিতরে পরীক্ষা করা সম্ভব না হইলে প্রতি দুই বৎসর অন্তর হাইড্রোলিক পরীক্ষা করিতে হইবে:
আরও শর্ত থাকে যে, এই সময়সীমা চার বৎসর পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যাইতে পারে;
(ই) প্রত্যেক চার বৎসরের মধ্যে অন্যূন একবার হাইড্রোলিক পরীক্ষা:
তবে শর্ত থাকে যে, তামা বা অন্য কোন অলৌহ ধাতু দ্বারা তৈরি সাইজিং সিলিন্ডারের মত পাতলা দেওয়ালের প্রেসার ভেসেলের ক্ষেত্রে উপ-দফা (আ) তে বর্ণিত বিধান পালন সাপেক্ষে হাইড্রোলিক পরীক্ষা করিতে হইবে।
(২) তামা বা অন্য কোন অলৌহ ধাতু দ্বারা তৈরি সাইজিং সিলিন্ডারের মত পাতলা দেওয়ালের প্রেসার ভেসেলের ক্ষেত্রে নিরাপদ কাজের প্রেসার পাঁচ বৎসর মূল ওয়ার্কিং প্রেসার হইতে প্রতি বৎসর শতকরা পাঁচভাগ হারে হ্রাস করিতে হইবে এবং কোন অবস্থাতেই ২০ বৎসরের অধিক অনুরূপ সিলিন্ডার ব্যবহার করা যাইবে না।
(৩) নির্মাণের তারিখ, দেয়ালের ঘনত্ব এবং নিরাপদ ওয়ার্কিং প্রেসার সম্পর্কে কোন তথ্য পাওয়া না গেলে কারখানা ব্যবস্থাপকের নিকট হইতে প্রাপ্ত অন্য যে কোন তথ্য গ্রহণ করিয়া মহাপরিদর্শকের সহিত আলোচনাμমে কোন যোগ্য ব্যক্তি সিলিন্ডার কত দিনের উহা নির্ধারণ করিতে পারিবেন।
(৪) মেরামত করা হইয়াছে এবং নিরাপত্তা বিঘিড়বত হইতে পারে এমন প্রত্যেক নূতন ও পুরাতন পাতলা দেয়াল বিশিষ্ট সিলিন্ডার ব্যবহারের পূর্বে পরীক্ষা করিতে হইবে।
(5)--------- ------------ -------- -------
(১) কোন প্রতিষ্ঠানের কোন পুরুষ বা মহিলাকে নি¤ড়ববর্ণিত ওজনের অতিরিক্ত ওজনবিশিষ্ট কোন দ্রব্য, যন্ত্রপাতি, হাতিয়ার বা সরঞ্জাম কাহারো সাহায্য ব্যতীত হাতে বা মাথায় করিয়া উত্তোলন, বহন বা অপসারণের উদ্দেশ্যে নিয়োগ করা যাইবে না, যথা:
(ক) প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ ........ ৫০ কিলোগ্রাম; এবং
(খ) প্রাপ্তবয়স্কা মহিলা ..............৩০ কিলোগ্রাম।
(২) পরিবহণের জন্য ব্যবহৃত রাস্তা অবশ্যই এমনভাবে বাঁধামুক্ত হইতে হইবে যাহাতে শ্রমিকের হোঁচট খাইবার সম্ভবনা না থাকে এবং কোন মতেই উহা পিচ্ছিল হইতে পারিবে না :
তবে শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে ওজন বহন করিয়া উপরে উঠাইতে হয় সেই ক্ষেত্রে উপরি উক্ত পরিমাণ কর্মক্ষেত্রের পরিবেশ অনুযায়ী পরিদর্শকের নির্দেশ মোতাবেক কম করিতে হইবে যাহা প্রাপ্তবয়স‹ পুরুষের ক্ষেত্রে ৪০ কিলোগ্রাম এবং প্রাপ্তবয়স্কা মহিলাদের ক্ষেত্রে ২৫ কিলোগ্রামের অধিক হইবে না।
(৩) কোন মালিকের বা প্রতিষ্ঠানের কাজে, কিশোর বা কিশোরী ও অন্তসত্ত্বা অবস্থায় কোন মহিলাকে কোন দ্রব্য, সরঞ্জাম বা যন্ত্রপাতি হাতে বা মাথায় করিয়া বহন, উত্তোলন বা
অপসারণের জন্য নিয়োজিত করা যাইবে না।
(৪) উপ-বিধি (১) এ উল্লিখিত ৫০ কিলোগ্রাম ওজন বহনের ক্ষেত্রে একজন পুরুষ শ্রমিক যে মজুরি পাইবেন ৩০ কিলোগ্রাম ওজন বহনের ক্ষেত্রে একজন মহিলা শ্রমিকও একই হারে মজুরি পাইবেন, তিনি যেভাবেই নিয়োজিত হউন না কেন।
(১) নি¤ড়ববর্ণিত প্রμিয়ার মাধ্যমে কাজ সম্পাদন হয় এইরূপ প্রত্যেক কাজে নিয়োজিত শ্রমিকদের জন্য যথোপযুক্ত সেইফটি চশমা প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে হ্যান্ড শিল্ড
এবং উহার আশেপাশে নিযুক্ত ব্যক্তিদের নিরাপত্তার জন্য কার্যকরভাবে কালো কাপড়ের বা বোর্ডের পর্দার ব্যবস্থা করিতে হইবে, যথা:
(ক) যান্ত্রিক শক্তিতে চালিত ঘূর্ণায়মান চাকা বা চাকতিতে শুকনো চূর্ণকরণ কাজে ধাতু বা ধাতব পদার্থ হাতের সাহায্যে প্রয়োগ এবং শুকনো অবস্থায় ঢালাই লোহা বা অলৌহজাত ধাতু বা অনুরূপ ধাতব বা লৌহজাত পদার্থ পাক দেওয়ার (বহিঃ বা অন্তঃ) কাজ:
তবে শর্ত থাকে যে, যেখানে যথাযথ নিপুণতার জন্য পর্দা বা চশমা বিশেষ অসুবিধাজনক সেই ক্ষেত্রে বিশেষ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সাপেক্ষে চশমার পরিবর্তে অন্য কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইতে পারে;
(খ) বৈদ্যুতিক ওয়েল্ডিং, আর্ক ওয়েল্ডিং এবং অক্সিএসিটিলিন বা এই ধরনের প্রμিয়া দ্বারা ধাতু ঝালাই, কাটার প্রμিয়া বা রাসায়নিক দ্রব্যের ব্যবহার; এবং
(গ) ঠা-া রিভিট বা বল্টু কাটা বা বিন্যস্ত করা, হস্তচালিত যন্ত্রপাতি বা অন্য বহনযোগ্য যন্ত্রপাতি দ্বারা পাথর, কংμিট খ- বা অনুরূপ বস্তু ফালি করা, পাত করা, ছাঁটা এবং ভাঙ্গা বা মসৃণ করিবার কাজ।
(২) উক্তরূপ কাজ ব্যতীত যে সকল ক্ষেত্রে উৎপাদন প্রμিয়ার কারণে চোখে আঘাত লাগিবার বা ক্ষতি হইবার সম্ভাবনা থাকে সেইসকল উৎপাদন প্রμিয়ায় অবশ্যই কার্যকর মেশিন গার্ড বা চোখের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে এইরূপ চশমা ব্যবহার করিতে হইবে।
(১) নি¤ড়ববর্ণিত প্রμিয়ার মাধ্যমে কাজ সম্পাদন হয় এইরূপ প্রত্যেক কাজে নিয়োজিত শ্রমিকদের জন্য যথোপযুক্ত সেইফটি চশমা প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে হ্যান্ড শিল্ড
এবং উহার আশেপাশে নিযুক্ত ব্যক্তিদের নিরাপত্তার জন্য কার্যকরভাবে কালো কাপড়ের বা বোর্ডের পর্দার ব্যবস্থা করিতে হইবে, যথা:
(ক) যান্ত্রিক শক্তিতে চালিত ঘূর্ণায়মান চাকা বা চাকতিতে শুকনো চূর্ণকরণ কাজে ধাতু বা ধাতব পদার্থ হাতের সাহায্যে প্রয়োগ এবং শুকনো অবস্থায় ঢালাই লোহা বা অলৌহজাত ধাতু বা অনুরূপ ধাতব বা লৌহজাত পদার্থ পাক দেওয়ার (বহিঃ বা অন্তঃ) কাজ:
তবে শর্ত থাকে যে, যেখানে যথাযথ নিপুণতার জন্য পর্দা বা চশমা বিশেষ অসুবিধাজনক সেই ক্ষেত্রে বিশেষ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সাপেক্ষে চশমার পরিবর্তে অন্য কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইতে পারে;
(খ) বৈদ্যুতিক ওয়েল্ডিং, আর্ক ওয়েল্ডিং এবং অক্সিএসিটিলিন বা এই ধরনের প্রμিয়া দ্বারা ধাতু ঝালাই, কাটার প্রμিয়া বা রাসায়নিক দ্রব্যের ব্যবহার; এবং
(গ) ঠা-া রিভিট বা বল্টু কাটা বা বিন্যস্ত করা, হস্তচালিত যন্ত্রপাতি বা অন্য বহনযোগ্য যন্ত্রপাতি দ্বারা পাথর, কংμিট খ- বা অনুরূপ বস্তু ফালি করা, পাত করা, ছাঁটা এবং ভাঙ্গা বা মসৃণ করিবার কাজ।
(২) উক্তরূপ কাজ ব্যতীত যে সকল ক্ষেত্রে উৎপাদন প্রμিয়ার কারণে চোখে আঘাত লাগিবার বা ক্ষতি হইবার সম্ভাবনা থাকে সেইসকল উৎপাদন প্রμিয়ায় অবশ্যই কার্যকর মেশিন গার্ড বা চোখের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে এইরূপ চশমা ব্যবহার করিতে হইবে।
(১) কোন ব্যক্তি প্রবেশ করিতে পারেন এবং সেই স্থান হইতে এমন বিপজ্জনক ধোঁয়া উদগত হইতে পারে যাহা কোন ব্যক্তির পক্ষে ঝুঁকির কারণ হয় এমন প্রত্যেক আধার, কূপ, গর্ত, সূড়ঙ্গ পথ বা অন্য আবদ্ধ স্থান, আয়তাকার এবং ডিম্বাকৃতি বা গোলাকার ম্যানহোল সজ্জিত রাখিতে হইবে এবং উহাজ্জ
(ক) আয়তাকার বা ডিম্বাকৃতি হইলে দৈর্ঘ্যে ৪০.৬৫ সেন্টি মিটার এবং প্রস্থে ৩০.৫০ সেন্টি মিটারের কম হইবে না ;
(খ) গোলাকার হইলে উহার ব্যাস ৪০.৬৫ সেন্টি মিটারের কম হইবে না;
(গ) অক্সিজেনের মাত্রা ১৯ শতাংশের কম বাতাস বিশিষ্ট হইবে না;
(ঘ) পানি আবদ্ধ অবস্থায় থাকা বা পানি প্রবেশের ঝুঁকিমুক্ত হইবে;
(ঙ) সহজে উঠা নামার জন্য প্রবেশমুখ হইতে তলা পর্যন্ত স্থায়ী গাথুনির মইয়ের ব্যবস্থা সমৃদ্ধ হইতে হইবে।
(২) ধারা ৭৭ এ উল্লখিতি ‘উপযুক্ত ব্যক্ত’ি বলতিে বস্ফিোরক অধদিপ্তররে এতদবষিয়ে দায়ত্বিপ্রাপ্ত ব্যক্তকিে বুঝাইবে এবং সরকার র্কতৃক ফরম-৩০ অনুযায়ী ঘোষতি কোন ব্যক্তি বা প্রতষ্ঠিানও ইহার অর্ন্তভুক্ত হইবে।
প্রতষ্ঠিানরে যে কোন স্থানে বপিজ্জনক হইতে পারে বা পরর্দিশক যে স্থানে নর্দিশে প্রদান করনে সইেরূপ স্থানে ধুমপান নষিদ্ধি করয়িা এবং উন্মুক্ত আলোর (যমেন- মোমবাত,ি কুপ,ি দশেলাই, গ্যাস লাইটার, ইত্যাদ)ি ব্যবহার নষিদ্ধি করয়িা এবং আগুন লাগবিার ক্ষত্রেে প্রয়োজনীয় গৃহীতব্য সাবধানতা সর্ম্পকে সহজ বাংলা ভাষায় লখিতি নোটসি প্রতষ্ঠিানরে দৃষ্টগ্রিাহ্য স্থানে প্রর্দশন করতিে হইব।
(১) যে সকল উৎপাদন প্রμয়িায় নয়িোজতি শ্রমকিরে দহৈকি ক্ষতি অথবা জখমরে আশংকা রহয়িাছে এইরূপ স্থানে বা কাজে আইন, এই বধিমিালা বা সরকাররে সংশ্লষ্টি বভিাগরে নর্দিশেমত র্পযাপ্ত নরিাপত্তা ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা ব্যবস্থা নশ্চিতি করতিে হইব।
(২) উপ-বধিি (১) এ উল্লখিতি নরিাপত্তা ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা ব্যবস্থা নশ্চিতি করবিার পাশাপাশি শ্রমকিরে ব্যক্তগিত নরিাপত্তা নশ্চিতি করবিার লক্ষ্যে যথাযথ নরিাপত্তা উপকরণ যমেন-সইেফটি স্যুজ, হলেমটে, গগলস, মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস, ইয়ার মাফ ও ইয়ার প্লাগ, কোমর বন্দ, এপ্রোন,প্রভৃতসিহ সংশ্লষ্টি কাজরে জন্য অন্যান্য প্রয়োজনীয় নরিাপত্তা উপকরণ সরবরাহ ও উক্ত সামগ্রী ব্যবহাররে প্রশক্ষিণরে ব্যবস্থা এবং ব্যবহার নশ্চিতি করতিে হইব।ে
(৩) উপ-বধিি (১) ও (২) এ উল্লখিতি নরিাপত্তা ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা ব্যবস্থা এবং প্রশক্ষিণ নশ্চিতি না করয়িা কোন শ্রমকিকে উক্ত কাজে নয়িোজতি করা যাইবে না এবং ব্যক্তগিত নরিাপত্তা উপকরণ সরবরাহরে তথ্য ফরম-২৩ অনুযায়ী সংরক্ষণ করতিে হইব।
সপ্তম অধ্যায় স্বাস্থ্য, স্বাস্থ্য বধিি ও নরিাপত্তা সর্ম্পকে বশিষে বধিান
(১) ধারা ৭৯ এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে নিম্নবর্ণিত কাজসমূহ বিপজ্জনক কাজ বলিয়া বিবেচিত হইবে, যথা:-
(ক) বাতান্বতি পানি (অবৎধঃবফ ডধঃবৎ) তরৈি এবং ইহার আনুষঙ্গকি প্রμয়িা;
(খ) তড়ৎি বশ্লিষেণ পদ্ধততিে প্রলপে দওেয়া বা μোমকি এসডি বা অন্য μোময়িাম যৌগ দ্বারা তড়ৎি বশ্লিষেণ প্রμয়িার ধাতব পর্দাথ জারণ;
(গ) বদ্যৈুতকি এক্যুমুলটের তরৈি বা মরোমত;
(ঘ) কাঁচ ও কাঁচরে দ্রব্যাদি তরৈ;ি
(ঙ) ধাতু শান দেওয়া বা চকচকে করা;
(চ) সীসা, সীসার শংকর বা সীসার কতিপয় যৌগ তৈরি, মেরামত বা এইসব লইয়া কাজ করা;
(ছ) বিপজ্জনক পেট্রোলিয়াম হইতে গ্যাস উৎপাদন;
(জ) সংকুচিত বায়ু বা বাষ্প দ্বারা চালিত বালি জেট ধাতব গোলা বা কাঁকর বা এবরো-থেবরো কোন জিনিস দ্বারা কোন বস্তু পরিষ্কার করা বা মসৃণ করিবার কাজ;
(ঝ) কাঁচা চামড়ার লাইমিং ও ট্যানিং এবং ইহার আনুষঙ্গিক প্রμিয়া;
(ঞ) যন্ত্রের সাহায্যে পাট, শন বা অন্য তন্তু নরম করিবার কাজ;
(ট) ৫০ কেজির অতিরিক্ত ওজনসম্পনড়ব পণ্যের কোন গাঁট গুদামে উঠানো, সাজানো ও গুদামজাতকরণ এবং জাহাজ বা অন্য কোন পরিবহণে বোঝাই করিবার
কাজ;
(ঠ) সেল্যুলোজ দ্রবণ প্রস্তুত, ব্যবহার বা জমা করিবার কাজ ;
(ড) μোমিক এসিড তৈরি অথবা সোডিয়াম বাইμোমেট, পটাশিয়াম বাইμোমেট বা এমোনিয়াম বাইμোমেট প্রস্তুত বা পুনরুদ্ধারের কাজ ;
(ঢ) ছাপাখানা বা টাইপ ফাউন্ড্রী যেখানে কোন সীসার প্রμিয়া চালানো হয় ;
(ণ) সংকুচিত হাইড্রোজেন বা সংকুচিত অক্সিজেন প্রস্তুতের কাজ ;
(ত) সিরামিক দ্রব্যাদি তৈরি বা মৃৎ পাত্রাদি তৈরির কাজ;
(থ) রাসায়নিক আঁঠালো ক্ষার প্রμিয়ার রেয়ন তৈরির কাজ ;
(দ) প্লাস্টিক ও পলিথিন দ্রব্যাদির প্রক্্িরয়াকরণ;
(ধ) বিষাক্ত গ্যাস জমা হয় বা সৃষ্টি হইবার অশংকা থাকে এমন কাজ, বিশেষ করিয়া পরিত্যক্ত বা বদ্ধ কুয়া, সেপটিক ট্যাংক, স্যুয়ারেজ লাইন এবং পুরাতন জাহাজ ভাঙ্গিবার কাজ;
(ন) রাসায়নিক সার বা কেমিকেল তৈরির কাজ;
(প) যান্ত্রিক পদ্ধতিতে পাথর বা ইট ভাঙ্গা বা μাশ করিবার কাজ;
(ফ) ভূমি সমতল হইতে অন্যূন ৩ মিটার উচ্চতার এবং ২ মিটার গভীরের কোন কাজ;
(ব) বৈদ্যুতিক ওয়্যারিং বা বৈদ্যুতিক পরিবাহী লাইনে কাজ;
(ভ) ইটের চুল্লিতে কাজ;
(ম) খনির অভ্যন্তরীণ কাজ;
(য) ধাতব পদার্থকে উচ্চ তাপে গলানো ও রূপান্তর এবং কাটা ও জোড়া লাগাইবার কাজ;
(র) ৮০ ডেসিবেলের উর্ধ্বে শব্দ উৎপনড়ব হয় এমন উৎপাদন প্রμিয়া;
(ল) পাওয়ার প্রেস (হাইড্রোলিক প্রেস ব্যতীত) ও মেটাল ট্রেডে ব্যবহৃত পাথর চূর্ণ করিবার কাজ;
(শ) যান্ত্রিক কাটার যন্ত্র (এঁরষষড়ঃরহম সধপযরহব);
(ষ) যান্ত্রিক চμাকার করাত (ঈরৎপঁষধৎ ঝধংি);
(স) ধাতুপটে ছাপাইবার কাজ (চষধঃব ঢ়ৎরহঃরহম সধপযরহব); এবং
(হ) গভীর সমুদ্রে মাছ ধরিবার কাজ (উববঢ় ঝবধ ঋরংযরহম)।
(২) মহাপরিদর্শক প্রয়োজনে উপ-বিধি (১) এ বর্ণিত কাজ ব্যতীত অন্যান্য উৎপাদন প্রμিয়া বা উক্ত প্রμিয়ার আনুষঙ্গিক প্রμিয়াকে বিপজ্জনক কাজ হিসাবে ঘোষণা করিতে পারিবেন।
(৩) উপ-বিধি (১) এ উল্লিখিত তালিকা ও উপ-বিধি (২) এর অধীন মহাপরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত পরিদর্শক কর্তৃক, সময়ে সময়ে, ঘোষিত বিপজ্জনক কাজের সকল ক্ষেত্রে শিশু ও কিশোর শ্রমিকদের নিয়োগ নিষিদ্ধ থাকিবে এবং উক্ত প্রμিয়াসমূহের মধ্যে যে কাজ মহিলা বা সন্তান-সম্ভবা মহিলাদের জন্য নিষিদ্ধ উহা মহাপরিদর্শক, সময়ে সময়ে, নোটিস দ্বারা ঘোষণা করিতে পারিবেন ।
(৪) প্রতিষ্ঠানের মালিক উপ-বিধি (১) ও (২)-তে বর্ণিত কাজে নিয়োজিত প্রত্যেক ব্যক্তির নিয়োগের সময় মালিকের খরচে একজন রেজিস্টার্ড চিকিৎসক কর্তৃক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করিয়া উক্ত কাজের জন্য তাহার সক্ষমতার প্রত্যয়নপত্র ফরম-২৬ অনুযায়ী গ্রহণ করিবেন।
(৫) মালিক উপ-বিধি (৪) এ উল্লিখিত সকল শ্রমিককে বৎসরে অন্তত একবার রেজিস্টার্ড চিকিৎসক কর্তৃক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করিয়া উক্ত কাজের জন্য তাহার সক্ষমতার প্রত্যয়নপত্র গ্রহণ করিবেন।
(৬) উপ-বিধি (৪) ও (৫) এর অধীন কৃত স্বাস্থ্য পরীক্ষার বর্ণনা ফরম-২৬(ক) অনুযায়ী রেজিস্টারে চিকিৎসক ও মালিককে আলাদাভাবে সংরক্ষণ করিতে হইবে।
(৭) পরীক্ষান্তে কোন শ্রমিককে আইনের দ্বিতীয় তফসিলে বর্ণিত কোন পেশা বিষয়ক ও বিষμিয়াজনিত ব্যাধিতে আμান্ত পাওয়া গেলে প্রত্যয়নকারী চিকিৎসক ও প্রতিষ্ঠানের মালিক অথবা সংশ্লিষ্ট শ্রমিক অথবা তৎকতৃক নির্দিষ্ট কোন ব্যক্তি পরবর্তী চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে উহা ফরম-২৯ এ নোটিস মারফত পরিদর্শককে অবহিত করিবেন এবং পরিদর্শক উক্ত শ্রমিককে দ্রুত জেলা সিভিল সার্জনের নিকট পরীক্ষার জন্য প্রেরণ করিবেন।
(৮) সিভিল সার্জন উক্ত শ্রমিকের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করিয়া একটি প্রতিবেদন মহাপরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত পরিদর্শকের নিকট দাখিল করিবেন, যাহা পরিদর্শক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মালিকের নিকট প্রেরণ করিবেন এবং উক্তরূপ পরীক্ষার সকল ব্যয় মালিক বহন করিবেন।
(৯) ধারা ৭৯ (ঘ) মোতাবেক যে সকল কাজের জন্য ব্যক্তিগত নিরাপত্তা সামগ্রী সরবরাহ করা হইবে উহার তালিকা প্রদর্শনসহ সরবরাহকৃত ব্যক্তিগত নিরাপত্তা সামগ্রী প্রদানের তথ্য ফরম-২৩ অনুযায়ী সংরক্ষণ করিতে হইবে।
(১০) প্রত্যেক মালিক তাহার প্রতিষ্ঠানে মানুষের শরীরের জন্য ক্ষতির কারণ হইতে পারে এমন রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহারের ক্ষেত্রে যথাযথ সর্তকতা সম্পর্কিত লিখিত নোটিস এম এস ডিএস (গধঃবৎরধষ ঝধভবঃু উধঃধ ঝযববঃ) সহজে সকলের দৃষ্টিগোচর হয় এমন স্থানে প্রদর্শন করিবেন।
(১১) উপরি-উক্ত বিপজ্জনক কাজসমূহের জন্য শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় মহাপরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত পরিদর্শকের পরামর্শμমে শ্রমিকদের পুষ্টিকর টিফিনের বা নাস্তার ব্যবস্থা করিতে হইবে।
১) কোন প্রতিষ্ঠানে যদি কোন ব্যক্তি দুর্ঘটনায় পতিত হয় যাহার ফলে তাহার মৃত্যু ঘটে অথবা অনুরূপ কোন দুর্ঘটনার কারণে পরবর্তী ২০ দিনের মধ্যে প্রতিষ্ঠানে তাহার কাজে যোগদানের কোন যুক্তিসংগত সম্ভাবনা না থাকে, তবে অনুরূপ দুর্ঘটনাকে ক্ষেত্রানুসারে মারাত্মক (ঋধঃধষ) বা গুরুতর (ঝবৎরড়ঁং) বলিয়া অভিহিত করা হইবে এবং উক্ত ঘটনা সংঘটিত হইবার সঙ্গে সঙ্গে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষকে টেলিফোন, ফ্যাক্স, ই-মেইল অথবা বিশেষ বার্তাবাহক দ্বারা নি¤ড়ববর্ণিত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে নোটিস প্রদান করিতে হইবে, যথা:
(ক) মহাপরিদর্শক;
(খ) সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক ;
(গ) সংশ্লিষ্ট পরিদর্শক ;
(ঘ) নিকটবর্তী ফায়ার সার্ভিস স্টেশন;
(ঙ) নিকটবর্তী হাসপাতাল বা স্বাস্থ্য কেন্দ্র; এবং
(চ) মৃত্যু ও মারাত্মক দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে, প্রতিষ্ঠানটি যে থানা এলাকায় অবস্থিত সে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা শিল্প পুলিশ।
(২) টেলিফোন, ফ্যাক্স বা ই-মেইলে প্রেরিত নোটিস ফরম-২৭ অনুযায়ী লিখিত আকারে দুই দিনের মধ্যে সমর্থন করিতে হইবে এবং ক্ষেত্রবিশেষে, বিশেষ বার্তাবাহক দ্বারা প্রেরিত নোটিস ফরম-২৭ অনুযায়ী প্রদান করিতে হইবে।
(৩) দুর্ঘটনা ঘটিবার তারিখ হইতে দুই মাসের মধ্যে বা শ্রমিক কাজে যোগদানের পর
প্রতিষ্ঠানের মালিক বা তাহার প্রাধিকারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ফরম-২৭(ক) অনুযায়ী উক্ত দুর্ঘটনার সর্বশেষ অবস্থা বর্ণনা করিয়া একটি চূড়ান্ত রিপোর্ট সংশ্লিষ্ট জেলার উপ-মহাপরিদর্শকের নিকট প্রেরণ করিবেন।
প্রতিষ্ঠানে কোন দুর্ঘটনায় পতিত হইয়া আহত শ্রমিক ৪৮ ঘন্টার মধ্যে কাজে যোগদান করিতে সক্ষম না হইলে এবং দুর্ঘটনার কারণে অনধিক ২০ দিন পর্যন্ত কাজে অনুপস্থিত থাকিলে উক্তরূপ দুর্ঘটনাকে সামান্য (গরহড়ৎ) দুর্ঘটনা হিসাবে আখ্যায়িত করিয়া প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ ফরম-২৭ অনুযায়ী দুর্ঘটনা ঘটিবার অনধিক ৭ দিনের মধ্যে বিধি ৬৯ এর উপ-বিধি (১) এর দফা (ক), (খ) ও (গ)-তে উল্লিখিত কর্তৃপক্ষের নিকট সংবাদ প্রেরণ করিতে হইবে।
কোন প্রতিষ্ঠানে বিস্ফোরণ, অগিড়বকা-, গৃহ ধ্বস অথবা মেশিনে গুরুতর দুর্ঘটনা ঘটিলে এবং ইহাতে কেহ ব্যক্তিগতভাবে আহত হউক বা না হউক,প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ অনুরূপ দুর্ঘটনার সংবাদ তিন কর্মদিবসের মধ্যে ফরম-২৭(খ) অনুযায়ী বিধি ৬৯ এর উপ-বিধি (১) এর দফা (ক), (খ) ও (গ)-তে উল্লিখিত কর্তৃপক্ষকে অবহিত করিতে হইবে।
(১) দুর্ঘটনার ফলে অঙ্গহানি বা প্রাণহানি ঘটিলে দুর্ঘটনা ঘটিবার স্থানটি দুর্ঘটনার পর যেভাবে ছিল সংবাদ প্রেরণের পর পরিদর্শক স্থানটি পরিদর্শন না করা পর্যন্ত অথবা ঘটনা সংঘটিত হইবার পরবর্তী অন্তত তিন দিন পর্যন্ত সংরক্ষণ করিতে হইবে।
(২) পরিদর্শক উক্ত দুর্ঘটনার তদন্তের তথ্য সংগ্রহ করিবেন এবং করণীয় সম্পর্কে মালিককে অবহিত করিবেন।
(৩) উপ-বিধি (১) ও (২)-তে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, উদ্ধার কার্যμম পরিচালনার স্বার্থে এবং মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষার্থে এই বিধানের ব্যত্যয় ঘটানো যাইবে।
(১)প্রত্যেক প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ তাহার প্রতিষ্ঠানে সংঘটিত প্রতিটি দুর্ঘটনা ও বিপজ্জনক ঘটনার রেকর্ড ফরম-২৮ অনুযায়ী প্রস্তুতকৃত রেজিস্টারে সংরক্ষণ করিবেন এবং মালিক কর্তৃক কি প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হইয়াছে তাহাও রেজিস্টারে সুনির্দিষ্টভাবে লিপিবদ্ধ করিবেন।
(২) উপ-বিধি (১) এর অধীন রেজিস্টারে সংরক্ষিত তথ্য ৬ (ছয়) মাস শেষ হইবার ১০ কর্মদিবসের মধ্যে পরিদর্শকের নিকট ষাণ¥াসিক দুর্ঘটনার তথ্য প্রতিবেদন আকারে দাখিল করিতে হইবে।
(১) ধারা ৮২ অনুসারে কোন মালিকের নিকট যদি এইরূপ প্রতীয়মান হয় অথবা তিনি জ্ঞাত হইতে পারেন যে, প্রতিষ্ঠানের কোন শ্রমিক আইনের দ্বিতীয় তফসিলে বর্ণিত কোন ব্যাধিতে আμান্ত, তাহা হইলে প্রতিষ্ঠানের মালিক অথবা সংশ্লিষ্ট শ্রমিক অথবা তৎকতৃর্ক নির্দিষ্ট কোন ব্যক্তি পরবর্তী চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে উহা ফরম-২৯ অনুযায়ী নোটিস মারফত পরিদর্শককে অবহিত করিবেন। (১)প্রত্যেক প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ তাহার প্রতিষ্ঠানে সংঘটিত প্রতিটি দুর্ঘটনা ও বিপজ্জনক ঘটনার রেকর্ড ফরম-২৮ অনুযায়ী প্রস্তুতকৃত রেজিস্টারে সংরক্ষণ করিবেন এবং মালিক কর্তৃক কি প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হইয়াছে তাহাও রেজিস্টারে সুনির্দিষ্টভাবে লিপিবদ্ধ করিবেন।
(২) উপ-বিধি (১) এর অধীন রেজিস্টারে সংরক্ষিত তথ্য ৬ (ছয়) মাস শেষ হইবার ১০ কর্মদিবসের মধ্যে পরিদর্শকের নিকট ষাণ¥াসিক দুর্ঘটনার তথ্য প্রতিবেদন আকারে দাখিল করিতে হইবে।
(৩) সিভিল সার্জন উক্ত শ্রমিকের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করিয়া একটি প্রতিবেদন মহাপরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত পরিদর্শকের নিকট প্রদান করিবেন, যাহা পরিদর্শক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মালিকের নিকট প্রেরণ করিবেন।
(৪) এই বিধির অধীন পরীক্ষার সকল ব্যয় মালিক বহন করিবেন।
প্রাঙ্গণ বা যানবাহন, জাহাজ, নদী ও সমুদ্র বন্দরের মালামাল উঠাইবার-নামাইবার কাজ, ভবন, সেতু এবং অন্যান্য স্থাপনা নির্মাণ ও ভাঙ্গিবার ক্ষেত্রে শ্রমিকের পেশাগত নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য সংμান্ত বিষয়ে তফসিল-৩ এ বর্ণিত বিধান অনুসরণ করিতে হইবে।
(১) ধারা ৮৯(১) এর বিধান অনুসারে প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি বিভাগ, শাখা ও তলায় কমপক্ষে একটি করিয়া প্রাথমিক চিকিৎসা বাক্স বা আলমারি থাকিতে হইবে এবং উহা সুস্পষ্টভাবে রেড ক্রিসেন্ট বা ক্রস চিহ্নযুক্ত হইতে হইবে এবং ব্যক্তির সংখ্যার ভিত্তিতে উহাতে উপ-বিধি (২), (৩) বা (৪) এ বর্ণিত সরঞ্জামাদি থাকিবে।
(২) যান্ত্রিক শক্তি ব্যবহৃত হয় এমন প্রতিষ্ঠান, বিভাগ, শাখা ও তলায় নিযুক্ত ব্যক্তির সংখ্যা যদি ১০ এর অধিক না হয় অথবা যেসব প্রতিষ্ঠানে কোন যান্ত্রিক শক্তি ব্যবহার করা হয় না সেখানে যদি নিযুক্ত ব্যক্তির সংখ্যা ৫০ এর অধিক না হয় তবে সেইসব প্রতিষ্ঠানে প্রতিটি প্রাথমিক চিকিৎসা বাক্স বা আলমারিতে নি¤ড়ববর্ণিত সরঞ্জামাদি থাকিবে, যথা:
(ক) ৬টি ছোট জীবাণুমুক্ত ব্যান্ডেজ;
(খ) ৩টি (প্রতিটি ০.৫ আউন্স) প্যাকেট জীবানুমুক্ত তুলা;
(গ) ৩টি মাঝারি আকৃতির জীবাণুমুক্ত ব্যান্ডেজ;
(ঘ) ৩টি বড় আকৃতির জীবাণুমুক্ত ব্যান্ডেজ;
(ঙ) পুড়ে যাইবার ক্ষেত্রে ব্যবহার্য ৩টি বড় আকৃতির জীবাণুমুক্ত ব্যান্ডেজ;
(চ) হিবিসল বা হেক্সাসল ভর্তি ১টি (১ আউন্স) বোতল;
(ছ) রেকটিফাইড স্পিরিট ভর্তি ১টি (১ আউন্স) বোতল;
(জ) এক জোড়া কাঁচি;
(ঝ) প্রাথমিক চিকিৎসার প্রচারপত্র ১ কপি;
(ঞ) বেদনানাশক ও এন্টাসিড জাতীয় বড়ি, পোড়ায় ব্যবহারের মলম, চোখের মলম এবং শল্য চিকিৎসার উপযুক্ত এন্টিসেপটিক দ্রবণ; এবং
(ট) ৩টি খাবার স্যালাইন প্যাকেট।
(৩) যেসব প্রতিষ্ঠানে বিভাগ, শাখা ও তলায় যান্ত্রিক শক্তি ব্যবহৃত হয় এবং নিযুক্ত ব্যক্তির সংখ্যা ১০ (দশ) এর অধিক কিন্তু ৫০ (পঞ্চাশ) অতিμম করে না সেখানে প্রতিটি প্রাথমিক চিকিৎসা বাক্স বা আলমারিতে নি¤ড়ববর্ণিত সরঞ্জামাদি থাকিবে, যথা:
(ক) ১২টি ছোট জীবাণুমুক্ত ব্যান্ডেজ ;
(খ) ৬টি মাঝারি আকারের জীবাণুমুক্ত তুলার প্যাকেট;
(গ) ৬টি বড় আকারের জীবাণুমুক্ত ব্যান্ডেজ;
(ঘ) পুড়ে যাইবার ক্ষেত্রে ব্যবহার্য ৬টি বড় আকৃতির জীবাণুমুক্ত ব্যান্ডেজ;
(ঙ) ৬টি (০.৫ আউন্স) জীবাণুমুক্ত তুলার প্যাকেট;
(চ) হিবিসল বা হেক্সাসল ভর্তি ১টি (২ আউন্স) বোতল;
(ছ) ১টি (২ আউন্স) রেকটিফাইড স্পিরিট ভর্তি বোতল;
(জ) টুরনিকেট (রক্তপাত বন্ধ করিবার উপকরণ) ;
(ঝ) ১ রোল আঁঠালো প্লাস্টার ;
(ঞ) ১ জোড়া কাঁচি;
(ট) প্রাথমিক চিকিৎসার প্রচারপত্র ১ কপি;
(ঠ) বেদনানাশক ও এন্টাসিড বড়ি, পোড়ায় ব্যবহারের মলম, চোখের মলম এবং শল্য চিকিৎসার উপযুক্ত জীবাণুনাশক দ্রবণ; এবং
(ড) ৬টি খাবার স্যালাইন প্যাকেট।
(৪) ৫০ (পঞ্চাশ) জন বা ইহার চাইতে অধিক লোক নিয়োগ করা হয় এমন প্রতিষ্ঠানের বিভাগ, শাখা ও তলায় প্রতিটি প্রাথমিক চিকিৎসা বাক্স বা আলমারিতে মহাপরিদর্শক কর্তৃক ভিনড়বরূপ নির্দেশ না হওয়া পর্যন্ত নি¤ড়ববর্ণিত সরঞ্জামাদি থাকিবে, যথা:
(ক) ১২টি (০.৫ আউন্স) জীবাণুমুক্ত তুলার প্যাকেট;
(খ) ১২টি মাঝারি আকারের জীবাণুমুক্ত তুলার প্যাকেট ;
(গ) ১২টি বড় আকারের জীবাণুমুক্ত তুলার প্যাকেট;
(ঘ) ২৪টি ছোট জীবাণুমুক্ত ব্যান্ডেজ ;
(ঙ) পোড়ার ক্ষেত্রে ব্যবহার্য ১২টি বড় আকারের জীবাণুমুক্ত ব্যান্ডেজ;
(চ) ১২টি (৪" চওড়া) রোলার ব্যান্ডেজ;
(ছ) ১২টি (২" চওড়া) রোলার ব্যান্ডেজ;
(জ) ৬টি ত্রিকোণাকৃতি ব্যান্ডেজ;
(ঝ) টুরনিকেট (রক্তপাত বন্ধ করিবার উপকরণ);
(ঞ) শতকরা ২ ভাগ আয়োডিনের এলকোহলিক দ্রবণ ভর্তি ১টি বোতল (৪আউন্স);
(ট) এক জোড়া কাঁচি;
(ঠ) ১টি (৪ আউন্স) রেকটিফাইড স্পিরিট ভর্তি বোতল;
(ড) ২ প্যাকেট সেইফটি পিন;
(ঢ) হাড়ভাঙ্গার ক্ষেত্রে ব্যবহার্য ১২ টি বাঁশের/কাঠের চটি;
(ণ) বেদনানাশক ও এন্টাসিড বড়ি, পোড়ার ক্ষেত্রে ব্যবহার্য মলম এবং শল্য চিকিৎসার জীবাণুনাশক দ্রব্য;
(ত) খাবার স্যালাইন প্যাকেট ১২টি; এবং
(থ) ১টি প্রাথমিক চিকিৎসার প্রচারপত্র।
(৫) এই বিধিতে উল্লিখিত বাক্স ও আলমারি, যন্ত্রপাতি এবং উপকরণসমূহ দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি কর্তৃক প্রতি ৩ (তিন) মাসে অন্তত একবার পরীক্ষা করিতে হইবে এবং কোন সামগ্রীর মেয়াদোত্তীর্ণ তারিখের অন্তত এক মাস পূর্বে উহা পরিবর্তন করিতে হইবে।
(৬) যে প্রতিষ্ঠানে যথাযথ সাজ-সরঞ্জামসহ চিকিৎসা কক্ষ রহিয়াছে অথবা যেখানে অনুরূপ সবকিছু অন্তত একটি বাক্সে সংরক্ষণ করা হয় সেইখানে প্রাথমিক চিকিৎসা বাক্সে শুধুমাত্র উপবিধি (২)-তে উল্লিখিত সরঞ্জাম থাকিলে চলিবে
তবে শর্ত থাকে যে, পরিদর্শক, সময়ে সময়ে, উক্ত বাক্স বা আলমারিতে অন্য কোন সরঞ্জাম যোগ করিবার জন্য নির্দেশ প্রদান করিলে উহা সংরক্ষণ করিতে হইবে।
(১) প্রতিটি কারখানায় বা প্রতিষ্ঠানে ডিসপেনসারিসহ চিকিৎসা কক্ষ কমপক্ষে একজন রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের দায়িত্বে থাকিবে এবং তাহাকে সহায়তা করিবার জন্য অন্যূন একজন প্রশিক্ষিত কম্পাউন্ডার বা মেডিক্যাল এসিস্ট্যান্ট, নার্স এবং অধস্তন কর্মচারী থাকিবেন :
তবে শর্ত থাকে যে, প্রতিষ্ঠানে নিযুক্ত শ্রমিকের সংখ্যা তিন হাজারের অধিক হইলে অন্যূন দুইজন রেজিস্টার্ড চিকিৎসক ও তাহাদেরকে সহায়তা করিবার জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক মেডিক্যাল এসিস্ট্যান্ট এবং নার্স রাখিতে হইবে।
(২) চিকিৎসা কক্ষ যতখানি সম্ভব প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য অংশ হইতে আলাদা থাকিবে এবং প্রতিষ্ঠানের যে সকল অংশে সহনীয় মাত্রার অধিক শব্দপূর্ণ প্রμিয়া চলে সেইসব অংশের নিকটবর্তী স্থানে অবস্থিত হইবে না।
(৩) যে ভবন বা ভবনের কোন অংশ রোগী কক্ষ হিসাবে ব্যবহৃত হইবে তাহার নকশা ও জায়গার নকশা মহাপরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত পরিদর্শক কর্তৃক অনুমোদিত হইতে হইবে।
(৪) চিকিৎসা কক্ষের মেঝে মসৃণ, অভেদ্য ও মজবুত হইবে এবং দেয়ালসমূহ ১.৫০ মিটার উচ্চতা পর্যন্ত অভেদ্য হইবে এবং কক্ষটি পর্যাপ্ত বায়ু চলাচল সম্পনড়ব এবং স্বাভাবিক ও কৃত্রিম উভয়ভাবে আলোকিত থাকিতে হইবে।
(৫) চিকিৎসা কক্ষ প্রাথমিক চিকিৎসা ও রোগীর আরামের জন্য ব্যবহৃত হইবে এবং উহাতে কমপক্ষে নি¤ড়ববর্ণিত আসবাব ও সরঞ্জামাদি থাকিবে, যথা:
(ক) গরম পানি ও ঠান্ডা পানির একটি প্রলেপযুক্ত পাত্র ;
(খ) মসৃণ উপরিতল বিশিষ্ট ১.৮৫ দ্ধ ১.১০ মিটার মাপের একটি টেবিল ;
(গ) যন্ত্রপাতি জীবাণুমুক্তকরণের ব্যবস্থা ;
(ঘ) শোয়ার জন্য দুইটি আসন ও ২ টি স্ট্রেচার ও ১ টি হুইল চেয়ার ;
(ঙ) দু’টি বালতি বা আঁটসাঁট ঢাকনাযুক্ত পাত্র ;
(চ) পানি গরম করিবার জন্য একটি কেটলি ও স্পিরিট স্টোভ বা অন্য কোন উপযুক্ত ব্যবস্থা ;
(ছ) ১২টি (৯১.৪৪ সে.মি.দ্ধ১০.১৬ সে.মি.দ্ধ০.৬৩ সে.মি.) কাঠের সাধারণ চটি ;
(জ) ১২টি (৩৫.৫৬ দ্ধ ৭.৬২ সে.মি. দ্ধ ০.৬৩ সে.মি.) কাঠের সাধারণ চটি ;
(ঝ) ৬টি (২৫.৪০ দ্ধ ৫.০৮ দ্ধ ০.৬৩ সে.মি.) কাঠের সাধারণ চটি ;
(ঞ) ৬টি পশমী কম্বল ;
(ট) একজোড়া আর্টারি ফরসেপ;
(ঠ) দু’টি মাঝারি আকারের স্পঞ্জ;
(ড) ৬টি হাত তোয়ালে;
(ঢ) চারটি ট্রে;
(ণ) চারটি কার্বলিক সাবান;
(ত) ২টি কাচের পাত্র;
(থ) ২টি ডাক্তারী থার্মোমিটার এবং কয়েকটি হাইপোডারমিক সিরিঞ্জ ;
(দ) দাগকাটা মাপন গ্যাস এবং চা চামচ ;
(ধ) চোখ ধোয়ার সরঞ্জাম;
(ন) এক বোতল (১ লিটার) ১ ঃ ২০ কার্বলিক লোশন;
(প) ৩টি চেয়ার;
(ফ) একটি পর্দা;
(ব) একটি বৈদ্যুতিক হ্যান্ড টর্চ ;
(ভ) ৭৬(১) নং বিধি মোতাবেক নির্ধারিত মানের একটি প্রাথমিক চিকিৎসার বাক্স বা আলমারি ;
(ম) ধনুষ্টংকার প্রতিরোধক সিরামের পর্যাপ্ত সরবরাহ; এবং
(য) টুরনিকেট (রক্ত বন্ধ করিবার উপকরণ)।
(৬) হাসপাতাল হইতে কোন যানবাহন পাইবার ব্যবস্থা না করা থাকিলে প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানের মালিককে গুরুতর দুর্ঘটনা বা অসুস্থতার ক্ষেত্রে দ্রুত পরিবহণের জন্য উপযুক্ত ও সার্বক্ষণিক কার্যক্ষম অবস্থায় যানবাহনের ব্যবস্থা রাখিতে হইবে।
(৭) চিকিৎসা কক্ষে সেবাদানকৃত সকল দুর্ঘটনা এবং অসুস্থতার চিকিৎসার রেকর্ড রাখিতে হইবে এবং প্রয়োজনে পরিদর্শক সমীপে উহা উপস্থাপন করিতে হইবে।
(৮) পরিদর্শক কর্তৃক, সময়ে সময়ে, জারিকৃত নির্দেশিত মাত্রায় ওষুধপত্র ডিসপেনসারীতে সংরক্ষণ করিতে হইবে।
(১) ধারা ৮৯(৬) এর বিধান মোতাবেক একই মালিকের অধীন যে সকল প্রতিষ্ঠান বা প্রতিষ্ঠানসমূহ একই ভবনে বা একই স্থানে অবস্থিত সেইখানে পাঁচ হাজার বা ততোধিক শ্রমিক-কর্মচারী কর্মরত থাকিলে
(ক) প্রতিষ্ঠানের মালিক একটি স্বাস্থ্য কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করিবেন এবং অনুরূপ প্রতিটি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে শ্রমিকদের কাজ চলাকালীন চিকিৎসা করিবার জন্য নি¤ড়ববর্ণিত মেডিক্যাল স্টাফ থাকিতে হইবে, যথা:-
(অ) ৫,০০০ হইতে ৭,৫০০ শ্রমিকের জন্য ন্যূনতম দুইজন রেজিস্ট্রার্ড চিকিৎসক ;
(আ) ৭,৫০১ বা তদূর্ধ্বের জন্য ন্যূনতম তিন জন রেজিস্ট্রার্ড চিকিৎসক; এবং
(ই) প্রতি চিকিৎসকের জন্য ন্যূনতম একজন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নার্স এবং ন্যূনতম একজন যোগ্যতাসম্পনড়ব ড্রেসার :
তবে শর্ত থাকে যে, একাধিক চিকিৎসক নিয়োগের বিধান থাকিলে অন্ততপক্ষে একজন মহিলা চিকিৎসক নিয়োগের চেষ্টা করিতে হইবে;
(খ) বিধি ৭৭ মোতাবেক পৃক চিকিৎসা কক্ষের প্রয়োজন হইবে না, তবে প্রত্যেক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে কমপক্ষে ৬টি শয্যা রাখিতে হইবে;
(গ) পাঁচ হাজারের উর্ধ্বে প্রতি হাজার শ্রমিকের জন্য ১ টি হারে শয্যা সংখ্যা বাড়াইতে হইবে এবং প্রতিটি শয্যার জন্য মেঝের আয়তন কমপক্ষে ৩.৭২ বর্গমিটার জায়গা বরাদ্দ করিতে হইবে; তবে জরুরি অবস্থার ক্ষেত্রে মালিক,মহাপরিদর্শককে অবগত করিয়া মেঝের আয়তন শিথিল করিতে পারিবেন ;
(ঘ) প্রতিষ্ঠানের স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নি¤ড়ববর্ণিত ব্যবস্থা থাকিতে হইবে, যথা:জ্জ
(অ) পুরুষ ও মহিলাদের পৃক শয্যা;
(আ) পৃক শৌচাগার ও প্রক্ষালণ কক্ষসহ সংμামক ব্যাধির জন্য একটি শয্যাসহ পৃক কক্ষ;
(ই) বহির্বিভাগের রোগীদের জন্য ঘেরাও করা বসার জায়গাসহ পৃ ক বিভাগ;
(ঈ) রোগীদের গোপনে পরীক্ষার জন্য পৃক কক্ষ;
(উ) ছোটখাটো অস্ত্রোপচার ও ড্রেসিং কক্ষ;
(ঊ) ডিসপেনসারীর ঔষধ রাখিবার স্টোর;
(ঋ) চিকিৎসাধীন শয্যাশায়ী শ্রমিককে বিনামূল্যে ঔষধ ও খাবার সরবরাহ করা;
(এ) পরিবার কল্যাণ ও প্রজনন স্বাস্থ্য সংμান্ত তথ্য, প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ প্রদানের ব্যবস্থা;
(ঐ) প্রসূতি মহিলা শ্রমিকদের প্রসব পূর্ব এবং প্রসব পরবর্তী সেবা ও পরামর্শ প্রদানের ব্যবস্থা; এবং
(ও) রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ক্লিনিক্যাল এক্স-রে, ফিজিক্যাল থেরাপি, ইত্যাদি, প্রয়োজন হইলে, মালিকের খরচে যথাসময়ে উহা ব্যবস্থা করা :
তবে শর্ত থাকে যে, মালিক যদি মহাপরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত পরিদর্শকের অনুমতিμমে অনুমোদিত অন্য কোন নিকটবর্তী হাসপাতালে শ্রমিকদের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা করিতে পারেন, তাহা হইলে উক্ত স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরী, এক্স-রে ও ফিজিক্যাল থেরাপী বিভাগ না থাকিলেও চলিবে :
আরও শর্ত থাকে যে, প্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্য কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করিবার উপযোগী স্থান সংকুলান না হইলে মালিক মহাপরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত পরিদর্শকের অনুমতিμমে এবং অনুমোদিত অন্য কোন নিকটবর্তী হাসপাতালের সহিত লিখিত কোন চুক্তি মারফত শ্রমিকদের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা সুবিধা প্রদানের ব্যবস্থা করিতে পারিবেন।
(২) স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নি¤ড়ববর্ণিত সুবিধা থাকিতে হইবে, যথা:
(ক) প্রতিষ্ঠানের সকল শ্রমিকের ইনডোর ও আউটডোর চিকিৎসা সুবিধা;
(খ) স্বাস্থ্য কেন্দ্রের বাহিরে চুক্তিবদ্ধ হাসপাতালে বা প্যাথলজিক্যাল ক্লিনিকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা বা চিকিৎসা করিতে হইলে মালিক কর্তৃক কর্মক্ষেত্র হইতে বিনা খরচে শ্রমিকের যাতায়াতের ব্যবস্থা।
(৩) একই ভবনে বা পাশাপাশি ভবনে অবস্থিত প্রতিষ্ঠানের মালিকগণ যৌথভাবে স্বাস্থ্য কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করিতে পারিবেন এবং এইরূপ স্বাস্থ্য কেন্দ্র
(ক) যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত পরিকল্পনা ও নকশা অনুযায়ী প্রতিষ্ঠা করিতে হইবে ;
(খ) উপ-বিধি (১) ও (২) অনুযায়ী চিকিৎসা সুবিধাদি সম্পনড়ব হইতে হইবে ।
(৪) কোন মালিক এইরূপ যৌথ স্বাস্থ্য কেন্দ্রে তাহাদের প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের জন্য চিকিৎসা সেবা প্রদানের ইচ্ছা পোষণ করিলে তিনি তাহার প্রতিষ্ঠানের নিকটবর্তী যৌথ স্বাস্থ্য কেন্দ্রের মালিকদের সিদ্ধান্তμমে উহা করিতে পারিবেন এবং উহা মহাপরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত পরিদর্শককে লিখিতভাবে অবহিত করিতে হইবে এবং সেই ক্ষেত্রে মহাপরিদর্শক বা তাহার ক্ষমতাপ্রাপ্ত পরিদর্শক এইরূপ যৌথ স্বাস্থ্য কেন্দ্রের মালিকগণকে উপ-বিধি (১) হইতে অব্যাহতি প্রদান করিতে পারিবেন।
(৫) সরকারের জনস্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালকের সহিত আলোচনাμমে মহাপরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত পরিদর্শক যাহা নির্ধারণ করিবেন অনুরূপ সাজ-সরঞ্জাম, ইন্জেকশন, ঔষধ ও যন্ত্রপাতির ব্যবস্থা প্রতি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে থাকিতে হইবে।
(৬) প্রত্যেক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের দায়িত্বশীল মেডিকেল অফিসার উহাতে চিকিৎসাধীন বা চিকিৎসাপ্রাপ্ত প্রত্যেক রোগীর জন্য মেডিক্যাল রেকর্ড সংরক্ষণ করিবেন।
(৭) স্বাস্থ্য কেন্দ্র পরিচালনা সংμান্ত বার্ষিক রিটার্ন ফরম-৮১(ঝ) অনুযায়ী এবং বিধি ৩৬২(২)(খ) এর বিধান অনুযায়ী প্রেরণ করিতে হইবে।
(১) ধারা ৮৯ (৮) এর বিধান মোতাবেক কোন প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে উহাতে নিযুক্ত শ্রমিকের সংখ্যা ৫০০ জন বা ততোধিক থাকিলে এবং চা-বাগান বা অন্যান্য বাগানের ক্ষেত্রে শ্রমিকের সংখ্যা ৫০০ জন বা ইহার অধিক হইলে একজন যোগ্যতাসম্পনড়ব কল্যাণ কর্মকর্তা থাকিতে হইবে :
তবে শর্ত থাকে যে, শ্রমিকের সংখ্যা যদি দুই হাজারের অধিক হয় তাহা হইলে, প্রতি দুই হাজার এবং অতিরিক্ত ভগড়বাংশের জন্য একজন করিয়া অতিরিক্ত কল্যাণ কর্মকর্তা নিয়োগ করিতে হইবে।
(২) কল্যাণ কর্মকর্তাদের কর্তব্য হইবে নি¤ড়বরূপ, যথা :
(ক) শ্রমিকদের বিভিনড়ব কমিটি ও যৌথ উৎপাদন কমিটি, সমবায় সমিতি ও ওয়েলফেয়ার কমিটি গঠনকে উৎসাহিত করা এবং তাহাদের কাজকর্ম তদারক করা;
(খ) বিভিনড়ব সুযোগ সুবিধা যথাজ্জক্যান্টিন, বিশ্রামাগার, শিশুকেন্দ্র, পর্যাপ্ত শৌচাগারের ব্যবস্থা, পানীয়-জল, ইত্যাদির প্রতি লক্ষ্য রাখা;
(গ) সবেতন ছুটি মঞ্জুরের ব্যাপারে শ্রমিককে সহযোগিতা করা এবং যে কোন ছুটি ও অন্যান্য নিয়ম কানুনের ব্যাপারে শ্রমিকগণকে অবহিত করা;
(ঘ) গৃহ সংস্থান, খাদ্য, সমবায় সমিতিতে ন্যায্য মূল্যের যে কোন প্রতিষ্ঠানে সামাজিক ও বিনোদনমূলক সুযোগ-সুবিধা, স্বাস্থ্য রক্ষা ব্যবস্থা, ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার সুযোগ, ইত্যাদি শ্রম কল্যাণমূলক বিষয়ের উপর লক্ষ্য রাখা;
(ঙ) শ্রমিকদের কাজের ও জীবনযাত্রার মান উনড়বয়ন ও তাহাদের কল্যাণের বিষয়ে সচেষ্ট থাকা ও সুপারিশ করা;
(চ) নবাগত শ্রমিকদের প্রশিক্ষণ দান, শ্রমিকদের শিক্ষার মান উনড়বয়ন ও কারিগরি ইনস্টিটিউটে তাহাদের প্রশিক্ষণে যোগদানের উৎসাহ ও মনোনয়ন প্রদানে কর্তৃপক্ষকে পরামর্শ প্রদান;
(ছ) প্রতিষ্ঠানে আইনের বিধানাবলি বাস্তবায়নে ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ ও শ্রমিকগণকে প্রয়োজনীয় সহায়তা ও পরামর্শ প্রদান;
(জ) শ্রমিকদের অধিকতর চিকিৎসা সুবিধার জন্য কারখানা বা প্রতিষ্ঠানের মেডিকেল অফিসারের সহিত যোগাযোগ রক্ষা;
(ঝ) শ্রমিক-মালিক সম্পর্ক উনড়বয়নের জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা;
(ঞ) মজুরি ও চাকরির শর্তের বিষয়গুলি সম্পর্কে মালিকপক্ষ ও শ্রমিকদের প্রতিনিধির সহিত আলোচনা;
(ট) মালিক ও শ্রমিকদের মধ্যে মতপার্থক্য দেখা দিলে সে বিষয়ে আপোসমীমাংসার জন্য দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণ করা ;
(ঠ) শ্রমিকদের বক্তব্য অনুধাবন করা এবং পারস্পরিক মতপার্থক্য দূর করিবার জন্য মালিক ও শ্রমিকদেরকে সহায়তা করা;
(ড) শ্রমিকদের একক বা সমষ্টিগত কোন অনুযোগ থাকিলে, সেইগুলি ত্বরিৎ নিষ্পত্তির জন্য কর্তৃপক্ষের গোচরীভূত করা; এবং
(ঢ) কারখানা বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ এবং শ্রমিকদের মধ্যে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক রক্ষার জন্য সংযোগ স্থাপন ও আলোচনা অনুষ্ঠান।
(৩) কল্যাণ কর্মকর্তার যোগ্যতা হইবে নি¤ড়বরূপ, যথা:-
(ক) কমপক্ষে ¯ড়বাতক ডিগ্রিধারী এবং শ্রম ও শিল্প সম্পর্কিত বিষয়ে অভিজ্ঞ ও বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত; এবং
(খ) শ্রম আইন, শিল্প সম্পর্ক, অনুযোগ-অভিযোগ নিষ্পত্তিতে দক্ষতাসম্পনড়ব।
(৪) কল্যাণ কর্মকর্তা নিযুক্ত হইবার অথবা তাহার চাকরি অবসান ঘটাইবার ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে কারখানার বা প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক বা মালিককে উহা মহাপরিদর্শক বা
তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত পরিদর্শককে লিখিতভাবে অবহিত করিতে হইবে এবং শূন্য পদটি যথাশীঘ্র সম্ভব পূরণ করিতে হইবে।
(৫) কর্তৃপক্ষ কল্যাণ কর্মকর্তাকে উপ-বিধি (২) এ বর্ণিত দায়িত্বাবলি সম্পাদনে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করিবে।
(১) ধারা ৯০ মোতাবেক প্রত্যেক কারখানা বা শিল্প-প্রতিষ্ঠানে সংরক্ষিত সেইফটি রেকর্ড বুকে নি¤ড়ববর্ণিত তথ্যসমূহ লিপিবদ্ধ থাকিতে হইবে এবং উহা পরিদর্শকের চাহিদা মোতাবেক সরবরাহ করিতে হইবে, যথা:-
(ক) বিপদ বা ঝুঁকির কারণ হইতে পারে প্রতিষ্ঠানে বিদ্যমান ও ব্যবহৃত এমন যন্ত্রপাতি ও রাসায়নিক দ্রব্যাদির তালিকা;
(খ) ব্যবহৃত রাসায়নিক দ্রব্যাদির বিষয়ে গৃহীত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা, শ্রমিকের স্বাস্থ্যে ইহার সম্ভাব্য প্রভাব ও প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা;
(গ) কোন শ্রমিককে কি ধরনের ব্যক্তিগত সুরক্ষা উপকরণ বা যন্ত্রপাতি ব্যবহার করিতে হয় তাহার বিবরণ;
(ঘ) যন্ত্রপাতির পূর্ণাঙ্গ তালিকা;
(ঙ) অগিড়বনির্বাপণ মহড়ার তারিখ ও অংশগ্রহণকৃত শ্রমিকের সংখ্যা;
(চ) অগিড়বনির্বাপণ উপকরণসমূহের পুনঃভর্তিকরণের তারিখ;
(ছ) বৈদ্যুতিক ওয়ারিং ও যন্ত্রপাতির পরীক্ষা সংμান্ত তথ্য;
(জ) সেইফটি কমিটির সদস্যদের তালিকা ও এতদ্সংμান্ত প্রশিক্ষণের তারিখ ও প্রশিক্ষণ গ্রহণকারীর সংখ্যা; এবং
(ঝ) সেইফটি সংμান্ত মালিক কর্তৃক গৃহীত অন্যান্য তথ্য।
(২) সেইফটি বুকে লিপিবিদ্ধ প্রধান প্রধান তথ্যসমূহ সকলের দৃষ্টিগোচর হয় এমন স্থানে উক্ত উদ্দেশ্যে প্রস্তুতকৃত ও টাঙ্গানো একটি সেইফটি তথ্য বোর্ডে প্রদর্শন করিতে হইবে।
(১) ধারা ৯০ক অনুযায়ী ৫০ (পঞ্চাশ) বা তদূর্ধ্ব সংখ্যক শ্রমিক নিয়োজিত রহিয়াছেন বা বৎসরের কোন এক সময় নিয়োজিত থাকেন এমন প্রত্যেক কারখানার বা শিল্প-প্রতিষ্ঠানের মালিকগণ সেইফটি কমিটি গঠন করিবেন :
তবে শর্ত থাকে যে, বিদ্যমান কারখানাসমূহের ক্ষেত্রে এই বিধিমালা কার্যকর হইবার তারিখ হইতে ৬ (ছয়) মাসের মধ্যে এবং এই বিধিমালা কার্যকর হইবার পরে স্থাপিত কারখানাসমূহের ক্ষেত্রে উৎপাদন চালু হইবার ৯ (নয়) মাসের মধ্যে সেইফটি কমিটি গঠন করিতে হইবে এবং ধারা ১৮৩ অনুযায়ী ঘোষিত প্রতিষ্ঠানপুঞ্জের মালিকগণও এলাকাভিত্তিক অথবা প্রতিষ্ঠানপুঞ্জের আওতা এক উপজেলার অধিক হইলে উপজেলাভিত্তিক সেইফটি কমিটি গঠন করিবেন।
(২) সেইফটি কমিটিতে মোট সদস্য সংখ্যা ৬ (ছয়) এর কম এবং ১২ (বার) এর অধিক হইবে না এবং উহাতে মালিক ও শ্রমিক পক্ষের সমসংখ্যক প্রতিনিধি থাকিবে।
(৩) কমিটিতে একজন সভাপতি, একজন সহ-সভাপতি, একজন সদস্য-সচিব ও সদস্যগণ থাকিবেন।
(৪) প্রম সভায় সদস্যগণ সর্বসম্মত সিদ্ধান্তμমে একজন সদস্য-সচিব নির্বাচন করিবেন।
(৫) কমিটি উহার সদস্যগণের মধ্য হইতে পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা সংμান্ত বিশেষ কোন ক্ষেত্রের এবং বিভিনড়ব শাখা বা বিভাগের দায়িত্ব প্রদান করিতে পারিবে।
(৬) কমিটি উহার সভাপতি ও মালিকপক্ষের প্রতিনিধিগণকে কারখানা বা শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মালিক বা ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনোনয়ন প্রদান করিবেন এবং সহ-সভাপতি ও শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধিগণ যৌথ দরকষাকষি (সিবিএ) অথবা অংশগ্রহণকারী কমিটির শ্রমিক প্রতিনিধিগণ কর্তৃক কর্মরত শ্রমিকদের মধ্য হইতে মনোনীত হইবেন।
(৭) শ্রমিকের সংখ্যা অনুযায়ী সেইফটি কমিটির সদস্য সংখ্যার আনুপাতিক হার হইবে নি¤ড়বরূপ, যথা:
(ক) ৫০ (পঞ্চাশ) হইতে ৫০০ (পাঁচশত) জন শ্রমিক কর্মরত রহিয়াছেন এমন কারখানা বা শিল্প-প্রতিষ্ঠানে সেইফটি কমিটির মোট সদস্য সংখ্যা হইবে সর্বোচ্চ ৬ (ছয়) জন;
(খ) ৫০১ (পাঁচশত এক) হইতে ১০০০ (এক হাজার) জন শ্রমিক কর্মরত রহিয়াছেন এমন কারখানা বা শিল্প-প্রতিষ্ঠানে সেইফটি কমিটির মোট সদস্য সংখ্যা হইবে সর্বোচ্চ ৮ (আট) জন;
(গ) ১০০১ (এক হাজার এক) হইতে ৩০০০ (তিন হাজার) জন শ্রমিক কর্মরত রহিয়াছেন এমন কারখানা বা শিল্প-প্রতিষ্ঠানে সেইফটি কমিটির মোট সদস্য সংখ্যা হইবে সর্বোচ্চ ১০ (দশ) জন;
(ঘ) ৩০০১ (তিন হাজার এক) হইতে তদুর্ধ্ব শ্রমিক কর্মরত রহিয়াছেন এমন কারখানা বা শিল্প-প্রতিষ্ঠানে সেইফটি কমিটির মোট সদস্য সংখ্যা হইবে সর্বোচ্চ ১২ (বার) জন।
(৮) কারখানা বা প্রতিষ্ঠানে যৌথ দরকষাকষি প্রতিনিধি (সিবিএ) উক্ত কারখানা বা প্রতিষ্ঠানের বিভিনড়ব শাখা, বিভাগ, ফ্লোর, গোডাউন এবং ইউনিটে কর্মরত শ্রমিকদের মধ্য হইতে সেইফটি কমিটির শ্রমিক প্রতিনিধি মনোনয়ন করিবে।
(৯) কোন কারখানা বা প্রতিষ্ঠানে যৌথ দরকষাকষি প্রতিনিধি না থাকিলে উক্ত কারখানা বা প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণকারী কমিটির শ্রমিক পক্ষের প্রতিনিধিগণ উক্ত কারখানা বা প্রতিষ্ঠানের বিভিনড়ব শাখা, বিভাগ, ফ্লোর, গোডাউন এবং ইউনিটে কর্মরত শ্রমিকদের মধ্য হইতে সেইফটি কমিটির শ্রমিক প্রতিনিধি মনোনয়ন করিবে।
(১০) সেইফটি কমিটিতে শ্রমিক প্রতিনিধি মনোনয়নের ক্ষেত্রে অনিবার্য কোন কারণে বা উপরি-উক্ত উপ-বিধি (৮) ও (৯) অনুযায়ী সেইফটি কমিটির শ্রমিক প্রতিনিধি মনোনয়নের উদ্যোগ গ্রহণ না করিলে এইরূপ বিষয় অবগত হইলে মহাপরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধি কর্মরত শ্রমিকগণের মধ্য হইতে নির্বাচনের মাধ্যমে সেইফটি কমিটির শ্রমিক প্রতিনিধি নির্বাচিত করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, এইরূপ ক্ষেত্রে উক্ত কারখানা বা প্রতিষ্ঠানের যৌথ দরকষাকষি প্রতিনিধি অথবা অংশগ্রহণকারী কমিটি গঠিত হইবার পর ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে উহা উপ-বিধি (৮) ও (৯) অনুযায়ী সেইফটি কমিটির শ্রমিক প্রতিনিধি মনোনয়ন করিবে।
(১১) শ্রমিক প্রতিনিধি মনোনীত হইবার ৭ (সাত) দিনের মধ্যে মালিক তাহার প্রতিনিধিদের মনোনয়ন প্রদান করিবেন এবং এইরূপ মনোনয়ন প্রদানের ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে সভাপতি সেইফটি কমিটির সহ-সভাপতি ও অন্যান্য সদস্যদের সহিত আলোচনাμমে সেইফটি কমিটির প্রম সভা আহবান করিবেন।
(১২) সেইফটি কমিটির প্রম সভা অনুষ্ঠানের ১০ (দশ) দিনের মধ্যে সভাপতি সেইফটি কমিটি গঠনের বিষয়টি লিখিতভাবে মহাপরিদর্শককে অবহিত করিবেন।
(১৩) কোন প্রতিষ্ঠানে কমপক্ষে এক-তৃতীয়াংশ মহিলা শ্রমিক থাকিলে শ্রমিক প্রতিনিধি মনোনয়নে কমপক্ষে এক-তৃতীয়াংশ মহিলা প্রতিনিধি মনোনীত করিতে হইবে।
(১৪) যদি কোন কারণে সেইফটি কমিটি কারখানা নিরাপত্তা সংμান্ত কোন বিষয়ে বিশেষজ্ঞের মতামত গ্রহণের প্রয়োজন অনুভব করে তবে কমিটি উক্তরূপ মতামত গ্রহণ করিতে পারিবে।
(১) কমিটি গঠনের পরবর্তীতে কোন সদস্যের পদত্যাগ, চাকরি হইতে অবসর, চাকরি ত্যাগ, মৃত্যু বা অন্য কোন যৌক্তিক কারণে সদস্য পদ শূন্য ঘোষিত হইলে সেইফটি কমিটির কমপক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের সমর্থনμমে উক্ত শূন্য পদ পূরণ করা যাইবে :
তবে শর্ত থাকে যে, শ্রমিক প্রতিনিধি শ্রমিকগণের মধ্য হইতে এবং মালিক প্রতিনিধি মালিক দ্বারা মনোনীত প্রতিনিধি হইবেন।
(২) সেইফটি কমিটির কোন সদস্য পদে কোনরূপ পরিবর্তন ঘটিলে পরিবর্তন হইবার ১৫(পনের) দিনের মধ্যে মহাপরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত পরিদর্শককে অবহিত করিতে হইবে।
সেইফটি কমিটির মেয়াদ হইবে সেইফটি কমিটির প্রম সভার তারিখ হইতে ২ (দুই) বৎসর।
৫০ (পঞ্চাশ) জনের কম শ্রমিক কর্মরত রহিয়াছেন এমন কারখানা বা শিল্প-প্রতিষ্ঠান বা প্রতিষ্ঠানপুঞ্জ পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে এই বিধি অনুসরণ
করিতে পারিবে।
(১) ধারা ৯১ অনুযায়ী শ্রমিকদের ব্যবহারের জন্য প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানে পর্যাপ্ত ও যথোপযুক্ত গোসলখানা ও ধৌতকরণ সুবিধার ব্যবস্থা থাকিবে এবং উহা যথাযথভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করিতে হইবে।
অন্যান্য উপযুক্ত ব্যবস্থাদি ধৌতকরণ সুবিধার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকিবে এবং এই সব সুবিধা সহজলভ্য, পরিচ্ছনড়ব এবং সুবিন্যস্তভাবে রাখিতে হইবে।
(৩) ধারা ৯১(১)(ক) অনুযায়ী গোসলখানা বলিতে নি¤ড়বরূপ ব্যবস্থাদি বুঝাইবে, যথা:-
(ক) যে কর্মপ্রμিয়ার কারণে তাৎক্ষণিকভাবে শ্রমিকের সম্পূর্ণ শরীর ধৌতকরণের প্রয়োজন রহিয়াছে এবং না করিলে নিজের স্বাস্থ্যহানি এবং অন্যদের স্বাস্থ্য
ক্ষতিগ্রস্থ হইবার আশংকা রহিয়াছে-সেই ধরনের কর্মক্ষেত্রে মহিলা ও পুরুষদের জন্য পৃকভাবে প্রম ২৫ (পঁচিশ) জনের জন্য কমপক্ষে ২টি গোসল খানা থাকিবে ও পরবর্তী প্রতি ৫০ (পঞ্চাশ) জনের জন্য ১টি করিয়া গোসলখানা থাকিবে :
তবে শর্ত থাকে যে, যে সকল শিল্প-প্রতিষ্ঠানে পূর্বের বিধান অনুযায়ী ধৌতকরণ সুবিধা বিদ্য(২) পর্যাপ্ত পরিমাণ সাবান, জীবাণুনাশক, প্রযোজ্যক্ষেত্রে নখের ব্রাশ বা নখ পরিষ্কার করিবার মান রহিয়াছে উহা বলবৎ থাকিবে;
(খ) পূর্বোক্ত বিধানের সাধারণত্ব ক্ষুণড়ব না করিয়া গোসলখানা সুবিধার অন্তর্ভুক্ত থাকিবেজ্জ
(অ) অন্যূন ০.৬০ মিটার পর পর ট্যাপ বা জেট যুক্ত একটি ট্রাফ ;
(আ) ট্যাপযুক্ত ওয়াশ বেসিন ;
(ই) খাড়া নলের উপর ট্যাপ ;
(ঈ) ট্যাপ নিয়ন্ত্রিত ঝরণা ; এবং
(উ) ঝরণাকৃতি গোলাকার ট্রাফ :
তবে শর্ত থাকে যে, পরিদর্শক শ্রমিকদের প্রয়োজন এবং অভ্যাসের প্রতি লক্ষ্য রাখিয়া কি অনুপাতে উপরি-উক্ত সুবিধাদি স্থাপন করা হইবে উহা নির্দিষ্ট করিয়া দিতে পারিবেন।
(৪) প্রত্যেকটি ট্রাফ বেসিনের উপরিভাগ অভেদ্য এবং মসৃণ হইতে হইবে এবং উহাতে ময়লা পানি বাহির হইবার পাইপ ও ফ্লাস সংযুক্ত থাকিবে।
(৫) প্রত্যেক ট্রাফ, ট্যাপ, ওয়াশ-বেসিন, খাড়া নল এবং ঝরণা সম্বলিত স্থানের মেঝে বা চারিপাশ এমনভাবে স্থাপন বা সঞ্চিত থাকিবে যেন মসৃণ অভেদ্য উপরিভাগ বিশিষ্ট হয় এবং পর্যাপ্তভাবে পানি নিষ্কাশিত হয়।
(৬) যেসব শ্রমিককে কাজের দরুন ক্ষতিকর বা বিষাক্ত পদার্থের সংস্পর্শে আসিতে হয়, উহাদের ব্যবহারের উদ্দেশ্যে প্রতি ১৫ (পনের) জন শ্রমিকের জন্য একটি করিয়া ট্যাপ স্থাপন করিতে হইবে।
(৭) মহিলা শ্রমিক নিযুক্ত থাকিলে তাহাদের জন্য পৃক গোসলখানার ব্যবস্থা থাকিতে হইবে এবং ধৌতকরণ সুবিধা এমনভাবে ঘেরাও বা পর্দা দ্বারা আবদ্ধ রাখিতে হইবে যাহাতে পুরুষ শ্রমিকরা যেখানে কাজ করিয়া থাকেন বা যেখান হইতে যাতায়াত করিয়া থাকেন সেইখান হইতে উহার ভেতরে কিছু দেখা না যায়।
(৮) মহিলাদের ধৌতকরণ সুবিধার প্রবেশ পথে অধিকাংশ শ্রমিকের বোধগম্য ভাষায় ‘কেবলমাত্র মহিলাদের জন্য’ স্পষ্ট নোটিস থাকিতে হইবে এবং উহা ছবি দ্বারাও নির্দেশ করিতে হইবে।
(১) যেসব প্রতিষ্ঠানে সাধারণত ১০০ (একশত) জনের অধিক শ্রমিক নিযুক্ত থাকেন উহার মালিক কর্তৃক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত মোট শ্রমিকের অন্তত শতকরা ১০ (দশ) জনের স্থান সংকুলান সুবিধা স¤¦লিত ক্যান্টিনের ব্যবস্থা করিতে হইবে :
তবে শর্ত থাকে যে, উক্তরূপ ক্যান্টিন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত মোট শ্রমিকের শতকরা ৩০ (ত্রিশ) জনের খাবার গ্রহণের স্থান সুবিধা সম্বলিত হইলে ধারা ৯৩ মোতাবেক পৃকভাবে খাবার কক্ষের প্রয়োজন হইবে না।
(২) প্রতিষ্ঠানের ক্যান্টিন হিসাবে নির্মিতব্য বা ক্যান্টিন হিসাবে রূপান্তরিতব্য ভবনের নকশা ও অবস্থান মহাপরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত পরিদর্শক কর্তৃক অনুমোদিত হইতে হইবে।
(৩) শৌচাগার ও প্রক্ষালন কক্ষ হইতে কমপক্ষে ৬ (ছয়) মিটার এবং বয়লার হাউস,কয়লার গাদা, ছাই এর গাদা বা ধূলা, ধোঁয়া বা ক্ষতিকর ধোঁয়ার কোন উৎস হইতে ১৫ (পনের)মিটার দূরত্বের মধ্যে কোন ক্যান্টিন ভবন স্থাপন করা যাইবে না।
(৪) প্রত্যেক ক্যান্টিনের জন্য নির্মিত ভবনে কমপক্ষে ডাইনিং হল, রানড়বা ঘর, গুদাম ঘর, ভাঁড়ার ঘর এবং শ্রমিকদের জন্য বাসন-কোসন ধোয়ার পৃক ব্যবস্থা রাখিতে হইবে।
(৫) ভবনের প্রত্যেক কক্ষের উচ্চতা মেঝে হইতে কোন জায়গায় ছাদের নি¤ড়বতম অংশের ৩ (তিন) মিটারের কম হইতে পারিবে না এবং মেঝে ও ভেতরের দেয়ালে ১.২০ মিটার উচ্চতা পর্যন্ত মসৃণ ও অভেদ্য হিসাবে তৈরি করিতে হইবে।
(৬) ক্যান্টিন ভবনের দরজা-জানালা মশা মাছি নিরোধক জালিযুক্ত হইতে হইবে এবং উহাতে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখিতে হইবে।
(৭) ক্যান্টিন কমিটি কর্তৃক নির্ধারিত সময় পর্যন্ত ক্যান্টিনের নির্ধারিত সুবিধাসমূহ চালু রাখিতে হইবে।
(১) ক্যান্টিন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য উহাতে পর্যাপ্ত সংখ্যক বাসন-কোসন, চামচ, আসবাবপত্র ও অন্যান্য সরঞ্জামের ব্যবস্থা থাকিতে হইবে।
(২) ক্যান্টিনে পরিবেশনকারী শ্রমিকদের জন্য বিশেষ পোশাক প্রদান করিতে হইবে এবং উহা পরিষ্কার-পরিচ্ছনড়বভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করিতে হইবে।
(৩) আসবাবপত্র, বাসন-কোসন এবং অন্যান্য সরঞ্জামাদি পরিষ্কার-পরিচ্ছনড়ব এবং স্বাস্থ্যসম্মতভাবে সংরক্ষণ করিতে হইবে।
(৪) ক্যান্টিনে সকল খাদ্যদ্রব্য এমনভাবে সংরক্ষণ ও পরিবেশন করিতে হইবে যাহাতে কোন প্রকার মশা মাছি এবং ধূলা-বালির সংস্পর্শে না আসে অথবা কোন ভাবে দূষিত হইতে না পারে।
(৫) ক্যান্টিনে সার্ভিস কাউন্টারের ব্যবস্থা করা হইলে, উহার উপরিভাগ মসৃণ এবং অভেদ্য পদার্থ দ্বারা তৈরি হইতে হইবে।
(৬) ক্যান্টিনে পর্যাপ্ত গরম পানির সরবরাহসহ বাসন-কোসন ও অন্যান্য সরঞ্জামাদি ধৌত করিবার জন্য উপযুক্ত সুবিধার ব্যবস্থা করিতে হইবে।
(১) ক্যান্টিনে সরবরাহকৃত খাদ্য, পানীয় এবং অন্যান্য জিনিস মুনাফাবিহীন ভিত্তিতে বিμি করিতে হইবে এবং উহার মান ও মূল্য ক্যান্টিন ব্যবস্থাপনা কমিটি কর্তৃক নির্ধারিত ও অনুমোদিত হারে হইতে হইবে।
(২) ক্যান্টিনে পুষ্টিসম্মত খাবার সরবরাহ করিতে হইবে এবং ক্যান্টিন কমিটি খাবারের তালিকা নির্ধারণের ক্ষেত্রে উহার মান ও পুষ্টির বিষয় অগ্রাধিকার প্রদান করিবে।
(৩) সরবরাহকৃত খাদ্যদ্রব্য, পানীয় এবং অন্যান্য জিনিসের মূল্য-তালিকা প্রকাশ্যে ক্যান্টিনে টানাইয়া রাখিতে হইবে।
(১) প্রতিষ্ঠানের মালিক কর্তৃক মনোনীত এবং প্রতিষ্ঠানের কল্যাণ কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে সংখ্যাগরিষ্ঠ শ্রমিকদের মতামতের ভিত্তিতে মনোনীত সমসংখ্যক ব্যক্তির সমন্বয়ে ক্যান্টিন ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠিত হইবে।
(২) কমিটিতে শ্রমিক সদস্য ২ (দুই) জনের কম বা ৫ (পাঁচ) জনের অধিক হইতে পারিবে না।
(৩) প্রতিষ্ঠানে যৌথ দরকষাকষি প্রতিনিধি থাকিলে তাহারা শ্রমিক প্রতিনিধি মনোনীত করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, প্রতিষ্ঠানে যৌথ দরকষাকষির অবর্তমানে প্রতিষ্ঠানে বিদ্যমান ট্রেড ইউনিয়ন সংগঠন বা ট্রেড ইউনিয়ন সংগঠনসমূহ সমসংখ্যক শ্রমিক প্রতিনিধি মনোনীত করিবে এবং ট্রেড ইউনিয়ন সংগঠনের অবর্তমানে অংশগ্রহণ কমিটি শ্রমিক প্রতিনিধি মনোনয়ন করিবে।
(৪) প্রতিষ্ঠানের মালিক বা মালিকের প্রাধিকারপ্রাপ্ত কল্যাণ কর্মকর্তা ক্যান্টিন ব্যবস্থাপনা কমিটির কার্যাদি তত্ত্বাবধান করিবেন।
মালিক বা তাহার প্রাধিকারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নি¤ড়ববর্ণিত বিষয়ে ক্যান্টিন ব্যবস্থাপনা কমিটির পরামর্শ গ্রহণ করিবেন, যথা:-
(ক) ক্যান্টিনে যেসব খাদ্যদ্রব্য সরবরাহ করা হইবে উহার মান ও পরিমাণ ;
(খ) খাদ্য তালিকা ও খাদ্যের মূল্য নির্ধারণ ;
(গ) ক্যান্টিনে খাইবার সময় ; এবং
(ঘ) ক্যান্টিনের সুষ্ঠু পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য বিষয়।
আশ্রয় বা বিশ্রাম কক্ষ এবং খাবার কক্ষের নকশা, মান ও আকার মহাপরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত পরিদর্শক কর্তৃক অনুমোদিত হইতে হইবে।
(১) শিশু কক্ষ বা স্বতন্ত্র শিশু ভবনের জন্য নির্মিতব্য বা অভিযোজিতব্য ভবনের নকশা, মান এবং অবস্থান মহাপরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত পরিদর্শক কর্তৃক অনুমোদিত হইতে হইবে।
(২) দুগ্ধদানকারী মায়েরা যাহাতে নিরাপদে ও শালীনতা বজায় রাখিয়া শিশুদের দুগ্ধ পান করাইতে পারেন এমন স্বতন্ত্র একটি কক্ষ অথবা পর্দাঘেরা একটি স্থান থাকিতে হইবে।
(৩) শিশু কক্ষের মেঝে এবং মেঝে হইতে ১.২২ মিটার পর্যন্ত অভ্যন্তরের দেওয়াল এমনভাবে নির্মাণ করিতে হইবে যেন উহা মসৃণ এবং অভেদ্য উপরিতল বিশিষ্ট হয়।
(৪) শিশু কক্ষে থাকা প্রতিটি শিশুর জন্য প্রতিদিন ০.২৫ লিটার দুধ এবং পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাবার সরবরাহ করিতে হইবে।
(৫) শিশু কক্ষের কর্মচারীদের শিশু কক্ষে কর্তব্যরত থাকাকালীন ব্যবহারের জন্য পরিষ্কার-পরিচ্ছনড়ব পোশাক সরবরাহ করিতে হইবে।
(৬) শিশু কক্ষে কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে মহিলাদেরকে অগ্রাধিকার প্রদান করিতে হইবে।
(১) শিশু কক্ষে অথবা উহার সংলগড়ব স্থানে শিশুদের ধোয়ামোছা এবং পোশাক পরিবর্তনের জন্য উপযুক্ত ধৌতকরণ কক্ষের ব্যবস্থা করিতে হইবে।
(২) ধৌতকরণ কক্ষ নি¤ড়ববর্ণিত মানসম্পনড়ব হইবে, যথা:
(ক) মেঝে এবং ১ মিটার উচ্চতা পর্যন্ত অভ্যন্তরীণ দেয়াল এমনভাবে নির্মাণ করিতে হইবে যেন উহা মসৃণ এবং অভেদ্য উপরিতল বিশিষ্ট হয়;
(খ) কক্ষটি পর্যাপ্ত আলোকিত এবং বায়ু চলাচল ব্যবস্থা সম্পনড়ব হইবে এবং মেঝের সহিত কার্যকর নর্দমার ব্যবস্থা থাকিবে এবং এটি পরিষ্কার-পরিচ্ছনড়ব এবং পরিপাটি রাখিতে হইবে;
(গ) একই সময়ে ব্যবহারোপযোগী প্রতি ৫ (পাঁচ) জন শিশুর জন্য পর্যাপ্ত পানি সরবরাহসহ বেসিন বা অনুরূপ পাত্র রাখিতে হইবে এবং বাস্তবসম্মত হইলে ট্যাপের মাধ্যমে প্রতি শিশুর জন্য মাথাপিছু দৈনিক অন্যূন ৫ (পাঁচ) লিটার পানি সরবরাহ করিতে হইবে; এবং
(ঘ) প্রতিটি শিশুর জন্য পর্যাপ্ত পরিচ্ছনড়ব কাপড়-চোপড়, সাবান এবং তোয়ালে রাখিতে হইবে।
চা-বাগানে তফসিল-৫ অনুযায়ী বিনোদন,শিক্ষা, চিকিৎসা, গৃহায়ন এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যসহ বিভিনড়ব সুযোগ ও সুবিধাদি নিশ্চিত করিতে হইবে।
(১) ধারা ৯৮ অনুযায়ী প্রত্যেক প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত শ্রমিক-কর্মচারী এবং তাহাদের উপর নির্ভরশীলগণের জন্য প্রতিষ্ঠানের খরচে ইনডোর ও আউটডোর চিকিৎসার ব্যবস্থা থাকিতে হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, সংবাদপত্র শ্রমিক-কর্মচারী চিকিৎসার ক্ষেত্রে ২ (দুই) লক্ষ টাকা এবং তাহাদের উপর নির্ভরশীলগণের চিকিৎসার সীমা ১(এক) লক্ষ টাকার অধিক হইবে না।
(২) সংবাদপত্রসহ ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার প্রত্যেক মালিক তাহার প্রতিষ্ঠানে কর্মরত প্রত্যেক শ্রমিক-কর্মচারীকে রেজিস্টার্ড চিকিৎসক দ্বারা বৎসরে অন্তত একবার স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা করিবেন।
(৩) যেক্ষেত্রে সংবাদপত্র ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার মালিক কর্তৃক প্রদত্ত চিকিৎসা সুবিধা পর্যাপ্ত না থাকে সেই ক্ষেত্রে, শ্রমিক-কর্মচারী তাহার মালিকের নিকট হইতে পূর্বানুমতি গ্রহণ করিয়া দেশের অভ্যন্তরে উপযুক্ত কোন হাসপাতাল হইতে মালিকের খরচে চিকিৎসা গ্রহণ করিতে পারিবেন।
(৪) কোন সংবাদপত্র ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার শ্রমিক-কর্মচারী পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে দুর্ঘটনায় পতিত হইয়া জখম বা আহত হইলে বা পেশাগত রোগে আμান্ত হইলে সম্পূর্ণভাবে সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত মালিক তাহার সম্পূর্ণ চিকিৎসা খরচ বহন করিবেন।
(১) ধারা ৯৯ প্রযোজ্য হয় এমন প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানের মালিক তাহার প্রতিষ্ঠানের প্রত্যেক শ্রমিকের জন্য গ্রুপ বীমা চালু করিবেন।
(২) গ্রুপ বীমা শ্রমিকের মৃত্যু এবং স্থায়ী অক্ষমতার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে।
(৩) উক্ত বীমা ব্যবস্থা চালু করিবার লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক অনুমোদিত যে কোন প্রতিষ্ঠিত বীমা কোম্পানির সহিত মালিক চুক্তি করিতে পারিবেন।
(৪) বীমার বাৎসরিক প্রিমিয়াম মালিক পরিশোধ করিবেন এবং এইজন্য শ্রমিকের মজুরি হইতে কোন কর্তন করা যাইবে না।
(৫) চাকরিরত অবস্থায় যে কোন কারণেই শ্রমিকের মৃত্যুর ক্ষেত্রে শ্রমিকের মনোনীত ব্যক্তিকে বা আইনগত উত্তরাধিকারীকে উক্ত বীমার অর্থ পরিশোধ করিতে হইবে।
(৬) বীমার বাৎসরিক প্রিমিয়াম ও বীমার অর্থ আয়কর মুক্ত হইবে।
(৭) বীমা হইতে প্রাপ্য আর্থিক সুবিধা আইন ও এই বিধিমালার অন্যত্র প্রদত্ত আর্থিক প্রাপ্যতার বিকল্প হইবে না।
(১) অন্যত্র ভিন্নতর যাহাই কিছু থাকুক না কেন, প্রাপ্তবয়স্ক কোন শ্রমিকের দৈনিক কর্মঘন্টা হইবে আহার এবং বিশ্রামের বিরতি ব্যতীত ৮ (আট) ঘন্টা :
তবে শর্ত থাকে যে, ধারা ১০৮ এর বিধান মোতাবেক অধিকাল ভাতা প্রদান সাপেক্ষে শ্রমিককে দিনে ১০ (দশ) ঘন্টা পর্যন্ত কাজ করানো যাইবে :
আরও শর্ত থাকে যে, সেই ক্ষেত্রে উক্ত শ্রমিকের সম্মতি থাকিতে হইবে এবং অধিকাল কাজ আরম্ভ হইবার কমপক্ষে দুই ঘন্টা পূর্বে তাহাকে অবহিত করিতে হইবে :
আরও শর্ত থাকে যে, কোন প্রতিষ্ঠানে কর্মঘন্টা এব অতিরিক্ত কাজ ও অধিকাল ভাতার বিষয়ে যদি কোন শ্রমিকের জন্য সুবিধাজনক কোন চুক্তি বা নিস্পত্তি বা প্রথা বিদ্যমান ধাকে উহা অব্যাহত থাকিবে।
(২) নির্মাণ, রি-রোলিং, ষ্টিল মিল্স, জাহাজ ভাঙ্গা শিল্প এবং বিধি ৬৮-তে উল্লিখিত বিপজ্জনক কাজসমূহে কর্মরত শ্রমিকদেরকে প্রতি দুই ঘন্টা পর পর আধাঘন্টার বিশ্রাম বিরতি প্রদান না করিয়া কাজ করিতে দেওয়া যাইবে না বা তাহার দ্বারা কাজ করানো যাইবে না :
তবে শর্ত থাকে যে, মালিক ধারা ১০১ (ঘ) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে উক্তরূপ কোন বিশ্রাম বিরতির জন্য তাহার মজুরি হইতে কোন কর্তন করিতে পারিবে না।
(৩) মালিক কর্তৃক উপ-বিধি (২)-তে উল্লিখিত শিল্প ও কাজসমূহে কর্মরত শ্রমিকদের দৈনিক ওভারটাইমসহ ১০ (দশ) ঘন্টার অতিরিক্ত কাজ করানো যাইবে না।
ধারা ১০৩ ও ১১৪ এর বিধান মোতাবেক কোন কারখানা বা প্রতিষ্ঠানের সাপ্তাহিক ছুটির দিন উহার সাপ্তাহিক বন্ধ বলিয়া গণ্য হইবে :
তবে শর্ত থাকে যে, মহাপরিদর্শক জনস্বার্থে এলাকাভিত্তিক কারখানা বা প্রতিষ্ঠানের সাপ্তাহিক বন্ধের দিন নির্ধারণ করিয়া গেজেটে বিজ্ঞপ্তি জারি করিতে পারিবেন এবং এই বিধিতে উল্লিখিত বন্ধ, মালিক কর্তৃক পরিবারের সদস্যগণের সাহায্যে পরিচালিত হয় এবং যাহাতে মজুরির বিনিময়ে কোন শ্রমিক নিযুক্ত থাকেন না সেই ধরনের কারখানা বা প্রতিষ্ঠানেও কার্যকর হইবে।
(১) ধারা ১০৩ মোতাবেক কোন শ্রমিককে তাহার প্রাপ্য সাপ্তাহিক ছুটি প্রদান সম্ভব না হইলে উক্ত শ্রমিককে তাহার উক্তরূপ ছুটি প্রাপ্য হইবার পরবর্তী ৩ (তিন) কর্মদিবসের মধ্যে প্রদান করিতে হইবে।
(২) সাপ্তাহিক ছুটি প্রদান না করিয়া কোন শ্রমিককে একাধারে ১০(দশ) দিনের অধিক কাজ করানো যাইবে না।
(৩) ধারা ১০৪ এর বিধান অনুযায়ী অব্যাহতিপ্রাপ্ত শ্রমিকগণের প্রাপ্য কোন ক্ষতিপূরণমূলক সাপ্তাহিক ছুটি প্রাপ্য হইবার পরবর্তী ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে প্রদান করিতে হইবে।
(৪) শ্রমিকের ক্ষতিপূরণমূলক ছুটি অনুমোদনের সাথে সাথে প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক উক্তরূপ ছুটির একটি বিজ্ঞপ্তি ধারা ১০৪ মোতাবেক নোটিস বোর্ডে লটকাইয়া রাখিবেন :
তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত ছুটির বিজ্ঞপ্তিতে কোন পরিবর্তন আনয়নের প্রয়োজন হইলে সংশ্লিষ্ট ছুটির তারিখের অন্তত ৩ (তিন) দিন পূর্বে উহা করিতে হইবে।
(৫) পাওনা ক্ষতিপূরণমূলক ছুটি ভোগ করিবার সুযোগ প্রদানের পূর্বে শ্রমিকের চাকরি কোনভাবে অবসান করা হইলে সেই ক্ষেত্রে শ্রমিককে অন্যান্য পাওনা পরিশোধের সময় তাহার অভোগকৃত ক্ষতিপূরণমূলক সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলির জন্য পূর্ণ মজুরি প্রদান করিতে হইবে।
(৬) প্রতিষ্ঠানের মালিক ফরম-৩৩ অনুযায়ী ক্ষতিপূরণমূলক ছুটির একটি রেজিস্টার সংরক্ষণ করিবেন যাহা সর্বশেষ তথ্য লিপিবদ্ধ করিবার তারিখ হইতে ৩ (তিন) বৎসর পর্যন্ত সংরক্ষণ করিতে হইবে এবং পরিদর্শক চাহিবামাত্র উক্ত রেজিস্টার তাহার নিকট উপস্থাপন করিতে হইবে।
(১) মালিক ও শ্রমিকের মধ্যে ভিনড়বরূপ কোন চুক্তির অবর্তমানে ধারা ১০৮ মোতাবেক শ্রমিকের অধিকাল কর্মের জন্য প্রদেয় ঘন্টাভিত্তিক মজুরির সাধারণ হার নি¤ড়ববর্ণিতভাবে হিসাব করিতে হইবে, যথা :-
(ক) দৈনিক মজুরির ভিত্তিতে নিযুক্ত শ্রমিকের ক্ষেত্রে তাহার দৈনিক মজুরির ১/৮ অংশ ;
(খ) সাপ্তাহিক মজুরির ভিত্তিতে নিযুক্ত শ্রমিকের ক্ষেত্রে তাহার সাপ্তাহিক মজুরির ১/৪৮ অংশ ; এবং
(গ) মাসিক মজুরির ভিত্তিতে নিযুক্ত শ্রমিকের ক্ষেত্রে তাহার মাসিক মজুরির ১/২০৮ অংশ। টীকা ।- ৫২ স্ট১২ ী ৪৮ ঘন্টা = ২০৮ ঘন্টায় একটি মাস হইবে। ঘন্টাপ্রতি অধিকাল ভাতার হার = মাসিক মূল মজুরি ও মহার্ঘ ভাতা এবং এডহক বা অন্তর্বর্তী মজুরি (যদি থাকে) ী ২ ী ওভারটাইম ঘন্টা / ২০৮ ঘন্টা।
(২) কোন প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত শ্রমিক দ্বারা অধিকাল কাজ করানো হইলে উক্ত অতিরিক্ত কাজের সময় উল্লেখ করিয়া প্রতিষ্ঠানের মালিক বা তৎকর্তৃক প্রাধিকারপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি শ্রমিককে প্রদত্ত কার্ড বা সিøপে স্বাক্ষর করিয়া কাজ শেষে শ্রমিককে প্রদান করিবেন।
(৩) কোন প্রতিষ্ঠানে মাসিক বা সাপ্তাহিক মজুরির ভিত্তিতে নিয়োজিত শ্রমিক অথবা ঠিকা কাজে বা চুক্তিভিত্তিক বা পিস-রেট হিসাবে নিযুক্ত কোন শ্রমিকের জন্য উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা এমনভাবে নির্ধারণ করা যাইবে না যাহাতে ধারা ১০০ এর লংঘন হয়।
(৪) অধিকাল কাজ করাইবার হিসাব ফরম-৩৪ অনুযায়ী রেজিস্টারে সংরক্ষণ করিতে হইবে।
(১) কোন মহিলা শ্রমিক দ্বারা রাত ১০ (দশ) ঘটিকা হইতে ভোর ৬ (ছয়) ঘটিকা পর্যন্ত সময়ের মধ্যে কাজ করাইতে হইলে ফরম-৩৫ অনুযায়ী উক্ত শ্রমিকের লিখিত সম্মতি গ্রহণ করিতে হইবে।
(২) উপ-বিধি (১) এ উল্লিখিত সম্মতি সংশ্লিষ্ট মহিলা শ্রমিক কর্তৃক লিখিত আবেদনের মাধ্যমে প্রত্যাহার না করা হইলে ১২ (বার) মাস পর্যন্ত কার্যকর থাকিবে।
(৩) মহিলা শ্রমিককে সম্মতি প্রত্যাহারের ক্ষেত্রে ফরম-৩৫ (ক) অনুযায়ী আবেদন করিতে হইবে।
(৪) মহিলা শ্রমিক কর্তৃক নৈশ পালায় কাজ করাইবার সম্মতির তথ্য ফরম-৩৬ অনুযায়ী রেজিস্টারে সংরক্ষণ করিতে হইবে।
ধারা ১১০ এর বিধান মোতাবেক কোন শ্রমিককে একই দিনে একাধিক প্রতিষ্ঠানে কাজ করিবার অনুমতি প্রদানের ক্ষেত্রে মহাপরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত পরিদর্শক নি¤ড়ববর্ণিত শর্ত অনুসরণ করিবেন, যথা :
(ক) প্রতিষ্ঠানসমূহ একই মালিকানাধীন হইতে হইবে;
(খ) কোন শ্রমিক দ্বারা আইনের নির্ধারিত মেয়াদের অতিরিক্ত সময় কাজ করানো যাইবে না;
(গ) এক প্রতিষ্ঠান হইতে অপর প্রতিষ্ঠানে যাতায়াতের সময়কে কাজের সময়ের অন্তর্গত বলিয়া গণ্য করিতে হইবে; এবং
(ঘ) অতিরিক্ত সময়ের কাজের জন্য আইন অনুযায়ী অধিকাল ভাতা প্রদান করিতে হইবে এবং অবস্থা অনুযায়ী মালিক শ্রমিকের জন্য যানবাহনের ব্যবস্থা বা প্রকৃত যাতায়াত ব্যয় বহন করিবেন।
ধারা ১১৫ ও ১১৬ মোতাবেক নৈমিত্তিক ও পীড়া ছুটি গ্রহণ করিবার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শ্রমিক ইচ্ছা পোষণ করিলে উক্ত ছুটির পূর্বে বা পরে সাপ্তাহিক বা উৎসব ছুটি সংযোগ করিতে পারিবেন যাহা নৈমিত্তিক ছুটি হিসাবে অন্তর্ভুক্ত হইবে না :
তবে শর্ত থাকে যে, নৈমিত্তিক ছুটি অথবা পীড়া ছুটির মধ্যে কোন সাপ্তাহিক বা উৎসব ছুটি পড়িলে উক্ত ছুটি মূল ছুটির অন্তর্ভুক্ত হইবে।
আরও শর্ত থাকে যে, বৎসরের কোন অংশে কাজে যোগদানের ক্ষেত্রে শ্রমিক উক্ত ছুটি হারাহারিভাবে ভোগ করিতে পারিবেন।
(১) ধারা ১১৭ অনুযায়ী বাৎসরিক বা অর্জিত ছুটি গণনার ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী ১২ (বার) মাসে শ্রমিকের কাজে উপস্থিতির দিনগুলিকে গণ্য করিতে হইবে।
(২) কোন শ্রমিক চাহিলে তাহার অব্যয়িত অর্জিত ছুটির বিপরীতে নগদ অর্থ গ্রহণ করিতে পারিবেন :
তবে শর্ত থাকে যে, বৎসরান্তে অর্জিত ছুটির অর্ধেকের অধিক নগদায়ন করা যাইবে না এবং এইরূপ নগদায়ন বৎসরে মাত্র একবার করা যাইবে।
(৩) কোন শ্রমিক তাহার মজুরিসহ ছুটি পাওনা থাকা অবস্থায় মৃত্যুবরণ করিলে, তাহার ছুটি বাবদ মজুরি তাহার মনোনীত বা আইনগত উত্তরাধিকারীকে পরিশোধ করিতে হইবে।
(১) মালিক বা ব্যবস্থাপক ফরম-৯ অনুযায়ী প্রত্যেক শ্রমিককে ছুটির একটি বহি সরবরাহ করিবেন।
(২) ছুটির বহিটি শ্রমিকের সম্পত্তি এবং কারখানার ব্যবস্থাপক বা তাহার প্রতিনিধি কেবলমাত্র প্রয়োজনীয় সময়ে ইহাতে সংশ্লিষ্ট বিষয় পূরণের কারণ ব্যতীত শ্রমিকের নিকট হইতে গ্রহণ করিতে বা তলব করিতে পারিবেন না বা একাদিμমে ৭ (সাত) দিনের অধিক রাখিতে পারিবে না।
(৩) ছুটির বহিতে সকল অন্তর্ভুক্তি কালি দ্বারা সুস্পষ্টভাবে লিখিতে হইবে এবং হালনাগাদ তথ্য অন্তর্ভুক্ত করিয়া রাখিতে হইবে।
(৪) কোন শ্রমিক ছুটির বহি হারাইয়া ফেলিলে ব্যবস্থাপক ১০ (দশ) টাকা পরিশোধ সাপেক্ষে তাহাকে আরও এক কপি বহি সরবরাহ করিবেন এবং তাহার রেকর্ড হইতে উহাতে তথ্য অন্তর্ভুক্ত বা লিপিবদ্ধ করিতে হইবে।
(৫) যদি কোন প্রতিষ্ঠান কম্পিউটারের মাধ্যমে ছুটির রেকর্ড সংরক্ষণ করে, তবে উহার ছাপানো কপি ছুটির বহি হিসাবে গণ্য হইবে।
(১) অবস্থানুসারে যতটুকু সম্ভব, একই পরিবারভুক্ত শ্রমিক যেমন স্বামী-স্ত্রী এবং সন্তান-সন্ততিকে ধারা ১১৫ মোতাবেক ছুটি একই দিনে মঞ্জুর করিতে হইবে।
(২) কারখানার ব্যবস্থাপকের অনুমোদন সাপেক্ষে একজন শ্রমিক তাহার ছুটি অন্য শ্রমিকের সহিত বদল করিতে পারিবেন।
(৩) ধারা ১১৫, ১১৬ ও ১১৮ এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে বৎসর বলিতে ইংরেজি পঞ্জিকা বৎসর বুঝাইবে।
(১) প্রত্যেক মালিক তাহার প্রতিষ্ঠানের যৌথ দরকষাকষি প্রতিনিধির (যদি থাকে) সহিত আলোচনাμমে প্রতি বৎসর ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে পরবর্তী বৎসরের উৎসব ছুটি নির্ধারণ করিবেন, যাহা ১১ (এগার) দিনের কম হইবে না।
(২) মালিক উক্ত ছুটির তালিকা প্রতিষ্ঠানের সকল শ্রমিকের জ্ঞাতার্থে নোটিস বোর্ডে লটকাইয়া রাখিবেন এবং উহার একটি কপি সংশ্লিষ্ট পরিদর্শকের নিকট প্রেরণ করিবেন।
(৩) যৌথ দরকষাকষি প্রতিনিধি না থাকিলে মালিক বিষয়টি অংশগ্রহণকারী কমিটিতে আলোচনাμমে উক্ত কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী উৎসব ছুটি নির্ধারণ করিবেন।
(৪) কোন প্রতিষ্ঠানে যৌথ দরকষাকষি প্রতিনিধি বা অংশগ্রহণকারী কমিটি না থাকিলে মালিক যতদূর সম্ভব শ্রমিকদের সহিত আলোচনাμমে উক্ত ছুটি নির্ধারণ করিবেন।
(১) প্রতিটি কারখানায় বা প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত সকল শ্রমিকদের শ্রমিক রেজিস্টারের μমানুসারে মজুরিকাল অনুযায়ী মজুরি পরিশোধের একটি রেকর্ড ফরম-৩৮ অনুযায়ী সংরক্ষণ করিতে হইবে এবং মজুরি পরিশোধের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি তাহার সুবিধা অনুযায়ী উহা কম্পিউটারে সংরক্ষণ করিতে পারিবে :
তবে শর্ত থাকে যে, মজুরি পরিশোধকালে মুদ্রিত কপিতে রেভিনিউ স্ট্যাম্প ব্যবহার করিয়া শ্রমিকের স্বাক্ষর গ্রহণ করিতে হইবে।
(২) যদি কোন শ্রমিক তাহার মজুরি তাহার ব্যাংক হিসাবে গ্রহণ করিতে চাহেন তবে মালিক উহা ব্যাংক চেক অথবা সরাসরি ব্যাংক হস্তান্তর (ইধহশ ঞৎধহংভবৎ) এর মাধ্যমে পরিশোধ করিতে পারিবেন এবং মজুরি স্লিপ প্রদান করিবেন এবং এইক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষ মহিলা শ্রমিকদের ব্যাংক হিসাব খোলা ও পরিচালনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করিবে।
(৩) প্রতি মজুরি মেয়াদে প্রত্যেক শ্রমিককে মজুরি পরিশোধের পূর্বে মালিক ফরম-৩৮ অনুযায়ী একটি মজুরি সিøপ প্রদান করিবেন যাহাতে শ্রমিকের প্রাপ্য মজুরি, অধিকাল ভাতা, কর্তন (যদি থাকে) ও পরিশোধযোগ্য মোট মজুরি উল্লেখ থাকিবে।
(৪) প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানে যে কোন ধরনের শ্রমিককে কাজে নিয়োজিত করিবার পূর্বেই তাহার মজুরি ঘোষণা করিতে হইবে।
(৫) প্রতিটি কারখানা বা প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত শ্রমিকদের মধ্যে যাহারা নিরবিচ্ছিনড়বভাবে ১ (এক) বৎসর চাকরি পূর্ণ করিয়াছেন তাহাদেরকে বৎসরে দুইটি উৎসব ভাতা প্রদান করিতে হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, প্রতিটি উৎসব ভাতা মাসিক মূল মজুরির অধিক হইবে না, উহা মজুরির অতিরিক্ত হিসাবে বিবেচিত হইবে।
(৬) ঠিকাহার বা ফুরণ ভিত্তিক (পিস রেট) মজুরির হিসাব হইবে নি¤ড়বরূপ, যথা:-
(ক) কারখানার ফ্লোর ইন-চার্জের মাধ্যমে শ্রমিকদের নিকট হইতে প্রাথমিক ধারণা নিয়া উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ বা মালিক ফুরণ ভিত্তিক (পিস রেট) মজুরি নির্ধারণ করিবেন;
(খ) ফুরণ ভিত্তিক (পিস রেট) মজুরি প্রদানকালে প্রত্যেক শ্রমিককে পে-স্লিপ প্রদান করিতে হইবে এবং পে-স্লিপে মজুরির খাতওয়ারী বিস্তারিত বিবরণ লিপিবদ্ধ থাকিবে;
(গ) কোন প্রকৃতি (ঝঃুষব) এর ফুরণ ভিত্তিক (পিস রেট) মজুরির হার সম্পর্কে কোন পর্যায় হইতে কোন আপত্তি উত্থাপিত হইলে উহা কর্তৃপক্ষ কর্তৃক পুনর্বিবেচনার সুযোগ থাকিবে;
(ঘ) আংশিক কাজের ক্ষেত্রে শ্রমিককে তাহার প্রাপ্য নির্ধারিত গ্রেডে ন্যূনতম মজুরিতে ঘাটতি থাকিলে উহা মালিক পূরণ করিয়া প্রদান করিবেন;
(ঙ) কাজের স্বল্পতার কারণে কোন মাসে কোন শ্রমিক মাসের সকল কর্মদিবসে উপস্থিত থাকিবার পরও নির্ধারিত গ্রেডের প্রাপ্য ন্যূনতম মজুরি অপেক্ষা কম মজুরি পাইলে কারখানা কর্তৃপক্ষকে উহা পূরণ করিতে হইবে;
(চ) গ্রেডে প্রাপ্য মজুরি বা ফুরণ ভিত্তিক (পিস রেট) মজুরির মধ্যে যাহা অধিক হইবে শ্রমিকদেরকে সেই মজুরি প্রদান করিতে হইবে;
(ছ) কারখানায় যদি কাজ না থাকে তাহা হইলে শ্রমিকদের নির্ধারিত গ্রেডের প্রাপ্য মূল মজুরি প্রদান করিতে হইবে;
(জ) ফুরণ ভিত্তিক (পিস রেট) মজুরি বিষয়ক উপরি-উক্ত বিধানসমূহ যথাযথভাবে বাস্তবায়ন হইতেছে কিনা উহা কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর নজরদারী করিবে।
(১) শ্রমিকের মজুরি মাসিক বা সাপ্তাহিক বা দৈনিক বা চুক্তিভিত্তিক বা পিসরেট অনুযায়ী যেভাবেই নির্ধারণ করা হউক না কেন উহা শ্রমিককে পূর্বেই নোটিস আকারে অবহিত করিতে হইবে এবং কখন উহা কি উপায়ে পরিশোধ করা হইবে তাহাও নোটিশে উল্লেখ থাকিতে হইবে।
(২) শ্রমিকের মজুরি কোন্ কোন্ তারিখে পরিশোধ করা হইবে উহা নির্দিষ্ট করিয়া মালিক বা পে-মাস্টার প্রতিষ্ঠানের প্রবেশ পথে বা উহার নিকটবর্তী প্রকাশ্য স্থানে অন্যূন ১০ (দশ) দিন পূর্বে বাংলায় সহজবোধ্য ভাষায় লিখিত নোটিস দ্বারা বিজ্ঞাপিত করিবেন।
(৩) কোন বিশেষ কারণে বিজ্ঞাপিত তারিখ পরিবর্তনের প্রয়োজন হইলে সঙ্গে সঙ্গে উহার কারণ ও পরিবর্তিত তারিখ উল্লেখ করিয়া পুন:বিজ্ঞপ্তি জারি করিতে হইবে :
তবে শর্ত থাকে যে, এই পরিবর্তন পূর্বের নির্ধারিত তারিখের অন্তত ৩ (তিন) দিন পূর্বে হইতে হইবে এবং আইন নির্ধারিত মেয়াদ অতিμম করিতে পারিবে না।
(৪) অবসর গ্রহণের কারণে অথবা মালিক কর্তৃক তাহার ছাঁটাই, ডিস্চার্জ, অপসারণ, বরখাস্ত অথবা শ্রমিক কর্তৃক অব্যাহতি গ্রহণের কারণে অথবা অন্য কোন কারণে যদি কোন শ্রমিকের চাকরির ছেদ ঘটে, সেই ক্ষেত্রে উক্ত শ্রমিকের শুধুমাত্র প্রাপ্য বকেয়া মজুরি তাহার চাকরির ছেদ ঘটিবার তারিখ হইতে পরবর্তী ৭ (সাত) কর্মদিবসের মধ্যে এবং ক্ষতিপূরণ ও অন্যান্য পাওনা চাকরির ছেদ ঘটিবার তারিখ হইতে পরবর্তী অনধিক ৩০ (ত্রিশ) কর্মদিবসের মধ্যে পরিশোধ করিতে হইবে।
(১) কোন শ্রমিকের প্রাপ্য মজুরি ও অন্যান্য পাওনাদি বে-আইনীভাবে কর্তন বা অনুরূপ কারণে উত্থিত দাবি শ্রমিক নিজে অথবা তাহার দ্বারা ক্ষমতাপ্রাপ্ত হইয়া তাহার পক্ষে প্রতিষ্ঠানের যৌথ দরকষাকষি প্রতিনিধি লিখিতভাবে সংশ্লিষ্ট মালিককে অবহিত করিতে পারিবেন।
(২) মালিক দাবি প্রাপ্তির পরবর্তী ১০ (দশ) দিনের মধ্যে উহা নিষ্পত্তির কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।
(৩) উপ-বিধি (২) অনুযায়ী মালিক ব্যর্থ হইলে দাবি পেশকারী পক্ষ বিষয়টির নিষ্পত্তিকল্পে ধারা ১২৪ (ক) অনুযায়ী মহাপরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত পরিদর্শকের নিকট
লিখিত আবেদন করিতে পারিবেন।
(৪) উপ-বিধি (৩) এর অধীন আবেদন পাইবার পর মহাপরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত পরিদর্শক সর্বোচ্চ ২০ (বিশ) দিনের মধ্যে বিষয়টি নিষ্পত্তি করিবার লক্ষ্যে কার্যকর
পদক্ষেপ গ্রহণ করিবেন এবং বর্ণিত উদ্যোগ গ্রহণ করিবার তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে আবেদনের বিষয়টি নিষ্পত্তি করিয়া লিখিতভাবে সিদ্ধান্ত প্রদান করিবেন।
(৫) ধারা ১২৪(ক) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে মহাপরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত পরিদর্শক আপোষ মীমাংসাকারী বা মধ্যস্থতাকারী হিসাবে গণ্য হইবেন এবং তিনি উত্থাপিত বিরোধীয় বিষয়টি নিষ্পত্তিকল্পে সংশ্লিষ্ট পক্ষদের শুনানি গ্রহণ ও কাগজপত্রাদি (যদি থাকে) পর্যালোচনান্তে সিদ্ধান্ত প্রদান করিবেন।
(৬) সর্বসম্মত মতামতের ভিত্তিতে আপোষ মীমাংসাকারী বা মধ্যস্থতাকারী কর্তৃক প্রদত্ত সিদ্ধান্ত প্রতিপালন সংশ্লিষ্ট পক্ষদের উপর বাধ্যতামূলক হইবে এবং সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত ব্যতীত আপোষ মীমাংসাকারী বা মধ্যস্থতাকারী কর্তৃক প্রদত্ত সিদ্ধান্তে সংক্ষুব্ধ পক্ষ ইচ্ছা করিলে প্রতিকার চাহিয়া সিদ্ধান্ত প্রদানের তারিখ হইতে ৬ (ছয়) মাসের মধ্যে শ্রম আদালতে আবেদন করিতে পারিবে।
(৭) ধারা ১৬১ (৩) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে ঠিকাদারের পক্ষ হইতে কোন আচরণবিধির লংঘনের কারণে ঠিকাদার কর্তৃক প্রদেয় ক্ষতিপূরণের অংশ নির্ধারণের লক্ষ্যে মালিক মোট ক্ষতিপূরণ জমা প্রদানের রসিদসহ উহা জমা প্রদানের তারিখ হইতে ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে মহাপরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত পরিদর্শকের নিকট আবেদন করিবেন।
(৮) মহাপরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত পরিদর্শক মালিক এবং ঠিকাদারের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করিয়া সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিবেন।
(৯) ধারা ১২৪(ক) ও ১৬১(৩) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে মহাপরিদর্শক তাহার উপর অর্পিত ক্ষমতা লিখিতভাবে অফিস আদেশ দ্বারা এলাকা ভিত্তিক অন্য কোন পরিদর্শক বা পরিদর্শকগণকে প্রদান করিতে পারিবেন।
(১০) মহাপরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত পরিদর্শক ধারা ১২৪ (ক) অনুযায়ী নোটিস প্রদান করিলে সংশ্লিষ্ট পক্ষের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক হইবে।
(১) কোন শ্রমিকের চাকরি তাহার মজুরির মেয়াদ পূর্ণ হইবার পূর্বে অবসান হইলে অথবা কোন শ্রমিক মাস শুরু হইবার পরে কাজে যোগদান করিলে উভয় ক্ষেত্রে অসম্পূর্ণ মাসের জন্য শ্রমিকের মজুরি হিসাবের ক্ষেত্রে তাহার সাপ্তাহিক ও অন্যান্য ছুটিসহ কর্মকালীন দিনগুলিকে গণনা করিতে হইবে।
(২) বাড়ী ভাড়া ভাতা, যাতায়াত ভাতা এবং চিকিৎসা ভাতাসহ মাসের মোট মজুরিকে উক্ত মাসের মোট দিনগুলি দ্বারা ভাগ করিয়া উক্ত মেয়াদের দিনগুলিকে গুণ করিয়া মজুরি হিসাব করিতে হইবে।
(১) ধারা ১২৬ (২) অনুযায়ী কর্তব্যে অনুপস্থিতির জন্য মজুরি কর্তনের ক্ষেত্রে মজুরি বলিতে শ্রমিকের মূল মজুরি ও মহার্ঘ ভাতা এবং এডহক বা অন্তর্বর্তী মজুরি (যদি থাকে) কে বুঝাইবে এবং শ্রমিকের মাসিক মূল মজুরি ও মহার্ঘ ভাতা এবং এডহক বা অন্তর্বর্তী মজুরি (যদি থাকে) কে ৩০ (ত্রিশ) দ্বারা ভাগ করিয়া দৈনিক মজুরির পরিমাণ
নির্ধারণ করিতে হইবে এবং উহা সংশ্লিষ্ট শ্রমিককে অবহিত করিতে হইবে।
(২) আইন এবং প্রতিষ্ঠানের বিধিমালায় বর্ণিত ক্ষেত্র ব্যতীত কোন অনুপস্থিতিতে মজুরি কর্তন করা যাইবে না।
(১) ধারা ১২৬ (২) অনুযায়ী কর্তব্যে অনুপস্থিতির জন্য মজুরি কর্তনের ক্ষেত্রে মজুরি বলিতে শ্রমিকের মূল মজুরি ও মহার্ঘ ভাতা এবং এডহক বা অন্তর্বর্তী মজুরি (যদি থাকে) কে বুঝাইবে এবং শ্রমিকের মাসিক মূল মজুরি ও মহার্ঘ ভাতা এবং এডহক বা অন্তর্বর্তী মজুরি (যদি থাকে) কে ৩০ (ত্রিশ) দ্বারা ভাগ করিয়া দৈনিক মজুরির পরিমাণ
নির্ধারণ করিতে হইবে এবং উহা সংশ্লিষ্ট শ্রমিককে অবহিত করিতে হইবে।
(২) আইন এবং প্রতিষ্ঠানের বিধিমালায় বর্ণিত ক্ষেত্র ব্যতীত কোন অনুপস্থিতিতে মজুরি কর্তন করা যাইবে না।
(১) ধারা ১২৭ এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সকল কর্তন ও উহা আদায়ের রেকর্ড ফরম- ৩৯ অনুযায়ী সংরক্ষণ করিতে হইবে।
(২) মজুরি কর্তনের বার্ষিক বিবরণী নির্ধারিত ফরমে পঞ্জিকা বর্ষ শেষ হইবার পরবর্তী ১৫ (পনের) ফেব্রুয়ারির মধ্যে মহাপরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত পরিদর্শকের নিকট দাখিল করিতে হইবে।
(১) ইতিমধ্যে অর্জিত হয় নাই এমন পরিমাণ মজুরি অগ্রিম প্রদানের ক্ষেত্রে চাকুরিতে নিযুক্ত ব্যক্তির পরবর্তী দুইটি মাসে যে পরিমাণ মজুরি অর্জন করিবার সম্ভাবনা রহিয়াছে উহা অপেক্ষা অধিক অগ্রিম প্রদান করা যাইবে না।
(২) প্রদত্ত অগ্রিম অনধিক ১২ (বার) মাসের মধ্যে কিস্তিতে আদায় করা যাইবে এবং কোন কিস্তির পরিমাণ মজুরির এক-তৃতীয়াংশের অধিক হইতে পারিবে না।
(৩) সমস্ত অগ্রিমের পরিমাণ এবং উহার উসুল ফরম-৪০ অনুযায়ী নির্ধারিত রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত করিতে হইবে।
(১) প্রত্যেক শ্রমিককে কাজে যোগদানের সময় তাহার অবর্তমানে তাহার অপরিশোধিত মজুরি ও অন্যান্য পাওনা গ্রহণের জন্য ফরম-৪১ অনুযায়ী মনোনয়ন প্রদান করিতে হইবে।
(২) উক্ত মনোনয়ন ফরমে শ্রমিকের নিজের ছবি এবং মনোনীত ব্যক্তির ছবি সংযুক্ত করিতে হইবে :
তবে শর্ত থাকে যে, শ্রমিক ইচ্ছা করিলে সময় সময় উক্ত মনোনয়ন একই প্রμিয়ায় পরিবর্তন করিতে পারিবে।
(১) যদি মৃত শ্রমিকের কোন নমিনী না থাকে অথবা কোন উত্তরাধিকারী না পাওয়া যায় সেই ক্ষেত্রে মালিক কর্তৃক ফরম-৪২ অনুযায়ী শ্রম আদালতে অর্থ প্রদান করিতে হইবে।
(২) আদালত উহার নিকট জমাকৃত অর্থের একটি প্রাপ্তি স্বীকার রসিদ ফরম-৪৩ অনুযায়ী প্রদান করিবে।
ধারা ১৩২ মোতাবেক কোন চাকরিরত বা চাকরিচ্যুত শ্রমিক নিজে অথবা শ্রমিকের মৃত্যু হইলে তাহার কোন উত্তরাধিকারী অথবা কোন আইনসংগত প্রতিনিধি অথবা মৃত শ্রমিকের উত্তরাধিকারীগণের আবেদনের প্রেক্ষিতে তাহাদের পক্ষে শ্রমিকের পাওনা পরিশোধের জন্য প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ফরম-৪৪, ৪৪(ক) বা ৪৪(খ) অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট শ্রম আদালতে দরখাস্ত পেশ করিতে হইবে।
(১) সরকার ধারা ১৩৮(৬) বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে উক্ত ধারার উপ-ধারা (২) মোতাবেক মজুরি বোর্ডে মালিক সংগঠনের প্রতিনিধি ও শ্রমিকগণের প্রতিনিধি মনোনয়নের লক্ষ্যে মালিক ও শ্রমিকগণের ফেডারেশনসমূহে সর্বাধিক প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠনের নিকট হইতে এবং উপ-ধারা (৩) বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট শিল্পের সর্বাধিক প্রতিনিধিত্বকারী মালিক সংগঠন ও ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশনের অথবা ফেডারেশনের অবর্তমানে সর্বাধিক প্রতিনিধিত্বকারী ইউনিয়নের নিকট মনোনয়ন যাচনা করিবে।
(২) উপ-বিধি (১) এর অধীন মনোনয়ন যাচনা করিবার ক্ষেত্রে শ্রম পরিচালকের রেকর্ড অনুযায়ী ফেডারেশনের সদস্যপদ বিবেচনায় লইতে হইবে।
(৩) উভয় ক্ষেত্রেই শ্রম পরিচালকের মাধ্যমে মনোনয়ন যাচনা করিতে হইবে :
তবে শর্ত থাকে যে, কোন শিল্পের প্রতিনিধি মনোনয়নের ক্ষেত্রে যদি উক্ত শিল্পে কোন রেজিস্টার্ড ইউনিয়ন না থাকে, সেইক্ষেত্রে শ্রম পরিচালক জাতীয় ফেডারেশনসমূহের মধ্য হইতে উক্ত শিল্পের সহিত সংশ্লিষ্টতা রহিয়াছে এইরকম সংগঠনের নিকট প্রতিনিধির মনোনয়ন যাচনা করিবেন এবং এইরকম সংশ্লিষ্টতা না পাওয়া গেলে সরকার নিজ বিবেচনায় শ্রমিক ও মালিক পক্ষের প্রতিনিধিত্ব করিতে পারে এমন ব্যক্তিদেরকে উক্ত শিল্পের মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধি হিসাবে মনোনীত করিবে।
(৪) যদি কোন কারণে সর্বাধিক প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন প্রতিনিধি মনোনয়ন প্রদান না করে তাহা হইলে সরকার দ্বিতীয় ও তৃতীয় সর্বাধিক প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠনসমূহের নিকট মনোনয়ন যাচনা করিতে পারিবে।
(১) বোর্ডের সচিব চেয়ারম্যানের সহিত আলোচনাμমে প্রত্যেক সদস্যকে লিখিতভাবে নোটিস প্রদান করিয়া বোর্ডের সভা আহবান করিবেন এবং সভার স্থান ও সময় চেয়ারম্যান কর্তৃক নির্ধারিত হইবে।
(২) বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত পদ্ধতিতে উহার সভা অনুষ্ঠিত হইবে।
(৩) চেয়ারম্যান বোর্ডের প্রত্যেক সভায় সভাপতিত্ব করিবেন, তবে তিনি অনুপস্থিত থাকিলে একজন নিরপেক্ষ সদস্য সভায় সভাপতিত্ব করিতে পারিবেন।
(৪) ধারা ১৩৯ মোতাবেক, বোর্ডের নিকট প্রেরিত বিষয়ের প্রম সভায়, বোর্ডের চেয়ারম্যান, নিরপেক্ষ সদস্য, মালিকদের একজন প্রতিনিধি এবং শ্রমিকদের একজন প্রতিনিধি উপস্থিত হইলে সভার কোরাম হইবে :
তবে শর্ত থাকে যে, পরবর্তী সভাসমূহে অনুরূপ কোন সদস্য অনুপস্থিত থাকিলেও বোর্ডের কার্যμমের অগ্রগতি ব্যাহত হইবে না এবং কোন সদস্যের অনুপস্থিতি সত্ত্বেও বোর্ডের কার্যμম বাতিল হইবে না।
(৫) ধারা ১৩৯ অনুযায়ী বোর্ডের নিকট প্রেরিত কোন বিষয় প্রেরণের ৬ (ছয়) মাসের মধ্যে বোর্ড নিষ্পত্তি করিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, বোর্ডের কোন সুপারিশ কেবলমাত্র বিলম্বে প্রদানের কারণে বাতিল হইবে না।
(১) আইন ও এই বিধিমালায় ভিনড়বতর কোন বিধান না থাকিলে বোর্ডের সদস্যদের কার্যকালের মেয়াদ তাহাদের নিযুক্তি সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হইবার তারিখ হইতে ৩ (তিন) বৎসর হইবে।
(২) উপ-বিধি (১) এ ভিনড়বতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, মেয়াদ উত্তীর্ণ হইবার পরেও স্থলাভিষিক্তদের নিয়োগ সরকারি গেজেটে প্রকাশিত না হওয়া পর্যন্ত সদস্যগণ তাহাদের পদে বহাল থাকিবেন।
(৩) যে কোন সদস্য তাহার কার্যকাল শেষ হইবার পর পুনর্নিয়োগের যোগ্য হইবেন।
(৪) যে কোন সদস্য সরকারকে লিখিতভাবে নোটিস প্রদান করিয়া সদস্য পদ হইতে পদত্যাগ করিতে পারিবেন এবং সরকার যে তারিখে তাহার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করিবেন সে তারিখ হইতে পদটি শূন্য হইবে।
(৫) চেয়ারম্যানের নিকট হইতে ছুটি গ্রহণ না করিয়া কোন সদস্য (চেয়ারম্যান ব্যতীত) পরপর তিনটি অনুপস্থিত থাকিলে সরকার সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা তাহার আসন শূন্য ঘোষণা করিতে পারিবে।
(৬) অসদাচরণ বা অন্য কোন কারণে বোর্ডের কোন সদস্যের উক্ত পদে বহাল থাকা জনস্বার্থের পরিপন্থী বলিয়া বিবেচিত হইলে সরকার তাহাকে বোর্ডের সদস্যপদ হইতে অপসারণ করিতে পারিবে।
(৭) বোর্ডের যে কোন শূন্য পদ সরকার, বোর্ডের প্রতিনিধিত্বমূলক স্বার্থ ক্ষুণড়ব না হয়, এমনভাবে পূরণ করিবে।
(৮) সাময়িক শূন্য পদ পূরণের জন্যে কোন সদস্য নিয়োগ করা হইলে তিনি শুধু তাহার পূর্বসূরীর কার্যকালের অবশিষ্ট মেয়াদের জন্য উক্ত পদে বহাল থাকিবেন।
(১) চেয়ারম্যান ব্যতীত যদি বোর্ডের কোন সদস্য বাংলাদেশ ত্যাগ করিয়া থাকেন তবে তিনি তাহার দেশত্যাগের এবং প্রত্যাবর্তনের সম্ভাব্য তারিখ চেয়ারম্যানকে অবহিত করিবেন।
(২) কোন সদস্য যদি ৬ (ছয়) মাসের অধিক সময় বাংলাদেশের বাইরে অবস্থান করিতে চাহেন তবে চেয়ারম্যান সরকারকে প্রয়োজনবোধে উক্ত মেয়াদের জন্যে একজন সাময়িক বিকল্প সদস্য নিয়োগের উদ্দেশ্যে বিষয়টি অবগত করিবেন।
(৩) যেক্ষেত্রে চেয়ারম্যান দীর্ঘ ছুটিতে যান বা প্রেষণে বাংলাদেশের বাহিরে প্রেরিত হন সেই ক্ষেত্রে তাহার অনুপস্থিতিকালের জন্য সরকার অন্য কোন ব্যক্তিকে চেয়ারম্যান হিসাবে নিয়োগ করিতে পারিবে অথবা নিরপেক্ষ সদস্যকে সাময়িকভাবে চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালনের জন্য নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে।
চেয়ারম্যান ব্যতীত বোর্ডের সদস্যগণ সভায় উপস্থিতির জন্য সরকার কর্তৃক নির্ধারিত হারে ভাতা পাইবেন।
সরকার বোর্ডের একজন সচিব ও প্রয়োজনমত অন্যান্য কর্মচারী নিয়োগ করিতে পারিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, বোর্ডের সচিব হিসাবে সহকারী শ্রম পরিচালক বা সহকারী মহাপরিদর্শকের নি¤েড়বর পদমর্যাদার কোন কর্মকর্তাকে নিয়োগ করা যাইবে না।
(১) সচিব বোর্ডের সকল সভায় অংশগ্রহণ করিবেন এবং নি¤ড়ববর্ণিত কাজে চেয়ারম্যানকে সহযোগিতা করিবেন, যথা:
(ক) সভা আহবান;
(খ) সভার কার্যবিবরণীর রেকর্ড সংরক্ষণ;
(গ) সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কার্যμম গ্রহণ; এবং
(ঘ) চেয়ারম্যান কর্তৃক নির্দেশিত আইনানুগ নির্দেশ প্রতিপালন।
(২) সচিব সভার আলোচনায় অংশগ্রহণ ও ভোট প্রদান করিতে পারিবেন না তবে বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বা চেয়ারম্যানের নির্দেশ মতে বোর্ডের সভায় সংশ্লিষ্ট কাগজপত্রাদি ও তথ্যাদি উপস্থাপন করিতে পারিবেন।
(১) বোর্ড নিমড়বতম মজুরির হারের সুপারিশ সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রকাশ করিবে যেন সংশ্লিষ্ট যে কোন পক্ষ উক্ত প্রজ্ঞাপন প্রকাশের ১৪ (চৌদ্দ) দিনের মধ্যে তাহাদের আপত্তি বা সুপারিশ উপাত্তসহ লিখিতভাবে অবহিত করিবার সুযোগ পান।
(২) উপ-বিধি (১) মোতাবেক প্রদত্ত আপত্তি বা সুপারিশ বিবেচনার পর বোর্ড মূল প্রস্তাবের সংশোধন করিতে অথবা মূল প্রস্তাব ঠিক রাখিতে পারিবে এবং সেই অনুযায়ী সরকারের নিকট সুপারিশ করিতে পারিবে।
(৩) মালিক বা শ্রমিক পক্ষের অনুরোধে বোর্ডের যে কোন সভায় উপস্থিত হইয়া আলোচনায় অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে চেয়ারম্যান যে কোন বিশেষজ্ঞ বা উপদেষ্টাকে অথবা প্রয়োজনবোধে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের কোন কর্মকর্তাকে আমন্ত্রণ করিতে পারিবেন।
(৪) উপ-বিধি (৩) এর অধীন আমন্ত্রিত বিশেষজ্ঞ, উপদেষ্টা বা কর্মকর্তা সভার আলোচ্য বিষয়ে তাহার মতামত প্রদান করিতে পারিবেন কিন্তু তাহার কোন ভোটাধিকার থাকিবে না।
(৫) চেয়ারম্যান ও নিরপেক্ষ সদস্য ব্যতীত বোর্ডের সদস্য ও উপদেষ্টাদের ব্যয় সংশ্লিষ্ট পক্ষ বহন করিবেন।
(১) যে কোন নির্দিষ্ট বিষয়ে তদন্ত করিয়া বোর্ডের নিকট সুপারিশ দাখিলের জন্য বোর্ড বিভিনড়ব কমিটি গঠন করিতে পারিবে এবং যে কোন এলাকার বা যে কোন শ্রেণির
শিল্পের শ্রমিকদের নিমড়বতম মজুরির হার নির্ধারণে প্রয়োজনীয় অনুসন্ধানপূর্বক সুপারিশ পেশ করিয়া বোর্ডকে সহায়তা করিবার জন্যে অনুরূপ যে কোন কমিটিকে বোর্ড নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে।
(২) উক্তরূপ কমিটিতে মালিকের প্রতিনিধিত্বকারী একজন সদস্য, শ্রমিকদের প্রতিনিধিত্বকারী একজন সদস্য এবং একজন নিরপেক্ষ সদস্য (যিনি চেয়ারম্যানও হইবেন) থাকিতে হইবে।
(৩) তদন্ত করিবার উদ্দেশ্যে তদন্ত কমিটির চেয়ারম্যান বোর্ডের চেয়ারম্যানের অনুরূপ ক্ষমতা ভোগ করিবেন।
(৪) কমিটির চেয়ারম্যান বা কোন সদস্যের বা কোন কমিটির কোন উপদেষ্টা বা বিশেষজ্ঞের বিধি ১৩২ মোতাবেক প্রদত্ত বোর্ডের চেয়ারম্যান বা বোর্ডের যে কোন সদস্য, উপদেষ্টা বা বিশেষজ্ঞের সমান ক্ষমতা থাকিবে।
(৫) কমিটির চেয়ারম্যান ও সদস্যদের পারিশ্রমিক সরকার কর্তৃক নির্ধারিত হইবে।
আইন মোতাবেক কোন তদন্তের ক্ষেত্রে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ এবং সাক্ষীদের হাজির হইতে বাধ্য করাসহ দলিলপত্র উপস্থাপনে বাধ্য করিবার জন্য ১৯০৮সনের দেওয়ানী কার্যবিধি (১৯০৮ সনের ৫নং আইন)-তে বর্ণিত ক্ষমতা চেয়ারম্যানের থাকিবে।
আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে চেয়ারম্যান বা বোর্ডের যে কোন সদস্য অথবা চেয়ারম্যান কর্তৃক যথাযথভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত যে কোন উপদেষ্টা বা বিশেষজ্ঞ বা বোর্ডের অধীন কর্মরত যে কোন কর্মকর্তা
(ক) যে কোন যুক্তিসঙ্গত সময়ে কোন কারখানায় বা শিল্পে ব্যবহৃত যে কোন স্থানে বা প্রাঙ্গণে প্রবেশ করিতে পারিবেন;
(খ) যে কোন রেজিস্টার বা অন্যান্য দলিলপত্র তলব করিতে এবং সরেজমিনে যে কোন লোকের সাক্ষ্য গ্রহণ করিতে পারিবেন; এবং
(গ) প্রশড়বমালা বিলি করিয়া বা অন্যভাবে লিখিত তথ্য সংগ্রহ করিতে পারিবেন।
(১) কোন মালিক বা ঠিকাদার বা ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ কোন শ্রমিক বা কর্মচারীকে আইনের অধীন ঘোষিত নিমড়বতম মজুরি হারের চেয়ে কম মজুরি প্রদান করিতে পারিবেন না।
(২) যদি কোন মালিক বা ঠিকাদার বা ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ ঘোষিত নিমড়বতম মজুরি অপেক্ষা শ্রমিক বা কর্মচারীকে কম প্রদান করেন তাহা হইলে বকেয়া মজুরির ৫০% হারে অতিরিক্ত ক্ষতিপূরণ হিসাবে শ্রমিক বা কর্মচারী দাবি করিতে পারিবেন।
(৩) সরকার নিমড়বতম মজুরির হার সংশ্লিষ্ট মালিক ও শ্রমিকদের অবহিত করিবার জন্য যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে।
(৪) সরকার কর্তৃক ঘোষিত মজুরির নিমড়বতম হার বাংলা ভাষায় নোটিস আকারে মালিক কারখানায় বা কারখানার অন্য কোন উপযুক্ত স্থানে প্রদর্শনের ব্যবস্থা করিবেন।
(৫) উপ-বিধি (৪) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, নি¤ড়বতম মজুরির হার প্রয়োজনে ইংরেজি ভাষাতেও নোটিস আকারে প্রদর্শন করা যাইবে।
(৬) নি¤ড়বতম মজুরি প্রযোজ্য হয় এমন প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ বা বাইরের কাজে মালিক বা ঠিকাদার কর্তৃক নিযুক্ত শ্রমিকদের ক্ষেত্রে যে কারখানায় বা প্রতিষ্ঠানে বা স্থানে কাজ প্রদান করা হয়,সেখানে সংশ্লিষ্ট শিল্পে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত মজুরির হার ও গেজেট প্রকাশের তারিখ উল্লেখপূর্বক নোটিস প্রদান করিতে হইবে।
ধারা ১৫৩ মোতাবেক প্রদেয় মাসিক ক্ষতিপূরণ পর্যালোচনার আবেদন নি¤ড়ববর্ণিত ক্ষেত্রে ডাক্তারী প্রত্যয়নপত্র ব্যতীত শ্রম আদালতে পেশ করা যাইবে, যথা:জ্জ
(ক) মালিক কর্তৃক শ্রমিকের ক্ষতিপূরণের অধিকার নির্ধারিত হইয়াছে এবং শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধি পাইয়াছে;
(খ) শ্রমিক কর্তৃক ক্ষতিপূরণের অধিকার নির্ধারণ করা হইয়াছে এবং শ্রমিকের মজুরি কমিয়া গিয়াছে;
(গ) শ্রমিকের অবস্থার পরিবর্তন না হওয়া সত্ত্বেও মালিক কর্তৃক শ্রমিকের ক্ষতিপূরণ প্রদান শুরু করিবার পর ক্ষতিপূরণ প্রদান বন্ধ করিয়া দেওয়া হইয়াছে;
(ঘ) বর্তমানে বলবৎ ক্ষতিপূরণের হার প্রতারণামূলকভাবে বা অন্যায় প্রভাব দ্বারা বা অন্য কোন অনুচিত পন্থায় মালিক অথবা শ্রমিক কর্তৃক নির্ধারণ করা হইয়াছে;
(ঙ) মালিক অথবা শ্রমিক কর্তৃক ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের ক্ষেত্রে রেকর্ড হইতে আপাতত: দৃষ্টিতে কোন ভুল দৃষ্টিগোচর হয়।
(১) যদি মালিক কর্তৃক পরিশোধ্য ক্ষতিপূরণ হ্রাস করা বা বন্ধ করিবার আবেদন পরীক্ষা করিয়া শ্রম আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, মালিকের অনুরূপ ক্ষতিপূরণ হ্রাস বা বন্ধ করিবার আবেদন করিবার যুক্তিসংগত কারণ রহিয়াছে তবে উক্ত আবেদন সম্পর্কে তাহার সিদ্ধান্ত প্রদান সাপেক্ষে যে কোন সময় অনুরূপ মাসিক ক্ষতিপূরণ প্রদান সম্পূর্ণ বা আংশিক স্থগিত রাখিবার নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে।
(২) যে ক্ষেত্রে ধারা ১৫৪ মোতাবেক শ্রম আদালতে আবেদন করা হইয়াছে, সেই ক্ষেত্রে শ্রম আদালত দৈহিক অক্ষমতার সম্ভাব্য মেয়াদ হিসাব করিয়া ক্ষতিপূরণের মোট পরিমাণ নির্ধারণ করিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত হিসাব হইতে এক টাকার ভগড়বাংশ ধর্তব্যের বাইরে বিবেচিত হইবে।
(৩) উপ-বিধি (২) প্রযোজ্য হইলে শ্রম আদালত যদি দৈহিক অক্ষমতা নির্ধারণে অপারগ হয় তবে বিভিনড়ব সময় অনধিক দুই মাসের জন্য দরখাস্ত সম্পর্কে সিদ্ধান্ত গ্রহণ মুলতবী রাখিতে পারিবে।
ধারা ১৫৫ এর উপ-ধারা (২) মোতাবেক শ্রমিককে তাহার দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যুর ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ গ্রহণের জন্য চাকরিতে যোগদানকালীন ফরম-৪১ অনুযায়ী উত্তরাধিকারী মনোনয়ন প্রদান করিতে হইবে।
(১) জখমের কারণে মৃত্যুর ফলে ধারা ১৫৫ (১) মোতাবেক ক্ষতিপূরণের অর্থ জমা প্রদানের ক্ষেত্রে মালিক শ্রম আদালতের নিকট ফরম-৪৫ অনুযায়ী একটি বিবরণী দাখিল করিবে এবং অন্যান্য ক্ষতিপূরণ জমা প্রদানের ক্ষেত্রে ফরম-৪৬ অনুযায়ী বিবরণী দাখিল করিতে হইবে এবং উভয় ক্ষেত্রে আদালত জমা প্রদানকারীকে ফরম-৪৭ অনুযায়ী প্রাপ্তি রসিদ প্রদান করিবে।
(খ) যে কোন রেজিস্টার বা অন্যান্য দলিলপত্র তলব করিতে এবং সরেজমিনে যে কোন লোকের সাক্ষ্য গ্রহণ করিতে পারিবেন; এবং
(গ) প্রশড়বমালা বিলি করিয়া বা অন্যভাবে লিখিত তথ্য সংগ্রহ করিতে পারিবেন।
(২) মারাতড়বক দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ জমা প্রদানের সময় যদি মালিক উপ-বিধি (১) এ উল্লিখিত বিবরণীতে উল্লেখ করিয়া থাকেন যে, বন্টন কার্যμমে তিনি পক্ষভুক্ত হইতে ইচ্ছুক তাহা হইলে শ্রম আদালত, ক্ষতিপূরণের অর্থ বিতরণের পূর্বে মালিককে, তিনি যাহাকে উক্ত অর্থ মঞ্জুর করিতে চাহেন উক্ত ব্যক্তি যে মৃত শ্রমিকের পোষ্য বা তাহার কোন পোষ্য নাই, উহা প্রমাণ করিবার জন্য সুযোগ প্রদান করিবে।
শ্রম আদালত উহার নোটিস বোর্ডে ধারা ১৫৫(১) মোতাবেক ক্ষতিপূরণ বাবদ প্রাপ্ত জমার একটি তালিকা প্রদর্শন করিবে যাহাতে জমাকারীদের নাম ও ঠিকানা এবং যাহাদের মৃত্যু বা আহত হইবার দরুণ উক্ত টাকা জমা দেওয়া হইয়াছে, তাহাদের নাম ও ঠিকানা থাকিবে।
(১) যে ক্ষেত্রে কোন মালিক দুর্ঘটনায় জখমপ্রাপ্ত কোন শ্রমিককে বা মৃত শ্রমিকের ক্ষতিপূরণের অর্থ আইন অনুযায়ী পোষ্যদের প্রদান করেন নাই অথবা আদালতে জমা প্রদান করেন নাই সেই ক্ষেত্রে উক্ত অর্থ জমা প্রদানের জন্য আদেশ জারির প্রার্থনা জানাইয়া শ্রমিক নিজে অথবা মৃত শ্রমিকের যে কোন পোষ্য অথবা তাহার আইনগত প্রতিনিধি শ্রম আদালতে দরখাস্ত করিতে পারিবেন এবং অনুরূপ দরখাস্ত প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ফরম-৪৮, ৪৮(ক) বা ৪৮(খ) অনুযায়ী করিতে হইবে।
(২) শ্রম আদালত অনুরূপ দরখাস্ত প্রাপ্তির পরজ্জ
(ক) মালিককে শুনানির সুযোগ প্রদান করিয়া তদন্ত সমাপ্ত করিবার পর উহা যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, ক্ষতিপূরণের অর্থ আইন অনুযায়ী প্রদান করা বা আদালতে জমা দেওয়া হয় নাই, তাহা হইলে ধারা ১৫৫ এর উপ-ধারা (১) মোতাবেক ক্ষতিপূরণের টাকা জমা দেওয়ার জন্য মালিককে নির্দেশ প্রদান করিবে;
(খ) মালিক কর্তৃক ক্ষতিপূরণের অর্থ জমা হইবার পর, যে কোন সময় উহা তৎকর্তৃক নির্ধারিত পন্থায় মৃত শ্রমিকের যে সকল পোষ্য বা নির্ভরশীল আবেদন করেন নাই
তাহাদের নিকট নোটিস পৌঁছাইবার জন্য নির্দেশ প্রদান করিবে এবং উক্ত নোটিশে সংশ্লিষ্ট পোষ্যগণ কোন তারিখে আদালত সমীপে উপস্থিত হইবে উহা উল্লেখ
থাকিতে হইবে;
(গ) দরখাস্তের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিগণ শ্রম আদালতে নির্দেশিত তারিখে উপস্থিত হইতে ব্যর্থ হইবার কারণে মৃত ব্যক্তির কোন নির্ভরশীল ব্যক্তি ক্ষতিপূরণ বাবদ জমাকৃত টাকার
অংশ পাইবার অধিকার হইতে যাহাতে বঞ্চিত না হন উহা নিশ্চিত করিবে।
(৩) কোন মালিক ধারা ১৫৫(৪) এর বিধান মোতাবেক ক্ষতিপূরণ জমা প্রদান করিবার সময় উহার সহিত একটি বিবরণী দাখিল করিবেন এবং তাহাকে ফরম-৪৭ অনুযায়ী শ্রম আদালত এতদসংশ্লিষ্ট একটি রসিদ প্রদান করিবে।
(১) ধারা ১৫৫(৭) মোতাবেক দুই বৎসরের মধ্যে কোন পোষ্য পাওয়া না গেলে শ্রম আদালতে জমাকৃত অবন্টিত অর্থ উক্ত আদালত বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন আইন, ২০০৬ দ্বারা গঠিত ‘‘শ্রমিক কল্যাণ তহবিল’’এ হস্তান্তর করিবে।
(২) যে ক্ষেত্রে আদালতে জমাকৃত অর্থ আইনগত অক্ষমতার অধীন কোন ব্যক্তিকে প্রদেয় হয় সেই ক্ষেত্রে শ্রম আদালতের নিকট জমাকৃত অর্থ উক্ত ব্যক্তির কল্যাণার্থে আদালত উপ-বিধি (১) এ বর্ণিত শ্রমিক কল্যাণ তহবিলে হস্তান্তর করিতে পারিবে।
(৩) অক্ষমতার অধীন ব্যক্তি অক্ষমতামুক্ত হইলে উক্ত অর্থ ফেরত পাইবেন।
(৪) তহবিল হইতে উক্ত অর্থ সরকার অনুমোদিত লাভজনক খাতে বিনিয়োগ করিলে মুনাফাসহ সমুদয় অর্থ আবেদন প্রাপ্তির ত্রিশ দিনের মধ্যে ফেরত পাইবেন।
(৫) আইনগত অক্ষমতার (উত্তরাধিকারী) অধীন ব্যক্তি যখন আইনগতভাবে অক্ষমতামুক্ত হইবেন তখন তাহাকে তাহার অংশের অর্থ মুনাফাসহ প্রদান করিতে হইবে।
(৬) শ্রম আদালত উপ-বিধি (১) অথবা (২) অনুযায়ী গৃহীত কার্যμমের রেকর্ড বিধি ১৬২ অনুযায়ী সংরক্ষণ করিবে।
ধারা ১৫৮(১) মোতাবেক শ্রম আদালতে মারাত্মক দুর্ঘটনা সম্পর্কিত কোন বিবৃতি ও ধারা ১৫৯ অনুযায়ী মালিক কর্তৃক প্রদত্ত কোন রিপোর্ট ফরম-৪৯ অনুযায়ী প্রদান করিতে হইবে।
(১) কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনায় আহত শ্রমিকের চিকিৎসা মালিকের তত্ত্বাবধানে করিতে হইবে এবং মালিক উহার ব্যয় বহন করিবেন।
(২) যে শ্রমিক ক্ষতিপূরণ হিসাবে মাসিক ভাতা পাইতেছেন তাহাকে দুর্ঘটনার পরের মাসে দুইবার এবং পরবর্তী মাসগুলিতে একবারের অধিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তাহার আবাসস্থলের বাহিরে যাইতে বাধ্য করা যাইবে না।
(১) ধারা ১৬০ (১০) মোতাবেক শ্রমিকের জখমের স্পষ্টতা ও স্থায়িত্ব সম্পর্কে কোন বিরোধ দেখা দিলে সেই ক্ষেত্রে রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলিয়া বিবেচিত হইবে।
(২) উপ-বিধি (১) এ উল্লিখিত চিকিৎসকের ফি মালিক বা, ক্ষেত্রমত, শ্রমিক কর্তৃক বহন করিতে হইবে।
যে শ্রমিকের ক্ষতিপূরণের অধিকার ধারা ১৬০ এর উপ-ধারা (৫) বা (৬) মোতাবেক সাময়িকভাবে স্থগিত হইয়াছে তিনি যদি সঙ্গে সঙ্গে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করিবার জন্য আবেদন করিয়া থাকেন তবে মালিক আবেদন প্রাপ্তির তিন দিনের মধ্যে উক্ত শ্রমিকের স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা করিবেন ।
(১) কোন মহিলা চিকিৎসক তাৎক্ষণিক অবস্থায় পাওয়া না গেলে সেই ক্ষেত্রে কোন মহিলা শ্রমিকের উপস্থিতিতে পুরুষ চিকিৎসক কর্তৃক কোন মহিলা শ্রমিকের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা যাইবে।
(২) যদি কোন মহিলা চিকিৎসক সনিড়বকটে না পাওয়া যায় সেই ক্ষেত্রে কোন মহিলা শ্রমিক যদি মহিলা চিকিৎসক দ্বারা স্বাস্থ্য পরীক্ষা করিবার জন্য ফি জমা প্রদান করেন তবে কোন পুরুষ চিকিৎসক দ্বারা তাহার স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য আদেশ দেওয়া যাইবে না।
এই বিধিমালায় ভিনড়বতর কোন বিধান না থাকিলে, ক্ষতিপূরণ মামলা নিষ্পত্তির জন্য শ্রম আদালত ধারা ২১৬ এবং তফসিল-৬ অনুযায়ী উহার কার্যμম পরিচালনা করিবে।
ধারা ১৭০ এর উপ-ধারা (১) মোতাবেক শ্রম আদালতের নিকট প্রেরিত চুক্তির স্মারক, শ্রম আদালত অন্যভাবে নির্দেশ না দিলে, দুই কপি প্রস্তুত করিতে হইবে এবং উহা যতদূর সম্ভব ফরম-৫০, ৫০ (ক) বা ৫০(খ) অনুযায়ী হইতে হইবে।
(১) চুক্তির স্বারক পাইবার পর শ্রম আদালত, যদি স্মারকটি রেকর্ড করা যুক্তিযুক্ত মনে করে, সেই ক্ষেত্রে স্মারকটি রেকর্ড করিবার জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করিয়া ফরম-৫১ অনুযায়ী নির্ধারিত দিনের অন্তত সাত দিন পূর্বে সংশ্লিষ্ট পক্ষসমূহের উপর এই মর্মে লিখিত নোটিস জারি করিবে যে, কোন আপত্তি না পাওয়া গেলে স্মারকটি নির্ধারিত তারিখে রেকর্ডভুক্ত করা হইবে।
(২) অনুরূপ নির্ধারিত তারিখে শ্রম আদালতে কোন পক্ষ হাজির হইলে এবং শুনানি চাইলে, তাহাকে শুনানির পর, আদালত যদি স¥ারকটি রেকর্ড করা উচিত বলিয়া বিবেচনা করিয়া থাকে তাহা হইলে উহা রেকর্ড করিবে।
(৩) নোটিশে উল্লিখিত নির্দিষ্ট তারিখে শ্রম আদালত যদি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে যে, স্মারকটি রেকর্ড করা সঙ্গত হইবে না, তাহা হইলে উপস্থিত পক্ষসমূহকে সিদ্ধান্ত ও ইহার কারণ
অবহিত করিবে, এবং স্মারকটি রেকর্ড করিতে ইচ্ছুক কোন পক্ষ উপস্থিত না থাকিলে, উক্ত পক্ষকেও ফরম-৫১(ক) অনুযায়ী উহা অবহিত করিবে।
(৪) কোন চুক্তির স্মারকপত্র পাইবার পর শ্রম আদালত যদি মনে করে যে, উহা রেকর্ড না করিবার যুক্তিসঙ্গত কারণ রহিয়াছে তাহা হইলে আদালত সংশ্লিষ্ট পক্ষসমূহের বক্তব্য শুনানির জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করিবে এবং পক্ষসমূহকে নির্ধারিত তারিখের অন্তত ৭ দিন পূর্বে ফরম-৫১(খ) বা ৫১( গ) অনুযায়ী নোটিস প্রদান করিবে।
(৫) উপ-বিধি (৪) মোতাবেক নির্ধারিত তারিখে উপস্থিত পক্ষসমূহ যদি স্মারকপত্র রেকর্ড করিবার অনুকূলে যথেষ্ট যুক্তি প্রদর্শন করিতে সমর্থ হয় তাহা হইলে শ্রম আদালত সকল পক্ষকে অবহিত করিয়া স¥ারকপত্রটি রেকর্ড করিবে।
(৬) শ্রম আদালত যদি নির্ধারিত তারিখে স্মারকপত্র প্রত্যাখ্যান করে, সেই ক্ষেত্রে যেইপক্ষ উপ-বিধি (৪) অনুযায়ী নোটিস পায় নাই, তাহাকে পুনরায় ফরম-৫১(ক) অনুযায়ী অবহিত করিবে।
(১) কোন মোকদ্দমায় শ্রম আদালত যদি চুক্তির স্মারকপত্র রেকর্ড করিতে অস্বীকার করে তবে উহাকে উক্ত অস্বীকৃতির কারণসমূহ সংক্ষেপে লিপিবদ্ধ করিতে হইবে।
(২) শ্রম আদালত কোন চুক্তির স্মারকপত্র রেকর্ড করিতে অস্বীকার করিলে এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষকে কারণ দর্শাইবার সুযোগ প্রদান না করিলে আদালত চুক্তিতে উল্লিখিত অর্থের অতিরিক্ত কোন অর্থ প্রদানের কোন আদেশ প্রদান করিবে না।
(৩) এককালীন অর্থ প্রদান করিয়া মাসিক পাওনা পরিশোধের চুক্তির ক্ষেত্রে আদালত চুক্তিতে নির্দিষ্ট এককালীন দেয় অর্থ পর্যাপ্ত না হইবার দরুণ চুক্তির স্মারকপত্র রেকর্ড করিবে না, তবে সংশ্লিষ্ট শ্রমিকের অক্ষমতা কতদিন স্থায়ী হইতে পারে তাহার আনুমানিক হিসাব লিপিবদ্ধ করিবে।
চুক্তির স্মারক রেকর্ড করিবার সময় শ্রম আদালত উহা ফরম-৫২ অনুযায়ী রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করিবে এবং নিজের স্বাক্ষরযুক্ত স্বীকৃতিপত্র নি¤ড়ববর্ণিতভাবে লিপিবদ্ধ করিয়া সংশ্লিষ্ট পক্ষসমূহকে উহার কপি প্রদান করিবে এবং একটি কপি নিজের নিকট সংরক্ষণ করিবে:
“-----------সনের -------------মাসের....... তারিখে...........নং μমিকের অন্তর্ভুক্ত এই চুক্তির স্মারকটি অদ্য ................ তারিখে রেকর্ড করা হইল
এই বিধিমালা মোতাবেক কোন কর্তৃপক্ষ অপর কোন কর্তৃপক্ষের নিকট অর্থ প্রেরণ করিলে প্রাপ্তিস্বীকার রসিদ অথবা মানি অর্ডারের মাধ্যমে করিতে হইবে।
বিদেশে বসবাসরত অথবা বসবাস করিতে আগ্রহী কোন ব্যক্তির কল্যাণে আইন অনুযায়ী ক্ষতিপূরণের কোন এককালীন অর্থের সম্পূর্ণ বা অংশবিশেষ শ্রম আদালতে জমা করা হইলে শ্রম আদালত উক্ত অর্থ প্রয়োজনীয় তদন্তের পর সেই দেশে প্রেরণের আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।
বিধি ১৫১ ও ১৫২ মোতাবেক শ্রম আদালত কোন অর্থ প্রেরণের আদেশ প্রদান করিলে আদালত নিজ দায়িত্বে মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ, প্রদত্ত আদেশ এবং যাহাদের নিকট টাকা প্রদান করিতে হইবে তাহাদের প্রত্যেকের নাম ও ঠিকানা লিপিবদ্ধ করিবে এবং স্মারকপত্র সত্যায়িত করিবে।
শ্রম আদালত নিজে অনুমোদিত কর্তৃপক্ষ না হইলে বিধি ১৫৫-তে চুক্তির উল্লিখিত স্মারকপত্রের দুইকপি প্রাধিকারপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করিবে এবং প্রেরিতব্য অর্থ তাহার নিকট হন্তান্তর করিতে পারিবে অথবা নিজের নিকট রাখিয়া তাহার নির্দেশ মোতাবেক হন্তান্তর করিতে পারিবে এবং শ্রম আদালত নিজে প্রাধিকারপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ হইলে
বিধি ১৫৫ অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে।
প্রাধিকারপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ যদি সন্তুষ্ট হন যে, স্মারকপত্র সম্পাদিত হইয়াছে তবে তিনি এই উদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্তৃপক্ষের নিকট উক্ত স্মারকপত্র ও অর্থ তাহার বিবেচনায় নিরাপদ পদ্ধতিতে প্রেরণ করিবেন অথবা অনুরূপ কোন কর্তৃপক্ষ নিযুক্ত না হইয়া থাকিলে এতদুদ্দেশ্যে সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করিবেন এবং যে কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করা হইবে উহাকে নি¤ড়ববর্ণিত ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানাইবেন, যথা:-
(ক) স্মারকপত্রে নির্দেশিত ব্যবস্থা অনুযায়ী অর্থ প্রদানের ব্যবস্থা করা ; এবং
(খ) স্মারকপত্রে নির্দেশিত গৃহীত কার্য ব্যবস্থার একটি রিপোর্ট এবং যে কোন কারণে কোন অর্থ প্রদান করা সম্ভব না হইলে উহা ফেরত প্রদান।
(১) যে শ্রম আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে ঘটনার উৎপত্তি হইয়াছে, উহা যদি প্রাধিকারপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ না হয়, তবে যে শ্রম আদালতের নিকট হইতে বিধি ১৪৯ মোতাবেক অনুরোধ প্রাপ্ত, তাহার নিকট অনুরূপ রিপোর্টের একটি কপি প্রেরণ করিবে।
(২) বিধি ১৫৫ অনুযায়ী ফেরত আসা কোন অর্থ এই বিধিমালার বিধান অনুযায়ী বিলিব› টন করিতে হইবে।
প্রাধিকারপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ তদ্কর্তৃক গৃহীত যে কোন অর্থ বা ইহার অংশবিশেষ শ্রম আদালতের বিবেচনা অনুযায়ী বিলি-বন্টনের জন্য উহার নিকট প্রেরণ করিতে পারিবেন।
হস্তান্তরকারী কর্তৃপক্ষের নিকট হইতে গৃহীত অর্থ আইন এবং এই বিধিমালার বিধান অনুযায়ী যতদূর সম্ভব বিলি-বন্টন করিতে হইবে :
তবে শর্ত থাকে যে, হন্তান্তরকারী কর্তৃপক্ষ যদি উক্ত অর্থ বিলির ব্যাপারে কোন নির্দেশ প্রদান করিয়া থাকে সেই ক্ষেত্রে উহা প্রতিপালন করিতে হইবে।
(১) হস্তান্তরকারী কর্তৃপক্ষের নিকট হইতে প্রাপ্ত অর্থ কিভাবে বিলি করা হইয়াছে উহা সম্পর্কে প্রাধিকারপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ একটি প্রতিবেদন প্রদান করিবে।
(২) প্রাধিকারপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ নয় এমন কোন শ্রম আদালত কোন অর্থের কোন অংশ বিলি করিয়া থাকিলে উহা কিভাবে বিলি করা হইয়াছে উহার একটি রিপোর্ট (দুইকপি) প্রাধিকারপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করিবে এবং ধারা ১৬৭ মোতাবেক অন্য কোন শ্রম আদালতের নিকট হইতে উক্ত অর্থ তিনি গ্রহণ করিয়া থাকিলে উক্ত শ্রম আদালতের মাধ্যমে রিপোর্ট প্রেরণ করিতে হইবে।
ব্যাখ্যা।-এই অধ্যায়ের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে-
(ক) ‘প্রাধিকারপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ’ বলিতে ক্ষতিপূরণের অর্থ গ্রহণ এবং বিলি-বন্টনের জন্য সরকার কর্তৃক অনুমোদিত কোন কর্তৃপক্ষ বা কোন শ্রম আদালতকে বুঝাইবে;
(খ) ‘হস্তান্তরকারী কর্তৃপক্ষ’ বলিতে বাংলাদেশ বা অন্য দেশের কোন কর্তৃপক্ষকে বুঝাইবে যাহা শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ সংμান্ত আইন মোতাবেক প্রদানযোগ্য এককালীন অর্থ বাংলাদেশে বাস করেন বা করিবেন এমন কোন লোকের কল্যাণে দেশে বা দেশের কোন অংশে প্রেরণের ব্যবস্থা করে।
(১) শ্রম আদালত, তদন্তের পর, যদি এইমর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, মৃত শ্রমিকের কোন পোষ্য নাই, সেই ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের অর্থ আদালতে জমা হইবার দুই বৎসর পর প্রাপ্ত অর্থ প্রাপ্তিস্বীকার সাপেক্ষে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন আইন, ২০০৬ এর অধীন স্থাপিত শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিলে স্থানান্তর করিবে।
(২) তহবিলের অর্থ ব্যাংকে জমা রাখিতে হইবে এবং শ্রম আদালতের স্বাক্ষর ও সীলমোহরে উক্ত হিসাব পরিচালিত হইবে।
(১) তহবিলের হিসাব শ্রম আদালত কর্তৃক ফরম-৫৩ অনুযায়ী সংরক্ষণ করা হইবে এবং উহা নিরীক্ষা সাপেক্ষ হইবে।
(২) প্রতি বৎসর সরকারের নিকট দাখিলযোগ্য এবং শ্রম আদালত কর্তৃক এই অধ্যায় মোতাবেক গৃহীত কার্যμম সম্পর্কে প্রস্তুতকৃত প্রতিবেদনের মধ্যে তহবিলের কার্যμম এবং হিসাব সম্পর্কে তথ্যাদি অন্তর্ভুক্ত করিতে হইবে।
এই বিধিমালা মোতাবেক কোন কর্তৃপক্ষ অপর কোন কর্তৃপক্ষের নিকট অর্থ প্রেরণ করিলে প্রেরণকারী কর্তৃপক্ষ উহার খরচ বহন করিবে।
১) শ্রম আদালতের চেয়ারম্যান ফরম- ৫৪ অনুযায়ী মামলার একটি রেজিস্টার সংরক্ষণ করিবেন।
(২) চেয়ারম্যান কোন আবেদনপত্র পাইবার পর উহা উপ-বিধি (১) এ বর্ণিত রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত করিবেন।
(৩) মামলার সমাপ্তিতে এতদুদ্দেশে নির্ধারিত রেজিস্টারে চেয়ারম্যান নির্দিষ্ট কলামের অন্তর্ভুক্তিসমূহ প্রত্যায়িত করিয়া নিজের স্বাক্ষর প্রদান করিবেন।
(১) বিধি ১৬৪-তে বর্ণিত রেজিস্টার বাংলায় লিপিবদ্ধ করিতে হইবে এবং ২০ (বিশ) বৎসর পর্যন্ত উহা সংরক্ষণ করিতে হইবে।
(২) গড় হাজিরার কারণে খারিজকৃত ক্ষতিপূরণ মামলার রেকর্ডপত্র চূড়ান্ত নির্দেশ প্রদানের তারিখ হইতে ১ (এক) বৎসর সংরক্ষণ করিতে হইবে।
(৩) স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে একতরফা নিষ্পত্তিকৃত ক্ষতিপূরণ মামলার রেকর্ডপত্র চূড়ান্ত আদেশ প্রদানের তারিখ হইতে, আপিলের আদেশসহ (যদি থাকে), ১(এক) বৎসর অথবা ক্ষতিপূরণ পরিশোধের তারিখ হইতে, যাহা পরে হয়, ১(এক) বৎসর পর্যন্ত সংরক্ষণ করিতে হইবে।
(৪) প্রতিদ্বন্দি¡তার মাধ্যমে নিষ্পত্তিকৃত ক্ষতিপূরণ মামলার রেকর্ডপত্র বাতিল করা হইলে বা কোন ক্ষতিপূরণ প্রদানের প্রয়োজনীয়তা না থাকিলে চূড়ান্ত আদেশ প্রদানের তারিখ হইতে, আপিলের আদেশসহ (যদি থাকে), এক বৎসর এবং দাবি আংশিক বা সামগ্রিকভাবে মুলতবী রাখা হইলে চূড়ান্ত আদেশ প্রদানের তারিখ হইতে, আপিলের আদেশসহ (যদি থাকে), ১(এক) বৎসর অথবা দায় পরিশোধের তারিখ পর্যন্ত, যাহা পরে হয়, সংরক্ষণ করিতে হইবে।
(১) চুক্তিপত্র রেজিস্ট্রিকরণের জন্য দায়েরকৃত মামলার রেকর্ডপত্র চূড়ান্ত আদেশ প্রদানের তারিখ হইতে, আপিলের আদেশসহ, ১ (এক) বৎসর অথবা দায় পরিশোধের তারিখ হইতে, যাহা পরে হয়, ১ (এক) বৎসর পর্যন্ত সংরক্ষণ করিতে হইবে।
(২) উপ-বিধি (১) এর অধীন সংরক্ষিত চুক্তির রেজিস্টারে চূড়ান্ত আদেশ প্রদানের তারিখ হইতে, আপিলের আদেশসহ (যদি থাকে), ৩ (তিন) বৎসর পর্যন্ত অথবা দায় পরিশোধের তারিখ হইতে, যাহা পরে হয়, ৩ (তিন) বৎসর পর্যন্ত সংরক্ষণ করিতে হইবে।
ট্রেড ইউনিয়নের সদস্য হইবার আবেদন।(১) কোন ট্রেড ইউনিয়ন সংগঠনে বা ট্রেড ইউনিয়নসমূহের ফেডারেশনে বা কনফেডারেশনে যোগদান করিতে ইচ্ছুক শ্রমিক বা কর্মচারী বা মালিক বা ইউনিয়ন বা ফেডারেশনকে ফরম-৫৫(ক), ফরম-৫৫(খ) বা, ক্ষেত্রমত, ফরম-৫৫(গ) অনুযায়ী সদস্যপদের জন্য আবেদন করিতে হইবে।
(২) কোন ব্যক্তি বা সংগঠন অন্য কোন ইউনিয়ন বা ফেডারেশন বা কনফেডাশেনের সদস্যপদ গ্রহণ করিতে ইচ্ছুক হইলে তিনি পূর্বের ইউনিয়ন বা ফেডারেশন বা কনফেডারেশন হইতে লিখিতভাবে পদত্যাগপত্র দাখিল ব্যতিরেকে অন্য কোন ইউনিয়নে সদস্য হইতে পারিবেন না।
(৩) উপ-বিধি (১) অনুযায়ী কোন শ্রমিকের দাখিলকৃত আবেদন গৃহীত হইলে তাহাকে ইউনিয়নের বা ফেডারেশনের বা কনফেডারেশনের সদস্য ন¤¦র উল্লেখসহ ফরম-৫৫(ঘ), ফরম- ৫৫(ঙ) বা, ক্ষেত্রমত, ফরম-৫৫(চ) অনুযায়ী একটি প্রত্যয়নপত্র প্রদান করিতে হইবে।
(৪) অন্যূন ৫ (পাঁচ) জন শ্রমিক কর্মরত রহিয়াছেন এমন কৃষি ফার্মের ক্ষেত্রে প্রত্যেকটি উপজেলা বা, ক্ষেত্রমত, জেলা প্রতিষ্ঠানপুঞ্জ বলিয়া বিবেচিত হইবে এবং অন্যূন ৪০০ (চারশত) জন কৃষি ফার্ম শ্রমিক একত্রিত হইয়া এই বিধি অনুযায়ী ইউনিয়ন গঠন করিতে পারিবে।
(১) ধারা ১৭৯(১)(গ) মোতাবেক ট্রেড ইউনিয়ন, ট্রেড ইউনিয়নসমূহের ফেডারেশন এবং কনফেডারেশনের রেজিস্ট্রিকরণের জন্য ফরম-৫৬ (ক), ফরম-৫৬ (খ) বা, ক্ষেত্রমত, ফরম-৫৬ (গ) অনুযায়ী আবেদন করিতে হইবে।
(২) উপ-বিধি (১) এর অধীন আবেদনের সহিত সদস্যদের প্রত্যয়নপত্র সংযুক্ত করিতে হইবে।
(৩) প্রতিষ্ঠানপুঞ্জে ট্রেড ইউনিয়নের রেজিস্ট্রেশন প্রাপ্তির পর আবেদনকারী নিজ খরচে ফরম-৫৬(ঘ) অনুযায়ী গণবিজ্ঞপ্তি প্রচার করিবে।
(৪) শ্রম পরিচালক ধারা ১৭৬ এর দফা (ঙ) এবং ধারা ১৭৯ এর উপ-ধারা (২ক) এ বর্ণিত পরিদর্শনপূর্বক ফরম-৫৬(ঙ) অনুযায়ী তথ্য সংগ্রহ করিবেন।
(৫) ট্রেড ইউনিয়ন বা ফেডারেশন বা কনফেডারেশন কর্মকর্তাদের বিবরণ ফরম-৫৬(চ), ৫৬(ছ) বা ক্ষেত্রমত, ৫৬(জ) অনুযায়ী প্রদান করিতে হইবে।
(৬) ট্রেড ইউনিয়ন বা ফেডারেশন বা কনফেডারেশন সদস্যদের বিবরণ ফরম-৫৭(ক), ৫৭(খ) বা ক্ষেত্রমত, ৫৭(গ) অনুযায়ী প্রদান করিতে হইবে।
(৭) রেজিস্ট্রেশনের আবেদন হইতে রেজিস্ট্রেশন প্রদান পর্যন্ত এতদ্সংশ্লিষ্ট সকল কার্যμম কম্পিউটারযোগে ইণ্টারনেট ব্যবহারের মাধ্যমে অন-লাইনে করা যাইবে, তবে এই ক্ষেত্রে সকল কার্যμমের একটি মুদ্রিত কপি সংরক্ষণ করিতে হইবে।
(১) ধারা ১৭৯ (১) (ট) মোতাবেক কোন ট্রেড ইউনিয়নের নির্বাহী কমিটির সদস্য সংখ্যা উহার সাধারণ সদস্যদের সংখ্যানুপাতে নি¤ড়ববর্ণিত হারে নির্ধারিত হইবে, যথা:-
(২) যে প্রতিষ্ঠানের জন্য ট্রেড ইউনিয়ন গঠিত হইবে, উক্ত প্রতিষ্ঠানে মোট শ্রম শক্তি বা সদস্যের ২০% বা তদুর্ধ্ব মহিলা নিয়োজিত থাকিলে সেইখানে ইউনিয়নের নির্বাহী কমিটিতে কমপক্ষে ১০% মহিলা সদস্য থাকিতে হইবে।
(৩) প্রতিষ্ঠানপুঞ্জে গঠিত ট্রেড ইউনিয়নের রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রেও উপ-বিধি (১) ও (২) এর বিধান প্রযোজ্য হইবে :
তবে শর্ত থাকে যে, যতদূর সম্ভব প্রতিষ্ঠানপুঞ্জের অধীন প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের মধ্য হইতে অন্তত একজন করিয়া শ্রমিককে নির্বাহী কমিটিতে সদস্যভুক্ত করিতে হইবে।
(৪) কোন শ্রমিক কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য হইবার যোগ্য হইবেন না, যদি তিনি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে স্থায়ী শ্রমিক হিসাবে কর্মরত না থাকেন:
তবে শর্ত থাকে যে, রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্প সেক্টরের ক্ষেত্রে ধারা ১৮০ এর শর্তাংশ অনুসরণে কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য নির্বাচিত করা যাইবে।
(১) ধারা ১৮১ এর দফা (ক) মোতাবেক প্রত্যেক ট্রেড ইউনিয়নকে উহার সদস্যদের চাঁদার বিবরণ ফরম-৫৮(ক) অনুযায়ী সংরক্ষণ করিতে হইবে।
(২) ধারা ১৮১ এর দফা (ক) মোতাবেক প্রত্যেক ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশনকে প্রাপ্ত অর্থের হিসাব ফরম-৫৮(খ) অনুযায়ী রেজিস্টারে সংরক্ষণ করিতে হইবে।
(৩) ধারা ১৮১ এর দফা (ক) মোতাবেক প্রত্যেক ট্রেড ইউনিয়ন কনফেডারেশনকে প্রাপ্ত অর্থের হিসাব ফরম-৫৮(গ) অনুযায়ী রেজিস্টারে সংরক্ষণ করিতে হইবে।
(৪) ধারা ১৮১ এর দফা (খ) মোতাবেক প্রত্যেক নিবন্ধিত ট্রেড ইউনিয়ন বা ট্রেড ইউনিয়নসমূহের ফেডারেশন বা কনফেডারেশনকে আয়-ব্যয় সংμান্ত হিসাব বহি ফরম-৫৮(ঘ) অনুযায়ী সংরক্ষণ করিতে হইবে এবং এই হিসাব বহি বাঁধাই আকারে এবং প্রতি পৃষ্ঠা μমিক নম্বরযুক্ত অথবা ডিজিটাল পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করিতে হইবে।
(৫) এই বিধির অধীন কোন চাঁদা আদায়ের ক্ষেত্রে সদস্যকে চাঁদা আদায়কারী ও দাতার স্বাক্ষরযুক্ত রসিদ প্রদান করিতে হইবে।
ধারা ১৮২ মোতাবেক শ্রম পরিচালক বা প্রাধিকারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ট্রেড ইউনিয়নসমূহের খতিয়ান ফরম-৫৯(ক) অনুযায়ী, ট্রেড ইউনিয়নসমূহের ফেডারেশনের খতিয়ান ফরম-৫৯(খ)অনুযায়ী এবং কনফেডারেশনের খতিয়ান ফরম-৫৯(গ) অনুযায়ী সংরক্ষণ করিবেন।
(১) কোন ট্রেড ইউনিয়ন, উহার ফেডারেশন এবং কনফেডারেশনের নিবন্ধনের জন্য দরখাস্ত প্রাপ্তির পর শ্রম পরিচালক অথবা প্রাধিকারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে, উক্ত ইউনিয়ন, ফেডারেশন এবং কনফেডারেশনকে আইনের বিধানমতে নিবন্ধিকরণ করা যাইবে, তাহা হইলে তিনি দরখাস্তকারীকে নিবন্ধনের প্রত্যয়নপত্র পাইবার জন্য নির্ধারিত ফি ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা প্রদানের জন্য লিখিত নির্দেশ প্রদান করিবেন।
(২) ধারা ১৮৯ মোতাবেক ট্রেড ইউনিয়ন, ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশন অথবা কনফেডারেশনের নিবন্ধনের প্রত্যয়নপত্র ফরম-৬০ অনুযায়ী প্রদান করিতে হই
(১) ট্রেড ইউনিয়ন সংগঠনের নিবন্ধন ফি নি¤ড়বরূপ হইবে যাহা ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা প্রদান করিত হইবে, যথা:-
| ক্রমিক নং | ট্রেড ইউনিয়ন সংগঠনের ধরন | নিবন্ধন ফি |
| ১ | ট্রেড ইউনিয়ন | ৫০০/- |
| ২ | শিল্প ভিত্তিক ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশন | ১,০০০/- |
| ৩ | জাতীয় ভিত্তিক ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশন | ৩,০০০/- |
| ৪ | জাতীয় ভিত্তিক ট্রেড ইউনিয়ন কনফেডারেশন | ৫,০০০/- |
(২) নিবন্ধিকৃত ট্রেড ইউনিয়ন, ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশন অথবা কনফেডারেশনের গঠনতন্ত্রের অথবা যে কোন দলিলের বা তথ্যাদির সত্যায়িত প্রতিলিপি তাহার কোন সদস্য অথবা মালিকের কোন প্রতিনিধিকে শ্রম পরিচালক সরবরাহ করিতে পারিবে।
(৩) উপ-বিধি (২) এ উল্লিখিত প্রতিলিপি প্রাপ্তির জন্য উহার প্রথম ২০০ শব্দ বা উহার কমের জন্য ১২০/- (একশত বিশ) টাকা এবং অবশিষ্ট শব্দের জন্য আরো ৬০/- (ষাট) টাকা ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা প্রদান করিতে হইবে।
(৪) ধারা ১৮২ মোতাবেক নিবন্ধিকৃত ট্রেড ইউনিয়ন, ফেডারেশন অথবা কনফেডারেশন ৩০০/- (তিনশত) টাকা ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা প্রদান করিয়া শ্রম পরিচালকের নিকট হইতে উহার নিবন্ধনের প্রত্যয়নপত্রের দ্বিতীয় প্রতিলিপি সংগ্রহ করিতে পারিবে।
(১) কোন ট্রেড ইউনিয়ন উহার নাম পরিবর্তন অথবা উহার কার্যালয়ের ঠিকানা পরিবর্তন করিলে, পরিবর্তনের ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ট্রেড ইউনিয়নের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক শ্রম পরিচালকের নিকট উহা রেকর্ডভুক্ত করিবার জন্য আবেদন করিবেন।
(২) উপ-বিধি (১) এ উল্লিখিত পরিবর্তন গৃহীত হইবার পর শ্রম পরিচালক বা প্রাধিকারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা চাহিত মতে বিধি ১৭২ মোতাবেক নূতনভাবে প্রত্যয়নপ্রত্র প্রদান করিবেন।
(৩) ট্রেড ইউনিয়ন, ফেডারেশন অথবা কনফেডারেশনের গঠনতন্ত্রে নাম অথবা ঠিকানা পরিবর্তনের জন্য ১,০০০/- (এক হাজার) টাকা নিবন্ধন ফি ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা প্রদান করিতে হইবে।
ট্রেড ইউনিয়ন, ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশন অথবা কনফেডারেশনের বার্ষিক হিসাব Bangladesh Chatered Accountants Order, 1973 (p.o No. 2 of 1973) অনুযায়ী স্বীকৃত চার্টার্ড এ্যাকাউন্ট্যান্ট দ্বারা নিরীক্ষা করিতে হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, কোন ট্রেড ইউনিয়নের সদস্য সংখ্যা বৎসরের কোন সময় ৫০০ অতিক্রম না করিলে উক্ত ইউনিয়নের সদস্য বা অন্য কোনভাবে সম্পৃক্ত নয় অথচ নিরীক্ষা কাজে পূর্ব অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এমন এক বা একাধিক ব্যক্তি দ্বারা নিরীক্ষা করানো যাইবে এবং তিনি বা তাহারা সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের নির্বাহী পরিষদের দ্বারা উক্ত কাজের জন্য মনোনীত হইবেন।
(১) ট্রেড ইউনিয়ন, ট্রেড ইউনিয়নসমূহের ফেডারেশন এবং কনফেডারেশন কর্তৃক ধারা ২০১ (১) অনুযায়ী প্রতি পঞ্জিকা বৎসরের জন্য বার্ষিক রিটার্ন পরবর্তী বৎসরের ৩০শে এপ্রিলের মধ্যে বা উহার পূর্বে শ্রম পরিচালকের নিকট যথাক্রমে ফরম-৬১ (ক) ও ৬১ (ঘ), ৬১ (খ) ও ৬১ (ঘ) এবং ৬১ (গ) ও ৬১ (ঘ) অনুযায়ী দাখিল করিতে হইবে এবং শ্রম পরিচালক বা প্রাধিকারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রাপ্ত বার্ষিক রিটার্ন নথিভুক্ত করিয়া সিদ্ধান্ত অবহিত করিবেন।
(২) ট্রেড ইউনিয়ন পর পর দুই বার রিটার্ন দাখিল না করিলে এবং ট্রেড ইউনিয়নসমূহের ফেডারেশন বা কনফেডারেশন পর পর তিন বার রিটার্ন দাখিল না করিলে শ্রম পরিচালক বা প্রাধিকারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ৩০ দিনের সময় প্রদান করিয়া রিটার্ন দাখিলের নির্দেশ প্রদান করিবেন এবং উক্ত নির্দেশ প্রতিপালনে ব্যর্থ হইলে শ্রম পরিচালক বা প্রাধিকারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ট্রেড ইউনিয়ন বা ট্রেড ইউনিয়নসমূহের ফেডারেশন বা কনফেডারেশনের নিবন্ধন বাতিলের অনুমতি চাহিয়া শ্রম আদালতে দরখাস্ত করিবেন।
(৩) রেজিস্ট্রেশন আবেদন ও বার্ষিক রিটার্ন দাখিল সংশ্লিষ্ট সকল কার্যক্রম কম্পিউটারযোগে ইন্টারনেট ব্যবহারের মাধ্যমে অন-লাইনে করা যাইবে, তবে এই ক্ষেত্রে সকল কার্যক্রমের একটি প্রিন্ট কপি সংরক্ষণ করিতে হইবে।
(১) ধারা ২০২ এর উপ-ধারা (২) অনুযায়ী যৌথ দরকষাকষি প্রতিনিধি (সিবিএ) এর মেয়াদ শেষ হইবার অনধিক ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে ইউনিয়নসমূহ নিজেদের মধ্যে নির্বাচন কমিশনার মনোনয়নপূর্বক যৌথ দরকষাকষি প্রতিনিধি (সিবিএ) নির্বাচনের কার্যক্রম গ্রহণ করিবে।
(২) ইউনিয়নসমূহ উপ-বিধি (১) এর অধীন কার্যক্রম গ্রহণ করিতে ব্যর্থ হইলে শ্রম পরিচালক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তা স্ব-প্রণোদিত হইয়া অথবা ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ বা ট্রেড ইউনিয়ন কর্তৃক অনুরুদ্ধ হইয়া সিবিএ নির্বাচনের ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে।
(৩) ধারা ২০২ (৮) অধীন শ্রমিকগণের তালিকা সম্পর্কে কোন আপত্তি তালিকা প্রকাশের ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে পেশ করিতে হইবে।
(১) প্রতিদ্বন্দ্বী ট্রেড ইউনিয়নসমূহের নাম, রেজিস্ট্রেশন নম্বর এবং শ্রম পরিচালক কর্তৃক বরাদ্দকৃত স্ব স্ব প্রতীক ছাপানো একটি ব্যালট থাকিবে।
(২) একাধিক প্রতিদ্বন্দ্বী ট্রেড ইউনিয়ন একই প্রতীক চাহিলে শ্রম পরিচালক বিষয়টি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত প্রদান করিবেন এবং তাহার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হইবে।
(১) ধারা ২০২ (১২) অনুযায়ী ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত প্রত্যেক শ্রমিককে ভোট প্রদানকালে মালিক কর্তৃক ইস্যুকৃত ছবিসহ পরিচয়পত্র অবশ্যই প্রিজাইডিং অফিসারের নিকট প্রদান করিতে হইবে, যাহা ভোট গণনা শেষে প্রিজাইডিং অফিসার সংশ্লিষ্ট মালিকের প্রতিনিধির নিকট প্রদান করিবেন এবং উক্ত প্রতিনিধি উহা সংশ্লিষ্ট শ্রমিককে ফেরত প্রদান করিবেন।
(২) ধারা ২০২ (১৩) অনুযায়ী প্রত্যেক মালিক শ্রম পরিচালক কর্তৃক অনুরুদ্ধ হইলে, নির্বাচন পরিচালনার জন্য অর্থ সংস্থানসহ প্রয়োজনীয় সকল সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা করিবেন, তবে নির্বাচন বিষয়ে শ্রম পরিচালক ও মালিক কোনরূপ হস্তক্ষেপ বা প্রভাব বিস্তার করিতে পারিবেন না।
(৩) যদি প্রিজাইডিং অফিসার ভোটারের পরিচয়পত্র সম্পর্কে সন্তুষ্ট না হন তবে তিনি তাহাকে গোপন ব্যালটে ভোট প্রদানের অনুমতি প্রদানে অস্বীকার করিতে পারিবেন এবং এই ব্যাপারে তাহার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হইবে।
গোপন ব্যালটের মাধ্যমে ভোট প্রদান কার্যক্রম চলাকালে ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত থাকিবার জন্য প্রত্যেক প্রতিদ্বন্দ্বী ট্রেড ইউনিয়ন ভোট কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার বরাবরে লিখিতভাবে প্রত্যেক পোলিং বুথে অনধিক এক ব্যক্তিকে প্রতিনিধি হিসাবে মনোনীত করিতে পারিবে।
(১) ধারা ২০২ (১৫) (ঘ) অনুযায়ী ভোট গণনা শেষে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফল প্রিজাইডিং অফিসার নিজে স্বাক্ষর করিবেন এবং উহাতে উপস্থিত প্রতিনিধিদের স্বাক্ষর গ্রহণ নিশ্চিত করিবেন।
(২) প্রিজাইডিং অফিসার স্বাক্ষরকৃত ফলাফল পত্রের একটি করিয়া কপি নির্বাচনে প্রতিদ্ব›িদ্ধতাকারী ইউনিয়নের উপস্থিত প্রতিনিধি এবং মালিকের স্থানীয় প্রতিনিধিকে প্রদান করিবেন।
(৩) প্রিজাইডিং অফিসারের নিকট হইতে ফলাফল পাইবার পর যে ট্রেড ইউনিয়ন সর্বাধিক সংখ্যক ভোট প্রাপ্ত হইবে উহাকে শ্রম পরিচালক ধারা ২০২ (১৫)(ঙ) অনুযায়ী ফরম-৬২ এর মাধ্যমে যৌথ দর-কষাকষি প্রতিনিধি ঘোষণা করিবেন।
(১) মালিক তাহার প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে এবং শ্রমিকদের বাইরে যাতায়াতের সুবিধা হয় এমন স্থানে আলো-বাতাস চলাচলের ব্যবস্থাসম্পন্ন প্রতিষ্ঠানের সহিত সামঞ্জস্যপূর্ণ অবকাঠামো অনুযায়ী যৌথ দরকষাকষি প্রতিনিধি (সিবিএ) এর জন্য একটি অফিস কক্ষ বরাদ্দ করিবেন।
(২) উপ-বিধি (১) এ উল্লিখিত অফিস কক্ষে প্রয়োজনীয় সংখ্যক চেয়ার, টেবিল, আলমিরা, বিদ্যুৎ সংযোগ, বৈদ্যুতিক সিলিং ফ্যান ও আলোর ব্যবস্থা এবং নোটিস বোর্ড, ইত্যাদি মালিক কর্তৃক সরবরাহ করিতে হইবে।
(৩) সিবিএ অফিস স্থাপন বা বরাদ্দ বা আসন সংখ্যা বা আসবাবপত্র সংক্রান্ত কোন বিষয়ে বিরোধ উত্থাপিত হইলে শ্রম পরিচালক উভয় পক্ষের সহিত আলোচনাক্রমে যথাযোগ্য ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।
(১) অন্যূন পঞ্চাশ জন স্থায়ী শ্রমিক কর্মরত রহিয়াছেন এমন প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানের মালিক উক্ত প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হইবার পরবর্তী ৩ (তিন) মাসের মধ্যে সেখানে একটি অংশগ্রহণকারী কমিটি গঠন করিবেন।
(২) অংশগ্রহণকারী কমিটিতে উভয়পক্ষে মোট সদস্য সংখ্যা ৬ জনের কম এবং ৩০ জনের অধিক হইবে না।
(৩) অংশগ্রহণকারী কমিটির সদস্য সংখ্যা কারখানা বা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শ্রমিকের সংখ্যানুপাতে নি¤œবর্ণিত ছকে উল্লিখিত হারে নির্ধারিত হইবে, যথা:-
---------- --------- ------- -----
(১) ধারা ২০৫ (৫) মোতাবেক প্রতিষ্ঠানে বিদ্যমান রেজিস্টার্ড ট্রেড ইউনিয়নসমূহ অংশগ্রহণকারী কমিটিতে শ্রমিকদের প্রতিনিধি প্রেরণের জন্য মালিকের নিকট প্রতিনিধিদের নাম ও বিবরণ তাহার নিকট হইতে অনুরোধ প্রাপ্ত হইবার ১০ (দশ) দিনের মধ্যে ফরম ৬৩ অনুযায়ী পেশ করিবে।
(২) ট্রেড ইউনিয়ন ও যৌথ দরকষাকষি প্রতিনিধি কর্তৃক শ্রমিক প্রতিনিধি মনোনয়নের সময় যাহাতে প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন শ্রেণি, শাখা, অথবা বিভাগসমূহ হইতে প্রতিনিধি মনোনীত হয় উহা নিশ্চিত করিতে হইবে :
তবে শর্ত থাকে যে, প্রতিষ্ঠানের কোন শ্রেণি, শাখা বা বিভাগে মহিলা শ্রমিক থাকিলে সেইখানে অংশগ্রহণকারী কমিটিতে মহিলা শ্রমিকদের মনোনয়নকে অগ্রাধিকার প্রদান করিতে হইবে।
(১) প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সাধারণত প্রধান নির্বাহী অথবা বিভাগীয় অথবা শাখা প্রধানগণ বা কল্যাণ কর্মকর্তা মালিকের প্রতিনিধি হইবেন এবং যেখানে এইরূপ বিভাগ অথবা শাখা নাই, সেইখানে বিভাগ অথবা শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা কল্যাণ কর্মকর্তা প্রতিষ্ঠানের পক্ষে মালিকের প্রতিনিধি হইবেন।
(২) উপ-বিধি (১) এ উল্লিখিত প্রতিক্ষেত্রে উক্ত প্রতিনিধি মালিক কর্তৃক মনোনীত হইতে হইবেন।
(১) যৌথ দর-কষাকষি প্রতিনিধি ও ট্রেড ইউনিয়নের নিকট হইতে মনোনয়ন পাইবার ৭ (সাত) দিনের মধ্যে মালিক বিজ্ঞপ্তি মারফত অংশগ্রহণকারী কমিটি গঠন করিবেন এবং সেই বিজ্ঞপ্তি নোটিস বোর্ডে প্রদর্শন করিতে হইবে এবং যৌথ দর-কষাকষি প্রতিনিধিসহ প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য ট্রেড ইউনিয়ন এবং শ্রম পরিচালককে উহার কপি প্রেরণ করিতে হইবে :
তবে শর্ত থাকে যে, অংশগ্রহণকারী কমিটিতে যৌথ দর-কষাকষি প্রতিনিধি বা ট্রেড ইউনিয়ন কর্তৃক মনোনীত কোন প্রতিনিধির অবসরজনিত কারণে বা চাকরিচ্যূতি বা স্বেচ্ছায় চাকরি ত্যাগ করা, ইত্যাদি কারণে চাকরির অবসান ঘটিলে অথবা শারীরিক বা মানসিক কারণে দায়িত্ব পালনে অক্ষম হইলে অথবা নৈতিক স্খলনজনিত কারণে দন্ডিত হইলে অথবা পদত্যাগ করিলে অংশগ্রহণকারী কমিটিতে উক্ত প্রতিনিধির পদ শূন্য হইবে।
(২) উপ-বিধি (১) এর অধীন শূন্য পদে যৌথ দর-কষাকষি প্রতিনিধি বা ট্রেড ইউনিয়ন নূতন মনোনয়ন প্রদান করিতে পারিবে এবং উক্ত মনোনয়ন পাইবার ৭ (সাত) দিনের মধ্যে মালিক নূতন প্রতিনিধি সমন্বয়ে অংশগ্রহণকারী কমিটি পুনর্গঠন করিবেন।
(১) যে প্রতিষ্ঠানে শ্রমিকদের ট্রেড ইউনিয়ন বা যৌথ দরকষাকষি প্রতিনিধি (সিবিএ) নাই সেই ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ শ্রম পরিচালককে অবহিত করিয়া গোপন ব্যালটের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারী কমিটির শ্রমিক প্রতিনিধি নির্বাচনে প্রয়োজনীয় সহায়তা করিবে।
(২) শ্রম পরিচালক অনুরুদ্ধ হইলে উক্তরূপ নির্বাচন কার্যক্রম তদারকি করিতে পারিবেন এবং উক্তরূপ নির্বাচন কার্যক্রম পরিচালনায় কারখানা বা প্রতিষ্ঠানের মালিক প্রত্যক্ষ বা
পরোক্ষভাবে কোন প্রভাব বিস্তার করিতে পারিবেন না।
(৩) নির্বাচিত শ্রমিক প্রতিনিধির তালিকা নির্বাচনের ১০ (দশ) দিনের মধ্যে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি শ্রম পরিচালককে লিখিতভাবে প্রেরণ করিবে।
(১) মালিক নির্বাচনের অন্যূন ৩০ (ত্রিশ) দিন পূর্বে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য মালিক ও শ্রমিকের সমন্বয়ে ৩ (তিন) হইতে ৫ (পাঁচ) সদস্য বিশিষ্ট একটি নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করিবেন এবং উহার অনুলিপি শ্রম পরিচালকের নিকট প্রেরণ করিবেন।
(২) উপ-বিধি (১) এ উল্লিখিত নির্বাচন পরিচালনা কমিটিতে মালিক ও শ্রমিক পক্ষের প্রতিনিধির অনুপাতিক হার হইবে ২ ঃ ৩।
(৩) উপ-বিধি (১) এর অধীন গঠিত কমিটি বিজ্ঞপ্তি মারফত প্রচার করিয়া নির্বাচনের একটি তফসিল ঘোষণা করিবে, যেখানে ভোটার তালিকা প্রণয়ন, মনোনয়নপত্র জমা, যাচাই-বাছাই, প্রত্যাহার, চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দসহ নির্বাচন অনুষ্ঠানের তারিখ নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ থাকিবে :
তবে শর্ত থাকে যে, বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের অনধিক ৭ দিনের মধ্যে মনোনয়নপত্র জমা দানের সুযোগ প্রদান এবং প্রার্থিতা চূড়ান্ত হইবার পরবর্তী ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করিতে হইবে।
(১) যে কোন প্রাপ্ত বয়স্ক শ্রমিক, প্রতিষ্ঠানে যাহার চাকরি ছয় মাসের কম নহে তিনি অংশগ্রহণকারী কমিটিতে প্রতিনিধিত্ব করিবার জন্য অনুষ্ঠিতব্য গোপন ব্যালটে প্রার্থী হইতে পারিবেন :
তবে শর্ত থাকে যে, কোন প্রতিষ্ঠানের বয়স এক বৎসরের কম হইলে নির্বাচনে প্রার্থীর চাকরির মেয়াদ প্রযোজ্য হইবে না।
(২) মালিক প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন শ্রেণি, শাখা, অথবা বিভাগসমূহ হইতে কতজন প্রতিনিধি নির্বাচিত হইবে উহা নির্ধারণ করিবেন।
(৩) কোন প্রতিষ্ঠানে ৫০ জন মহিলা শ্রমিক বা মোট শ্রমিকের ১০% মহিলা শ্রমিক থাকিলে মহিলা শ্রমিকদের মধ্য হইতে আনুপাতিক হারে প্রতিনিধি নির্বাচনের ব্যবস্থা রাখিতে হইবে।
(১) সাময়িক, বদলি, শিক্ষাধীন, মৌসুমি শ্রমিক ও ঠিকাদার কর্তৃক নিয়োজিত শ্রমিক ব্যতীত অন্য সকল শ্রমিক যাহারা প্রতিষ্ঠানে অন্যূন ৩ (তিন) মাস চাকরি করিয়াছেন, তাহারা প্রত্যেকেই অংশগ্রহণকারী কমিটিতে শ্রমিকদের প্রতিনিধি নির্বাচনে ভোট প্রদান করিতে পারিবেন।
(২) ভোটার তালিকার প্রতিলিপি যুগপৎ নোটিস বোর্ড এবং প্রতিষ্ঠানের প্রকাশ্য স্থানসমূহে প্রদর্শিত হইতে হইবে এবং ভোটার তালিকার একটি প্রতিলিপি শ্রম পরিচালক বা রেজিস্ট্রার অব ট্রেড ইউনিয়ন্স এর নিকট প্রেরণ করিতে হইবে।
(১) যে কোন ভোটার অংশগ্রহণকারী কমিটিতে প্রতিনিধি নির্বাচনের উদ্দেশ্যে একজন ভোটারের নাম প্রস্তাব অথবা সমর্থন করিতে পারিবেন।
(২) ধারা ২০৫ (৬) মোতাবেক নির্বাচন পরিচালনা কমিটি কর্তৃক সরবরাহকৃত মনোনয়নপত্র ফরম-৬৪ অনুযায়ী হইবে এবং উহা প্রস্তাবক ও সমর্থক এবং প্রার্থী কর্তৃক স্বাক্ষরিত
হইতে হইবে।
(৩) প্রত্যেক মনোনয়নপত্র মনোনয়ন দাখিলের নির্ধারিত দিবসে অথবা উহার পূর্বে প্রার্থী অথবা তাহার প্রস্তাবক অথবা তাহার সমর্থক কর্তৃক নির্বাচন পরিচালনা কমিটির নিকট দাখিল করিতে হইবে এবং কমিটি লিখিত স্বীকারপত্রের মাধ্যমে মনোনয়নপত্র গ্রহণ করিবে।
(১) মনোনয়নপত্র নিরীক্ষাকালীন প্রার্থীগণ নিজে বা তাহার প্রস্তাবককারী বা সমর্থনকারী অথবা তাহার ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য যে কোন ব্যক্তি উপস্থিত থাকিতে পারিবেন।
(২) নির্বাচন কমিটি উপ-বিধি (১) অনুযায়ী মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের সময় উপস্থিত সকল ব্যক্তির সম্মুখে মনোনয়নপত্রসমূহ পরীক্ষা করিবে এবং যে কোন মনোনয়নপত্র সম্পর্কে কোন ব্যক্তি কোন আপত্তি উত্থাপন করিলে উহার নিষ্পত্তি করিবে।
(৩) নির্বাচন কমিটি যে কোন মনোনয়নপত্র বাতিল করিতে পারিবে যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে,-
(ক) প্রার্থী আইন বা এই বিধিমালা অনুযায়ী শ্রমিকদের প্রতিনিধি হইবার অযোগ্য; অথবা
(খ) মনোনয়নপত্র জমাদানের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিধির কোন নিয়ম মান্য করা হয় নাই।
(১) যে সকল প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ বলিয়া গৃহীত হইবে তাহদের সংখ্যা যদি নির্বাচিতব্য প্রতিনিধির সমান হয় সেই ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিটি বিজ্ঞপ্তি দ্বারা সকল প্রার্থীকে নির্বাচিত ঘোষণা করিবে।
(২) যদি কোন শ্রেণি, শাখা, অথবা বিভাগে নির্ধারিত আসনের চেয়ে প্রার্থীর সংখ্যা অধিক হয় তাহা হইলে নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত তারিখে গোপন ব্যালটে ভোট অনুষ্ঠিত হইবে।
(৩) প্রত্যেক ব্যালটে প্রার্থীর নাম ও নামের বিপরীতে বরাদ্দকৃত প্রতীক উল্লিখিত থাকিবে।
(৪) ভোট গ্রহণের সময়ে প্রার্র্থী অথবা তাহার প্রস্তাবকারী অথবা সমর্থনকারী অথবা প্রার্থী কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত একজন প্রতিনিধি উপস্থিত থাকিতে পারিবেন।
(৫) ভোট গণনা শেষে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিনিধি প্রার্থীদের বা তাহাদের প্রতিনিধির সম্মুখে ভোট গণনা করিয়া ফলাফল ঘোষণা করিবেন এবং উপস্থিত প্রার্থীর বা তাহার প্রতিনিধির স্বাক্ষরসহ মালিকের নিকট প্রকাশ করিবেন।
(১) প্রতিষ্ঠানের মালিক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি অংশগ্রহণকারী কমিটির চেয়ারম্যান হইবেন এবং তিনি অংশগ্রহণকারী কমিটির সভায় সভাপতিত্ব করিবেন।
(২) শ্রমিকদের প্রতিনিধিগণ তাহাদের মধ্য হইতে সহ-সভাপতি নির্বাচন করিবেন এবং তিনি সভাপতির অনুপস্থিতিতে কমিটির সভায় সভাপতিত্ব করিতে পারিবেন।
(৩) পার্সোনেল অফিসার অথবা কল্যাণ কর্মকর্তা বা উক্তরূপ দায়িত্বপালনকারী কোন কর্মকর্তা কমিটিতে মালিক পক্ষের অন্যতম প্রতিনিধি হইবেন এবং সদস্য-সচিব হিসাবে দায়িত্ব পালন করিবেন এবং তিনি কমিটির সভার বিবরণী লিপিবদ্ধ করিবার জন্য এবং সভা আহবান করিবার জন্য দায়ী থাকিবেন।
(১) সাত দিনের সময় প্রদান করিয়া অংশগ্রহণকারী কমিটির সভার নোটিস জারি করিতে হইবে, তবে জরুরি সভা অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে ২৪ ঘন্টার নোটিস প্রদান করা যাইবে।
(২) অংশগ্রহণকারী কমিটির সকল প্রতিবেদন ও সভার কার্যবিবরণীর কপি সিদ্ধান্তসমূহ বাস্তবায়নের জন্য প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, যৌথ দরকষাকষি প্রতিনিধি, কমিটিতে প্রতিনিধি রহিয়াছে এমন প্রত্যেক ইউনিয়ন এবং শ্রম পরিচালকের নিকট প্রেরণ করিতে হইবে।
অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য উপস্থিত থাকিলে সভায় কোরাম হইবে।
অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য উপস্থিত থাকিলে সভায় কোরাম হইবে।
(১) কমিটি গঠনের তারিখ হইতে অংশগ্রহণকারী কমিটির কার্যকালের মেয়াদ হইবে ২(দুই) বৎসর।
(২) কমিটির মেয়াদ শেষ হইবার ৩ (তিন) মাসের মধ্যে পরবর্তী কমিটি গঠন করিতে হইবে এবং নূতন কমিটি দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত বিদ্যমান কমিটি দায়িত্ব পালন করিতে পারিবে।
(৩ ) কোন সাময়িক শূন্যপদ পূরণের উদ্দেশ্যে কোন সদস্য মনোনীত হইলে কমিটির মেয়াদের অবশিষ্ট সময় পর্যন্ত তিনি সদস্য থাকিবেন।
(১) কোন সদস্য কমিটির চেয়ারম্যানের পূর্বানুমতি ব্যতিরেকে পর পর তিনটি সভায় অনুপস্থিত থাকিলে কমিটিতে তাহার সদস্যপদ বাতিল হইয়া যাইবে।
(২) কোন শ্রমিক প্রতিনিধি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে নিযুক্ত না থাকিলে, অথবা তিনি চাকরিতে ইস্তফা প্রদান করিলে অথবা কমিটিতে সদস্যপদ হারাইলে অংশগ্রহণ কমিটি সেই শূন্য পদটি সংশ্লিষ্ট শ্রেণি, শাখা অথবা বিভাগ হইতে পূরণ করিবে।
(৩) কোন ট্রেড ইউনিয়ন হইতে কাহারো সদস্যপদ পদত্যাগ বা বহিষ্কার বা অন্য কোন কারণে শূন্য হইলে অংশগ্রহণকারী কমিটিতে তাহার পদ শূন্য হইবে এবং উক্ত ক্ষেত্রে উক্ত ট্রেড ইউনিয়ন পুনরায় প্রতিনিধি মনোনয়ন করিবে।
অংশগ্রহণ কমিটির সভা অনুষ্ঠান এবং কার্যক্রম পরিচালনার জন্য মালিক প্রয়োজনীয় সকল সুযোগ-সুবিধা প্রদান করিবেন।
(১) কোন প্রতিষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী কমিটি গঠিত হইলে উক্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে উক্ত প্রতিষ্ঠানের কোন শাখা, বিভাগ বা অঞ্চলে যেখানে অন্যূন পঞ্চাশ জন শ্রমিক নিযুক্ত রহিয়াছেন সেইখানে পৃথক অংশগ্রহণকারী কমিটি গঠন করিবার জন্য মালিকের নিকট সুপারিশ করিতে পারিবে।
(২) উক্তরূপ সুপারিশ পাইবার পর মালিক সুপারিশ অনুযায়ী উক্ত শাখা, বিভাগ বা অঞ্চলের জন্য পৃথক অংশগ্রহণকারী কমিটি গঠনের সকল ব্যবস্থা নিশ্চিত করিবেন।
(৩) প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক অংশগ্রহণকারী কমিটি গঠন ও কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রযোজ্য বিধান ইউনিট অংশগ্রহণকারী কমিটি গঠন ও উহার কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে।
(৪) ট্রেড ইউনিয়ন কর্তৃক প্রতিনিধি মনোনয়নের ক্ষেত্রে উক্ত শাখা, বিভাগ বা অঞ্চলে অবস্থিত সদস্যদের মধ্য হইতে মনোনয়ন প্রদান করিতে হইবে।
(৫) যে শাখা বা বিভাগের জন্য ইউনিট অংশগ্রহণকারী কমিটি গঠিত হইবে সেই শাখা বা বিভাগে নিযুক্ত রহিয়াছেন এইরূপ শ্রমিকগণই কেবল উক্ত কমিটির সদস্য হইতে পারিবেন।
(৬) ইউনিট অংশগ্রহণকারী কমিটির সকল প্রতিবেদন ও সভার কার্যবিবরণীর কপি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণকারী কমিটির নিকট প্রেরণ করিতে হইবে।
(১) অংশগ্রহণকারী কমিটির প্রতিটি সভার সুপারিশ বা সিদ্ধান্ত পাইবার পর মালিক বা কর্তৃপক্ষ উক্ত সিদ্ধান্ত বা সুপারিশ বাস্তবায়ন ও কার্যকর করিবার লক্ষ্যে জরুরি ভিত্তিতে উদ্যোগ গ্রহণ করিবেন এবং মালিক বা কর্তৃপক্ষ অংশগ্রহণকারী কমিটির পরবর্তী সভায় পূর্ববর্তী সভার সিদ্ধান্ত বা সুপারিশ বাস্তবায়নের অগ্রগতি অবহিত করিবেন।
(২) শ্রম পরিচালক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অংশগ্রহণকারী কমিটির সুপারিশ বা সিদ্ধান্ত প্রযোজ্য কারখানা বা শিল্পপ্রতিষ্ঠানে যথারীতি বাস্তবায়িত হইতেছে কি না উহা পর্যবেক্ষণ, মনিটর ও ফলো-আপ করিবেন এবং প্রয়োজনে আইনানুযায়ী ও প্রদত্ত ক্ষমতাবলে অংশগ্রহণকারী কমিটির সিদ্ধান্ত বা সুপারিশ সম্পর্কে যথাযোগ্য ব্যবস্থা গ্রহণ রিবেন।
কোন ট্রেড ইউনিয়ন, ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশন বা কনফেডারেশন, যৌথ দরকষাকষি প্রতিনিধি, অংশগ্রহণকারী কমিটি বা উহার কোন সদস্য নি¤œবর্ণিত কর্মকান্ড পরিহার করিবে, যথা :-
(১) প্রতিষ্ঠানের কোন প্রশাসনিক কার্যক্রমে হস্তক্ষেপ করা;
(২) প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, কর্মচারী অথবা শ্রমিকের নিয়োগ, বদলি ও পদোন্নতিতে হস্তক্ষেপ করা;
(৩) কর্র্তৃপক্ষের নিকট হইতে কোন যানবাহন, আসবাবপত্র অথবা আর্থিক কোন সুবিধা গ্রহণ;
(৪) প্রতিষ্ঠানে উৎপাদন ও স্বাভাবিক কর্মকান্ডে হস্তক্ষেপ করা; এবং
(৫) বিধি ২০৪ অনুসরণ না করিয়া কোন ধর্মঘট আহবান করা।
(১) ধারা ২১৪ (৭) অনুযায়ী শ্রম আদালতের সদস্য নিয়োগের উদ্দেশ্যে সরকার মালিক এবং শ্রমিক উভয় পক্ষের জাতীয় পর্যায়ের স্ব স্ব সংগঠন হইতে শ্রম আইনে অভিজ্ঞতাসম্পন্ন উপযুক্ত মালিক এবং শ্রমিক প্রতিনিধি মনোনয়নের জন্য আহবান করিবে।
(২) মালিক এবং শ্রমিকগণের প্রতিনিধিত্ব করিবার জন্য প্রতি আদালতে দুইটি পৃথক প্যানেল গঠন করিতে হইবে এবং প্রতি প্যানেলে সদস্য সংখ্যা ছয়জন হইবে।
(৩) প্রত্যেক সংগঠন, যাহাদের উপ-বিধি (১) অনুযায়ী অনুরোধ করা হইয়াছে, অনুরোধ প্রাপ্তির পনের দিনের মধ্যে প্যানেলের অন্তভুর্ক্তি এবং শ্রম আদালতের সদস্য নিযুক্তির জন্য প্রতিনিধির ছবিসহ নাম ও জীবন বৃত্তান্ত প্রেরণ করিবে।
(৪) যেক্ষেত্রে উপ-বিধি (১) অনুযায়ী মনোনয়ন যাচনা করা হইয়াছে, কিন্তু উপ-বিধি (২) অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উহা পাওয়া যায় নাই, সেই ক্ষেত্রে সরকারের বিবেচনায় মালিক অথবা শ্রমিক স্বার্থ সংরক্ষণ করিতে সংক্ষম এইরূপ যে কোন ব্যক্তিকে প্যানেলে মনোনীত করিবার এখতিয়ার সরকারের থাকিবে।
ধারা ২১০(৩) এবং ২১০ (৮) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে নিষ্পত্তিনামা ফরম-৬৫ অনুযায়ী স্বাক্ষরিত হইবে।
(১) ধারা ২১১(১) অনুযায়ী ব্যর্থতার প্রত্যয়নপত্র প্রাপ্তির ৭ (সাত) দিনের মধ্যে যৌথ দরকষাকষি প্রতিনিধি ধর্মঘটের নোটিস প্রদানের উদ্দেশ্যে গোপন ভোট অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করিবার জন্য সালিসকারক বরাবরে লিখিত অনুরোধ করিবে।
(২) সালিসকারক উক্ত অনুরোধ প্রাপ্তির পরবর্তী ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে উক্ত প্রতিষ্ঠানে সিবিএ ইউনিয়নের চাঁদা প্রদানকারী সদস্যগণকে ভোটার হিসাবে গণ্য করিয়া গোপন ভোটের ব্যবস্থা করিবেন এবং সালিসকারকের পরামর্শ অনুযায়ী সিবিএ ইউনিয়ন গোপন ভোট অনুষ্ঠানের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাদি গ্রহণ করিবে।
(৩) গোপন ভোটে ব্যবহৃত প্রতিটি ব্যালট পেপারে অথবা ঊষবপঃৎড়হরপ ঠড়ঃরহম গধপযরহব এ ধর্মঘটের পক্ষে “হ্যাঁ” অথবা কোন প্রতীক এবং ধর্মঘটের বিপক্ষে “না” অথবা কোন প্রতীক চিহ্নিত দুইটি ঘর থাকিবে।
(৪) ভোটে অংশগ্রহণকারী প্রত্যেক সদস্য তাহার ইচ্ছা অনুযায়ী উল্লিখিত দুইটি ঘরের মধ্য হইতে যে কোন একটি ঘরে “টিক” চিহ্ন বা টিপ বা পুশের মাধ্যমে ভোট প্রদান করিবেন।
(৫) গোপন ভোট অনুষ্ঠানের পরবর্তী ২৪ ঘন্টার মধ্যে সালিসকারক উহার ফলাফল লিখিত আকারে যৌথ দরকষাকষি প্রতিনিধিকে প্রদান করিবেন এবং উহার কপি মালিক ও শ্রম পরিচালককে প্রদান করিবেন।
(১) ধারা ৩৩(৩) মোতাবেক কোন অভিযোগ ফরম-১৪ অনুযায়ী দায়ের করিতে হইবে।
(২) ফরম-৪৪, ৪৪(ক) বা, ক্ষেত্রমত, ৪৪(খ) অনুযায়ী ধারা ১৩২(২) মোতাবেক অভিযোগ দায়ের করিতে হইবে।
(৩) ফরম-৪৮, ৪৮(ক) বা ক্ষেত্রমত, ৪৮(খ) অনুযায়ী ধারা ১৬৬ মোতাবেক অভিযোগ দায়ের করিতে হইবে।
(৪) ফরম-৬৬ অনুযায়ী ধারা ২১৯ মোতাবেক আপিল দায়ের করিতে হইবে।
(৫) অন্যান্য অপরাধের ক্ষেত্রে মহাপরিদর্শক বা শ্রম পরিচালক বা ভবিষ্য তহবিলের নিয়ন্ত্রক বা পরিচালনা বোর্ড বা আইনে প্রদত্ত কোন কর্তৃপক্ষ বা তাহার ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তা সাদা কাগজে আবেদন করিবে।
(১) ধারা ২১৪ (৭) অনুযায়ী শ্রম আদালতের সদস্য নিয়োগের উদ্দেশ্যে সরকার মালিক এবং শ্রমিক উভয় পক্ষের জাতীয় পর্যায়ের স্ব স্ব সংগঠন হইতে শ্রম আইনে অভিজ্ঞতাসম্পন্ন উপযুক্ত মালিক এবং শ্রমিক প্রতিনিধি মনোনয়নের জন্য আহবান করিবে।
(২) মালিক এবং শ্রমিকগণের প্রতিনিধিত্ব করিবার জন্য প্রতি আদালতে দুইটি পৃথক প্যানেল গঠন করিতে হইবে এবং প্রতি প্যানেলে সদস্য সংখ্যা ছয়জন হইবে।
(৩) প্রত্যেক সংগঠন, যাহাদের উপ-বিধি (১) অনুযায়ী অনুরোধ করা হইয়াছে, অনুরোধ প্রাপ্তির পনের দিনের মধ্যে প্যানেলের অন্তভুর্ক্তি এবং শ্রম আদালতের সদস্য নিযুক্তির জন্য প্রতিনিধির ছবিসহ নাম ও জীবন বৃত্তান্ত প্রেরণ করিবে।
(৪) যেক্ষেত্রে উপ-বিধি (১) অনুযায়ী মনোনয়ন যাচনা করা হইয়াছে, কিন্তু উপ-বিধি (২) অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উহা পাওয়া যায় নাই, সেই ক্ষেত্রে সরকারের বিবেচনায় মালিক অথবা শ্রমিক স্বার্থ সংরক্ষণ করিতে সংক্ষম এইরূপ যে কোন ব্যক্তিকে প্যানেলে মনোনীত করিবার এখতিয়ার সরকারের থাকিবে।
(১) শ্রম আদালতের কোন সদস্য চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত পত্র দ্বারা সদস্যপদ হইতে ইস্তফা প্রদান করিতে পারিবেন।
(২) ইস্তফাপত্র প্রাপ্ত হইলে চেয়ারম্যান উহা সরকারের নিকট প্রেরণ করিবে এবং সরকার যে তারিখে উহা গ্রহণ করিবে সেই তারিখ হইতে উক্ত ইস্তফা কার্যকর হইবে।
সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, শ্রম আদালতের কোন সদস্যকে অপসারণ করিতে পারিবে, যদি তিনি
(ক) সরকারের মতে প্রতিনিধিত্বের চরিত্র হারাইয়া থাকেন;
(খ) আইনের অধীন শাস্তিযোগ্য কোন অপরাধ বা নৈতিক অপরাধে দন্ডিত হইয়া থাকেন;
(গ) শ্রম আদালতের চেয়ারম্যান কর্তৃক অনুরুদ্ধ হইবার পর কোন মোকদ্দমায় লিখিত মতামত প্রদানে ব্যর্থ হন;
(ঘ) দেউলিয়া সাব্যস্ত হইয়া থাকেন; অথবা
(ঙ) যে শ্রম আদালতের সদস্য সেই শ্রম আদালতের পর পর তিনটি অধিবেশনে চেয়ারম্যানকে অবহিত না করিয়া অনুপস্থিত থাকেন।
(১)গঠিত হইয়াছিল সেই প্রক্রিয়ায়, সরকার সদস্যের শূন্য পদ শূন্য হইবার ১ (এক) মাসের মধ্যে পূরণ করিবে।
(২) উপ-বিধি (১) এর অধীন প্যানেলে অর্ন্তভুক্ত কোন সদস্য, প্যানেলের অবশিষ্ট মেয়াদের জন্য সদস্য থাকি(১) মৃত্যু অথবা ইস্তফা অথবা অপসারণজনিত শূন্যতার ক্ষেত্রে, যে প্রক্রিয়ায় মূল প্যানেল তে পারিবেন।
শ্রম আদালতের কোন সদস্য চেয়ারম্যানকে অবহিত করিয়া আদালতের কার্যধারায় একাধিকক্রমে ৬ (ছয়) মাস পর্যন্ত অনুপস্থিত থাকিতে পারিবেন।
শ্রম আদালতের কোন সদস্য আদালতের কার্যধারায় অংশগ্রহণের জন্য সরকার কর্তৃক নির্ধারিত হারে দৈনিক ভাতা প্রাপ্য হইবেন।
(১) এই বিধিমালা কার্যকর হইবার তারিখ হইতে ৬ (ছয়) মাসের মধ্যে সরকার, ধারা ২৩২ এর উপ-ধারা (৩) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সেক্টরভিত্তিক তহবিল ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে শতভাগ রপ্তানীমুখী শিল্প সেক্টরের জন্য একটি কেন্দ্রীয় তহবিল নামে পৃক তহবিল গঠন করিবে।
(২) উপ-বিধি (১) এ বর্ণিত তহবিলের ব্যবস্থাপনার জন্য সরকার সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা সংশ্লিষ্ট রপ্তানীমুখী শিল্প সেক্টরের মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের প্রতিনিধি সমন্বয়ে তহবিলটি পরিচালনার জন্য পরিচালনা বোর্ড গঠন করিবে।
(৩) বিধি ২১২ হইতে বিধি ২২৬ এর বিধান শত ভাগ রপ্তানীমুখী শিল্প সেক্টরের জন্য প্রযোজ্য হইবে।
----------- -------- ----- --- ---
---------- ------- -----
-------- ---------- -------
---------- --------- -------------
----------- -------- ----
------ ----- -----
------ ------ ------
------ ---- ------- - - - ---
------ ----- ------ - - - -
------ ---- --- ---
----- ----- ---
------ ----- ----
----- ------ -----
-------- ---- ----
------- ----- ----- ---
-------- ------ ----- --
------ ------ ------
----- ------ ----- ----
----- ----- ----- ---
----- ---- ----- ---
------ ----- ---- ---
------- ----- -----
----- ---- --
------ ------ ------ ------
(১) কোন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ভবিষ্য তহবিল গঠন ও পরিচালনা আইনের সপ্তদশ অধ্যায়, এই বিধিমালা ও প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব অনুমোদিত চাকরি বিধি দ্বারা পরিচালিত হইবে।
(২) কোন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ভবিষ্য তহবিল গঠন ও পরিচালনার উদ্দেশ্যে নিজস্ব বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, নিজস্ব বিধির কোন বিধান আইনের সপ্তদশ অধ্যায় ও এই বিধিমালার বিধানের পরিপন্থি হইতে পারিবে না।
(৩) কোন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ভবিষ্য তহবিল গঠন করা হইলে প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব বিধিমালার অবর্তমানে উহা এই বিধিমালা দ্বারা পরিচালিত হইবে।
(৪) ভবিষ্য তহবিল গঠনের সংগে সংগে ধারা ২৬৪ এর বিধান অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানের মালিক এতদুদ্দেশ্যে একটি ট্রাস্টি বোর্ড গঠন করিবেন।
(৫) ধারা ২৬৪ (১০) মোতাবেক প্রতিষ্ঠানের অন্যূন তিন-চর্তুাংশ শ্রমিক মালিকের নিকট লিখিত দরখাস্ত পেশ করিলে প্রতিষ্ঠানের মালিক এতদুদ্দেশ্যে ভবিষ্য তহবিল পরিচালনা করিবার জন্য একটি ট্রাস্টি বোর্ড গঠন করিতে বাধ্য থাকিবে।
(৬) এই অধ্যায়ের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, শ্রমিক বলিতে মালিক বা অংশীদার বা পরিচালনা বোর্ডের সদস্য ব্যতীত পদমর্যদা নির্বিশেষে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সকলকে বুঝাইবে।
(১) কোন প্রতিষ্ঠানে আইন ও এই বিধিমালার অধীন গঠিত ভবিষ্য তহবিলে উক্ত প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত মালিক বা অংশীদার বা পরিচালনা বোর্ডের সদস্য ব্যতীত পদমর্যাদা নির্বিশেষে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে কর্মরত যাহাদের চাকরিকাল ন্যূনতম এক বৎসর পূর্ণ হইয়াছে এমন প্রত্যেকেই সদস্য হইবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, বেআইনী লক-আউট, আইনসম্মত ধর্মঘট, লে-অফের দিনসমূহ এবং সাপ্তাহিক ছুটি, পীড়া ছুটি, নৈমিত্তিক ছুটি, অনধিক ষোল সপ্তাহের প্রসূতি কালীন ছুটি এবং অনুমোদিত অন্য যে কোন ছুটি বা অবকাশের দরুন শ্রমিকের অনুপস্থিতি প্রতিষ্ঠানে তাহার চাকরির ধারাবাহিকতাকে ক্ষুণœ করিবে না।
(২) তহবিলের সদস্য হইবার যোগ্যতা অর্জনের ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে মালিক সংশ্লিষ্ট শ্রমিক-কর্মচারী ও তাহার মনোনীত উত্তরাধিকারীর নাম ও অন্যান্য তথ্যাবলি প্রত্যয়নসহ ফরম ৬৭ অনুযায়ী ট্রাস্টি বোর্ডের নিকট দাখিল করিবেন।
(৩) যদি যোগদানের সময় মনোনয়ন দেওয়া না হইয়া থাকে, সদস্য হইবার ১০ (দশ) কর্মদিবসের মধ্যে শ্রমিক-কর্মচারী ও তাহার মনোনীত ব্যক্তির এক কপি করিয়া পাসপোর্ট সাইজের ছবিসহ মনোনয়ন দাখিল করিতে শ্রমিককে মালিক নির্দেশ প্রদান করিবেন এবং উক্ত নির্দেশ প্রাপ্তির পরবর্তী ১০(দশ) দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট শ্রমিক-কর্মচারী নির্ধারিত ফরমে তাহার তথ্যাবলি মালিকের নিকট দাখিল করিবেন, যাহা মালিক প্রাপ্ত হইবার ৫(পাঁচ) কর্মদিবসের মধ্যে প্রত্যয়নসহ ট্রাষ্টি বোর্ডের নিকট প্রেরণ করিবেন।
(৪) কোন শ্রমিকের ভবিষ্য তহবিলের সদস্য হইবার বা সদস্যপদ অব্যাহত থাকিবার ব্যাপারে অথবা সদস্য হইবার তারিখ সম্পর্কে কোন প্রশ্ন উত্থাপিত হইলে সেই সম্পর্কে ট্রাষ্টি বোর্ড সিদ্ধান্ত প্রদান করিবে।
(৫) বোর্ডের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে উহা অবহিত হইবার ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে সংক্ষুদ্ধ শ্রমিক কল-কারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক অথবা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট আপিল দায়ের করিতে পারিবেন।
(৬) উক্তরূপ আপিল দায়ের হইলে যাহার নিকট উহা দায়ের করা হইয়াছে তিনি উভয় পক্ষকে শুনানির সুযোগ প্রদান করিয়া আপিল দায়েরের ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে উহা নিষ্পত্তি করিবেন।
মালিকের নিকট হইতে তথ্য পাইবার পর ট্রাস্টি বোর্ড, যথা শীঘ্র সম্ভব, সংশ্লিষ্ট শ্রমিককে বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত উপায়ে ফরম-৬৮ অনুযায়ী একটি হিসাব নম্বর মঞ্জুর এবং উহা মালিক ও মালিকের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট শ্রমিককে অবহিত করিবে।
(১) প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্য তহবিলের ট্রাস্টি বোর্ড অনধিক ৭ (সাত) সদস্য সমন্বয়ে গঠিত হইবে।
(২) মালিককের প্রতিনিধি মালিক কর্তৃক মনোনীত হইবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, এইরূপ মনোনয়নের ক্ষেত্রে হিসাব বিভাগের কর্মকর্তাকে অগ্রাধিকার প্রদান করিতে হইবে।
(৩) শ্রমিক পক্ষের প্রতিনিধি হিসাবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের যৌথ দরকষাকষি প্রতিনিধি শ্রমিক প্রতিনিধির মনোনয়ন প্রদান করিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, যেখানে যৌথ দরকষাকষি প্রতিনিধি নাই, সেখানে বিদ্যমান ট্রেড ইউনিয়নসমূহ শ্রমিক প্রতিনিধির মনোনয়ন প্রদান করিবে:
আরও শর্ত থাকে যে, যেখানে কোন ট্রেড ইউনিয়ন সংগঠন নাই সেই ক্ষেত্রে অংশগ্রহণকারী কমিটির শ্রমিক প্রতিনিধিগণের দ্বারা শ্রমিক প্রতিনিধি মনোনীত হইবেন:
আরও শর্ত থাকে যে, যেখানে যৌথ দরকষাকষি প্রতিনিধি বা ট্রেড ইউনিয়ন সংগঠন বা অংশগ্রহণকারী কমিটি নাই, সেই ক্ষেত্রে কল্যাণ কর্মকর্তার তত্বাবধানে উক্ত প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের মধ্য হইতে শ্রমিক প্রতিনিধি মনোনয়ন করিতে হইবে।
(৪) প্রতিষ্ঠানের মালিক এবং শ্রমিকদের সমান সংখ্যক প্রতিনিধি ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য হইবেন।
(৫) সদস্যগণ নিজেদের মধ্য হইতে ১ (এক) বৎসরের জন্য পর্যায়ক্রমে একজনকে ভাইস চেয়ারম্যান মনোনীত করিবেন।
(১) সকল সদস্যের মেয়াদ হইবে তাহার মনোনয়নের তারিখ হইতে পরবর্তী ২ (দুই) বৎসর।
(২) যে কোন সদস্য চেয়ারম্যানের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন এবং চেয়ারম্যান কর্তৃক উহা গৃহীত হইবার তারিখ হইতে উক্ত পদটি শূন্য বলিয়া গণ্য হইবে।
কোন ব্যক্তি বিধি ২৪০ এর অধীন সদস্য হইবার বা থাকিবার যোগ্য হইবেন না, যদি
(ক) উপযুক্ত আদালত তাহাকে অপ্রকৃতিস্থ বা দেউলিয়া বলিয়া ঘোষণা করে;
(খ) তিনি ইতিপূর্বে পরপর দুইবার বোর্ডের সদস্য হিসাবে মনোনীত হইয়া থাকেন;
(গ) তিনি নৈতিক স্খলনজনিত কোন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হইয়া আদালত কর্তৃক অন্যূন ১ (এক) বৎসরের কারাদন্ডে দন্ডিত হন এবং তাহার মুক্তি লাভের পর পাঁচ
বৎসর অতিবাহিত না হইয়া থাকে; এবং
(ঘ) তিনি চেয়ারম্যানের অনুমতি ব্যতীত বোর্ডের পর পর তিনটি সভায় অনুপস্থিত থাকেন।
বোর্ড সরকারের অনুমোদন সাপেক্ষে বিধি ২৪০ এ উল্লিখিত যে কোন মনোনীত সদস্যকে লিখিত আদেশ দ্বারা অপসারণ করিতে পারিবে, যদি তিনি
(ক) আইন ও এই বিধিমালার অধীন তাহার উপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হন বা অস্বীকার করেন, বা সরকারের বিবেচনায় উক্ত দায়িত্ব সম্পাদনে অক্ষম
বিবেচিত হন;
(খ) সরকারের বিবেচনায় সদস্য হিসাবে তাহার পদের অপব্যবহার করিয়া থাকেন; এবং
(গ) প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ভবিষ্য তহবিল সংক্রান্ত বিষয়ে লাভজনক কিছু অর্জন করিয়া থাকেন বা অধিকারে রাখেন।
ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্যগণ, চেয়ারম্যান ব্যতীত অন্যান্য সদস্যদের মধ্য হইতে একজনকে বোর্ডের সচিব হিসাবে মনোনীত করিবেন।
(১) প্রতি চার মাসে অন্তত একবার ট্রাস্টি বোর্ডের সভা অনুষ্ঠিত হইবে এবং চেয়ারম্যানের সহিত আলোচনাক্রমে বোর্ড সচিব প্রতিটি সভার তারিখ, স্থান ও সময় নির্ধারণ করিবেন এবং উক্ত তারিখের অন্তত সাত দিন পূর্বে প্রত্যেক ট্রাস্টির ঠিকানায় রেজিস্ট্রি ডাকযোগে বা ট্রাস্টিগণের নিকট গ্রহণযোগ্য অন্য কোন উপায়ে সভার নোটিস প্রেরণ করিতে হইবে, তবে জরুরি সভার ক্ষেত্রে উক্তরূপ নোটিস সভা অনুষ্ঠানের তিন দিন পূর্বে প্রেরণ করা যাইবে।
(২) উপ-বিধি (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ভবিষ্য তহবিলের সদস্যদের অন্যূন অর্ধেক সংখ্যক সদস্যের নিকট হইতে লিখিতভাবে অনুরুদ্ধ হইলে সচিব, চেয়ারম্যানের সহিত পরামর্শক্রমে, অনুরোধ প্রাপ্তির ১০ (দশ) দিনের মধ্যে বোর্ডের সভা আহবান করিবেন।
(৩) চেয়ারম্যান বোর্ডের প্রতিটি সভায় সভাপতিত্ব করিবেন এবং কোন সভায় চেয়ারম্যান অনুপস্থিত থাকিলে ভাইস চেয়ারম্যান সভায় সভাপতিত্ব করিবেন এবং তিনি উক্ত সভার সিদ্ধান্তসহ কার্যবিবরণী স্বাক্ষর করিবেন।
(১) ট্রাস্টি বোর্ডের সভায় কোরাম পূর্ণ হইবার জন্য মালিকপক্ষের ও শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধিত্বকারী অন্তত একজন করিয়া ট্রাস্টিসহ অর্ধেকের অধিক ট্রাস্টির উপস্থিতি থাকিতে হইবে।
(২) উপ-বিধি (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন সভায় এক ঘন্টার মধ্যে কোরাম গঠিত না হইলে, সভাটি মুলতবি হইয়া যাইবে এবং পরবর্তী দশ দিনের মধ্যে মুলতবি সভা অনুষ্ঠিত হইতে হইবে এবং যদি উক্ত মুলতবি সভায় পুনরায় কোরাম গঠিত না হয়, তাহা হইলে তৃতীয়বারের সভায় যে কোন সংখ্যক ট্রাস্টির উপস্থিতিই কোরাম হিসাবে গণ্য হইবে।
প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্য তহবিল সংক্রান্ত সকল বিষয় বোর্ডের সভায় উত্থাপিত হইবে এবং সভায় উপস্থিত ট্রাস্টিদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে এবং কোন বিষয়ে সমসংখ্যক ভোট প্রদত্ত হইলে চেয়ারম্যান নির্ণায়ক বা কাষ্টিং ভোট প্রদান করিবেন।
উপস্থিত ট্রাস্টিদের নাম উল্লেখসহ প্রত্যেক সভার কার্যবিবরণী সভা অনুষ্ঠানের পরবর্তী ৭ (সাত) দিনের মধ্যে প্রত্যেক ট্রাস্টিকে ও সরকারকে প্রদান করিতে হইবে, যাহা বোর্ডের পরবর্তী সভায় দৃঢ়ীকরণ করিতে হইবে।
তহবিলের প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বোর্ড প্রয়োজনে কর্মচারী নিয়োগ করিতে পারিবে।
(১) শ্রমিকের মজুরি যেভাবেই প্রদান করা হউক না কেন, মাসিক মূল মজুরির অন্যূন সাত শতাংশ এবং অনধিক আট শতাংশ ভিত্তিতে হিসাব করিয়া পরিশোধযোগ্য চাঁদার হার নির্ধারণ করিতে হইবে।
(২) মালিক কর্তৃক সংশ্লিষ্ট শ্রমিকের মজুরি পরিশোধকালে ভবিষ্য তহবিলের নির্ধারিত চাঁদার টাকা কর্তন করিয়া নিজের অংশের সমপরিমাণ অর্থসহ উক্ত মাস শেষ হইবার পনের দিনের মধ্যে পে-অর্ডার বা ব্যাংক ড্রাফটের মাধ্যমে ভবিষ্য তহবিলের হিসাবে জমা প্রদান করিতে হইবে এবং পে অর্ডার বা ব্যাংক ড্রাফটের ব্যাংক মাশুল মালিক বহন করিবেন।
(৩) প্রতি মাস শেষ হইবার পনের দিনের মধ্যে মালিক একটি মাসিক প্রতিবেদন বোর্ডের নিকট প্রেরণ করিবেন এবং উক্ত প্রতিবেদনে প্রত্যেক শ্রমিকের নিকট হইতে কর্তনকৃত অর্থের পরিমাণ ও উক্ত শ্রমিকের খাতে মালিকের প্রদত্ত অর্থের পরিমাণ উল্লেখ থাকিতে হইবে এবং কোন কারণে তহবিলে শ্রমিকের দেয় চাঁদা আদায় না হইয়া থাকিলে পরবর্তী মাসের মজুরি হইতে উহা কর্তন করা যাইবে।
(৪) বোর্ডের সচিব উপ-বিধি (২) মোতাবেক তহবিলের অর্থ প্রাপ্তির দশ দিনের মধ্যে উহার প্রাপ্তি স্বীকার করিবেন।
ভবিষ্য তহবিলের সদস্য এমন শ্রমিকের মধ্যে যাহাদের পূর্ববর্তী মাসে চাকরির অবসান হইয়াছে তাহাদের একটি তালিকা মালিক প্রত্যেক মাস শেষ হইবার ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে বোর্ডের নিকট রিটার্ন আকারে প্রেরণ করিবেন।
(১) তহবিলে প্রাপ্ত সমুদয় অর্থ সচিব বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত তফসিলি ব্যাংকে ‘ভবিষ্য তহবিল হিসাব’ নামের একটি ব্যাংক হিসাব খুলিয়া উহাতে জমা করিবেন।
(২) ব্যাংক হিসাব ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান, মালিক পক্ষের প্রতিনিধি ও শ্রমিক পক্ষের প্রতিনিধি সমন্বয়ে যৌথভাবে পরিচালিত হইবে এবং টাকা উত্তোলনের ক্ষেত্রে বোর্ডের
চেয়ারম্যান এবং বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত অন্য একজন সদস্যের যৌথ স্বাক্ষর থাকিতে হইবে।
(৩) প্রত্যেক সদস্যের হিসাবে মালিক ও শ্রমিকের চাঁদাসহ জমাকৃত অর্থ ও অর্জিত মুনাফা বা আয় বা লাভ পৃথক পৃথকভাবে লিপিবদ্ধ করিয়া রেজিস্টারে সংরক্ষণ করিতে হইবে।
(১) প্রত্যেক মালিক ভবিষ্য তহবিলে প্রদত্ত তাহার নিজের অংশ এবং শ্রমিকদের চাঁদার হিসাব বোর্ড কর্তৃক সময় সময় নির্দেশিত পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করিবেন।
(২) প্রত্যেক বৎসর শেষ হইবার পর যত শীঘ্ সম্ভব, বোর্ড প্রত্যেক সদস্যকে তহবিলে বৎসরের শুরুতে প্রারম্ভিক স্থিতি, বৎসরে প্রদত্ত চাঁদার পরিমাণ, বৎসরের শেষে জমাকৃত মুনাফা, গৃহীত অগ্রিম ও পরিশোধিত কিস্তি এবং বৎসরের শেষ স্থিতির পরিমাণ প্রদর্শন করিয়া একটি লিখিত ও স্বাক্ষরিত বিবরণী সরবরাহ করিবে।
(৩) সদস্যগণ উক্ত বার্ষিক হিসাব সম্পর্কে নিজেরা নিশ্চিত হইবে এবং কোন ত্রুটি থাকিলে বিবরণী পাইবার ৩ (তিন) মাসের মধ্যে উহা সংশোধনের জন্য বোর্ডের নিকট প্রেরণ করিবেন এবং বোর্ড প্রয়োজনীয় যাচাই করিয়া ত্রুটি থাকিলে উহা সংশোধনপূর্বক পরবর্তী ১০ (দশ) দিনের মধ্যে পুনরায় একটি বিবরণী সদস্যকে প্রদান করিবে।
(১) বোর্ড, প্রতি বৎসর ৩০শে মার্চের মধ্যে পূর্ববর্তী বৎসরের তহবিলের হিসাব বিবরণী মালিকের নিকট ফরম-৮১(ট) অনুযায়ী দাখিল করিবে।
(২) বোর্ড হইতে হিসাব বিবরণী প্রাপ্তির পর মালিককে উহার একটি কপি কল কারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরে প্রেরণ করিতে হইবে।
(৩) বোর্ড তহবিলের মালিকানাধীন সম্পদের বাৎসরিক একটি শ্রেণি বিভক্ত সংক্ষিপ্ত বিবরণ ফরম-৬৯ অনুযায়ী এবং একটি ব্যালান্স শীট প্রস্তুত করিবে এবং উহার কপি মহাপরিদর্শক, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের নিকট পেশ করিতে বার্ষিক রিপোর্টের সহিত সংযুক্ত করিবে।
ভবিষ্য তহবিলের একটি রাজস্ব হিসাব খুলিতে হইবে যাহাতে সকল মুনাফা ও অন্যান্য বিনিয়োগ, উপার্জিত মুনাফা এবং তহবিল বরাবর বাজেয়াপ্ত যে কোন অর্থ পৃথকভাবে জমা হইবে এবং একইভাবে তহবিল হইতে সিকিউরিটি বিক্রি বাবদ, সিকিউরিটি মূল্য হ্রাস বাবদ কম হওয়া, সিকিউরিটির কর ও মঞ্জুরি বাবদ অর্থ খরচ খাতে প্রদর্শন করিতে হইবে।
(২) ব্যাংক হিসাব ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান, মালিক পক্ষের প্রতিনিধি ও শ্রমিক পক্ষের প্রতিনিধি সমন্বয়ে যৌথভাবে পরিচালিত হইবে এবং টাকা উত্তোলনের ক্ষেত্রে বোর্ডের
চেয়ারম্যান এবং বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত অন্য একজন সদস্যের যৌথ স্বাক্ষর থাকিতে হইবে।
(৩) প্রত্যেক সদস্যের হিসাবে মালিক ও শ্রমিকের চাঁদাসহ জমাকৃত অর্থ ও অর্জিত মুনাফা বা আয় বা লাভ পৃথক পৃথকভাবে লিপিবদ্ধ করিয়া রেজিস্টারে সংরক্ষণ করিতে হইবে।
(১) তহবিলের অফিসে প্রত্যেক সদস্যের নামে লেজারে একটি একাউন্ট খুলিতে হইবে, যাহাতে প্রদত্ত চাঁদা, শ্রমিকের অনুকূলে প্রদত্ত মালিকের অংশ, মুনাফা ও বিনিয়োগ হইতে প্রাপ্ত লভ্যাংশের আনুপাতিক অংশ জমা হইবে।
(২) প্রত্যেক বৎসর শেষ হইবার তিন মাসের মধ্যে বোর্ডের সচিব প্রত্যেক সদস্যের হিসাবে প্রদর্শিত বিষয়গুলি পরীক্ষা করিবেন এবং কোনরূপ ভ্রান্তি দৃষ্টিগোচর হইলে উহা সংশোধন করিয়া তৎকর্তৃক স্বাক্ষরিত খাতওয়ারী একটি হিসাব বিবরণী প্রত্যেক শ্রমিককে সরবরাহ করিবেন।
তহবিলের অর্থ বোর্ডের সিদ্ধান্তক্রমে ধারা ২৬৪(১২) এ উল্লিখিত খাতসমূহে এবং বাংলাদেশে অবস্থিত স্থাবর সম্পত্তি ক্রয়ে বিনিয়োগ করা যাইবে।
তহবিলের কর্মচারীদের বেতন, ভাতা, ইত্যাদিসহ তহবিলের যাবতীয় প্রশাসনিক ব্যয়, অডিট একাউন্ট ও আইনগত ব্যয়, ষ্টেশনারী ব্যয়, ফরম, আসবাবপত্র, ভাড়া, কর ও অন্যান্য যুক্তিসঙ্গত ব্যয় মালিক নির্বাহ করিবেন।
পরিচালনা হিসাব” সহ তহবিলের হিসাব বোর্ড কর্তৃক নির্দিষ্ট ও নির্ধারিত পন্থায় মালিক বা সচিব সংরক্ষণ করিবেন।
তহবিলের বাৎসরিক হিসাব ১৯৯৪ সনের কোম্পানি আইনের বিধান মোতাবেক স্বীকৃত অডিট ফার্ম কর্তৃক নিরীক্ষা করাইতে হইবে।
(১) ভবিষ্য তহবিলে জমাকৃত অর্থ বিনিয়োগ হইতে অর্জিত লভ্যাংশ বা মুনাফা বৎসরের শেষে প্রত্যেক সদস্যের হিসাবে আনুপাতিক হারে জমা করিতে হইবে।
(২) সদস্যদের হিসাবে জমাকৃত মুনাফা ভবিষ্য তহবিলের খরচ হিসাবে প্রদর্শন করিতে হইবে।
(৩) প্রত্যেক সদস্যের জমা খাতে প্রথম দিন হইতে আরম্ভ করিয়া শেষ দিন পর্যন্ত মুনাফা জমা করিতে হইবে।
(৪) পরিশোধের দাবির উপর বা আংশিক মেয়াদের উপর মুনাফা পূর্ববর্তী বৎসরের মুনাফা হারে প্রদান করা হইবে এবং আংশিক মেয়াদের মাসসমূহের জন্য মাসিক হারে জমা হইবে।
(১) প্রত্যেক সদস্য তাহার মৃত্যুর ক্ষেত্রে তহবিলে তাহার নামে জমা অর্থ গ্রহণের অধিকার প্রদান করিয়া ফরম-৪১ অনুযায়ী তাহার নমিনীর ছবিসহ মনোনয়ন প্রদান করিবেন।
(২) যে ক্ষেত্রে মনোনয়ন প্রদানের সময় সদস্যের পরিবার থাকে, সেই ক্ষেত্রে পরিবারের এক বা একাধিক সদস্যকে মনোনয়ন প্রদান করিতে হইবে অন্যথায় উহা গৃহীত হইবে না।
(৩) সদস্য ইচ্ছা করিলে তাহার মনোনয়নপত্রে তাহার নামে জমা অর্থ তাহার মনোনীত ব্যক্তিদের মধ্যে তাহার ইচ্ছানুযায়ী আনুপাতিক হারে ভাগ করিয়া প্রদান করিতে পারিবেন।
(৪) মনোনীত কোন ব্যক্তি যদি সদস্যের পূর্বেই মারা যান, সেই ক্ষেত্রে উক্ত সদস্য নূতন মনোনয়ন প্রদান করিবেন।
(৫) সদস্য কর্তৃক প্রদত্ত মনোনয়ন সদস্যের নিকট হইতে প্রাপ্ত লিখিত নোটিশের ভিত্তিতে যে কোন সময় পরিবর্তন করা যাইবে।
(৬) কোন মনোনয়ন এবং উহার কোন পরিবর্তন বোর্ড যে তারিখে প্রাপ্ত হইবে সেই তারিখ হইতে কার্যকর হইবে।
(১) কোন সদস্যের চাকরি কোন প্রতিষ্ঠানে দুই বৎসর úূর্ণ করিবার পর সমাপ্তি ঘটিলে তিনি তহবিলে তাহার নামে জমা সমুদয় অর্থ মালিকের অংশসহ প্রাপ্ত হইবেন।
(২) কোন সদস্য তহবিলের তাহার সদস্যপদ বহাল না রাখিতে চাহিলে তিনি বোর্ডের নিকট লিখিত আবেদন করিয়া সদস্যপদ প্রত্যাহার করিতে পারিবেন এবং এইরূপ সদস্যপদ প্রত্যাহার সদস্যের চাকরি প্রতিষ্ঠানে দুই বৎসর úূর্ণ করিবার পর ঘটিলে তিনি তহবিলে তাহার নামে জমা সমুদয় অর্থ উক্ত মালিকের অংশসহ প্রাপ্ত হইবেন।
(৩) কোন সদস্যের চাকরির মেয়াদ দুই বৎসরের কম হইলে অথবা তহবিলের সদস্য হিসাবে এক বৎসরের কম হইলে তিনি তহবিলে জমাকৃত অর্থ হইতে তাহার প্রদত্ত চাঁদার অংশই কেবল প্রাপ্ত হইবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, সদস্যের চাকরির মেয়াদ যাহাই হউক না কেন মৃত্যুজনিত কারণে বা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হইয়া যাইবার কারণে তহবিলের সদস্য ভবিষ্য তহবিলে জমাকৃত উভয় অংশ প্রাপ্য হইবেন।
তহবিলের অর্থ প্রদেয় হইবার পূর্বেই, অথবা প্রদেয় হইবার পর কিন্তু প্রদানের পূর্বেই কোন সদস্যের মৃত্যু হইলে
(ক) যে ক্ষেত্রে মনোনয়ন বৈধ থাকে সেই ক্ষেত্রে সদস্যের নামে জমা অর্থ অথবা উহার কোন অংশ উক্ত মনোনয়ন মোতাবেক মনোনীত ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গকে প্রদেয় হইবে; অথবা
(খ) যদি মনোনয়ন বিদ্যমান না থাকে অথবা যদি মনোনয়নটি তহবিলে জমার কোন অংশের উপর প্রযোজ্য না হইয়া থাকে, সেই ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ জমা বা যে অংশের উপর মনোনয়ন প্রযোজ্য নহে সেই অংশ, মৃত ব্যক্তির পারিবারিক আইন অনুযায়ী তাহার পরিবারের সদস্যদেরকে প্রদেয় হইবে।
(১) যে ক্ষেত্রে কোন সদস্যের নামে জমা অর্থ অথবা এই বিধিমালা মোতাবেক কোন কর্তনের পর অবশিষ্ট অর্থ প্রদেয় হয়, সেই ক্ষেত্রে বোর্ড উক্ত সদস্যের হিসাবটি বন্ধ করিবে এবং যে ব্যক্তিকে অর্থ প্রদেয় হয় তাহাকে প্রদানের জন্য প্রদত্ত অর্থের পরিমাণ নির্দিষ্ট করিয়া একটি লিখিত নোটিস প্রদান করিবে।
(২) প্রদেয় অর্থের কোন অংশের ব্যাপারে যদি বিরোধ বা সন্দেহের সৃষ্টি হয়, সেই ক্ষেত্রে বোর্ড যে অংশের ব্যাপারে কোন বিরোধ বা সন্দেহ নাই সেই অংশ অবিলম্বে প্রদান করিবে এবং বিরোধীয় বিষয়টি যত শীঘ্র সম্ভব নিষ্পত্তি করিবে।
(৩) এই বিধিমালা মোতাবেক অর্থ প্রদেয় হইতেছে এমন ব্যক্তি যদি নাবালক বা উন্মাদ হইয়া থাকেন সেই ক্ষেত্রে এঁধৎফরধহং ধহফ ডধৎফং অপঃ, ১৮৯০ (অপঃ ঘড়. ঠওওও ড়ভ ১৮৯০) অনুযায়ী নাবালক ব্যক্তির পক্ষে নিযুক্ত কোন অভিভাবক অথবা খঁহধপু অপঃ, ১৯১২ (অপঃ ঘড়. ওঠ ড়ভ ১৯১২) অনুযায়ী উন্মাদ ব্যক্তির পক্ষে নিযুক্ত কোন ব্যবস্থাপককে উক্ত অর্থ প্রদান করিতে হইবে এবং যে ক্ষেত্রে অনুরূপ অভিভাবক বা ব্যবস্থাপক নিয়োগ করা হয় নাই সেই ক্ষেত্রে নাবালক বা উন্মাদের পক্ষে আইনানুসারে প্রাধিকারপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে উক্ত অর্থ প্রদান করিতে হইবে।
(৪) এই বিধি মোতাবেক অর্থ প্রাপ্তিতে আগ্রহী ব্যক্তিকে বোর্ডের নিকট লিখিত আবেদন করিতে হইবে এবং যে ব্যক্তিকে অর্থ প্রদেয় হইবে তাহার ইচ্ছানুযায়ী মানি অর্ডারযোগে বা রেজিস্ট্রিকৃত ডাকযোগে প্রেরিত ক্রশ চেকের মাধ্যমে অথবা প্রাপ্তি স্বীকারপূর্বক হাতে হাতে ব্যাংক ড্রাফট বা পে-অর্ডারের মাধ্যমে অর্থ প্রদান করা যাইবে।
(১) তহবিলের অফিসে প্রত্যেক সদস্যের নামে লেজারে একটি একাউন্ট খুলিতে হইবে, যাহাতে প্রদত্ত চাঁদা, শ্রমিকের অনুকূলে প্রদত্ত মালিকের অংশ, মুনাফা ও বিনিয়োগ হইতে প্রাপ্ত লভ্যাংশের আনুপাতিক অংশ জমা হইবে।
(২) প্রত্যেক বৎসর শেষ হইবার তিন মাসের মধ্যে বোর্ডের সচিব প্রত্যেক সদস্যের হিসাবে প্রদর্শিত বিষয়গুলি পরীক্ষা করিবেন এবং কোনরূপ ভ্রান্তি দৃষ্টিগোচর হইলে উহা সংশোধন করিয়া তৎকর্তৃক স্বাক্ষরিত খাতওয়ারী একটি হিসাব বিবরণী প্রত্যেক শ্রমিককে সরবরাহ করিবেন।
(১) কোন সদস্য তাহার হিসাব জমায় স্থিতি অর্থ হইতে ট্রাস্টি বোর্ডের অনুমোদনক্রমে নিম্নবর্ণিত শর্তে অগ্রিম গ্রহণ করিতে পারিবেন, যথা:
ক) কোন চাঁদাদাতা বা তাহার পরিবারের কোন সদস্যের চিকিৎসা সম্পর্কিত ব্যয় নির্বাহের জন্য;
খ) কোন চাঁদাদাতা বা তাহার পরিবারের কোন সদস্যের বিবাহ, মৃতের শেষকৃত্য অথবা অন্য কোন অত্যাবশ্যকীয় ব্যয় নির্বাহের জন্য;
গ) বাসগৃহ নির্মাণ বা মেরামত অথবা বাসগৃহ বা ফ্ল্যাট ক্রয় অথবা বাসগৃহ নির্মাণের নিমিত্ত জমি ক্রয়ের ব্যয় নির্বাহের জন্য;
ঘ) কোন চাঁদাদাতা বা তাহার স্ত্রীর জীবন বীমার প্রিমিয়াম পরিশোধ করিবার জন্য;
ঙ) কোন চাঁদাদাতা বা তাহার পরিবারের কোন সদস্যের সমুদ্র বা বিমানে ভ্রমণের ব্যয় নির্বাহের জন্য; এবং
চ) কোন চাঁদাদাতা সদস্যের সন্তান-সন্ততির লেখাপড়ার ব্যয় নির্বাহের জন্য।
(২) কান অগ্রিম কোন ক্ষেত্রে সদস্যের হিসাবে রক্ষিত আয়কর মুক্ত চাঁদা ও মুনাফার মোট স্থিতির ৮০% (শতকরা আশি ভাগ) এর অধিক হইবে না, এবং প্রথম গৃহীত অগ্রিম সম্পূর্ণ পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত পরবর্তী কোন অগ্রিম মঞ্জুর করা যাইবে না।
(৩) অগ্রিম হিসাবে গৃহীত অর্থ অনধিক মাসিক সমান ৬০ ষাট কিস্তিতে পরিশোধ করিতে হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, কোন কিস্তি অগ্রিম গ্রহণকারী শ্রমিকের মাসিক মূল মজুরির এক তৃতীয়াংশের অধিক হইবে না।
(৪) অগ্রিম হিসাবে গৃহীত অর্থ সমানভাগে ভাগ করিয়া যত কিস্তিতে মূল অগ্রিম পরিশোধ হইবে, অগ্রিমের সুদ হিসাবে উহার চাইতে একটি অতিরিক্ত কিস্তি পরিশোধ করিতে হইবে।
(৫) এই তহবিলের জমাকৃত অর্থ সদস্যদের অর্থ হিসাবে বিবেচিত হইবে এবং তহবিল হইতে মালিক তাহার প্রতিষ্ঠানের জন্য বা অন্য কোন ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে বা ব্যক্তিগত প্রয়োজনে কোন প্রকার অগ্রিম বা ঋণ গ্রহণ করিতে পারিবেন না।
সকল আদেশ এবং দলিলাদি বোর্ডের নামে প্রদত্ত এবং সম্পাদিত হইবে এবং বোর্ড কর্তৃক প্রাধিকারপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তা দ্বারা উক্ত বিষয়াদি প্রত্যায়িত হইতে হইবে।
(১) যদি কোন ব্যক্তি-
(ক) এই বিধিমালা মোতাবেক প্রদেয় কোন চাঁদা পর্যাপ্ত কারণ ব্যতীত পরিশোধ করিতে ব্যর্থ হন;
(খ) সদস্যের মজুরি বা অন্য পারিশ্রমিক হইতে মালিকের অংশ কর্তন করিয়া থাকেন বা কর্তন করিবার চেষ্টা করেন;
(গ) বিধিমালা মোতাবেক দাখিল করা আবশ্যক বা দাখিল করিতে নির্দেশ দেওয়া হইয়াছে এমন রিটার্ণ, বিবরণী বা অন্য কোন দলিল দাখিল করিতে ব্যর্থ হন বা অস্বীকার করেন;
(ঘ) মিথ্যা রিটার্ণ, বর্ণনা বা দলিল দাখিল করিয়া থাকেন বা মিথ্যা বিবৃতি প্রদান করেন;
(ঙ) এই বিধিমালার অন্য কোন আবশ্যকতা পালন না করিবার বা ভঙ্গ করিবার দায়ে দোষী হন; অথবা
(চ) মালিক কর্তৃক প্রভাব খাটিয়ে বা চাতুরীর মাধ্যমে অগ্রিম বা ঋণ গ্রহণ করেন;
তাহা হইলে তিনি ধারা ২৯৮ অনুযায়ী দন্ডপ্রাপ্ত হইবেন।
(২) ট্রাস্টি বোর্ড তহবিলের অর্থ ব্যাংক সুদের হারের চাইতে কম হারে ঋণ প্রদান করিলে বা মালিককে ব্যবসায়ের কাজে ব্যবহারের অনুমতি প্রদান করিলে বা নিজের লাভে প্রয়োগ করিলে মালিক এবং ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য দন্ডবিধি, ১৮৬০ (১৮৬০ সনের ৫নং আইন) এর ৪০৯ ধারা মোতাবেক দন্ডনীয় হইবেন।
এই অধ্যায়ের-
(ক) বিধি ২৩৭ হইতে ২৬৮ এর বিধানাবলি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে;
(খ) বিধি ২৭০ হইতে ৩০২ এর বিধানাবলি চা-বাগানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে; এবং
(গ) বিধি ৩০৩ হইতে ৩২৭ এর বিধানাবলি সংবাদপত্র শ্রমিকদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে।
চা-বাগান শ্রমিক ভবিষ্য তহবিল ট্রাস্টি বোর্ড আইনের বিধান মোতাবেক গঠিত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।
(১) ধারা ২৬৮(১) এর বিধান অনুসরণ করিয়া শিক্ষাধীন শ্রমিক ব্যতীত চা-বাগানের চাকরিতে এক বৎসর পূর্ণ করিয়াছে এমন প্রত্যেক শ্রমিককে ভবিষ্য তহবিলের সদস্য হইতে হইবে এবং সদস্য হইবার সময় সদস্যের ছবি ও নমিনীর ছবি নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে দাখিল করিতে হইবে।
(২) কোন শ্রমিকের ভবিষ্য তহবিলের সদস্য হইবার বা সদস্যপদ অব্যাহত রাখিবার বিষয়ে অথবা সদস্য হইবার যোগ্যতা সম্পর্কে কোন প্রশ্ন উত্থাপিত হইলে সেই ক্ষেত্রে ট্রাস্টি বোর্ড সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিবে।
(৩) তহবিলের সদস্য হইবার যোগ্যতা অর্জনের ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে মালিক সংশ্লিষ্ট শ্রমিককে তাহার মনোনীত ব্যক্তির নামসহ যাবতীয় তথ্য সরবরাহের জন্য নির্দেশ প্রদান করিবেন এবং উক্ত নির্দেশ প্রাপ্তির পরবর্তী ৫ (পাঁচ) কর্ম দিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট শ্রমিক নির্ধারিত ফরমে তাহার তথ্যাবলি মালিকের নিকট দাখিল করিবেন, যাহা মালিক প্রাপ্ত হইবার ৫ (পাঁচ) দিনের মধ্যে সুপারিশসহ নিয়ন্ত্রকের নিকট প্রেরণ করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে অনুরূপ শ্রমিক ইতিমধ্যেই তহবিলের সদস্য রহিয়াছে, সেই ক্ষেত্রে মালিক, উক্ত ব্যক্তির নিযুক্তির সাত দিনের মধ্যে নিয়ন্ত্রককে রেজিস্টার্ড ডাকযোগে পূর্বতন মালিকের নাম, হিসাব নম্বর এবং অন্যান্য বিবরণ অবহিত করিবেন এবং নিয়ন্ত্রকের নিকট হইতে উহার প্রাপ্তির প্রমাণ সংগ্রহ করিবেন।
(৪) প্রত্যেক মালিক এই বিধিমালা কার্যকর হইবার তারিখ হইতে ৩০(ত্রিশ) দিনের মধ্যে তহবিলের সদস্য হইবার যোগ্যতাসম্পন্ন প্রত্যেক শ্রমিক সম্পর্কে ফরম-৬৭ অনুযায়ী একটি রিটার্ণ নিয়ন্ত্রকের নিকট প্রেরণ করিবেন।
মালিকের নিকট হইতে তহবিলের সদস্য হইবার যোগ্যতাসম্পন্ন শ্রমিকের তথ্য পাইবার পর নিয়ন্ত্রক, যথা শীঘ্র সম্ভব সংশ্লিষ্ট শ্রমিককে বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত পন্থায় ফরম-৬৮ অনুযায়ী একটি হিসাব নম্বর মঞ্জুর এবং উহা মালিককে ও মালিকের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট শ্রমিককে অবহিত করিবেন।
(১) সাধারণত ট্রাস্টি বোর্ডের সভা প্রতি ২ (দুই) মাসে অন্তত একবার অনুষ্ঠিত হইবে।
(২) চেয়ারম্যানের সহিত আলোচনাক্রমে নিয়ন্ত্রক ট্রাস্টি বোর্ডের প্রতিটি সভার তারিখ, স্থান ও সময় নির্ধারণ করিবেন এবং উক্ত তারিখের অন্তত ১৪ (চৌদ্দ) দিন পূর্বে ‘আলোচ্য সূচি’সহ সভার নোটিস প্রত্যেক ট্রাস্টির ঠিকানায় রেজিস্ট্রি ডাকযোগে বা নির্ভরযোগ্য সম্ভাব্য অন্য কোন মাধ্যমে প্রেরণ করিবেন, তবে জরুরি সভার ক্ষেত্রে ৭ (সাত) দিনের নোটিশে সভা আহবান করা যাইবে।
(৩) উপ-বিধি (২) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ট্রাস্টি বোর্ডের অন্যূন ৫ (পাঁচ) জন সদস্যের নিকট হইতে লিখিতভাবে রিকুইজিশন নোটিস প্রাপ্ত হইলে নিয়ন্ত্রক, চেয়ারম্যানের সহিত আলোচনাক্রমে, উক্ত নোটিস প্রাপ্তির ১৪ (চৌদ্দ) দিনের মধ্যে বোর্ডের সভা আহবান করিবেন।
(৪) চেয়ারম্যান বোর্ডের প্রতিটি সভায় সভাপতিত্ব করিবেন এবং কোন সভায় চেয়ারম্যান অনুপস্থিত থাকিলে উপস্থিত ট্রাস্টিগণ তাহাদের মধ্য হইতে মালিক বা নিরপেক্ষ একজন সদস্যকে সভায় সভাপতিত্ব করিবার জন্য নির্বাচিত করিবেন এবং উক্তরূপে নির্বাচিত ট্রাস্টি সভায় চেয়ারম্যানের সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করিতে পারিবেন।
(৫) তহবিল সম্পর্কিত সকল বিষয় বোর্ডের সভায় উত্থাপিত হইবে এবং সভায় উপস্থিত ট্রাস্টিদের সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে এবং কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণে ট্রাস্টিগণ সমানভাবে দ্বিধাবিভক্ত হইয়া পড়িলে চেয়ারম্যানের মতামতের ভিত্তিতে বিষয়টি নিষ্পত্তি করা যাইবে।
(৬) কোন ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণে ভোট গ্রহণের প্রয়োজন হইলে সেই ক্ষেত্রে হাত তুলিয়া ভোট দেওয়া যাইবে এবং উপস্থিত ট্রাস্টিদের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ গোপন ব্যালটে ভোট গ্রহণের দাবি করিলে চেয়ারম্যান গোপন ব্যালটের ব্যবস্থা করিতে পারিবেন।
(১) ট্রাস্টি বোর্ডের সভায় কোরাম পূর্ণ হইবার জন্য মালিক, শ্রমিক এবং নিরপেক্ষ সদস্যদের মধ্য হইতে অন্তত একজন করিয়া ট্রাস্টিসহ অন্যূন তিনজন ট্রাস্টি উপস্থিত থাকিতে হইবে ।
(২) উপ—বিধি (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন সভায় উপস্থিত ট্রাস্টিদের দ্বারা এক ঘন্টার মধ্যে কোরাম গঠিত না হইলে, সভাটি মুলতবি হইয়া যাইবে এবং মুলতবি সভা পরবর্তী ১০ দিনের মধ্যে অনুষ্ঠিত হইবে এবং যদি উক্ত মুলতবি সভায় পুনরায় কোরাম গঠিত না হয়, তাহা হইলে তৃতীয়বারের সভায় যে কোন সংখ্যক ট্রাস্টির উপস্থিতিই কোরাম হিসাবে গণ্য হইবে।
উপস্থিত ট্রাস্টিদের নাম উল্লেখসহ প্রত্যেক সভার কার্যবিবরণী সভা অনুষ্ঠানের পরবর্তী ৭ (সাত) দিনের মধ্যে প্রত্যেক ট্রাস্টিকে প্রেরণ করিতে হইবে, যাহা পরবর্তী বোর্ড সভায় দৃঢ়ীকরণ করিতে হইবে এবং কার্যবিবরণী অনুমোদিত হইবার পরবর্তী ৭ (সাত) দিনের মধ্যে উহা সরকারের নিকট প্রেরণ করিতে হইবে।
(১) সরকারি কাজে ভ্রমণের জন্য প্রযোজ্য প্রথম শ্রেণির সরকারি কর্মচারীর সুযোগ—সুবিধা সংক্রান্ত বিধান বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ প্রত্যেক ট্রাস্টির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে।
(২) কোন ট্রাস্টি তাহার মালিকের নিকট হইতে কোনরূপ ভ্রমণ ও অন্যান্য ভাতা প্রাপ্ত হইলে তিনি একই ভ্রমণের জন্য বোর্ডের নিকট হইতে কোন ভাতা দাবি করিতে পারিবেন না।
(৩) ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান সরকার কর্তৃক নির্ধারিত হারে মাসিক সম্মানী ভাতা প্রাপ্ত হইবেন এবং সদস্যগণ প্রতি সভায় উপস্থিতির জন্য বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত দৈনিক ভাতা প্রাপ্ত হইবেন।
(১) নিয়ন্ত্রক, সরকারের অনুমোদন সাপেক্ষে, ট্রাস্টি বোর্ড কতৃর্ক বিভিন্ন সময়ে নিধার্রিত বেতন—ভাতা প্রাপ্ত হইবেন।
(২) নিয়ন্ত্রক তহবিল পরিচালনার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে বোর্ডের পূর্বানুমতি গ্রহণ না করিয়া কোন আকস্মিক ব্যয়, সরবরাহ ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ক্রয়ের জন্য বাজেটে অর্থ বরাদ্দ সাপেক্ষে ব্যয় মঞ্জুর করিতে পারিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, এইরূপ ব্যয় মঞ্জুরের বিষয়ে বোর্ডের পরবতীর্ সভায় অনুমোদন গ্রহণ করিতে হইবে।
(৩) তহবিলের প্রশাসন দক্ষতার সহিত পরিচালনার জন্য বোর্ড পদ সৃষ্টি করাসহ প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মকর্তা কর্মচারী নিয়োগ করিতে পারিবে এবং কর্মচারী নিয়োগ করিবার পদ্ধতি, কর্মচারীদের চাকরির শতার্দি এবং বেতন, ভাতা, ইত্যাদি সরকারের অনুমোদনক্রমে বোর্ড কতৃর্ক প্রণীত প্রবিধান দ্বারা নিধার্রিত হইবে।
(৪) নিয়ন্ত্রকের অনুপস্থিতিতে সহকারী নিয়ন্ত্রক প্রশাসনিক দায়িত্বসহ অন্যান্য দায়িত পালন করিবেন।
(১) দৈনিক, সাপ্তাহিক, পাক্ষিক বা মাসিক যেভাবেই মজুরি প্রদান করা হউক না কেন, সম্পূর্ণ মাসে শ্রমিককে দেয় মূল মজুরির ভিত্তিতে হিসাব করিয়া আইনের অধীন ভবিষ্য তহবিলে পরিশোধযোগ্য চাঁদার হার নিধার্রণ করিতে হইবে।
(২) মালিক সংশ্লিষ্ট শ্রমিকের মজুরি পরিশোধকালে তহবিলের চাঁদা বাবদ অর্থ কর্তন করিয়া উহা নিজের অংশসহ প্রত্যেক মাস শেষ হইবার পরবতীর্ ১৫(পনের) দিনের মধ্যে তহবিলে জমা প্রদানের উদ্দেশ্যে ব্যাংক ড্রাফট বা চেকের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রক বরাবরে প্রেরণ করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, মফস্বলের কোন ব্যাংকের চেকের মাধ্যমে টাকা জমা প্রদান করা হইলে সেই ক্ষেত্রে চেক সংগ্রহের মাশুল বাবদ অর্থ যোগ করিয়া চেক প্রদান করিতে হইবে।
(৩) কোন কারণে বা ভুলবশত কোন মাসে শ্রমিকের দেয় চাঁদা কর্তন না হইয়া থাকিলে পরবতীর্ মাসের মজুরি হইতে উহা কর্তন করা যাইবে এবং অনুরূপভাবে কোন মাসে নির্ধারিত হারের অতিরিক্ত কর্তন করা হইলে উহাও পরবতীর্ মাসের চাঁদা কর্তনের সময় সমন্বয় করা যাইবে।
(৪) কোন বাগানে মৌসুম বহিভূর্ত সময়ে কোন শ্রমিককে প্রদত্ত রিটেইনার ভাতা এই বিধিমালার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে মজুরি হিসাবে গণ্য হইবে।
(৫) নিয়ন্ত্রক উপ—বিধি (২) মোতাবেক অর্থ প্রাপ্তির দশ দিনের মধ্যে উহার প্রাপ্তি স্বীকার করিবেন।
(৬) মাস শেষ হইবার পনের দিনের মধ্যে মালিক একটি সামগ্রিক মাসিক প্রতিবেদন নিয়ন্ত্রকের নিকট প্রেরণ করিবেন এবং উক্ত সামগ্রিক প্রতিবেদনে শ্রমিকের মাসিক মূল মজুরি উল্লেখসহ প্রত্যেক শ্রমিকের নিকট হইতে কর্তনকৃত চাঁদা ও উক্ত শ্রমিকের খাতে মালিকের প্রদত্ত অংশ এবং প্রশাসনিক ব্যয় হিসাবে মালিকের প্রদত্ত অর্থের পরিমাণ প্রদর্শন করিতে হইবে।
(৭) ভবিষ্য তহবিলে দেয় চাঁদা বাবদ কোন শ্রমিকের মজুরি হইতে কর্তনকৃত অর্থ নিয়ন্ত্রক প্রাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত উহা মালিকের হেফাজতে রহিয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।
মালিক ভবিষ্য তহবিলে তাহার নিজের দেয় চাঁদার অংশ সদস্যদের মজুরি হইতে কর্তন করিতে বা অন্য কোনভাবে আদায় করিতে পারিবেন না।
ভবিষ্য তহবিলের সদস্য এমন শ্রমিকের মধ্যে যাহাদের পূর্ববর্তী মাসে চাকরির অবসান হইয়াছে তাহাদের একটি তালিকা মালিক প্রত্যেক মাস শেষ হইবার পনের দিনের মধ্যে বোর্ডের নিকট রিটার্ণ আকারে প্রেরণ করিবেন।
প্রত্যেক মালিক ভবিষ্য তহবিলে প্রদত্ত তাহার নিজের অংশ এবং শ্রমিকদের চাঁদার হিসাব বোর্ড কতৃর্ক সময়ে সময়ে নির্দেশিত পদ্ধতি মোতাবেক সংরক্ষণ করিবেন।
(১) নিয়ন্ত্রক তহবিলে মালিকের ও শ্রমিকদের চাঁদা হিসাবে প্রাপ্ত মোট টাকা বোর্ড কতৃর্ক নিধার্রিত তফসিলি ব্যাংকে “ভবিষ্য তহবিল হিসাব” নামে ব্যাংক একাউন্ট খুলিয়া উহাতে জমা রাখিবেন এবং মালিকের ও শ্রমিকদের চাঁদাসহ মুনাফার হিসাব রেজিস্টারে পৃথকভাবে প্রদর্শিত হইবে।
(২) একটি রাজস্ব হিসাব খুলিতে হইবে যাহাতে সকল মুনাফা ও বিনিয়োগ হইতে প্রাপ্ত অন্যান্য মুনাফা এবং তহবিল বরাবর বাজেয়াপ্ত যে কোন অর্থ পৃথকভাবে জমা হইবে এবং একইভাবে তহবিল হইতে সিকিউরিটি, মূল্য হ্রাস বাবদ কম হওয়া, সিকিউরিটির কর ও মঞ্জুরি বাবদ অর্থ ব্যয় খাতে প্রদর্শিত হইবে।
(৩) পরিচালনা হিসাব নামে একটি পৃথক হিসাব থাকিবে যাহাতে তহবিলের সকল প্রশাসনিক ব্যয়ের হিসাব প্রদর্শিত হইবে।
(১) নিয়ন্ত্রকের অফিসে প্রত্যেক চা—বাগান ভিত্তিক রক্ষিত পৃথক পৃথক রেজিস্টারে প্রত্যেক সদস্যের নামে একটি একাউন্ট খুলিতে হইবে, যাহাতে নিম্নবর্ণিত অর্থ জমা হইবে, যথা:
(ক) তাহার প্রদত্ত চাঁদা;
(খ) সদস্যের অনুকূলে প্রদত্ত মালিকের অংশ; এবং
(গ) বিধি মোতাবেক মুনাফা।
(২) শ্রমিকের চাঁদা এবং মালিকের অংশের সহিত পৃথক পৃথকভাবে মুনাফা জমা করিতে হইবে এবং প্রত্যেক বৎসর শেষ হইবার পূর্বে নিয়ন্ত্রক সদস্যের হিসাবে প্রদর্শিত বিষয়গুলি পরীক্ষা করিবেন এবং কোনরূপ ভ্রান্তি দৃষ্টিগোচর হইলে উহা সংশোধন করিবেন।
(১) তহবিলের সকল অর্থ বোর্ডের সিদ্ধান্তক্রমে তফসিলি ব্যাংকে জমা রাখিতে হইবে এবং উহার অনূূ্যন ৫০% নিম্নবর্ণিত এক বা একাধিক খাতে বিনিয়োগ করা যাইবে, যথা:
(ক) সরকার কতৃর্ক শর্তহীনভাবে নিশ্চয়তা প্রদত্ত মুনাফা ভিত্তিক সঞ্চয়পত্র ও বন্ড সমূহে ;
(খ) সরকার কতৃর্ক শর্তহীনভাবে নিশ্চয়তা প্রদত্ত তফসিলি ব্যাংকের মেয়াদী আমানতে;
(গ) অন্যান্য কোম্পানির ষ্টক বা ডিবেঞ্চারে যাহার মুনাফার নিশ্চয়তা সরকার প্রদান করিয়াছে;
(ঘ) বাংলাদেশে অবস্থিত স্থাবর সম্পত্তি ক্রয়:
তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত সম্পত্তি ইজারাকৃত হইবে না এবং সম্পত্তির মোট মূল্য এক—তৃতীয়াংশের অধিক বা সম্পত্তিটি দালান হইয়া থাকিলে বন্ধকী অর্থের অর্ধেকের অধিক হইবে না।
(২) কোন বিনিয়োগে কোনরূপ অর্থ ব্যয় হইলে বা লোকসান হইয়া থাকিলে উহা রাজস্ব একাউন্টে চার্জ হইবে।
(৩) নিয়ন্ত্রক তহবিলের সম্পদের একটি শ্রেণি বিভক্ত সংক্ষিপ্ত বিবরণ ফরম—৬৯ অনুযায়ী এবং একটি ব্যালান্স শীট (প্রতি বৎসর ৩০শে জুন পর্যন্ত) প্রস্তুত করিবেন এবং উহার কপি সরকারের নিকট পেশ করিবার লক্ষে বার্ষিক রিপোর্টের সহিত সংযুক্ত করিবেন।
(১) বোর্ডের ট্রাস্টিদের ফি ও ভাতা, তহবিলের কর্মচারীদের বেতন, ভাতা, ইত্যাদিসহ তহবিলের যাবতীয় প্রশাসনিক ব্যয়, অডিট একাউণ্ট ও আইনগত ব্যয়, ষ্টেশনারী ব্যয়, ফরম, আসবাবপত্র, যানবাহন, ভাড়া, কর ও অন্যান্য যুক্তিসঙ্গত ব্যয় বোর্ডের অনুমোদনক্রমে তহবিলের পরিচালন হিসাব হইতে নিবার্হ করিতে হইবে।
(২) “পরিচালন হিসাব” সহ তহবিলের একাউন্টসমূহ বোর্ড কতৃর্ক নির্দিষ্ট ও নিধার্রিত পন্থায় নিয়ন্ত্রক সংরক্ষণ করিবেন।
(১) তহবিলের বাৎসরিক হিসাব ১৯৯৪ সনের কোম্পানি আইনের বিধান মোতাবেক বোর্ডের সিদ্ধান্তক্রমে নিযুক্ত স্বীকৃত চাটার্ড একাউন্টেট ফার্ম কর্তৃক নিরীক্ষা করিতে হইবে।
(২) উপ—বিধি (১) এর অধীন নিযুক্ত নিরীক্ষক তহবিলের হিসাব নিরীক্ষান্তে যথাযথভাবে স্বাক্ষরিত ও সীলমোহরাঙ্কিত নিরীক্ষা প্রতিবেদনের তিন কপি বোর্ডের নিকট প্রদান করিবেন এবং সরকারের নিকটও উহার একটি কপি প্রেরণ করিবেন।
(১) নিয়ন্ত্রক প্রতি বৎসর জুন মাসের প্রথম পক্ষকালের মধ্যে পরবর্তী বৎসরের জন্য একটি বাজেট প্রস্তুত করিয়া উহা বোর্ডের নিকট পেশ করিবেন যাহাতে সম্ভাব্য চাঁদার পরিমাণ, প্রশাসনিক ব্যয়ের লেভী এবং পরবতীর্ বৎসরের প্রস্তাবিত ব্যয় পৃথক পৃথকভাবে প্রদর্শিত হইবে।
(২) বাজেট প্রণয়নের সময়, তহবিলের সার্বিক ব্যবস্থাপনার খরচ যাহাতে ব্যবস্থাপনার খরচ বাবদ আদায়কৃত অর্থের মধ্যে হইতে নির্বাহ করা যায় সেই ব্যাপারে বিশেষ সাবধানতা অবলম্বন করিতে হইবে এবং বোর্ড যদি কোন ক্ষেত্রে কোন খরচ অপরিহার্য বলিয়া মনে করে তাহা হইলে অনুরূপ খরচের জন্য সরকারের পূর্ব অনুমোদন প্রয়োজন হইবে।
(১) বৎসরের শেষে রাজস্ব হিসাবের জমা হইতে অর্জিত মুনাফা প্রত্যেক সদস্যের হিসাবে আনুপাতিক হারে জমা করিতে হইবে।
(২) সদস্যদের হিসাবে জমা মোট মুনাফা রাজস্ব খাতে ব্যয় হিসাবে প্রদর্শিত হইবে।
(৩) প্রত্যেক সদস্যের জমাখাতে প্রথম দিন হইতে শুরু করিয়া শেষ দিন পর্যন্ত মুনাফা জমা করিতে হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, সদস্যদের নামে জমা অর্থ যখন প্রদেয় হয়, তখন চলতি মেয়াদের প্রথম দিন হইতে উক্ত অর্থ যে দিন প্রদানের জন্য গ্রহণ করিতে বলা হইবে সেদিনের পূর্ববতীর্ মাস পর্যন্ত অথবা ফেরত প্রদেয় অর্থ পরিশোধযোগ্য হইবার মাসের পরবতীর্ ছয় মাস শেষ হওয়া পর্যন্ত, যাহা পূর্বে হয় সেই পর্যন্ত মুনাফা জমা হইবে:
আরও শর্ত থাকে যে, পরিশোধের দাবির উপর বা আংশিক মেয়াদের উপর মুনাফা পূর্ববতীর্ বৎসরের মুনাফার হারে প্রদান করা হইবে এবং আংশিক মেয়াদের মাসসমূহের জন্য মাসিক হারে জমা হইবে।
(৪) বোর্ড যদি প্রয়োজন মনে করে তাহা হইলে, সদস্য কতৃর্ক জীবন বীমা পলিসিতে প্রদানের জন্য উত্তোলিত অর্থের উপর যেমন সমীচীন মনে করে সেই হারে, অনুরূপ পলিসি প্রিমিয়ামের খরচ মিটানোর জন্য চার্জ ধার্য করিতে পারিবে এবং অনুরূপ ধার্যকৃত চার্জ, বোর্ড কতৃর্ক নিধার্রিত পন্থায় আদায়ের পর, তহবিলের রাজস্ব খাতে জমা হইবে।
(১) প্রত্যেক সদস্য তাহার মৃত্যুর ক্ষেত্রে তহবিলে তাহার নামে জমা অর্থ গ্রহণের অধিকার প্রদান করিয়া ফরম—৪১ অনুযায়ী মনোনয়ন প্রদান করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, সদস্য নাবালক হইলে, সাবালকত্ব প্রাপ্তির পূর্বে তিনি কোন মনোনয়ন প্রদান করিতে পারিবেন না ।
আরও শর্ত থাকে যে, সাবালক হইবার পূর্বেই অনুরূপ নাবালক সদস্যের মৃত্যু হইলে, তহবিলে তাহার নামে জমা সমুদয় অর্থ, আইন মোতাবেক তাহার পরিবারের সদস্যদেরকে প্রদেয় হইবে।
(২) সদস্য ইচ্ছা করিলে তাহার মনোনয়নপত্রে তাহার নামে জমা অর্থ তাহার মনোনীত ব্যক্তিদের মধ্যে তাহার ইচ্ছানুযায়ী হারাহারি অংশে ভাগ করিয়া প্রদান করিতে পারিবেন।
(৩) যে ক্ষেত্রে মনোনয়ন প্রদানের সময় সদস্যের পরিবার থাকে, সেই ক্ষেত্রে পরিবারভুক্ত এক বা একাধিক সদস্যকে মনোনয়ন প্রদান করিতে হইবে এবং অন্যভাবে মনোনয়ন দেওয়া হইলে সেই ক্ষেত্রে অনুরূপ মনোনয়ন বাতিল হইবে।
ব্যাখ্যা।— এই বিধিতে ‘‘পরিবারভুক্ত সদস্য’’ বলিতে পুরুষ সদস্যের ক্ষেত্রে স্ত্রী, বিবাহিত এবং অবিবাহিত সন্তান—সন্ততি, দত্তক পুত্র—কন্যা, সদস্যের উপর নির্ভরশীল পিতা—মাতা এবং সদস্যের মৃত পুত্রের বিধবা স্ত্রী ও সন্তানগণ এবং মহিলা সদস্যের ক্ষেত্রে স্বামী, বিবাহিত এবং অবিবাহিত সন্তান—সন্ততি, দত্তক পুত্র—কন্যা, স্বামীর অথবা সদস্যের উপর নির্ভরশীল পিতা—মাতা এবং সদস্যের মৃত পুত্রের বিধবা স্ত্রী ও ন্তানগণকে বুঝাইবে।
(৪) মনোনীত কোন ব্যক্তি যদি সদস্যের পূর্বেই মারা যান, সেই ক্ষেত্রে উক্ত সদস্য পুনরায় মনোনয়ন প্রদান করিতে পারিবেন ।
(৫) এই বিধিমালা মোতাবেক প্রদত্ত মনোনয়ন সদস্য কতৃর্ক যে কোন সময় পরিবর্ত করা যাইবে।
(৬) কোন মনোনয়ন এবং উহার কোন পরিবর্তন নিয়ন্ত্রক যে তারিখে উহা প্রাপ্ত হইবেন সেই তারিখ হইতে কার্যকর হইবে ।
(১) কোন সদস্যের নামে তহবিলে বিগত বৎসরের হিসাবে তাহার চাঁদা এবং উহার মুনাফাসহ যে পরিমাণ অর্থ জমা হইয়াছে জীবন বীমা পলিসিতে অর্থ প্রদানের জন্য, অনধিক সেই পরিমাণ অর্থ বার মাসে অনধিক একবার উত্তোলন করা যাইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, নিয়ন্ত্রকের নিকট তৎকতৃর্ক নিধার্রিত ফরমে প্রস্তাবিত জীবন বীমা পলিসির বিস্তারিত বিবরণ দাখিল না করা পর্যন্ত এবং নিয়ন্ত্রক কতৃর্ক উহা যথোপযুক্ত হিসাবে গৃহীত না হওয়া পর্যন্ত কোন অর্থ উঠাইবার অনুমতি প্রদান করা যাইবে না এবং প্রিমিয়াম বা চাঁদা বাবদ প্রকৃতপক্ষে প্রদেয় অর্থের অপেক্ষা অধিক অর্থ উত্তোলনের অনুমতি দেওয়া যাইবে না:
আরও শর্ত থাকে যে, উক্তরূপ অর্থ উত্তোলনের জন্য অনুমতি দেওয়া হইলে, নিয়ন্ত্রক সরাসরি বীমা কেম্পানীকে সেই অর্থ প্রদান করিবেন এবং অনুরূপ পরিশোধের রসিদ গ্রহণ করিবেন।
(২) নূতন পলিসির ক্ষেত্রে প্রথম প্রিমিয়াম পাইবার পর বীমা কোম্পানি বোর্ডের অনুকূলে স্বত্ব নিয়োগের টোকসহ বীমা পলিসিটি জমা করিবে এবং নিয়ন্ত্রক উক্ত স্বত্ব নিয়োগের টোক এবং উহার উপর সদস্যের স্বাক্ষর গ্রহণ করিয়া পলিসিটি নিরাপদ হেফাজতে সংরক্ষণ করিবেন।
(৩) তহবিল হইতে পলিসি বাবদ প্রথম টাকা উঠাইবার তিন মাসের মধ্যে উক্ত পলিসি, উত্তোলিত অর্থের জামানত স্বরূপ, বোর্ডের নামে স্বত্ব নিয়োগ করিতে হইবে এবং উহা নিয়ন্ত্রকের নিকট হস্তান্তর করিতে হইবে।
(৪) পুরাতন পলিসি বাবদ টাকা উত্তোলনের অনুমতি প্রদানের পূর্বে নিয়ন্ত্রককে, বীমা কোম্পানির নিকট বিষয়টি প্রেরণ করিয়া উক্ত পলিসির ব্যাপারে পূর্বে কোন স্বত্ব নিয়োগ করা হইয়াছে কিনা বা পলিসিটি সম্পূর্ণ দায়মুক্ত কিনা এই সম্পর্কে সন্তুষ্ট হইতে হইবে।
(৫) নিয়ন্ত্রকের পূর্ব অনুমোদন ব্যতীত পলিসির কোন শর্ত পরিবর্তন বা কোন নূতন পলিসি দ্বারা উহার প্রতিস্থাপন করা যাইবে না এবং পলিসির শর্ত পরিবর্তন বা নূতন পলিসির বিষয়ে বিস্তারিত বর্ণনা নিয়ন্ত্রকের নিকট তৎকতৃর্ক নিধার্রিত উপায়ে দাখিল করিতে হইবে।
(৬) যেক্ষেত্রে পলিসির স্বত্ব নিয়োগ এবং উহা অর্পণ না করা হয়, সেই ক্ষেত্রে উক্ত পলিসি বাবদ টাকা উত্তোলন করিয়া থাকিলে, সদস্যকে সঙ্গে সঙ্গে শতকরা পাঁচ ভাগ হারে উক্ত টাকার উপর চার্জসহ সেই টাকা জমা করিতে হইবে, অন্যথায় নিয়ন্ত্রক সদস্যের মজুরি হইতে উক্ত অর্থ তৎকর্তৃক নিধার্রিত কিস্তি অনুযায়ী কর্তন করিবার নির্দেশ প্রদান করিবেন।
(৭) এই বিধি মোতাবেক গ্রহণীয় পলিসি সদস্যের নিজের জীবনের উপর কার্যকর হইবে এবং সদস্য কতৃর্ক বোর্ডের নিকট আইনানুগ স্বত্ব নিয়োগ করা যাইবে।
(১) পলিসি স্বক্রিয় থাকা অবস্থায় পলিসির শর্ত মোতাবেক সদস্য কর্তৃক বোনাসের অর্থ উত্তোলন ঐচ্ছিক হইয়া থাকিলে, সদস্য উক্ত বোনাসের অর্থ উত্তোলন করিতে পারিবেন এবং পলিসির শর্ত মোতাবেক বোনাসের অর্থ উত্তোলনে সদস্যকে বাধা প্রদান করা যাইবে না।
(২) বোনাসের অর্থ উত্তোলনের স্বার্থে সদস্যকে উহা তহবিলে জমা প্রদান করিতে হইবে ও উক্ত উত্তোলিত অর্থের বিপরীতে সমন্বয় করিতে হইবে, অথবা সদস্য যদি উহা জমা করিতে ব্যর্থ হন, সেই ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রক, তৎকতৃর্ক নিধার্রিত কিস্তিতে সদস্যের মজুরি হইতে উহা কর্তন করিবার নির্দেশ প্রদান করিবেন।
(৩) বোর্ডের নিকট স্বত্ব নিয়োজিত কোন পলিসি যদি পরিপক্ক হয় বা সদস্যের চাকরি ত্যাগের পূর্বে যদি অন্যভাবে অর্থ প্রাপ্য হয়, সেই ক্ষেত্রে বোর্ড উক্ত চুক্তিকৃত অর্থ প্রাপ্য বোনাসসহ আদায় করিবে এবং সদস্যের নামে তহবিলে জমা খাতে উক্ত অর্থ জমা করিবে।
(১) যেইক্ষেত্রে কোন সদস্য
(ক) বয়স অথবা চাকরির দৈর্ঘ্যের কারণে অবসর গ্রহণ করেন;
(খ) সম্পূর্ণর্ স্থায়ী দৈহিক অক্ষমতা বা মানসিক অসামর্থতার কারণে অবসর গ্রহণ করেন;
(গ) বোর্ড কর্তৃক অথবা বোর্ডের প্রাধিকারপ্রাপ্ত হইয়া নিয়ন্ত্রক কতৃর্ক তহবিলে তাহার নামে জমা অর্থ উত্তোলনের অনুমতি প্রাপ্ত হন;
(ঘ) বোর্ড কতৃর্ক অথবা বোর্ডের প্রাধিকারপ্রাপ্ত হইয়া নিয়ন্ত্রক কতৃর্ক তহবিলে তাহার নামে জমা অর্থ উত্তোলন এবং পুনরায় জমা করিয়া থাকেন, সেই ক্ষেত্রে বোর্ড পলিসিটি সদস্যের নামে পুনঃস্বত্ব নিয়োগের বিষয়ে লিখিত ও স্বাক্ষরিত নোটিসসহ সদস্যের নিকট হস্তাস্তর করিবে।
(২) চাকরি ত্যাগের পূর্বেই যদি কোন সদস্য মৃত্যুবরণ করেন তাহা হইলে বোর্ড সেই ক্ষেত্রে উক্ত সদস্যের মনোনীত ব্যক্তিকে (যদি থাকে) অথবা আইনত উহা পাইতে পারেন এমন ব্যক্তিকে পলিসিটি পুনঃস্বত্ব নিয়োগ করিবে এবং পলিসিটি বীমা কোম্পানিকে পলিসির ব্যাপারে পুনঃস্বত্ব নিয়োগের লিখিত স্বাক্ষরিত নোটিসসহ উক্ত মনোনীত বা অনুরূপ ব্যক্তির নিকট হস্তাস্তর করিবে।
(১) নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে একজন সদস্য তহবিলে তাহার নামে জমা সমুদয় অর্থ উত্তোলন করিতে পারিবেন, যথা:
(ক) বাগানের চাকরি হইতে আইন মোতাবেক স্বাভাবিকভাবে অবসর গ্রহণ করিলে;
(খ) যোগ্য চিকিৎসক কতৃর্ক যথাযথ প্রত্যয়ন সাপেক্ষে সম্পূর্ণ দৈহিক অক্ষমতা বা মানসিক অসামর্থতার কারণে কাজ করিতে অক্ষমতার দরুণ অবসর গ্রহণ করিলে:
তবে শর্ত থাকে যে, যে কোন অবসরগ্রহণকারী সদস্য অবসর গ্রহণের তিন মাস পর তাহার জমাকৃত অর্থ উত্তোলন করিতে পারিবেন।
(২) অবসর গ্রহণ ব্যতীত অন্য ক্ষেত্রে, কোন সদস্য তাহার আবেদনের তারিখে আইন প্রযোজ্য এমন অন্য কোন বাগানে অনধিক তিন মাস লাগাতার চাকরিবিহীন থাকিলে, বোর্ড কতৃর্ক প্রাধিকারপ্রাপ্ত হইয়া থাকিলে নিয়ন্ত্রক উক্ত সদস্যের নামে তহবিলে জমা অর্থ উত্তোলনের অনুমতি প্রদান করিতে পারিবে।
(৩) কোন সদস্যের স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণের ক্ষেত্রে:
(ক) তহবিলে তাহার সদস্য পদের মেয়াদ তিন বৎসরের কম হইলে মুনাফাসহ মালিকের অংশের শতকরা ৫০ভাগ তহবিলে বাজেয়াপ্ত হইবে;
(খ) তহবিলে তাহার সদস্য পদ তিন বৎসরের অধিক কিন্তু পাঁচ বৎসরের কম হইলে মালিকের অংশের শতকরা ২৫ ভাগ বাজেয়াপ্ত হইবে;
(গ) পাঁচ বৎসরের অধিক কিন্তু দশ বৎসরের কম হইলে মালিকের অংশ ১৫% বাজেয়াপ্ত হইবে।
(৪) উপ—বিধি (৩) মোতাবেক কোন সদস্য টাকা উত্তোলন করিবার পর তিনি পুনরায় বাগানের কাজে চাকরি গ্রহণ করিলে তাহাকে নূতন সদস্য হিসাবে তহবিলে যোগদান করিতে হইবে।
(৫) তহবিলে বাজেয়াপ্তকৃত কোন অর্থ মালিককে ফেরত প্রদান করা হইবে না, উহা তহবিলের রাজস্ব খাতে জমা হইবে।
(৬) ভবিষ্য তহবিল কার্যালয় হইতে অবসরপ্রাপ্ত সদস্যদের পরিশোধিত অর্থ বাগান কতৃর্পক্ষ ক্রসড চেকের মাধ্যমে প্রাপককে প্রদান করিবে এবং পরবর্তী ৭ (সাত) দিনের মধ্যে প্রাপকের প্রাপ্তি স্বীকারপত্র নিয়ন্ত্রকের নিকট প্রেরণ করিবে।
যদি কোন সদস্য এক বাগান হইতে চাকরি ত্যাগ করিয়া বা অন্য কোনভাবে চাকরির অবসানের পরে অন্য কোন বাগানে কাজে যোগদান করিয়া থাকেন এবং তিনি তহবিলে তাহার জমাকৃত অর্থ উত্তোলন না করিয়া থাকেন তাহা হইলে তাহার আবেদনের প্রেক্ষিতে নিয়ন্ত্রক তাহার সদস্যপদ অব্যাহত রাখিতে পারিবেন এবং উক্ত শ্রমিক ধারা ২৬৮(১) মোতাবেক যে তারিখ হইতে নূতন বাগানের শ্রমিক হিসাবে তহবিলের সদস্যপদ লাভের অধিকারী হইবেন সেই তারিখ হইতে উক্ত শ্রমিকের হিসাব নূতন বাগানের রেজিস্ট্রারে স্থানান্তর করিবেন এবং এইরূপ ক্ষেত্রে শ্রমিকের পূর্বের জমার উপরে সুদ জমা অব্যাহত থাকিবে।
তহবিলের অর্থ প্রদেয় হইবার পূর্বেই অথবা প্রদেয় হইবার পর কিন্তু প্রদানের পূর্বেই কোন সদস্যের মৃত্যু হইলে—
(ক) সদস্যের নামে জমা অর্থ মনোনয়ন মোতাবেক মনোনীত ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গকে প্রদেয় হইবে; অথবা
(খ) যদি মনোনয়ন বিদ্যমান না থাকে বা যদি মনোনয়নটি তহবিলে জমার কোন অংশের উপর প্রযোজ্য না হইয়া থাকে, সেই ক্ষেত্রে তহবিলে জমা সমুদয় অর্থ মৃত ব্যক্তির পারিবারিক আইন অনুযায়ী তাহার পরিবারের সদস্যদেরকে প্রদেয় হইবে।
টারমিনেশন, ডিসচার্জ, ছাঁটাই বা বরখাস্ত হইলেও তহবিলে কোন শ্রমিকের নামে জমাকৃত অর্থ হইতে তাহাকে বঞ্চিত করা যাইবে না।
(১) কোন সদস্যের হিসাব বন্ধ করিবার ক্ষেত্রে প্রদেয় অর্থের কোন অংশের বিষয়ে বিরোধ বা সন্দেহের সৃষ্টি হইলে, যে অংশের ব্যাপারে কোন বিরোধ বা সন্দেহ নাই সেই অংশ নিয়ন্ত্রক ৩ (তিন) মাসের মধ্যে প্রদান করিবেন এবং অবশিষ্ট অংশ ৬ (ছয়) মাসের মধ্যে সমন্বয়পূর্বক প্রদান করিবেন।
(২) এই বিধিমালা মোতাবেক অর্থ প্রদেয় হইতেছে এমন ব্যক্তি যদি নাবালক বা উন্মাদ হইয়া থাকেন এবং তাহার সম্পত্তির জন্য এঁধৎফরধহং ধহফ ডধৎফং অপঃ, ১৮৯০ (অপঃ ঘড়. ঠওওও ড়ভ ১৮৯০) মোতাবেক অভিভাবক নিযুক্ত করা হইয়া থাকে অথবা খঁহধপু অপঃ, ১৯১২ (অপঃ ঘড়. ওঠ ড়ভ ১৯১২) মোতাবেক ব্যবস্থাপক নিযুক্ত হইয়া থাকে, সেই ক্ষেত্রে অর্থ উক্ত অভিভাবক বা ব্যবস্থাপককে প্রদান করিতে হইবে।
(৩) যেক্ষেত্রে অনুরূপ অভিভাবক বা ব্যবস্থাপক নিয়োগ করা হয় নাই সেই ক্ষেত্রে প্রদেয় অর্থের পরিমাণ ৩০,০০০ (ত্রিশ হাজার) টাকার অধিক না হইলে নিয়ন্ত্রক, ৩০,০০০ (ত্রিশ হাজার) টাকার অধিক যে কোন পরিমাণ অর্থ বোর্ডের সিদ্ধান্তক্রমে চেয়ারম্যান যাহাকে উক্ত নাবালক বা উন্মাদ প্রতিনিধিত্বকারী ব্যক্তি হিসাবে উপযুক্ত মনে করিবেন তাহাকে প্রদান করিবেন।
(৪) এই বিধি মোতাবেক অর্থ পাইতে আগ্রহী ব্যক্তিকে বাগান ব্যবস্থাপকের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রকের নিকট নির্ধারিত ফরমে লিখিত নোটিস প্রেরণ করিতে হইবে।
(৫) যে ব্যক্তিকে অর্থ প্রদেয় হইবে তাহার ইচ্ছানুযায়ী নিয়ন্ত্রক উক্ত অর্থের ব্যাংক ড্রাফট বা পে—অর্ডার সংশ্লিষ্ট বাগান ব্যবস্থাপকের মাধ্যমে প্রদান করিবেন।
(১) প্রত্যেক বৎসর শেষ হইবার পরবর্তী ৬ (ছয়) মাসের মধ্যে নিয়ন্ত্রক প্রত্যেক সদস্যকে তাহার সর্বশেষ নিয়োগকর্তার মাধ্যমে, তহবিলে বৎসরের শুরুতে প্রারম্ভিক স্থিতি, বৎসরে প্রদত্ত চাঁদার পরিমাণ, বৎসরের শেষে জমাকৃত মুনাফা এবং বৎসরের শেষ স্থিতির পরিমাণ উল্লেখ করিয়া একটি লিখিত ও স্বাক্ষরিত বিবরণী সরবরাহ করিবেন।
(২) সদস্যগণ উক্ত বার্ষিক হিসাব সম্পর্কে নিজেরা নিশ্চিত হইবেন এবং কোন ত্রুটি থাকিলে বিবরণ পাইবার ৩ (তিন) মাসের মধ্যে উহা সংশোধনের জন্য নিয়ন্ত্রকের নিকট ফেরত পাঠাইবেন।
(৩) নিয়ন্ত্রক বিবরণীটি প্রয়োজনীয় যাচাই করিয়া ত্রুটি থাকিলে উহা সংশোধনপূর্বক পরবর্তী ১০ (দশ) দিনের মধ্যে পুনরায় একটি বিবরণী সদস্যকে প্রদান করিবেন।
(১) বোর্ড, প্রতি বৎসর ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে পূর্ববতীর্ বৎসরে তহবিলের কার্যপদ্ধতি সম্পর্কে সরকারের নিকট একটি প্রতিবেদন দাখিল করিবে।
(২) যে সকল বাগানের শ্রমিকগণ তহবিলের সদস্য হইয়াছেন, উক্ত বাগানের মালিককে বিনামূল্যে উক্ত প্রতিবেদনের একটি অনুলিপি প্রেরণ করিতে হইবে।
সমস্ত আদেশ এবং দলিলাদি বোর্ডের নামে প্রদত্ত এবং সম্পাদিত হইবে এবং নিয়ন্ত্রক বা বোর্ড কতৃর্ক প্রাধিকারপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তা কতৃর্ক উহা প্রত্যায়িত হইতে হইবে।
আইন এবং এই বিধিমালার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে বা তহবিলে সদস্য পদের পরিসমাপ্তিতে জমাকৃত অর্থ সদস্যদের পরিশোধ করাসহ তহবিলের পরিচালনার বিষয়ে কোন সংকট নিরসনের উদ্দেশ্যে সরকার সময়ে সময়ে বোর্ডকে নির্দেশনা প্রদান করিবে।
(১) প্রত্যেক সংবাদপত্র প্রতিষ্ঠানে ধারা ২৭৩ মোতাবেক বাধ্যতামূলকভাবে ভবিষ্য তহবিল গঠন করিতে হইবে এবং কোন প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব অনুমোদিত চাকরি বিধিমালার অবর্তমানে বিধি ৩০৩ হইতে ৩২৫ দ্বারা উহা পরিচালিত হইবে।
(২) ভবিষ্য তহবিল পরিচালনার উদ্দেশ্যে ধারা ২৬৪ অনুযায়ী একটি ট্রাস্টি বোর্ড গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করিতে হইবে।
(১) যদি কোন ব্যক্তি
(ক) সদস্য হইবার যোগ্য শ্রমিকের সদস্যভূক্তির মনোনয়ন নিয়ন্ত্রকের দপ্তরে প্রেরণ না করেন;
(খ) সদস্যের মজুরি বা অন্য পারিশ্রমিক হইতে মালিকের অংশ কর্তন করিয়া থাকেন বা কর্তন করিবার চেষ্টা করেন;
(গ) এই বিধিমালা মোতাবেক দাখিল করা আবশ্যক বা দাখিল করিতে নির্দেশ দেওয়া হইয়াছে এমন রিটার্ন, বিবরণী বা অন্য কোন দলিল দাখিল করিতে ব্যর্থ হন বা অস্বীকার করেন;
(ঘ) মিথ্যা রিটার্ন, বর্ণনা বা দলিল দাখিল করিয়া থাকেন বা মিথ্যা বিবৃতি প্রদান করেন;
(ঙ) বোর্ড বা সরকারের কোন কর্মকতার্কে তাহার দায়িত্ব পালনে বাধা প্রদান করেন বা অনুরূপ কোন কর্মকতার্ কতৃর্ক পরিদর্শনের জন্য কোন রেকর্ড হাজির করিতে ব্যর্থ হন;
(চ) এই বিধিমালার অন্য কোন আবশ্যিকতা পালন না করিবার বা ভঙ্গ করিবার দরুন দোষী সাব্যস্ত হন;
তাহা হইলে তিনি ধারা ২৯৮ অনুযায়ী দন্ড প্রাপ্ত হইবেন।
(২) ট্রাস্টি বোর্ড তহবিলের অর্থ ব্যাংক সুদের হারের চাইতে কম হারে ঋণ প্রদান করিলে বা মালিককে ব্যবসায়ের কাজে ব্যবহারের অনুমতি প্রদান করিলে বা নিজের লাভে প্রয়োগ করিলে মালিক এবং ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য দন্ডবিধি, ১৮৬০ (১৮৬০ সনের ৫নং আইন) এর ধারা ৪০৯ মোতাবেক দন্ডনীয় হইবেন।
(১) প্রতিষ্ঠানের চাকরিতে ২ (দুই) বৎসর মেয়াদ পূর্ণ হইয়াছে এমন সকল শ্রমিক ও কর্মচারীকে ভবিষ্য তহবিলে সদস্য হইতে হইবে।
(২) কোন শ্রমিক ভবিষ্য তহবিলের সদস্য হইবার বা সদস্যপদ অব্যাহত রাখিবার ব্যাপারে অথবা সদস্য হইবার তারিখ সম্পর্কে কোন প্রশ্ন উত্থাপিত হইলে সেই সম্পর্কে বোর্ড সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, উপ—বিধি (১) এ উল্লিখিত ২ (দুই) বৎসর সময়ের মধ্যে
(ক) বেআইনী লক—আউট, আইনসম্মত ধর্মঘট, লে—অফের দিনসমূহ;
(খ) সাপ্তাহিক ছুটি, পীড়া ছুটি, নৈমিত্তিক ছুটি বা অনুমোদিত যে কোন ছুটি বা অবকাশের দরুণ চাকরিতে ছেদ; অথবা
(গ) মহিলা শ্রমিক বা কর্মচারীদের ক্ষেত্রে অনধিক ১৬ (ষোল) সপ্তাহের মাতৃত্ব ছুটি, ইত্যাদি সময়ে উক্ত শ্রমিক প্রতিষ্ঠানে কাজ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।
(৩) তহবিলের সদস্য হইবার অধিকারী অথবা সদস্য হওয়া প্রয়োজন হইলে সংশ্লিষ্ট শ্রমিককে মনোনীত ব্যক্তির নামসহ যাবতীয় তথ্য সরবরাহের জন্য মালিক নির্দেশ প্রদান করিবেন এবং সংশ্লিষ্ট শ্রমিকগণ উক্ত নির্দেশ মোতাবেক তথ্য সরবরাহ করিবেন।
(৪) মালিক উপ—বিধি (৩) এর অধীন প্রাপ্ত তথ্যসমূহ বোর্ডের নিকট প্রেরণ করিবেন।
(৫) প্রত্যেক মালিক এই বিধিমালা কার্যকর হইবার তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে তহবিলের সদস্য হইবার যোগ্যতাসম্পন্ন প্রত্যেক শ্রমিক সম্পর্কে ফরম—৬৭ অনুযায়ী একটি রিটার্ন নিয়ন্ত্রকের নিকট প্রেরণ করিবেন।
ট্রাস্টি বোর্ড প্রত্যেক সদস্যকে উহা কতৃর্ক নিধার্রিত পদ্ধতিতে ফরম—৬৮ অনুযায়ী একটি হিসাব নম্বর মঞ্জুর করিবে এবং সদস্যকে উক্ত হিসাব নম্বর অবহিত করিবে।
ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্যগণ চেয়ারম্যান ব্যতীত অন্যান্য ট্রাস্টিদের মধ্য হইতে একজনকে সদস্য—সচিব হিসাবে নিযুক্ত করিবেন।
(১) চেয়ারম্যানের সহিত আলোচনাক্রমে সচিব ট্রাস্টি বোর্ডের প্রতিটি সভার তারিখ, স্থান ও সময় নিধার্রণ করিবেন এবং উক্ত তারিখের অন্তত ৭ (সাত) দিন পূর্বে প্রত্যেক ট্রাস্টির ঠিকানায় উক্ত সভার নোটিস ‘আলোচ্য সূচিসহ’ রেজিস্ট্রি ডাকযোগে বা ট্রাস্টিগণের নিকট গ্রহণযোগ্য অন্য পন্থায় প্রেরণ করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, জরুরি সভার ক্ষেত্রে প্রত্যেক ট্রাস্টিকে ৩ (তিন) দিন পূর্বে নোটিস প্রদান করা যাইবে।
(২) চেয়ারম্যান বোর্ডের সভায় সভাপতিত্ব করিবেন।
(৩) কোন সভায় চেয়ারম্যান অনুপস্থিত থাকিলে উপস্থিত ট্রাস্টিগণ তাহাদের মধ্য হইতে একজনকে সভায় সভাপতিত্ব করিবার জন্য মনোনীত করিবেন এবং তিনি সভায় চেয়ারম্যানের সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করিবেন।
(৪) মালিক পক্ষের একজন প্রতিনিধিত্বকারী ও শ্রমিক পক্ষের প্রতিনিধিত্বকারী একজন ট্রাস্টিসহ অনধিক ৩ (তিন) জন ট্রাস্টি উপস্থিত না হইলে বোর্ডের সভার কোরাম হইবে না।
(৫) কোন সভায় নির্ধারিত সময়ের ১ (এক) ঘন্টার মধ্যে কোরাম গঠিত না হইলে, সভা মুলতবি হইয়া যাইবে এবং পরবর্তী ১০ (দশ) দিনের মধ্যে মুলতবি সভা অনুষ্ঠিত হইবে।
(৬) যদি মুলতবি সভায় পুনরায় কোরাম গঠিত না হয়, সেই ক্ষেত্রে তৃতীয়বারের মত একইভাবে সভাটি মুলতবি হইবে এবং উক্ত পরবতীর্ মুলতবি সভায় যে কোন সংখ্যক ট্রাস্টির উপস্থিতিই কোরাম হিসাবে গণ্য হইবে।
(৭) ভবিষ্য তহবিল সংক্রান্ত সকল বিষয় বোর্ডে উত্থাপিত হইবে এবং সভায় উপস্থিত ট্রাস্টিদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সকল বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে।
(৮) কোন বিষয়ে উভয় পক্ষের সমসংখ্যক ভোট প্রদত্ত হইলে চেয়ারম্যান নিণার্য়ক বা কাষ্টিং ভোট প্রদান করিবেন।
(৯) কোন বিষয়ে হাত তুলিয়া ভোট প্রদান করা যাইবে, তবে উপস্থিত ট্রাস্টিদের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ ব্যালটে ভোট গ্রহণের দাবি জানাইলে ভোট গোপন ব্যালটে অনুষ্ঠিত হইবে।
অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে উপস্থিত ট্রাস্টিদের নাম উল্লেখসহ প্রত্যেক সভার কার্যবিবরণী পরবতীর্ সভার অন্তত ৭ (সাত) দিন পূর্বে প্রত্যেক ট্রাস্টি ও সরকারের নিকট প্রেরণ করিতে হইবে এবং কার্যবিবরণী পরবতীর্ সভায় দৃঢ়ীকরণ করিতে হইবে।
(১) মূল মজুরির ৮% ভবিষ্য তহবিলে চাঁদা হিসাবে কর্তন করিতে হইবে।
(২) মালিক সংশ্লিষ্ট শ্রমিকের মজুরি পরিশোধের পূর্বে ভবিষ্য তহবিলের চাঁদার টাকা কর্তন করিয়া সমপরিমাণ নিজের চাঁদাসহ প্রত্যেক মাস শেষ হইবার ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে ব্যাংক ড্রাফট বা চেকের মাধ্যমে তহবিলে জমা প্রদান করিবেন।
(৩) মাস শেষ হইবার ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে মালিক একটি সামগ্রিক মাসিক প্রতিবেদন বোর্ডের নিকট প্রেরণ করিবেন এবং উক্ত সামগ্রিক প্রতিবেদনে প্রত্যেক শ্রমিকের নিকট হইতে আদায়কৃত অর্থের পরিমাণ ও উক্ত শ্রমিকের খাতে মালিকের প্রদত্ত চাঁদার পরিমাণ উল্লেখ করিতে হইবে।
(১) সচিব মালিকের নিকট হইতে প্রাপ্ত ব্যাংক ড্রাফট বা চেক বোর্ড কতৃর্ক নিধার্রিত তফসিলি ব্যাংকে জমা করিবেন।
(২) ট্রাস্টি বোর্ডের ৩ (তিন) জন সদস্যের যৌথ স্বাক্ষরে হিসাব পরিচালিত হইবে।
(৩) উপ—বিধি (২) এ উল্লিখিত সদস্যগণের মধ্যে কমপক্ষে একজন শ্রমিক পক্ষের সদস্য থাকিবে।
প্রত্যেক মাস শেষ হইবার ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে প্রত্যেক মালিক বোর্ডের নিকট একটি রিটার্ন প্রেরণ করিবেন যাহাতে−
(ক) পূর্ববতীর্ মাসে যে সকল শ্রমিক তহবিলের সদস্য হইবার যোগ্যতা অর্জন করিয়াছে তাহাদের পূর্ণ বিবরণ সম্বলিত একটি তালিকা থাকিবে; এবং
(খ) কোন সদস্য পূর্ববতীর্ মাসে মালিকের চাকরি ত্যাগ করিয়া থাকিলে, বোর্ড কতৃর্ক নিধার্রিত ফরমে তাহার বা তাহাদের নামের পৃথক তালিকা থাকিবে।
প্রত্যেক মালিক ভবিষ্য তহবিলে প্রদত্ত তাহার নিজের চাঁদা এবং শ্রমিকদের চাঁদার হিসাব বোর্ড কতৃর্ক সময়ে সময়ে নির্দেশিত পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করিবেন।
তহবিলে মালিকের ও শ্রমিকদের চাঁদা হিসাবে প্রাপ্ত মোট টাকা “ভবিষ্য তহবিল হিসাব” নামে ব্যাংক হিসাব খুলিয়া উক্ত হিসাবে জমা রাখিতে হইবে এবং মালিকের ও শ্রমিকদের চাঁদাসহ মুনাফার হিসাব যথোপযুক্ত রেজিস্টারে পৃথক পৃথকভাবে দেখাইতে হইবে।
১) বোর্ড, প্রতি বৎসর ৩০শে মার্চের মধ্যে পূর্ববতীর্ বৎসরের তহবিলের হিসাব বিবরণী মালিকের নিকট ফরম—৮১(্ট) অনুযায়ী প্রতিবেদন আকারে দাখিল করিবে।
(২) বোর্ড কতৃর্ক হিসাব বিবরণীর প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর মালিক উহার একটি কপি কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরে প্রেরণ করিবেন।
একটি রাজস্ব হিসাব খুলিতে হইবে যাহাতে সকল মুনাফা ও সিকিউরিটি বিক্রয় বাবদ উপার্জিত অন্যান্য মুনাফা এবং তহবিল বরাবর বাজেয়াপ্ত যে কোন অর্থ পৃথকভাবে জমা হইবে এবং একইভাবে সিকিউরিটি বিক্রি বাবদ, সিকিউরিটি মূল্য হ্রাস বা সিকিউরিটির কমিশন ও মঞ্জুরি বাবদ অর্থ পৃথকভাবে ব্যয় খাতে প্রদর্শন করিতে হইবে।
(১) তহবিলের অফিসে প্রত্যেক সদস্যের নামে লেজারে একটি একাউন্ট খুলিতে হইবে, যাহাতে নিম্নবর্ণিত অর্থ জমা হইবে, যথা:
(ক) তাহার প্রদত্ত চাঁদা;
(খ) সদস্যের অনুকূলে প্রদত্ত মালিকের চাঁদা; এবং
(গ) বিনিয়োগ হইতে প্রাপ্ত লভ্যাংশ বা মুনাফা।
(২) প্রত্যেক আর্থিক বৎসর শেষ হইবার ৩ (তিন) মাসের মধ্যে সচিব সদস্যের হিসাবে প্রদর্শিত বিষয়গুলি পরীক্ষা করিবেন এবং কোনরূপ ত্রুটি পরিলক্ষিত হইলে উহা সংশোধন করিবেন।
(৩) প্রত্যেক শ্রমিককে ট্রাস্টি বোর্ডের সচিব কর্তৃক স্বাক্ষরিত ও সীলমোহরাঙ্কিত ও খাতওয়ারী জমার একটি হিসাব বিবরণী সরবরাহ করিতে হইবে।
(১) তহবিলের সকল অর্থ বোর্ডের সিদ্ধান্তক্রমে নিম্নবর্ণিত সিকিউরিটিতে বিনিয়োগ করা যাইবে, যথা:
(ক) সরকারের প্রমিসরী নোট, ডিবেঞ্চার অথবা সরকারের অন্য কোন সিকিউরিটি:
তবে শর্ত থাকে যে, উপরি—উক্ত প্রমিসরী নোট, ডিবেঞ্চার বা সিকিউরিটির মূল্য এবং সরকার কতৃর্ক শর্তহীনভাবে প্রদত্ত নিশ্চয়তা বা প্রদত্ত মুনাফা এই অনুচ্ছেদ মোতাবেক সরকারের সিকিউরিটি হিসাবে গণ্য হইবে;
(খ) বন্ড, ডিবেঞ্চার ও সরকার কতৃর্ক চার্জকৃত এ্যাকুইটি:
তবে শর্ত থাকে যে, সিংকিং ফান্ড প্রতিষ্ঠা ব্যতীত অনুরূপ এ্যাকুইটিতে কোন অর্থ জমা করা যাইবে না;
(গ) অন্যান্য কোম্পানির স্টক বা ডিবেঞ্চার যাহার মুনাফার নিশ্চয়তা সরকার প্রদান করেছে;
(ঘ) বাংলাদেশে অবস্থিত স্থাবর সম্পত্তি ক্রয়:
তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত সম্পত্তি ইজারাকৃত হইলে উহা ক্রয় করা যাইবে না।
(২) কোন বিনিয়োগে কোনরূপ অর্থ ব্যয় হইলে বা লোকসান হইয়া থাকিলে উহা রাজস্ব হিসাবে চার্জ হইবে।
(৩) ফরম—৬৯ অনুযায়ী সচিব ফান্ডের সম্পদের একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণ এবং একটি ব্যালান্স শীট (প্রতি বৎসর ৩০শে জুন পর্যন্ত) প্রস্তুত করিবেন এবং উহার কপি বার্ষিক রিপোর্টের সহিত সংযুক্ত করিয়া সরকারের নিকট পেশ করিবেন।
তহবিলের কর্মচারীদের বেতন ও ভাতা, যাবতীয় প্রশাসনিক ব্যয়, অডিট একাউন্ট ও আইনগত ব্যয়, ষ্টেশনারী ব্যয়, ফরম প্রস্তুত, আসবাবপত্র ক্রয়, ভাড়া, রেট, কর ও অন্যান্য যুক্তিসঙ্গত ব্যয়, বোর্ডের অনুমোদনক্রমে তহবিলের পরিচালন হিসাব হইতে নির্বাহ হইবে।
(১) তহবিলের হিসাবপত্র ১৯৯৪ সনের কোম্পানি আইনের বিধান মোতাবেক নিরীক্ষা করিতে হইবে।
(২) এই বিধিমালা মোতাবেক নিযুক্ত হিসাব নিরীক্ষকগণ যথাযথভাবে স্বাক্ষরিত ও সীলমোহরাঙ্কিত নিরীক্ষা প্রতিবেদনের ৩ (তিন) কপি বোর্ডে জমা প্রদান করিবেন।
(১) ভবিষ্য তহবিলে জমাকৃত অর্থ বিনিয়োগ হইতে অর্জিত লভ্যাংশ বা মুনাফা বৎসরের শেষে প্রত্যেক সদস্যের হিসাবে আনুপাতিক হারে জমা করিতে হইবে।
(২) সদস্যদের হিসাবে জমাকৃত মুনাফা ভবিষ্য তহবিলের খরচ হিসাবে প্রদর্শন করিতে হইবে।
(৩) প্রত্যেক সদস্যের জমা খাতে প্রথম দিন হইতে আরম্ভ করিয়া শেষ দিন পর্যন্ত মুনাফা জমা করিতে হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, সদস্যদের নামে জমাকৃত অর্থ যখন প্রদেয় হয়, তখন চলতি মেয়াদের প্রথম দিন হইতে উক্ত অর্থ যেদিন প্রদানের জন্য গ্রহণ করিতে বলা হইবে সেই দিনের পূর্ববতীর্ মাস পর্যন্ত অথবা ফেরত প্রদেয় অর্থ পরিশোধযোগ্য হইবার মাসের পরবতীর্ ৬ (ছয়) মাস শেষ হওয়া পর্যন্ত, যেটি পূর্বে হয়, সুদ জমা হইবে:
আরও শর্ত থাকে যে, পরিশোধের দাবির উপর বা আংশিক মেয়াদের উপর মুনাফা পূর্ববতীর্ বৎসরের মুনাফার হারে প্রদান করা হইবে এবং আংশিক মেয়াদের মাসসমূহের জন্য মাসিক হারে জমা হইবে।
(১) প্রত্যেক সদস্য তাহার মৃত্যুর ক্ষেত্রে তহবিলে তাহার নামে জমা অর্থ গ্রহণের অধিকার প্রদান করিয়া ফরম—৪১ অনুযায়ী মনোনয়ন প্রদান করিবেন।
(২) সদস্য ইচ্ছা করিলে তাহার মনোনয়নপত্রে তাহার নামে জমা অর্থ মনোনীত ব্যক্তিদের মধ্যে তাহার ইচ্ছানুযায়ী হারাহারি অংশে ভাগ করিয়া প্রদান করিতে পারিবেন।
(৩) যে ক্ষেত্রে মনোনয়ন প্রদানের সময় সদস্যের পরিবার থাকে, সেই ক্ষেত্রে পরিবারের এক বা একাধিক সদস্যকে মনোনয়ন প্রদান করিতে হইবে এবং উপরি—উক্তভাবে ব্যতীত অন্যভাবে মনোনয়ন প্রদান করা হইলে সেই ক্ষেত্রে অনুরূপ মনোনয়ন বাতিল হইবে।
(৪) যে ক্ষেত্রে মনোনয়ন প্রদানের সময় সদস্যের কোন পরিবার না থাকে, সেই ক্ষেত্রে তিনি যে কোন ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গকে মনোনীত করিতে পারিবেন, তবে উক্ত সদস্যের পরিবার হইবার সঙ্গে সঙ্গে উক্ত মনোনয়ন বাতিল বলিয়া গণ্য হইবে এবং সদস্য তাহার পরিবারভুক্ত এক বা একাধিক ব্যক্তিকে নূতন করিয়া মনোনয়ন প্রদান করিবেন।
(৫) মনোনীত কোন ব্যক্তি যদি সদস্যের পূর্বেই মৃত্যুবরণ করেন তবে উক্ত মনোনীত ব্যক্তির স্বার্থ পুনরায় সদস্যের উপর ন্যস্ত হইবে এবং সদস্য ইচ্ছা করিলে উক্ত স্বার্থের ব্যাপারে নূতন করিয়া মনোনয়ন প্রদান করিতে পারিবেন।
(৬) এই বিধির অধীন প্রদত্ত মনোনয়ন কোন সদস্য যে কোন সময় লিখিত নোটিস প্রদান করিয়া পরিবর্তন করিতে পারিবেন।
(৭) কোন মনোনয়ন বা উহার কোন পরিবর্তন সচিব যে তারিখে পাইবেন সেই তারিখ হইতে কার্যকর হইবে ।
তহবিলের অর্থ প্রদেয় হইবার পূর্বে অথবা প্রদেয় হইলে উহা প্রদানের পূর্বেই কোন সদস্য মৃত্যুবরণ করিলে —
(ক) যে ক্ষেত্রে মনোনয়ন থাকে সেই ক্ষেত্রে তাহার নামে জমা অর্থ অথবা ইহার কোন অংশ উক্ত মনোনয়ন মোতাবেক মনোনীত ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গকে প্রদেয় হইবে; অথবা
(খ) যদি মনোনয়ন বিদ্যমান না থাকে বা যদি মনোনয়নটি তহবিলে জমার কোন অংশের উপর প্রযোজ্য না হইয়া থাকে, তবে সম্পূর্ণ জমা বা যে অংশের উপর মনোনয়ন প্রযোজ্য নয় সেই অংশ, মৃত সদস্যের পারিবারিক আইন অনুযায়ী তাহার পরিবারের সদস্যদেরকে প্রদেয় হইবে।
(১) যে ক্ষেত্রে কোন সদস্যের নামে জমাকৃত অর্থ অথবা এই বিধিমালা মোতাবেক কর্তনের পর অবশিষ্ট অর্থ প্রদেয় হয়, সেই ক্ষেত্রে সচিব সদস্যের হিসাবটি বন্ধ করিয়া দিবেন এবং যে ব্যক্তিকে অর্থ প্রদেয় হয় তাহার নিকট অর্থের পরিমাণ উল্লেখপূর্বক একটি লিখিত নোটিস প্রেরণ করিবেন।
(২) প্রদেয় অর্থের কোন অংশ সম্পর্কে যদি বিরোধ বা সন্দেহের সৃষ্টি হয়, সেই ক্ষেত্রে যে অংশের ব্যাপারে কোন বিরোধ বা সন্দেহ নাই সেই অংশ অবিলম্বে প্রদান করিবে এবং অবশিষ্ট অংশ যত শীঘ্র সম্ভব সমন্বয় করিতে হইবে।
(৩) বোর্ড তহবিলের জমা অর্থ পরিশোধের ক্ষেত্রে বিধি ২৬৩ অনুসরণ করিবে।
(১) প্রত্যেক বৎসর শেষ হইবার পর যত শীঘ্র সম্ভব, সচিব প্রত্যেক সদস্যকে তহবিলে বৎসরের শুরুতে প্রারম্ভিক স্থিতি, বৎসরে প্রদত্ত চাঁদার পরিমাণ, বৎসরের শেষে জমাকৃত মুনাফা, বৎসরে খরচের পরিমাণ এবং বৎসরের শেষ স্থিতির পরিমাণ উল্লেখপূর্বক একটি বিবরণী সরবরাহ করিবেন।
(২) সদস্য উক্ত বার্ষিক হিসাব সম্পর্কে নিজেরা নিশ্চিত হইবেন এবং কোন ত্রুটি থাকিলে বিবরণ পাইবার ৩ (তিন) মাসের মধ্যে সচিবের গোচরীভূত করিবেন।
সমস্ত আদেশ এবং দলিলাদি বোর্ডের নামে প্রদত্ত ও সম্পাদিত হইবে এবং বোর্ড কতৃর্ক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকতার্ কতৃর্ক উহা স্বাক্ষরিত হইবে।
(১) যদি কোন ব্যক্তি
(ক) এ অধ্যায়ের বিধান মোতাবেক প্রদেয় কোন চাঁদা পযার্প্ত কারণ ব্যতীত পরিশোধ করিতে ব্যর্থ হন;
(খ) সদস্যের মজুরি বা অন্য পারিশ্রমিক হইতে মালিকের অংশ কর্তন করিয়া থাকেন বা কর্তন করিবার চেষ্টা করেন;
(গ) বিধি মোতাবেক দাখিল করা আবশ্যক বা দাখিল করিতে নির্দেশ প্রদান করা হইয়াছে এমন রিটার্ন, বিবরণী বা অন্য কোন দলিল দাখিল করিতে ব্যর্থ হন বা অস্বীকার করেন;
(ঘ) মিথ্যা রিটার্ন, বর্ণনা বা দলিল দাখিল করিয়া থাকেন বা মিথ্যা বিবৃতি প্রদান করেন; অথবা
(ঙ) এ অধ্যায়ের বিধান মোতাবেক অন্য কোন আবশ্যিকতা পালন না করিবার বা ভঙ্গ করিবার দরুণ দোষী সাব্যস্ত হন; তাহা হইলে তিনি ধারা ২৯৮ অনুযায়ী দন্ড প্রাপ্ত হইবেন।
(২) ট্রাস্টি বোর্ড তহবিলের অর্থ ব্যাংক সুদের হারের চাইতে কম হারে ঋণ প্রদান করিলে বা মালিককে ব্যবসায়ের কাজে ব্যবহারের অনুমতি প্রদান করিলে বা নিজের লাভে প্রয়োগ করিলে মালিক এবং ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য দন্ডবিধি, ১৮৬০ (১৮৬০ সনের ৫নং আইন) এর ধারা ৪০৯ মোতাবেক দন্ডনীয় হইবেন।
কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক ধারা ৩১৮ মোতাবেক এই অধ্যায়ের জন্য যোগ্য কর্তৃপক্ষ বলিয়া বিবেচিত হইবেন।
(১) ধারা ২৭৬ মোতাবেক একজন চেয়ারম্যান, একজন সদস্য সচিব এবং সরকার, মালিক ও শ্রমিকদের প্রত্যেকের পক্ষ হইতে প্রতিনিধিত্বশীল ৪ (চার) জন সদস্যের সমন্বয়ে শিক্ষাধীনতা সংক্রান্ত ত্রিপক্ষীয় উপদেষ্টা কমিটি গঠিত হইবে।
(২) শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব পদাধিকারবলে উক্ত কমিটির চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালন করিবেন।
(৩) মহাপরিদর্শক, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর, কমিটির সদস্য—সচিব হিসাবে দায়িত্ব পালন করিবেন।
(৪) উক্ত কমিটিতে সরকার পক্ষের সদস্য হিসাবে শ্রম, দক্ষতা উন্নয়ন, কারিগরি শিক্ষা এবং শিল্প বিভাগ হইতে একজন করিয়া প্রতিনিধি সরকার কর্তৃক মনোনীত হইবেন।
(৫) মালিক ও শ্রমিকদের সর্বাধিক প্রতিনিধিত্বকারী সংস্থা বা সংগঠনসমূহের সহিত আলোচনাক্রমে কমিটিতে মালিক এবং শ্রমিক প্রতিনিধি সরকার কর্তৃক মনোনীত হইবেন ।
(১) কমিটির সদস্যদের কার্যকালের মেয়াদ হইবে সরকারি গেজেটে তাহাদের নিয়োগ সম্পর্কে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের তারিখ হইতে ২ (দুই) বৎসর।
(২) উক্ত ২ (দুই) বৎসর শেষ হইবার পরেও সরকারি গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাহার স্থলাভিষিক্ত ব্যক্তির নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত একজন সদস্য তাহার দায়িত্ব পালন করিতে পারিবেন।
(৩) কোন সদস্যের মেয়াদ শেষ হইবার কারণে সদস্যপদের পরিসমাপ্তি ঘটিলে এবং অন্য কোন কারণে অযোগ্য না হইলে তিনি পুনরায় নিয়োগের যোগ্য হইবেন।
(৪) মৃত্যু, পদত্যাগ বা অন্য কোন কারণে কাহারো সদস্যপদ শূন্য হইলে প্রতিনিধিত্বের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ না করিয়া সরকার উক্ত শূন্যপদ পূরণ করিতে পারিবে।
(৫) একজন সদস্য সরকারের নিকট লিখিত নোটিস প্রেরণ করিয়া পদত্যাগ করিতে পারিবেন এবং সরকার কতৃর্ক উক্ত পদত্যাগপত্র গৃহীত হইলে তাহার পদ শূন্য হইবে ।
(৬) অসদাচরণ বা অন্য কোন কারণে একজন সদস্যকে কমিটিতে রাখা জনস্বার্থের অনুকূলে নহে বলিয়া বিবেচিত হইলে সরকার তাহাকে অপসারণ করিতে পারিবে।
(৭) সাময়িক শূন্যপদ পূরণের জন্য কোন ব্যক্তিকে সদস্যপদে নিয়োগ করা হইলে তিনি শুধু কমিটির অবশিষ্ট মেয়াদকালের জন্য উক্ত পদে বহাল থাকিতে পারিবেন।
(১) প্রতি ৬ (ছয়) মাস অন্তর বৎসরে অন্তত ২টি সভা অনুষ্ঠিত হইবে, তবে চেয়ারম্যান যতবার প্রয়োজন মনে করিবেন ততবার কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হইতে পারিবে।
(২) সদস্য—সচিব চেয়ারম্যানের সহিত আলোচনাক্রমে প্রত্যেক সদস্যের নিকট লিখিত নোটিস প্রদান করিয়া কমিটির সভা আহবান করিবেন।
(৩) সভায় চেয়ারম্যান সভাপতিত্ব করিবেন, তাহার অনুপস্থিতিতে তৎকর্তৃক দায়িত্বপ্রাপ্ত কোন সরকারি সদস্য সভাপতিত্ব করিতে পারিবেন।
(৪) চেয়ারম্যানসহ মোট ৭ (সাত) জন সদস্য উপস্থিত থাকিলে সভায় কোরাম হইবে এবং চেয়ারম্যান ব্যতীত অবশিষ্ট সদস্যদের মধ্যে সরকার, মালিক ও শ্রমিক পক্ষের কমপক্ষে একজন করিয়া প্রতিনিধি উপস্থিত থাকিতে হইবে।
(৫) সভায় উপস্থিত সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠের ভোটে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে এবং পক্ষে ও বিপক্ষে সমসংখ্যক ভোট প্রদান করা হইলে চেয়ারম্যান একটি নির্ণায়ক ভোট প্রদান করিতে পারিবেন।
(১) কমিটির কার্যাবলি হইবে নিম্নরূপ, যথা:
(ক) আইনের অষ্টাদশ অধ্যায় কার্যকর করিবার বিষয়ে উপযুক্ত কতৃর্পক্ষকে নির্দেশনা প্রদান;
(খ) প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয়তা নির্ধারণ এবং সাধারণভাবে বা বিশেষ ক্ষেত্রে শিক্ষাধীন ব্যক্তির প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা সম্পর্কে যোগ্য কতৃর্পক্ষকে সুপারিশ করা;
(গ) ভর্তির সময় শিক্ষাধীন ব্যক্তির সর্বনিম্ন শিক্ষাগত যোগ্যতা, পাঠ্যবিষয়, পাঠ্যক্রমের মেয়াদ, পরীক্ষা, শ্রেণিবিন্যাস এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয়ে শিক্ষাধীনতার মান সম্পর্কে সরকারকে পরামর্শ প্রদান।
(২) কমিটি প্রয়োজন মনে করিলে কোন নির্দিষ্ট বিষয়ে কমিটিকে সহায়তা প্রদানের জন্য এক বা একাধিক সাব—কমিটি গঠন করিতে পারিবে এবং কমিটি বা সাব—কমিটিতে দায়িত্ব পালন করিবার জন্য কারিগরি বিশেষজ্ঞ মনোনীত করিতে পারিবে।
(১) যে সকল প্রতিষ্ঠানে শিক্ষাধীনতা কার্যক্রম থাকিবে সেইসব প্রতিষ্ঠানের মালিক তাহার প্রতিষ্ঠানের জন্য শিক্ষাধীনতা কার্যক্রম নীতিমালা প্রণয়ন করিতে পারিবেন।
(২) কোন প্রতিষ্ঠানের মালিক এইরূপ নীতিমালা প্রণয়ন করিলে উহা সরকার কর্তৃক অনুমোদিত হইতে হইবে।
(৩) উক্ত নীতিমালা আইন ও এই বিধিমালার অপেক্ষা কম অনুকূল হইতে পারিবে না।
(১) প্রত্যেক মালিক, যাহার উপর আইনের অষ্টাদশ অধ্যায় প্রযোজ্য, কোন বিশেষ পেশাকে শিক্ষাধীনতাযোগ্য পেশা হিসাবে ঘোষণা করিয়া বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে, যোগ্য কতৃর্পক্ষের নিকট তাহার প্রতিষ্ঠানে শিক্ষাধীনতাযোগ্য পেশাসমূহের একটি তালিকা, অনুরূপ পেশায় বিভিন্ন শ্রেণিতে নিয়োজিত ব্যক্তির সংখ্যা এবং ধারা ২৭৭ মোতাবেক তৎকতৃর্ক নিয়োজিত শিক্ষাধীন ব্যক্তির সংখ্যা উল্লেখ রিয়া একটি তালিকা দাখিল করিবেন।
(২) শিক্ষাধীনতাযোগ্য পেশায় পরবতীর্তে কোন ব্যক্তিকে নিয়োগ করা হইলে অনুরূপ নিয়োগের ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে উহা যোগ্য কতৃর্পক্ষকে অবহিত করিতে হইবে।
(৩) প্রত্যেক মালিক বিধি মোতাবেক সরকারের নির্দেশপত্র অনুযায়ী তাহার প্রতিষ্ঠানে একটি শিক্ষাধীনতা কার্যক্রম অনুমোদনের জন্য এবং যেখানে ইতিমধ্যেই অনুরূপ শিক্ষাধীনতা কার্যক্রম চলমান রহিয়াছে, নির্দেশপত্র মোতাবেক সেইটি পুনরীক্ষণ করিবেন এবং উপরি—উক্ত নির্দেশপত্র কার্যকর হইবার তারিখ হইতে ১ (এক) মাস সময়ের মধ্যে যোগ্য কতৃর্পক্ষের নিকট অনুমোদনের জন্য দাখিল করিবেন।
(১) যোগ্য কতৃর্পক্ষ, কমিটির পরামর্শ ও নির্দেশনার আলোকে, বিভিন্ন সময়ে নিম্নবর্ণিত বিষয় সম্পর্কে নির্দেশ জারি করিতে পারিবে, যথা:
(ক) শিক্ষাধীনতা কার্যক্রমের অধীন বিভিন্ন পেশার জন্য ব্যবহারিক ও তত্ত্বীয় বিষয়বস্তু এবং পাঠ্যসূচি;
(খ) শিক্ষাধীনতা কার্যক্রমের অধীন বিভিন্ন পেশার শিক্ষাধীনতার মেয়াদ এবং উহা আরম্ভের সময়;
(গ) প্রশিক্ষণের পরবতীর্ উচ্চতর শ্রেণি বা ধাপে উত্তীর্ণ অথবা শিক্ষাধীনতার অসন্তোষজনক অগ্রগতির জন্য একই পদে রাখিবার পদ্ধতি ও শর্তাদি নির্ধারণ;
(ঘ) শিক্ষাধীনতা কার্যক্রমের অধীন বিভিন্ন পেশার পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন;
(ঙ) শিক্ষাধীন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নিয়োজিত প্রশিক্ষকদের নূূ্যনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা;
(চ) প্রশিক্ষণের মান যাচাই ও পরীক্ষা গ্রহণের পদ্ধতি এবং প্রত্যয়নপত্র প্রদান;
(ছ) প্রশিক্ষণ অব্যাহত রাখিবার শর্ত;
(জ) প্রশিক্ষণ গ্রহণের পর চাকরিতে নিয়োগের শর্তাদি; এবং
(ঝ) শিক্ষাধীনতাযোগ্য পেশা সম্পর্কিত প্রয়োজনীয় অন্য কোন বিষয়।
(২) উপ—বিধি (১) এর অধীন নির্দেশ জারির সময় সরকার সংশ্লিষ্ট শিল্প বা ব্যবসায়ে নিয়োজিত উপযুক্ত ব্যক্তিদের নিকট হইতে সুপারিশ আহবান করিতে পারিবে।
(১) কোন প্রতিষ্ঠানে শিক্ষাধীনতা কার্যক্রমে অংশগ্রহণের জন্য প্রার্থী বাছাইকল্পে মালিক নিম্নোক্ত পদ্ধতি অনুসরণ করিবেন, যথা:
(ক) বিজ্ঞাপনের বিভিন্ন মাধ্যম ব্যবহার এবং নিকটতম চাকরির সন্ধান কেন্দ্রে শিক্ষাধীনতা কার্যক্রমে ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রদান;
(খ) যোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থীদের লিখিত পরীক্ষা গ্রহণ; এবং
(গ) লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ব্যক্তিগত সাক্ষাৎকার গ্রহণ।
(২) শিক্ষাধীনতা কার্যক্রমে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে মহিলা ও প্রতিবন্ধিদের অগ্রাধিকার প্রদান করিতে হইবে।
(৩) শিক্ষাধীন হিসাবে তালিকাভুক্তির জন্য বয়স সর্বনিম্ন ১৭ (সতের) বৎসর ও অনধিক ৩০ (ত্রিশ) বৎসর হইতে হইবে, তবে পূর্বে চাকরি করিয়াছেন এমন ব্যক্তির ক্ষেত্রে যোগ্য কতৃর্পক্ষ ইচ্ছানুসারে উক্ত বয়সসীমা শিথিল করিতে পারিবে।
(৪) তালিকাভুক্তির সময় শিক্ষাধীন ব্যক্তির শারীরিক উপযুক্ততা প্রমাণের জন্য মালিক নিজ খরচে ফরম—১৫ অনুযায়ী রেজিষ্ট্রার্ড চিকিৎসক কতৃর্ক স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা করিবেন এবং ফরম ১৫(ক) অনুযায়ী প্রত্যয়নপত্রের তথ্য সংরক্ষণ করিবেন।
(৫) শিক্ষাধীন ব্যক্তির সাক্ষাৎকার গ্রহণের তারিখ উপযুক্ত কতৃর্পক্ষকে অবহিত করিতে হইবে এবং তিনি ইচ্ছা করিলে সাক্ষাৎকারে এবং চূড়ান্ত নির্বাচনে উপস্থিত থাকিবার জন্য একজন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব প্রদান করিতে পারিবেন।
(৬) ধারা ৫ অনুযায়ী চুক্তিপত্র ও পরিচয়পত্র প্রদান না করিয়া শিক্ষাধীন হিসাবে ভতি করা যাইবে না।
(১) শিক্ষাধীনতা পেশায় ভর্তির প্রারম্ভে মালিক ও শিক্ষাধীন ব্যক্তি ফরম—৭০ অনুযায়ী নিজেদের মধ্যে একটি চুক্তি সম্পাদন করিবেন।
(২) উপ—বিধি (১) এ উল্লিখিত চুক্তি শিক্ষাধীনতা চুক্তি নামে অভিহিত হইবে এবং উভয় পক্ষই চুক্তির শর্তাবলি মানিয়া চলিতে বাধ্য থাকিবে।
(৩) শিক্ষাধীন ব্যক্তির বয়স ১৮ (আঠার) বৎসরের কম হইলে তাহার মাতা বা পিতা বা আইনগত অভিভাবকও উহাতে স্বাক্ষর করিবেন।
(৪) চুক্তিপত্র ৩ (তিন) কপি হইবে, মালিক ও শিক্ষাধীন ব্যক্তি এক কপি করিয়া তাহাদের নিকট রাখিবে এবং অন্য একটি কপি রেকর্ডভুক্ত করিবার জন্য যোগ্য কতৃর্পক্ষের নিকট প্রেরণ করিতে হইবে।
(১) শিক্ষাধীনতা চুক্তিতে শিক্ষাধীনতার মেয়াদ উল্লেখ থাকিতে হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, এই বিধিমালা মোতাবেক ঘোষিত সরকারি নির্দেশ মোতাবেক বিভিন্ন পেশার শিক্ষাধীনতার মেয়াদ ভিন্ন ধরনের হইতে পারিবে।
(২) কোন শিক্ষাধীন ব্যক্তি ভর্তির পূর্বে কোন সরকারি বা স্বীকৃত সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানে কিছুকালের জন্য পদ্ধতিগত বৃত্তিমূলক বা কারিগরি প্রশিক্ষণ গ্রহণ করিয়া থাকিলে তাহার ক্ষেত্রে শিক্ষাধীনতার সময়সীমা আংশিকভাবে অব্যাহতি প্রদান করিতে পারিবে, তবে কোন ক্ষেত্রেই উক্ত অব্যাহতি মোট সময়সীমার অর্ধেকের অধিক হইবে না।
(৩) শিক্ষাধীনতাকালে প্রথম ৩ (তিন) মাসের মধ্যে যোগ্যতম মনে না হইলে মালিক ইচ্ছা করিলে ১ (এক) সপ্তাহের নোটিস প্রদান করিয়া এবং শিক্ষাধীন ব্যক্তি ইচ্ছা করিলে মালিককে এক সপ্তাহের নোটিস প্রদান করিয়া (যোগ্য কতৃর্পক্ষকে অবহিত করণসহ) শিক্ষাধীনতার সমাপ্তি ঘটাইতে পারিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, কোন কারণে নির্ধারিত মেয়াদের পূর্বে শিক্ষাধীনতার সমাপ্তি ঘটিলে মালিক তাহাকে প্রত্যয়নপত্র প্রদান করিবেন।
(১) প্রত্যেক মালিক তাহার প্রতিষ্ঠানের শিক্ষাধীনতা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ৫ (পাঁচ) সদস্য বিশিষ্ট একটি বোর্ড গঠন করিবেন, উক্ত বোর্ডে শিক্ষাধীনতা কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট পেশায় দক্ষ ব্যক্তি অন্তভুর্ক্ত থাকিতে হইবে এবং উহা যোগ্য কতৃর্পক্ষকে অবহিত করিতে হইবে।
(২) বোর্ড বিভিন্ন পেশা বিষয়ক শিক্ষাধীন ব্যক্তির জন্য সাময়িক, বার্ষিক এবং চূড়ান্ত মুল্যায়ন পরীক্ষা গ্রহণের ব্যবস্থা করিবে।
(৩) পরীক্ষা সম্পর্কিত বিষয়ে বোর্ড সরকার কর্তৃক নির্ধারিত কার্যক্রম অনুসরণ করিবে।
(৪) পরীক্ষার ফলাফল ফরম—৭১ অনুযায়ী লিপিবদ্ধ করিতে হইবে এবং যে সকল শিক্ষাধীন ব্যক্তি চূড়ান্ত পরীক্ষায় কৃতকার্য হইবে তাহাদিগকে ফরম—৭২ অনুযায়ী প্রত্যয়নপত্র প্রদান করিতে হইবে।
(৫) প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, ব্যবহারিক পরীক্ষা গ্রহণের ব্যবস্থা এবং সেইসব পরীক্ষার ভিত্তিতে প্রশিক্ষণার্থীদের নম্বর প্রদানের জন্য বোর্ড দায়ী থাকিবে।
(৬) শিক্ষাধীনতার চূড়ান্ত পরীক্ষা গ্রহণের তারিখ যোগ্য কতৃর্পক্ষকে অবহিত করিতে হইবে এবং কতৃর্পক্ষ প্রয়োজন মনে করিলে চূড়ান্ত পরীক্ষা গ্রহণ, ফলাফল ঘোষণা ও প্রত্যয়নপত্র প্রদানের কাজে অংশগ্রহণের জন্য একজন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব প্রদান করিতে পারিবে।
(১) শিক্ষাধীনতার সময়কালে মালিক নিম্নবর্ণিতভাবে শিক্ষাধীন ব্যক্তিকে দৈনিক, সাপ্তাহিক ও মাসিক শিক্ষাধীনতা ভাতা প্রদান করিবেন, যথা:
(ক) শিক্ষাধীনতার প্রথম বৎসর: সংশ্লিষ্ট পেশার সমপর্যায়ের গ্রেডে নিযুক্ত দক্ষ শ্রমিকদের সাকূল্য মজুরির শতকরা ৫০ (পঞ্চাশ) ভাগ;
(খ) শিক্ষাধীনতার দ্বিতীয় বৎসর: সংশ্লিষ্ট পেশার সমপর্যায়ের গ্রেডে নিযুক্ত দক্ষ শ্রমিকদের সাকূল্য মজুরির শতকরা ৬০ (ষাট) ভাগ; এবং
(গ) শিক্ষাধীনতার তৃতীয় বৎসর: সংশ্লিষ্ট পেশার সমপর্যায়ের গ্রেডে নিযুক্ত দক্ষ শ্রমিকদের সাকূল্য মজুরির শতকরা ৭৫ (পঁচাত্তর) ভাগ।
(২) শিক্ষাধীনতা প্রশিক্ষণের সময়সীমা ৩ (তিন) বৎসরের অধিক হইলে তৃতীয় বৎসরের পর শিক্ষাধীনতার ভাতার হার সংশ্লিষ্ট পেশার সমপর্যায়ের গ্রেডে নিযুক্ত দক্ষ শ্রমিকদের সাকূল্য মজুরির সমান হইবে।
(৩) একজন শিক্ষাধীন ব্যক্তিকে ফূরনভিত্তিক কাজের হিসাবে ভাতা প্রদান করা যাইবে না।
(৪) এই বিধির অন্যান্য উপ—বিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, একজন মালিক যে কোন শিক্ষাধীন ব্যক্তিকে তাহার প্রশিক্ষণের কোন উত্তম অগ্রগতির জন্য স্বেচ্ছায় তাহাকে উচ্চতর হারে ভাতার বা অন্যান্য উৎসাহপ্রদ পুরস্কার প্রদান করিতে পারিবেন।
(৫) প্রশিক্ষণের পরবতীর্ উচ্চতর শ্রেণি বা ধাপে উন্নীত না হইলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি যে শ্রেণি বা ধাপে রহিয়াছেন সেই শ্রেণি বা ধাপের জন্য নির্ধারিত হারে ভাতা প্রাপ্য হইবেন।
(৬) শিক্ষাধীনতা কাল সমাপ্তির পরে প্রতিষ্ঠানের মালিক ইচ্ছা করিলে সংশ্লিষ্ট পেশার সমপর্যায়ের গ্রেডে দক্ষ শ্রমিক হিসাবে নিয়োগ করিতে পারিবেন।
(১) শিক্ষাধীন ব্যক্তির কাজের ঘন্টা, ছুটি (বাৎসরিক বা অর্জিত ছুটি ব্যতীত) ও বন্ধ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে চাকরিতে নিযুক্ত অন্যান্য শ্রমিকের অনুরূপ হইবে এবং আইন ও এই বিধিমালা মোতাবেক উহা নিয়ন্ত্রিত হইবে।
(২) কোন শিক্ষাধীনতা কর্মসূচিতে শিক্ষাধীন ব্যক্তির জন্য অতিরিক্ত সময় কাজের ব্যবস্থা থাকিবে না।
প্রত্যেক শিক্ষাধীন ব্যক্তিকে প্রশিক্ষণ গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি, কারখানার পোশাক, যন্ত্রপাতি, বই—পুস্তক, ড্রইং সরঞ্জাম, কাঁচামাল প্রভৃতি বিনামূল্যে সরবরাহ করিতে হইবে এবং এইসব দ্রব্যাদি মালিকের সম্পত্তি বলিয়া বিবেচিত হইবে।
(১) মালিক শিক্ষাধীন ব্যক্তিদের যথাযথ এবং কার্যকর তদারকি, নির্দেশনা এবং নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করিবেন এবং উক্ত উদ্দেশ্যে শিক্ষাধীন ব্যক্তিদের সংখ্যার উপর নির্ভর করিয়া সার্বক্ষণিক বা খন্ডকালীন ভিত্তিতে এক বা একাধিক যোগ্য ব্যক্তিকে নিয়োগ করিবেন।
(২) উপ—বিধি (১) এর অধীন নিয়োগকৃত ব্যক্তিগণের উপর সুচারুভাবে শিক্ষাধীনতা কার্যক্রম পরিচালনার সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব প্রদান করিতে হইবে এবং অনুরূপ ব্যক্তিবর্গ মালিকের নিকট সরাসরি দায়ী থাকিবেন।
(৩) ৫০ (পঞ্চাশ) বা ততোধিক শিক্ষাধীন ব্যক্তি রহিয়াছেন এমন প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনীয় কর্মচারীসহ একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ শিক্ষাধীনতা প্রশিক্ষণ বিভাগ থাকিবে।
(৪) ২০ (বিশ) জন বা উহার কম শিক্ষাধীন ব্যক্তি নিয়োজিত রহিয়াছেন এমন প্রতিষ্ঠানে একজন শিক্ষাধীনতা প্রশিক্ষক, যিনি শপ ফোরম্যান বা সুপারভাইজার হইবেন এবং উহার সহায়তার জন্য প্রতিষ্ঠানের একজন কর্মকর্তাকে তাহার স্বাভাবিক দায়িত্বের অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রদান করিতে হইবে।
(১) যোগ্য কর্তৃপক্ষ কতৃর্ক জারিকৃত নির্দেশনা মোতাবেক কোন মালিক এককভাবে অথবা ২ (দুই) বা ততোধিক মালিক যৌথভাবে শিক্ষাধীন ব্যক্তিদের জন্য তাত্ত্বিক শিক্ষার ব্যবস্থা করিবেন।
(২) কোন শিক্ষার্থী যে সময়ে তাত্ত্বিক শিক্ষায় যোগদান করিবেন উক্ত সময়ে তাহার বৃত্তি হইতে কোন কর্তন করা যাইবে না।
(৩) যে ক্ষেত্রে বিভিন্ন মালিক যৌথভাবে তাত্ত্বিক শিক্ষার ব্যবস্থা করেন, সেই ক্ষেত্রে তাহারা তাহাদের নির্ধারিত এবং যোগ্য কর্তৃপক্ষ কতৃর্ক অনুমোদিত পরিকল্পনা মোতাবেক আনুপাতিক হারে ব্যয় বহন করিবেন।
(১) একজন শিক্ষাধীন ব্যক্তিকে প্রশিক্ষণের সুবিধার জন্য এক মালিকের প্রতিষ্ঠান হইতে অন্য মালিকের শিক্ষাধীনতাযোগ্য পেশায় বদলি করা যাইবে।
(২) উপ—বিধি (১) এর অধীন বদলির ক্ষেত্রে গ্রহণকারী মালিকের এবং শিক্ষাধীন ব্যক্তির সম্মতি থাকিতে হইবে।
কোন শিক্ষাধীনতার প্রশিক্ষণ যোগ্য কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে নির্দিষ্ট তারিখের পূর্বেই শেষ করা যাইবে, যদি কোন যুক্তিসংগত কারণে শিক্ষাধীনতা সংক্রান্ত আইন, বিধিমালা ও চুক্তির শতার্দি মানিয়া চলিতে সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ অপরাগ হন।
ক্ষাধীনতা প্রশিক্ষণের স্বার্থে কার্যক্রম পরিবর্তন প্রয়োজন হইলে কেবল যোগ্য কতৃর্পক্ষকে অবহিত করিয়াশি একজন শিক্ষাধীন ব্যক্তির মূল কার্যক্রম পরিবর্তন করা যাইবে।
(১) প্রত্যেক মালিক প্রত্যেক শিক্ষাধীন ব্যক্তি সম্পর্কে ফরম—৭৩ অনুযায়ী একটি শিক্ষাধীনতা রেজিস্টার সংরক্ষণ করিবেন এবং শিক্ষাধীনতা বৎসর শুরুর সঙ্গে সঙ্গে উহার দুইটি কপি যোগ্য কতৃর্পক্ষের নিকট প্রেরণ করিবেন।
(২) যোগ্য কতৃর্পক্ষ প্রত্যয়নপূর্বক উক্ত ফরমের একটি কপি মালিকের নিকট ফেরত প্রদান করিবে এবং অন্যকপি রেকর্ড হিসাবে তাহার কার্যালয়ে সংরক্ষণ করিবে।
(৩) শিক্ষাধীনতার কোন বিষয়ে পরিবর্তন হইলে উহা মালিক যোগ্য কতৃর্পক্ষকে অবিলম্বে তাহার অফিসে রক্ষিত এতদসংক্রান্ত রেকর্ড সংশোধনের জন্য অবহিত করিবেন।
(৪) প্রত্যেক মালিক প্রত্যেক শিক্ষাধীন ব্যক্তির জন্য ফরম—৭৪ অনুযায়ী একটি করিয়া পারদর্শিতার প্রতিবেদন সংরক্ষণ করিবেন এবং যোগ্য কতৃর্পক্ষ বা তাহার দ্বারা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার পরিদর্শনের জন্য উহা সংরক্ষণ করিবেন।
প্রশিক্ষণ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে মালিক ও শিক্ষাধীন ব্যক্তির মধ্যে কোন সময় কোন বিরোধ উত্থাপিত হইলে উহা যোগ্য কতৃর্পক্ষের নিকট পেশ করিতে হইবে এবং সেই বিষয়ে যোগ্য কতৃর্পক্ষের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হইবে।
(১) ধারা ৩১৭ এর অধীন শ্রম পরিচালক অথবা তৎকর্তৃক দায়িত্বপ্রাপ্ত অন্য কোন কর্মকর্তা আইন বা এই বিধিমালায় উল্লিখিত নির্দিষ্ট দায়িত্ব ও ক্ষমতা পালনের অতিরিক্ত এই বিধিমালার উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য নি¤ড়ববর্ণিত ক্ষমতা প্রয়োগ করিতে পারিবেন, যথা:-
(ক) কোন ট্রেড ইউনিয়ন অথবা ফেডারেশনের অফিস অথবা নিবন্ধিকৃত ট্রেড ইউনিয়ন অথবা ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশনের অফিস বলিয়া বিশ্বাস করিবার কারণ রহিয়াছে এমন ঘর-বাড়িতে প্রবেশ করা এবং অফিস অথবা ঘর-বাড়ি এবং কোন খাতা অথবা দলিল দস্তাবেজ, রেকর্ডপত্র পরিদর্শন করা এবং আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে প্রয়োজনে যে কোন স্পষ্টীকরণ দাবি করা এবং যে কোন ব্যক্তির সাক্ষ্য গ্রহণ করা;
(খ) যে কোন ট্রেড ইউনিয়নের অথবা ট্রেড ইউনিয়নের ফেডারেশনের বা কনফেডারেশনের যে কোন নথি, রেকর্ডপত্র, খাতা-পত্র, দলিল দস্তাবেজ যথারীতি রসিদ প্রদান করিয়া অনধিক ৩০ (ত্রিশ) দিনের জন্য নিজ হেফাজতে সংরক্ষণ করা;
(গ) কোন ট্রেড ইউনিয়ন অথবা ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশনের বা কনফেডারেশনের নির্বাহী কর্মকর্তাগণ সঙ্গত কারণ ব্যতীত সংশ্লিষ্ট ট্রেড ইউনিয়ন অথবা ফেডারেশনের বা কনফেডারেশনের অফিসের নথিপত্র, কাগজপত্র, দলিলপত্র, হিসাব বহি এবং তহবিলাদি, ইত্যাদি নবাগত নির্বাহী পরিষদের নিকট হস্তান্তর করিতে ব্যর্থ হইলে অথবা হস্তান্তরে অস্বীকার করিলে নবনির্বাচিত নির্বাহী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অথবা সভাপতির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিদায়ী নির্বাহী পরিষদের হিসাব বহি, কাগজপত্র, দলিলাদি এবং তহবিল নবাগতদের নিকট নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে হস্তান্তর করিবার জন্য নির্দেশ প্রদান :
তবে শর্ত থাকে যে, কোন ব্যক্তি উক্ত নির্দেশের কারণে সংক্ষুব্ধ হইলে নির্দেশ প্রদানের ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে শ্রম আদালতে আপিল করিতে পারিবে;
(ঘ) আইনের ত্রয়োদশ অধ্যায় প্রয়োগের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে ক্ষমতা প্রয়োগ বা দায়িত্ব পালনের জন্য প্রয়োজনে কোন শিল্প-প্রতিষ্ঠান, স্থান, ভবন বা আঙ্গিনায় প্রবেশ, পরিদর্শন, অনুসন্ধান বা সংশ্লিষ্ট কাজ করিবার জন্য সকল পন্থা বা ব্যবস্থা গ্রহণ করা;
(ঙ) আইনের ত্রয়োদশ অধ্যায়ের প্রয়োগের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে শ্রমিক সংগঠন ও মালিক সংগঠনের প্রাসঙ্গিক কোন রেকর্ড, রেজিস্টার বা অন্য কোন দলিল দস্তাবেজ পরীক্ষার জন্য তলব করা এবং তৎসম্পর্কে অন্য কোন অতিরিক্ত তথ্য প্রয়োজন হইলে শ্রমিক ও মালিক সংগঠনের নিকট হইতে উহাও যাচনা করা;
(চ) আইন ও সংশ্লিষ্ট বিধিমালা, শ্রমিক অধিকার সম্পর্কিত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দলিলাদি বা কনভেনশন বা ঘোষণা, শ্রমখাত, শ্রমিক সংখ্যা, ইউনিয়ন রেজিস্ট্রিকরণ, ইউনিয়নের সদস্য সংখ্যা, বিরোধ-দাবিনামা নিষ্পত্তিকরণ, মামলা দায়ের ও ট্রেড ইউনিয়ন সংμান্ত দলিলাদি বা তথ্যাদির বিবরণ প্রস্তুতকরণ এবং যথাযোগ্য কর্তৃপক্ষের অনুমোদনসাপেক্ষে প্রচার, প্রকাশ ও সরবরাহ করা;
(ছ) আইন ও সংশ্লিষ্ট বিধিমালা, শ্রমিক অধিকার সম্পর্কিত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দলিলাদি বা কনভেনশন বা ঘোষণা, শ্রমখাত, শ্রমিক ও ট্রেড ইউনিয়ন, ইত্যাদি সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি নিয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষসমূহের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ কোর্স ও কর্মশালার আয়োজন করা;
(জ) শ্রমিক ও ট্রেড ইউনিয়ন অধিকার সংμান্ত জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিভিনড়ব দিবস পালনের উদ্যোগ গ্রহণ করা।
(২) শ্রম পরিচালক ও তৎকর্তৃক দায়িত্বপ্রাপ্ত অন্য কোন কর্মকর্তা আইন বা এই বিধিমালায় উল্লিখিত নির্দিষ্ট দায়িত্ব পালনকালে কোন প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক কৌশলের গোপনীয়তা সংরক্ষণ করিবেন।
(১) ধারা ৩১৯ এর অধীন মহাপরিদর্শক অথবা তৎকর্তৃক দায়িত্বপ্রাপ্ত অন্য কোন পরিদর্শক আইন বা এই বিধিমালায় উল্লিখিত নির্দিষ্ট দায়িত্ব ও ক্ষমতা পালনের অতিরিক্ত নি¤ড়ববর্ণিত ক্ষমতা প্রয়োগ করিতে পারিবেন, যথা:-
(ক) আইন ও এই বিধিমালা দ্বারা নিশ্চিত করা কোন অধিকার লংঘনের ব্যাপারে কোন পক্ষ হইতে অভিযোগ প্রাপ্ত হইলে উহা প্রাপ্তির ১০ (দশ) কর্মদিবসের মধ্যে অনুসন্ধান ও তদন্ত করা এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট পক্ষকে নির্দেশ প্রদান করা এবং উক্ত পক্ষ নির্দেশ পালনে ব্যর্থ হইলে শ্রম আদালতে ফরম-১৪ অনুযায়ী অভিযোগ দায়ের করা;
(খ) আইনের অধীন নির্ধারিত নি¤ড়বতম মজুরি হার যে মালিক বা শ্রমিকের প্রতি প্রযোজ্য তিনি যেখানে ব্যবসা করিয়া থাকে এমন কোন প্রাঙ্গণে প্রবেশ করিতে এবং পরীক্ষার জন্যে কোন রেজিস্টার, মজুরি রেজিস্টার, শ্রমিকদেরকে প্রদত্ত মজুরির রেকর্ড ও অন্যান্য রেকর্ড বা দলিল যাহা মজুরি প্রদান বা হিসাবের সহিত সংশ্লিষ্ট উহা তলব করা এবং ঘটনাস্থলে বা অন্যত্র কোন ব্যক্তির সাক্ষ্যগ্রহণ এবং আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে প্রয়োজনীয় ক্ষমতা প্রয়োগ করা;
(গ) শ্রমিকের যে কোন প্রকার পাওনা এবং মজুরি আদায়ের জন্য ক্ষেত্রমত ফরম-৪৪(খ) ও ৪৮(খ) অনুযায়ী শ্রম অদালতে অভিযোগ দায়ের বা প্রতিবেদন পেশ করা;
(ঘ) আইন ও সংশ্লিষ্ট বিধিমালা, শ্রমিক অধিকার সম্পর্কিত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দলিলাদি বা কনভেনশন বা ঘোষণা, শ্রমখাত, শ্রমিক, পরিদর্শন, শিল্প-প্রতিষ্ঠান রেজিষ্ট্রিকরণ ও শ্রমিক সংখ্যা, অসন্তোষ নিষ্পত্তিকরণ, মামলা দায়ের, শিল্পপ্রতিষ্ঠান হইতে প্রাপ্ত বার্ষিক রিটার্ন, ইত্যাদি সংμান্ত দলিলাদি বা তথ্যাদির বিবরণ প্রস্তুতকরণ এবং যথাযোগ্য কর্তৃপক্ষের অনুমোদনসাপেক্ষে প্রচার-প্রকাশ ও সরবরাহ করা;
(ঙ) আইন ও সংশ্লিষ্ট বিধিমালা, শ্রমিক অধিকার সম্পর্কিত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দলিলাদি বা কনভেনশন বা ঘোষণা, শ্রমখাত, শ্রমিক অধিকার, ইত্যাদি সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি নিয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষসমূহের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ কোর্স ও কর্মশালার আয়োজন করা;
(চ) শ্রমিক ও ট্রেড ইউনিয়ন অধিকার সংμান্ত জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিভিনড়ব দিবস পালনের উদ্যোগ গ্রহণ করা।
(২) পরিদর্শক আইন বা এই বিধিমালায় উল্লিখিত নির্দিষ্ট দায়িত্ব পালনকালে কোন প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক কৌশলের গোপনীয়তা রক্ষা করিবেন।
(৩) পরিদর্শক পরিদর্শনকালে কারখানা বা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত মহিলা ও প্রতিবন্ধি শ্রমিকের সুযোগ সুবিধাসহ সার্বিক কর্মপরিবেশ বিষয়ে অধিকতর গুরুত্ব আরোপ করিবেন।
(১) কোন মালিককে তাহার প্রতিষ্ঠানে কাজ বা ব্যবসা-বাণিজ্য শুরু করিবার ক্ষেত্রে ধারা ৩২৫ এর অধীন ফরম-৭৫ অনুযায়ী নোটিশের দুই কপি মহাপরিদর্শক অথবা সংশ্লিষ্ট উপ-মহাপরিদর্শকের নিকট পেশ করিতে হইবে।
(২) মহাপরিদর্শক অথবা সংশ্লিষ্ট উপ-মহাপরিদর্শক যাচাইপূর্বক স্বাক্ষর করিয়া উহার এক কপি মালিকের নিকট প্রেরণ করিবেন।
(৩) কোন সময়ে উক্ত পেশকৃত তথ্যের পরিবর্তন হইলে উহা একই প্রμিয়ায় তৎক্ষণাৎ মহাপরিদর্শক বা সংশ্লিষ্ট উপ-মহাপরিদর্শককে অবহিত করিতে হইবে।
(৪) মহাপরিদর্শক অথবা উপ-মহাপরিদর্শক প্রয়োজন মনে করিলে উক্ত ফরমে উল্লিখিত তথ্যসমূহ ব্যতীত অতিরিক্ত তথ্য প্রদানের জন্য প্রতিষ্ঠানের মালিক বা দখলদারকে নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবেন।
(৫) এই বিধির বিধান মালিক কর্তৃক পরিবারের সদস্যগণের সাহায্যে পরিচালিত হয় এবং যেখানে মজুরির বিনিময়ে কোন শ্রমিক নিযুক্ত থাকেন না সেই ধরনের কারখানা বা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হইবে ।
(১) কোন মালিককে তাহার প্রতিষ্ঠানে কাজ বা ব্যবসা-বাণিজ্য শুরু করিবার ক্ষেত্রে ধারা ৩২৫ এর অধীন ফরম-৭৫ অনুযায়ী নোটিশের দুই কপি মহাপরিদর্শক অথবা সংশ্লিষ্ট উপ-মহাপরিদর্শকের নিকট পেশ করিতে হইবে।
(২) মহাপরিদর্শক অথবা সংশ্লিষ্ট উপ-মহাপরিদর্শক যাচাইপূর্বক স্বাক্ষর করিয়া উহার এক কপি মালিকের নিকট প্রেরণ করিবেন।
(৩) কোন সময়ে উক্ত পেশকৃত তথ্যের পরিবর্তন হইলে উহা একই প্রμিয়ায় তৎক্ষণাৎ মহাপরিদর্শক বা সংশ্লিষ্ট উপ-মহাপরিদর্শককে অবহিত করিতে হইবে।
(৪) মহাপরিদর্শক অথবা উপ-মহাপরিদর্শক প্রয়োজন মনে করিলে উক্ত ফরমে উল্লিখিত তথ্যসমূহ ব্যতীত অতিরিক্ত তথ্য প্রদানের জন্য প্রতিষ্ঠানের মালিক বা দখলদারকে নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবেন।
(৫) এই বিধির বিধান মালিক কর্তৃক পরিবারের সদস্যগণের সাহায্যে পরিচালিত হয় এবং যেখানে মজুরির বিনিময়ে কোন শ্রমিক নিযুক্ত থাকেন না সেই ধরনের কারখানা বা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হইবে ।
প্রত্যেক মালিক বা দখলদারকে কারখানা, শিল্প প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান, দোকান ও ঠিকাদার সংস্থা রেজিস্ট্রেশন এবং লাইসেন্স মঞ্জুরির জন্য নি¤ড়ববর্ণিত সময়সূচি নুসরণ করিয়া মহাপরিদর্শকের নিকট ফরম-৭৭ অনুযায়ী (দুই প্রস্থ) দরখাস্ত দাখিল করিতে হইবে, যথা:-
(ক) বিদ্যমান অথবা উৎপাদন প্রμিয়ারত যে সকল কারখানা, শিল্প প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্যিক ব্যাংক ও বীমা প্রতিষ্ঠান, দোকান ও ঠিকাদার সংস্থার উপর আইন প্রযোজ্য সেই সকল কারখানা, শিল্প প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্যিক ব্যাংক ও বীমা প্রতিষ্ঠান, দোকান ও ঠিকাদার সংস্থার ক্ষেত্রে এই বিধিমালা কার্যকর হইবার তারিখ হইতে ছয় মাসের মধ্যে; এবং
(খ) এই বিধিমালা কার্যকর হইবার পরে প্রতিষ্ঠিত অথবা উৎপাদন চলমান এমন কারখানা, শিল্প প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্যিক ব্যাংক ও বীমা প্রতিষ্ঠান, দোকান ও ঠিকাদার সংস্থার ক্ষেত্রে কাজ শুরু করিবার কমপক্ষে ৩০ (ত্রিশ) দিন পূর্বে।
(১) মহাপরিদর্শক, তফসিল-৭ এ বর্ণিত নির্দিষ্ট হারে ফি প্রাপ্তি সাপেক্ষে ফরম-৭৮ অনুযায়ী লাইসেন্স মঞ্জুর করিবেন এবং তিনি ফরম-৭৯ অনুযায়ী রেজিস্টারে উল্লিখিত লাইসেন্স মঞ্জুির এবং নবায়ন ও সংশোধন সংμান্ত তথ্যাদি সংরক্ষণ করিবেন।
(২) প্রতিটি লাইসেন্সের মেয়াদ যে অর্থবৎসরে মঞ্জুর করা হইবে সেই অর্থবৎসরের ৩০শে জুন পর্যন্ত বলবৎ থাকিবে।
(৩) লাইসেন্স নবায়নের জন্য নির্ধারিত নবায়ন ফি প্রদানপূর্বক মেয়াদ শেষ হইবার পূর্বে ফরম-৭৭ অনুযায়ী মহাপরিদর্শকের নিকট আবেদন করিতে হইবে ।
(৪) মেয়াদোত্তীর্ণ হইবার পরবর্তী এক বৎসরের মধ্যে বিধি অনুযায়ী বিল¤¦ ফি প্রদান করিয়া নবায়ন করা না হইলে লাইসে›স স্বয়ংμিয়ভাবে বাতিল বলিয়া গণ্য হইবে এবং কর্তৃপক্ষ সেই প্রতিষ্ঠান বন্ধ করিবার জন্য অভিযোগ ও মামলা দায়ের করিতে পারিবে।
(৫) লাইসেন্স অথবা উহার কপি কারখানা, শিল্প প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্যিক ব্যাংক ও বীমা প্রতিষ্ঠান, দোকান ও ঠিকাদার সংস্থার কোন প্রকাশ্য স্থানে প্রদর্শন করিতে হইবে।
(৬) উপ-বিধি (৩) মোতাবেক লাইসেন্স নবায়নের ফি জমা করিয়া নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আবেদন করা না হইলে, পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে উহা পরিশোধ করিয়া আবেদন করা হইলে লাইসেন্স নবায়নের জন্য ধার্য ফি’র শতকরা পঁচিশ টাকা (২৫%) হারে অতিরিক্ত ফি পরিশোধ করিতে হইবে।
(৭) তিন মাস অতিμান্ত হইলে নবায়ন ফি’র সহিত উক্ত অর্থ শতকরা পঞ্চাশ টাকা (৫০%) হারে অতিরিক্ত পরিশোধ করিতে হইবে ।
(৮) ছয় মাসের মধ্যে আবেদন করা না হইলে নবায়ন ফি’র সমপরিমাণ অতিরিক্ত ফি পরিশোধ করিতে হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, নির্ধারিত তারিখের মধ্যে নবায়ন ফি’র অংশবিশেষ পরিশোধ করা হইয়া থাকিলে কেবল অনাদায়ী অংশের উপর অতিরিক্ত ফি প্রদেয় হইবে।
(১) মহাপরিদর্শক আবেদন প্রাপ্ত হইলে প্রদত্ত লাইসেন্স সংশোধন করিতে পারিবেন।
(২) কারখানা, শিল্প প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্যিক ব্যাংক ও বীমা প্রতিষ্ঠান, দোকান ও ঠিকাদার সংস্থায় শ্রমিক সংখ্যা হ্রাস বা বৃদ্ধি পাইবার ফলে শ্রেণি পরিবর্তন বা নাম পরিবর্তন বা ঠিকানা পরিবর্তন বা মালিকানা পরিবর্তনের ফলে কোন লাইসেন্স সংশোধনের প্রয়োজন হইলে তাহাকে সংশোধনের প্রকৃতি বর্ণনা করিয়া মহাপরিদর্শকের নিকট মূল লাইসেন্স জমা দানসহ ফরম-৭৭ অনুযায়ী অবেদনপত্র দাখিল করিতে হইবে।
(৩) লাইসেন্স সংশোধনীর জন্য দোকান ব্যতীত সকল ক্ষেত্রে ৫০০ (পাঁচশত) টাকা এবং দোকানের ক্ষেত্রে ২০০/- (দুইশত) টাকা ফি প্রদান করিতে হইবে এবং উহার অতিরিক্ত উক্ত কারখানা বা প্রতিষ্ঠানের লাইসে›েসর শ্রেণি বৃদ্ধির জন্য শ্রমিক সংখ্যা অনুযায়ী তফসিল-৭ এ বর্ণিত ফিও (প্রম লাইসেন্স নেওয়ার সময় প্রদত্ত ফি বাদে) পরিশোধ করিতে হইবে।
(৪) মালিকানা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে পূর্বের মালিকের অধীন কর্মরত শ্রমিকদের পাওনা ও সুবিধাদি পরিশোধের তথ্যাবলি আবেদনের সহিত যুক্ত করিতে হইবে।
(১) এই বিধিমালা মোতাবেক প্রদত্ত লাইসেন্স যদি হারাইয়া যায় অথবা দুর্ঘটনাবশত নষ্ট হয় তাহা হইলে মহাপরিদর্শকের নিকট ফরম-৭৭ অনুযায়ী আবেদনপত্র দাখিল করিতে হইবে।
(২) আবেদনের জন্য দোকান ব্যতীত সকল ক্ষেত্রে ১,০০০ (এক হাজার) টাকা এবং দোকানের ক্ষেত্রে ৫০০ (পাঁচশত) টাকা ফি প্রদান সাপেক্ষে উহার একটি প্রতিলিপি প্রদান করা হইবে।
(৩) উপ-বিধি (১) এর অধীন আবেদন করিবার ক্ষেত্রে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন প্রদান অথবা সংশ্লিষ্ট থানায় জিডি করিতে হইবে এবং উহার সত্যায়িত কপি দরখাস্তের সহিত সংযুক্ত করিতে হইবে।
(১) এই বিধিমালা মোতাবেক কোন মালিক তাহার কোন প্রতিষ্ঠান স্থায়ীভাবে বন্ধ করিলে বা ব্যবসা পরিচালনায় অপারগ হইলে বন্ধ হইবার কারণ সম্বলিত আবেদনপত্রের সহিত লাইসে›েসর মূল কপি পরিদর্শকের নিকট জমা করিতে হইবে এবং পরিদর্শক আবেদন যাচাইপূর্বক লাইসেন্স বাতিল করিতে পারিবে।
(২) পরিদর্শকের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, কোন প্রতিষ্ঠান বা উহার অংশবিশেষ বা উহাতে বা উহার সহিত সংশ্লিষ্ট বা উহা কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত বিষয় বা রীতি মানুষের জীবন ও নিরাপত্তার জন্য বিপজ্জনক অথবা এমন ত্রুটিপূর্ণ যে উহা মানুষের শারীরিক ক্ষতি করিতে পারে, তাহা হইলে পরিদর্শক কর্মস্থল নিরাপদ না হওয়া পর্যন্ত লাইসেন্স সাময়িকভাবে স্থগিত করিয়া উৎপাদন সাময়িকভাবে বন্ধ রাখিবার নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবেন।
(৩) বাতিল বা স্থগিতকৃত লাইসেন্স পুনর্বহাল করিতে চাহিলে যে আর্থিক বৎসরে বাতিল বা স্থগিত করা হইয়াছিল সেই বৎসর হইতে প্রতি আর্থিক বৎসরের জন্য দ্বিগুন হারে নবায়ন ফি প্রদান করিতে হইবে।
মহাপরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত পরিদর্শক কারখানা বা শিল্প প্রতিষ্ঠান বা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, ইত্যাদির নকশা অনুমোদন, লাইসেন্স প্রদান ও নবায়ন, শ্রেণি পরিবর্তন ও সম্প্রসারণের অনুমতি প্রদান, ইত্যাদি কার্যμমের সকল ক্ষেত্রে ইন্টারনেট ব্যবহার করিয়া অনলাইনে উহা সম্পনড়ব করিতে পারিবেন, তবে সকল পক্ষকে কাগজ ও প্রমাণাদি সংরক্ষণ করিতে হইবে।
এই বিধিমালা মোতাবেক সকল দরখাস্তের সহিত ‘‘১-৩১৪৩-০০০০-১৮৫৪” খাতে জমা দেওয়া ফি সংμান্ত ট্রেজারি চালানের মূল কপি সংযুক্ত থাকিতে হইবে।
(১) ধারা ৩২৭ মোতাবেক সকল আপিল-
(ক) স¥ারকলিপি আকারে দাখিল করিতে হইবে;
(খ) যে আদেশের বিরুদ্ধে উহা করা হইতেছে উহার স্মারকে বর্ণনা করিতে হইবে;
(গ) উহাতে প্রয়োজনীয় কোর্ট ফি সংযোজন করিতে হইবে; এবং
(ঘ) যে আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হইতেছে তাহার একটি নকল স¥ারকলিপির সহিত থাকিতে হইবে।
(২) আপিল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় শুনানির সুযোগ প্রদান করিয়া আপিল আবেদন প্রাপ্তির ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে উহা নিষ্পত্তি করিবে।
(৩) আপিল কর্তৃপক্ষ আপিল শুনানির জন্য তারিখ ও স্থান নির্ধারণ করিয়া আপিলকারী এবং মহাপরিদর্শককে অথবা ক্ষেত্রবিশেষে, পরিদর্শককে নোটিস প্রেরণ করিতে পারিবে।
(৪) আপিলকারী যদি তাহার আরজিতে অ্যাসেসর নিয়োগের অনুরোধ করিয়া থাকেন তাহা হইলে তিনি যে রেজিস্টার্ড সমিতির সদস্য উহার নামও আপিলে উল্লেখ করিবেন।
(৫) আপিলকারী কর্তৃক এসেসর নিয়োগের অনুরোধ থাকিলে অথবা আপিল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজন মনে করিলে উপ-বিধি (১) এর অধীন পেশকৃত আপিল আবেদন দুইজন এসেসরের সহায়তায় শুনানি করিবে এবং উক্ত এসেসরদ্বয়ের একজনকে আপিল কর্তৃপক্ষ নিয়োগ করিবে এবং সংশ্লিষ্ট শিল্পের নির্ধারিত কোন প্রতিনিধিত্বকারী সংস্থার নিকট অন্য একজন এসেসর নিয়োগের জন্য অনুরোধ করিবে এবং উক্ত প্রতিনিধিত্বকারী সংস্থা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোন এসেসর নিয়োগ না করিলে বা তাহাদের নিয়োজিত ও মনোনীত এসেসর আপিলের শুনানির জন্য নির্দিষ্ট সময়ে নির্ধারিত স্থানে উপস্থিত হইতে ব্যর্থ হইলে এবং উক্ত ব্যর্থতা কোন যুক্তিসংগত কারণ ব্যতীত হইয়াছে বলিয়া মনে করিলে আপিল কর্তৃপক্ষ এসেসরের সাহায্য ব্যতীত আপিলের শুনানি চলমান রাখিতে পারিবে।
(৬) আপিলকারী কর্তৃক এসেসর নিয়োগের অনুরোধ না থাকিলে আপিল কর্তৃপক্ষ কোন এসেসর ব্যতীত আপিল কার্যμম নিষ্পত্তি করিতে পারিবে।
(৭) আপিলকারী উপ-বিধি (৫) মোতাবেক অ্যাসেসরদের সহায়তায় মামলা শুনানির জন্য অনুরোধ করিয়া থাকিলে স¥ারকলিপি পাইবার পর আপিল কর্তৃপক্ষ অ্যাসেসরদের খরচ জমা প্রদানের জন্য আপিলকারীকে নির্দেশ প্রদান করিবে।
(৮) আপিলকারী যদি তাহার আপিলে উল্লেখ না করেন, তিনি কোন সমিতির সদস্য তাহা হইলে আপিল কর্তৃপক্ষ নিজ বিবেচনা অনুযায়ী উপযুক্ত সমিতিকে অ্যাসেসর নিয়োগ করিবার আহবান করিতে পারিবে।
(৯) উপ-বিধি (৫) মোতাবেক নিযুক্ত অ্যাসেসর আপিল শুনানির জন্য প্রতিদিন আপিল কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত ফি এবং ভ্রমণ ভাতা প্রাপ্য হইবেন।
(১০) অ্যাসেসরদের ফি ও ভ্রমণ ভাতা সরকার পরিশোধ করিবে, কিন্তু যেখানে আপিলকারীর অনুরোধμমে অ্যাসেসর নিযুক্ত হইয়াছে সেই ক্ষেত্রে আপিলকারী কর্তৃক উপ-বিধি (৭) মোতাবেক জমাকৃত টাকায় অ্যাসেসরকে ভ্রমণ ভাতা প্রদান করিতে হইবে এবং তারপর কোন টাকা উদ্বৃত্ত থাকিলে উহা আপিলকারীকে ফেরত প্রদান করিতে হইবে।
(১) ধারা ৩৩৩(ক) মোতাবেক প্রত্যেক আদেশ নি¤ড়ববর্ণিত পদ্ধতিতে জারি করিতে হইবে, যথা:-
(ক) হাতে হাতে বা ডাকযোগে লিখিত নোটিস প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) সাধারণ সার্কুলার প্রণয়নের মাধ্যমে;
(গ) গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে।
(২) ধারা ৩৩৩(খ) মোতাবেক প্রতিষ্ঠানের মালিক বা ব্যবস্থাপক মহাপরিদর্শকের নিকট নিম্মোক্ত তারিখের মধ্যে নির্দিষ্ট ফরমে দুই প্রস্থ করিয়া বিবরণী দাখিল করিবেন, যথা:-
(ক) ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে ফরম-৮০ অনুযায়ী অর্ধবার্ষিক বিবরণী;
(খ) ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ফরম-৮১ অনুযায়ী বার্ষিক বিবরণী।
আইন এবং এই বিধিমালার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে প্রদত্ত সকল নোটিস, আদেশ, রসিদ, সার্টিফিকেট, দলিলপত্র ও রেজিস্টার ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ কর্তৃক পরবর্তী তিন বৎসর পর্যন্ত সংরক্ষণ করিতে হইবে, এবং পরিদর্শক চাহিবামাত্র উহা ত্াহার নিকট উপস্থাপন করিতে হইবে।
ধারা ৩৩৭ মোতাবেক আইন, বিধি এবং প্রবিধানের জরুরি বা গুরুত্বপূর্ণ বিধানসমূহের সারসংক্ষেপ বাংলায় এবং শ্রমিকগণের নিকট সহজবোধ্য ভাষায় লিখিয়া শ্রমিকদের জন্য প্রদর্শনের ব্যবস্থা করিতে হইবে এবং উহার সহিত মহাপরিদর্শক ও সংশ্লিষ্ট উপ-মহাপরিদর্শকের কার্যালয়ের ঠিকানা, ই-মেইল নম্বর, অন-লাইন ঠিকানা ও টেলিফোন নম্বর এবং উক্ত প্রতিষ্ঠানের ঠিকানাসহ নাম ফলক ও নিয়োজিত বা তালিকাভুক্ত রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের ঠিকানা ও টেলিফোন নম্বর প্রকাশ্য স্থানে নোটিস আকারে প্রদর্শন করিতে হইবে।
(১) ধারা ৩৪৬ মোতাবেক কোন প্রকার দরখাস্ত, কার্যধারা বা আপিলের জন্য কোন কোর্ট ফি বা অন্য কোন ফি প্রদান করিতে হইবে না, তবে সাক্ষীকে সমন জারির ক্ষেত্রে প্রত্যেক সাক্ষীর জন্য দশ টাকা হারে ফি প্রদেয় হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, আদালত দরখাস্তকারীর দারিদ্রতার কথা বিবেচনা করিয়া উক্ত ফি হ্রাস করিতে বা সম্পূর্ণ মওকুফ করিতে পারিবে :
আরও শর্ত থাকে যে, সরকারের প্রাধিকারপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তা কর্তৃক দায়েরকৃত দরখাস্তের ক্ষেত্রে উক্তরূপ ফি প্রদেয় হইবে না।
(২) আদালতের রায় বা উহার নিকট দাখিলকৃত যেকোন দলিলের অনুলিপি সংগ্রহের জন্য আদালত ফি নির্ধারণ করিতে পারিবে এবং উক্ত ফি প্রদান সাপেক্ষে যে কোন ব্যক্তি উক্ত অনুলিপি সংগ্রহ করিতে পারিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, আদালত দরখাস্তকারীর দারিদ্রতার কথা বিবেচনা করিয়া বিনামূল্যে অনুলিপি সরবরাহের আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।
কারখানা বা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কোন শ্রমিক বা কোন মালিক কর্তৃক অসৎ শ্রম আচরণ সংঘটনের বিষয়ে উহা সংঘটিত হইবার ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে প্রতিকার চেয়ে শ্রম পরিচালক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট আবেদন করিতে হইবে এবং এইরূপ আবেদন প্রাপ্তির ৩০ (ত্রিশ) কর্মদিবসের মধ্যে শ্রম পরিচালক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উহা নিষ্পত্তি করিবেন।
(১) এই বিধিমালা কার্যকর হইবার সঙ্গে সঙ্গে নি¤ড়ববর্ণিত বিধিমালা বা বিধি-বিধান রহিত হইবে, যথা:-
(ক) ধারা ৩৫৩ -তে উল্লিখিত রহিত আইনসমূহের অধীন প্রণীত বিধি, প্রবিধান বা স্কীম; এবং
(খ) বাংলাদেশ শিক্ষাধীনতা প্রশিক্ষণ বিধিমালা, ২০০৮।
(২) উক্তরূপ রহিতকরণ সত্বেও রহিত বিধি, প্রবিধি বা স্কীমের অধীন-
(ক) কৃত কোন কাজ কর্ম বা জারিকৃত কোন আদেশ, বিজ্ঞপ্তি বা প্রজ্ঞাপন অথবা প্রদত্ত কোন নোটিস, দায়েরকৃত কোন অভিযোগ বা পেশকৃত কোন দরখাস্ত বা গৃহীত কোন কার্যধারা এই বিধিমালার সহিত সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া সাপেক্ষে, বলবৎ থাকিবে;
(খ) কোন আদালত বা ট্রাইব্যুনালে কোন মামলা বা কার্যধারা চলমান থাকিলে উহা এমনভাবে চলমান থাকিবে বা নিষ্পত্তি করিতে হইবে যেন এই বিধিমালা প্রণীত হয় নাই।