02 Mar 2026 +880 1886 456688
image

Laws & Rules

বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬
Click here for Deep-Dive

বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫

চতুর্দশ অধ্যায় : বিরোধ নিষ্পত্তি, শ্রম আদালত, শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনাল, আইনগত কার্যধারা, ইত্যাদি ( বিএলআর-২০১৫ )
২০৬। শ্রম আদালতের সদস্য মনোনয়ন

(১) ধারা ২১৪ (৭) অনুযায়ী শ্রম আদালতের সদস্য নিয়োগের উদ্দেশ্যে সরকার মালিক এবং শ্রমিক উভয় পক্ষের জাতীয় পর্যায়ের স্ব স্ব সংগঠন হইতে শ্রম আইনে অভিজ্ঞতাসম্পন্ন উপযুক্ত মালিক এবং শ্রমিক প্রতিনিধি মনোনয়নের জন্য আহবান করিবে। 

(২) মালিক এবং শ্রমিকগণের প্রতিনিধিত্ব করিবার জন্য প্রতি আদালতে দুইটি পৃথক প্যানেল গঠন করিতে হইবে এবং প্রতি প্যানেলে সদস্য সংখ্যা ছয়জন হইবে। 

(৩) প্রত্যেক সংগঠন, যাহাদের উপ-বিধি (১) অনুযায়ী অনুরোধ করা হইয়াছে, অনুরোধ প্রাপ্তির পনের দিনের মধ্যে প্যানেলের অন্তভুর্ক্তি এবং শ্রম আদালতের সদস্য নিযুক্তির জন্য প্রতিনিধির ছবিসহ নাম ও জীবন বৃত্তান্ত প্রেরণ করিবে।

(৪) যেক্ষেত্রে উপ-বিধি (১) অনুযায়ী মনোনয়ন যাচনা করা হইয়াছে, কিন্তু উপ-বিধি (২) অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উহা পাওয়া যায় নাই, সেই ক্ষেত্রে সরকারের বিবেচনায় মালিক অথবা শ্রমিক স্বার্থ সংরক্ষণ করিতে সংক্ষম এইরূপ যে কোন ব্যক্তিকে প্যানেলে মনোনীত করিবার এখতিয়ার সরকারের থাকিবে। 

২০৩। নিষ্পত্তিনামা সম্পাদন।

ধারা ২১০(৩) এবং ২১০ (৮) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে নিষ্পত্তিনামা ফরম-৬৫ অনুযায়ী স্বাক্ষরিত হইবে।

২০৪। ধর্মঘটের নোটিস প্রদানের জন্য গোপন ভোটের আয়োজন।

(১) ধারা ২১১(১) অনুযায়ী ব্যর্থতার প্রত্যয়নপত্র প্রাপ্তির ৭ (সাত) দিনের মধ্যে যৌথ দরকষাকষি প্রতিনিধি ধর্মঘটের নোটিস প্রদানের উদ্দেশ্যে গোপন ভোট অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করিবার জন্য সালিসকারক বরাবরে লিখিত অনুরোধ করিবে।

(২) সালিসকারক উক্ত অনুরোধ প্রাপ্তির পরবর্তী ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে উক্ত প্রতিষ্ঠানে সিবিএ ইউনিয়নের চাঁদা প্রদানকারী সদস্যগণকে ভোটার হিসাবে গণ্য করিয়া গোপন ভোটের ব্যবস্থা করিবেন এবং সালিসকারকের পরামর্শ অনুযায়ী সিবিএ ইউনিয়ন গোপন ভোট অনুষ্ঠানের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাদি গ্রহণ করিবে।

(৩) গোপন ভোটে ব্যবহৃত প্রতিটি ব্যালট পেপারে অথবা ঊষবপঃৎড়হরপ ঠড়ঃরহম গধপযরহব এ ধর্মঘটের পক্ষে “হ্যাঁ” অথবা কোন প্রতীক এবং ধর্মঘটের বিপক্ষে “না” অথবা কোন প্রতীক চিহ্নিত দুইটি ঘর থাকিবে।

(৪) ভোটে অংশগ্রহণকারী প্রত্যেক সদস্য তাহার ইচ্ছা অনুযায়ী উল্লিখিত দুইটি ঘরের মধ্য হইতে যে কোন একটি ঘরে “টিক” চিহ্ন বা টিপ বা পুশের মাধ্যমে ভোট প্রদান করিবেন।

(৫) গোপন ভোট অনুষ্ঠানের পরবর্তী ২৪ ঘন্টার মধ্যে সালিসকারক উহার ফলাফল লিখিত আকারে যৌথ দরকষাকষি প্রতিনিধিকে প্রদান করিবেন এবং উহার কপি মালিক ও শ্রম পরিচালককে প্রদান করিবেন। 

২০৫। শ্রম আদালত বা আপিল ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের

(১) ধারা ৩৩(৩) মোতাবেক কোন অভিযোগ ফরম-১৪ অনুযায়ী দায়ের করিতে হইবে। 

(২) ফরম-৪৪, ৪৪(ক) বা, ক্ষেত্রমত, ৪৪(খ) অনুযায়ী ধারা ১৩২(২) মোতাবেক অভিযোগ দায়ের করিতে হইবে। 

(৩) ফরম-৪৮, ৪৮(ক) বা ক্ষেত্রমত, ৪৮(খ) অনুযায়ী ধারা ১৬৬ মোতাবেক অভিযোগ দায়ের করিতে হইবে। 

(৪) ফরম-৬৬ অনুযায়ী ধারা ২১৯ মোতাবেক আপিল দায়ের করিতে হইবে।

(৫) অন্যান্য অপরাধের ক্ষেত্রে মহাপরিদর্শক বা শ্রম পরিচালক বা ভবিষ্য তহবিলের নিয়ন্ত্রক বা পরিচালনা বোর্ড বা আইনে প্রদত্ত কোন কর্তৃপক্ষ বা তাহার ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তা সাদা কাগজে আবেদন করিবে। 

২০৬। শ্রম আদালতের সদস্য মনোনয়ন

(১) ধারা ২১৪ (৭) অনুযায়ী শ্রম আদালতের সদস্য নিয়োগের উদ্দেশ্যে সরকার মালিক এবং শ্রমিক উভয় পক্ষের জাতীয় পর্যায়ের স্ব স্ব সংগঠন হইতে শ্রম আইনে অভিজ্ঞতাসম্পন্ন উপযুক্ত মালিক এবং শ্রমিক প্রতিনিধি মনোনয়নের জন্য আহবান করিবে।  

(২) মালিক এবং শ্রমিকগণের প্রতিনিধিত্ব করিবার জন্য প্রতি আদালতে দুইটি পৃথক প্যানেল গঠন করিতে হইবে এবং প্রতি প্যানেলে সদস্য সংখ্যা ছয়জন হইবে। 

(৩) প্রত্যেক সংগঠন, যাহাদের উপ-বিধি (১) অনুযায়ী অনুরোধ করা হইয়াছে, অনুরোধ প্রাপ্তির পনের দিনের মধ্যে প্যানেলের অন্তভুর্ক্তি এবং শ্রম আদালতের সদস্য নিযুক্তির জন্য প্রতিনিধির ছবিসহ নাম ও জীবন বৃত্তান্ত প্রেরণ করিবে। 

(৪) যেক্ষেত্রে উপ-বিধি (১) অনুযায়ী মনোনয়ন যাচনা করা হইয়াছে, কিন্তু উপ-বিধি (২) অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উহা পাওয়া যায় নাই, সেই ক্ষেত্রে সরকারের বিবেচনায় মালিক অথবা শ্রমিক স্বার্থ সংরক্ষণ করিতে সংক্ষম এইরূপ যে কোন ব্যক্তিকে প্যানেলে মনোনীত করিবার এখতিয়ার সরকারের থাকিবে।

২০৭। সদস্য কর্তৃক ইস্তফা প্রদান

(১) শ্রম আদালতের কোন সদস্য চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত পত্র দ্বারা সদস্যপদ হইতে ইস্তফা প্রদান করিতে পারিবেন।  

(২) ইস্তফাপত্র প্রাপ্ত হইলে চেয়ারম্যান উহা সরকারের নিকট প্রেরণ করিবে এবং সরকার যে তারিখে উহা গ্রহণ করিবে সেই তারিখ হইতে উক্ত ইস্তফা কার্যকর হইবে। 

২০৮। সদস্যের অপসারণ

সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, শ্রম আদালতের কোন সদস্যকে অপসারণ করিতে পারিবে, যদি তিনি 


(ক) সরকারের মতে প্রতিনিধিত্বের চরিত্র হারাইয়া থাকেন; 

(খ) আইনের অধীন শাস্তিযোগ্য কোন অপরাধ বা নৈতিক অপরাধে দন্ডিত হইয়া থাকেন; 

(গ) শ্রম আদালতের চেয়ারম্যান কর্তৃক অনুরুদ্ধ হইবার পর কোন মোকদ্দমায় লিখিত মতামত প্রদানে ব্যর্থ হন; 

(ঘ) দেউলিয়া সাব্যস্ত হইয়া থাকেন; অথবা  

(ঙ) যে শ্রম আদালতের সদস্য সেই শ্রম আদালতের পর পর তিনটি অধিবেশনে চেয়ারম্যানকে অবহিত না করিয়া অনুপস্থিত থাকেন।

২০৯। সদস্যের শূন্যপদ পূরণ

(১)গঠিত হইয়াছিল সেই প্রক্রিয়ায়, সরকার সদস্যের শূন্য পদ শূন্য হইবার ১ (এক) মাসের মধ্যে পূরণ করিবে।  

(২) উপ-বিধি (১) এর অধীন প্যানেলে অর্ন্তভুক্ত কোন সদস্য, প্যানেলের অবশিষ্ট মেয়াদের জন্য সদস্য থাকি(১) মৃত্যু অথবা ইস্তফা অথবা অপসারণজনিত শূন্যতার ক্ষেত্রে, যে প্রক্রিয়ায় মূল প্যানেল তে পারিবেন। 

২১০। অনুপস্থিতির জন্য অবহিতকরণ

শ্রম আদালতের কোন সদস্য চেয়ারম্যানকে অবহিত করিয়া আদালতের কার্যধারায় একাধিকক্রমে ৬ (ছয়) মাস পর্যন্ত অনুপস্থিত থাকিতে পারিবেন। 

২১১। ভাতা

শ্রম আদালতের কোন সদস্য আদালতের কার্যধারায় অংশগ্রহণের জন্য সরকার কর্তৃক নির্ধারিত হারে দৈনিক ভাতা প্রাপ্য হইবেন।

img