- ৩৫২। কাজ শুরু করিবার পূর্বে মহাপরিদর্শককে নোটিস প্রদান।
- ৩৫২। কাজ শুরু করিবার পূর্বে মহাপরিদর্শককে নোটিস প্রদান।
- ৩৫৪। কারখানা, শিল্প প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্যিক ব্যাংক ও বীমা প্রতিষ্ঠান, দোকান এবং ঠিকাদার সংস্থা রেজিস্ট্রিকরণ ও লাইসেন্স মঞ্জুরির আবেদন
- ৩৫৫। লাইসেন্স রেজিস্ট্রিকরণের ফি ও লাইসেন্স প্রদান
- ৩৫৬। লাইসেন্স সংশোধনী
- ৩৫৭। লাইসেন্স হারানো
- ৩৫৮। লাইসেন্স বাতিল বা স্থগিতকরণ
- ৩৫৯। ইন্টারনেট ব্যবহার করিয়া অনলাইন কার্যম
- ৩৬০। ফি পরিশোধ
- ৩৬১। পরিদর্শকের কতিপয় আদেশের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত আপিল ও উহার নিষ্পত্তি
- ৩৬২। নোটিস জারি ও বিবরণী পেশ
- ৩৬৩। রেকর্ড সংরক্ষণ
- ৩৬৪। আইন, বিধি এবং প্রবিধানের সার-সংক্ষেপ ও মহাপরিদর্শকের দপ্তরের ঠিকানা প্রদর্শন
- ৩৬৫। সাধারণ ক্ষেত্রে কোর্ট ফিস
- ৩৬৬। অনুযোগ নিষ্পত্তি
- ৩৬৭। রহিতকরণ ও হেফাজত
ঊনবিংশ অধ্যায় : বিবিধ ( বিএলআর-২০১৫ )
৩৫২। কাজ শুরু করিবার পূর্বে মহাপরিদর্শককে নোটিস প্রদান।
(১) কোন মালিককে তাহার প্রতিষ্ঠানে কাজ বা ব্যবসা-বাণিজ্য শুরু করিবার ক্ষেত্রে ধারা ৩২৫ এর অধীন ফরম-৭৫ অনুযায়ী নোটিশের দুই কপি মহাপরিদর্শক অথবা সংশ্লিষ্ট উপ-মহাপরিদর্শকের নিকট পেশ করিতে হইবে।
(২) মহাপরিদর্শক অথবা সংশ্লিষ্ট উপ-মহাপরিদর্শক যাচাইপূর্বক স্বাক্ষর করিয়া উহার এক কপি মালিকের নিকট প্রেরণ করিবেন।
(৩) কোন সময়ে উক্ত পেশকৃত তথ্যের পরিবর্তন হইলে উহা একই প্রμিয়ায় তৎক্ষণাৎ মহাপরিদর্শক বা সংশ্লিষ্ট উপ-মহাপরিদর্শককে অবহিত করিতে হইবে।
(৪) মহাপরিদর্শক অথবা উপ-মহাপরিদর্শক প্রয়োজন মনে করিলে উক্ত ফরমে উল্লিখিত তথ্যসমূহ ব্যতীত অতিরিক্ত তথ্য প্রদানের জন্য প্রতিষ্ঠানের মালিক বা দখলদারকে নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবেন।
(৫) এই বিধির বিধান মালিক কর্তৃক পরিবারের সদস্যগণের সাহায্যে পরিচালিত হয় এবং যেখানে মজুরির বিনিময়ে কোন শ্রমিক নিযুক্ত থাকেন না সেই ধরনের কারখানা বা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হইবে ।
৩৫২। কাজ শুরু করিবার পূর্বে মহাপরিদর্শককে নোটিস প্রদান।
(১) কোন মালিককে তাহার প্রতিষ্ঠানে কাজ বা ব্যবসা-বাণিজ্য শুরু করিবার ক্ষেত্রে ধারা ৩২৫ এর অধীন ফরম-৭৫ অনুযায়ী নোটিশের দুই কপি মহাপরিদর্শক অথবা সংশ্লিষ্ট উপ-মহাপরিদর্শকের নিকট পেশ করিতে হইবে।
(২) মহাপরিদর্শক অথবা সংশ্লিষ্ট উপ-মহাপরিদর্শক যাচাইপূর্বক স্বাক্ষর করিয়া উহার এক কপি মালিকের নিকট প্রেরণ করিবেন।
(৩) কোন সময়ে উক্ত পেশকৃত তথ্যের পরিবর্তন হইলে উহা একই প্রμিয়ায় তৎক্ষণাৎ মহাপরিদর্শক বা সংশ্লিষ্ট উপ-মহাপরিদর্শককে অবহিত করিতে হইবে।
(৪) মহাপরিদর্শক অথবা উপ-মহাপরিদর্শক প্রয়োজন মনে করিলে উক্ত ফরমে উল্লিখিত তথ্যসমূহ ব্যতীত অতিরিক্ত তথ্য প্রদানের জন্য প্রতিষ্ঠানের মালিক বা দখলদারকে নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবেন।
(৫) এই বিধির বিধান মালিক কর্তৃক পরিবারের সদস্যগণের সাহায্যে পরিচালিত হয় এবং যেখানে মজুরির বিনিময়ে কোন শ্রমিক নিযুক্ত থাকেন না সেই ধরনের কারখানা বা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হইবে ।
৩৫৪। কারখানা, শিল্প প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্যিক ব্যাংক ও বীমা প্রতিষ্ঠান, দোকান এবং ঠিকাদার সংস্থা রেজিস্ট্রিকরণ ও লাইসেন্স মঞ্জুরির আবেদন
প্রত্যেক মালিক বা দখলদারকে কারখানা, শিল্প প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান, দোকান ও ঠিকাদার সংস্থা রেজিস্ট্রেশন এবং লাইসেন্স মঞ্জুরির জন্য নি¤ড়ববর্ণিত সময়সূচি নুসরণ করিয়া মহাপরিদর্শকের নিকট ফরম-৭৭ অনুযায়ী (দুই প্রস্থ) দরখাস্ত দাখিল করিতে হইবে, যথা:-
(ক) বিদ্যমান অথবা উৎপাদন প্রμিয়ারত যে সকল কারখানা, শিল্প প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্যিক ব্যাংক ও বীমা প্রতিষ্ঠান, দোকান ও ঠিকাদার সংস্থার উপর আইন প্রযোজ্য সেই সকল কারখানা, শিল্প প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্যিক ব্যাংক ও বীমা প্রতিষ্ঠান, দোকান ও ঠিকাদার সংস্থার ক্ষেত্রে এই বিধিমালা কার্যকর হইবার তারিখ হইতে ছয় মাসের মধ্যে; এবং
(খ) এই বিধিমালা কার্যকর হইবার পরে প্রতিষ্ঠিত অথবা উৎপাদন চলমান এমন কারখানা, শিল্প প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্যিক ব্যাংক ও বীমা প্রতিষ্ঠান, দোকান ও ঠিকাদার সংস্থার ক্ষেত্রে কাজ শুরু করিবার কমপক্ষে ৩০ (ত্রিশ) দিন পূর্বে।
৩৫৫। লাইসেন্স রেজিস্ট্রিকরণের ফি ও লাইসেন্স প্রদান
(১) মহাপরিদর্শক, তফসিল-৭ এ বর্ণিত নির্দিষ্ট হারে ফি প্রাপ্তি সাপেক্ষে ফরম-৭৮ অনুযায়ী লাইসেন্স মঞ্জুর করিবেন এবং তিনি ফরম-৭৯ অনুযায়ী রেজিস্টারে উল্লিখিত লাইসেন্স মঞ্জুির এবং নবায়ন ও সংশোধন সংμান্ত তথ্যাদি সংরক্ষণ করিবেন।
(২) প্রতিটি লাইসেন্সের মেয়াদ যে অর্থবৎসরে মঞ্জুর করা হইবে সেই অর্থবৎসরের ৩০শে জুন পর্যন্ত বলবৎ থাকিবে।
(৩) লাইসেন্স নবায়নের জন্য নির্ধারিত নবায়ন ফি প্রদানপূর্বক মেয়াদ শেষ হইবার পূর্বে ফরম-৭৭ অনুযায়ী মহাপরিদর্শকের নিকট আবেদন করিতে হইবে ।
(৪) মেয়াদোত্তীর্ণ হইবার পরবর্তী এক বৎসরের মধ্যে বিধি অনুযায়ী বিল¤¦ ফি প্রদান করিয়া নবায়ন করা না হইলে লাইসে›স স্বয়ংμিয়ভাবে বাতিল বলিয়া গণ্য হইবে এবং কর্তৃপক্ষ সেই প্রতিষ্ঠান বন্ধ করিবার জন্য অভিযোগ ও মামলা দায়ের করিতে পারিবে।
(৫) লাইসেন্স অথবা উহার কপি কারখানা, শিল্প প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্যিক ব্যাংক ও বীমা প্রতিষ্ঠান, দোকান ও ঠিকাদার সংস্থার কোন প্রকাশ্য স্থানে প্রদর্শন করিতে হইবে।
(৬) উপ-বিধি (৩) মোতাবেক লাইসেন্স নবায়নের ফি জমা করিয়া নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আবেদন করা না হইলে, পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে উহা পরিশোধ করিয়া আবেদন করা হইলে লাইসেন্স নবায়নের জন্য ধার্য ফি’র শতকরা পঁচিশ টাকা (২৫%) হারে অতিরিক্ত ফি পরিশোধ করিতে হইবে।
(৭) তিন মাস অতিμান্ত হইলে নবায়ন ফি’র সহিত উক্ত অর্থ শতকরা পঞ্চাশ টাকা (৫০%) হারে অতিরিক্ত পরিশোধ করিতে হইবে ।
(৮) ছয় মাসের মধ্যে আবেদন করা না হইলে নবায়ন ফি’র সমপরিমাণ অতিরিক্ত ফি পরিশোধ করিতে হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, নির্ধারিত তারিখের মধ্যে নবায়ন ফি’র অংশবিশেষ পরিশোধ করা হইয়া থাকিলে কেবল অনাদায়ী অংশের উপর অতিরিক্ত ফি প্রদেয় হইবে।
৩৫৬। লাইসেন্স সংশোধনী
(১) মহাপরিদর্শক আবেদন প্রাপ্ত হইলে প্রদত্ত লাইসেন্স সংশোধন করিতে পারিবেন।
(২) কারখানা, শিল্প প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্যিক ব্যাংক ও বীমা প্রতিষ্ঠান, দোকান ও ঠিকাদার সংস্থায় শ্রমিক সংখ্যা হ্রাস বা বৃদ্ধি পাইবার ফলে শ্রেণি পরিবর্তন বা নাম পরিবর্তন বা ঠিকানা পরিবর্তন বা মালিকানা পরিবর্তনের ফলে কোন লাইসেন্স সংশোধনের প্রয়োজন হইলে তাহাকে সংশোধনের প্রকৃতি বর্ণনা করিয়া মহাপরিদর্শকের নিকট মূল লাইসেন্স জমা দানসহ ফরম-৭৭ অনুযায়ী অবেদনপত্র দাখিল করিতে হইবে।
(৩) লাইসেন্স সংশোধনীর জন্য দোকান ব্যতীত সকল ক্ষেত্রে ৫০০ (পাঁচশত) টাকা এবং দোকানের ক্ষেত্রে ২০০/- (দুইশত) টাকা ফি প্রদান করিতে হইবে এবং উহার অতিরিক্ত উক্ত কারখানা বা প্রতিষ্ঠানের লাইসে›েসর শ্রেণি বৃদ্ধির জন্য শ্রমিক সংখ্যা অনুযায়ী তফসিল-৭ এ বর্ণিত ফিও (প্রম লাইসেন্স নেওয়ার সময় প্রদত্ত ফি বাদে) পরিশোধ করিতে হইবে।
(৪) মালিকানা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে পূর্বের মালিকের অধীন কর্মরত শ্রমিকদের পাওনা ও সুবিধাদি পরিশোধের তথ্যাবলি আবেদনের সহিত যুক্ত করিতে হইবে।
৩৫৭। লাইসেন্স হারানো
(১) এই বিধিমালা মোতাবেক প্রদত্ত লাইসেন্স যদি হারাইয়া যায় অথবা দুর্ঘটনাবশত নষ্ট হয় তাহা হইলে মহাপরিদর্শকের নিকট ফরম-৭৭ অনুযায়ী আবেদনপত্র দাখিল করিতে হইবে।
(২) আবেদনের জন্য দোকান ব্যতীত সকল ক্ষেত্রে ১,০০০ (এক হাজার) টাকা এবং দোকানের ক্ষেত্রে ৫০০ (পাঁচশত) টাকা ফি প্রদান সাপেক্ষে উহার একটি প্রতিলিপি প্রদান করা হইবে।
(৩) উপ-বিধি (১) এর অধীন আবেদন করিবার ক্ষেত্রে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন প্রদান অথবা সংশ্লিষ্ট থানায় জিডি করিতে হইবে এবং উহার সত্যায়িত কপি দরখাস্তের সহিত সংযুক্ত করিতে হইবে।
৩৫৮। লাইসেন্স বাতিল বা স্থগিতকরণ
(১) এই বিধিমালা মোতাবেক কোন মালিক তাহার কোন প্রতিষ্ঠান স্থায়ীভাবে বন্ধ করিলে বা ব্যবসা পরিচালনায় অপারগ হইলে বন্ধ হইবার কারণ সম্বলিত আবেদনপত্রের সহিত লাইসে›েসর মূল কপি পরিদর্শকের নিকট জমা করিতে হইবে এবং পরিদর্শক আবেদন যাচাইপূর্বক লাইসেন্স বাতিল করিতে পারিবে।
(২) পরিদর্শকের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, কোন প্রতিষ্ঠান বা উহার অংশবিশেষ বা উহাতে বা উহার সহিত সংশ্লিষ্ট বা উহা কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত বিষয় বা রীতি মানুষের জীবন ও নিরাপত্তার জন্য বিপজ্জনক অথবা এমন ত্রুটিপূর্ণ যে উহা মানুষের শারীরিক ক্ষতি করিতে পারে, তাহা হইলে পরিদর্শক কর্মস্থল নিরাপদ না হওয়া পর্যন্ত লাইসেন্স সাময়িকভাবে স্থগিত করিয়া উৎপাদন সাময়িকভাবে বন্ধ রাখিবার নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবেন।
(৩) বাতিল বা স্থগিতকৃত লাইসেন্স পুনর্বহাল করিতে চাহিলে যে আর্থিক বৎসরে বাতিল বা স্থগিত করা হইয়াছিল সেই বৎসর হইতে প্রতি আর্থিক বৎসরের জন্য দ্বিগুন হারে নবায়ন ফি প্রদান করিতে হইবে।
৩৫৯। ইন্টারনেট ব্যবহার করিয়া অনলাইন কার্যম
মহাপরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত পরিদর্শক কারখানা বা শিল্প প্রতিষ্ঠান বা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, ইত্যাদির নকশা অনুমোদন, লাইসেন্স প্রদান ও নবায়ন, শ্রেণি পরিবর্তন ও সম্প্রসারণের অনুমতি প্রদান, ইত্যাদি কার্যμমের সকল ক্ষেত্রে ইন্টারনেট ব্যবহার করিয়া অনলাইনে উহা সম্পনড়ব করিতে পারিবেন, তবে সকল পক্ষকে কাগজ ও প্রমাণাদি সংরক্ষণ করিতে হইবে।
৩৬০। ফি পরিশোধ
এই বিধিমালা মোতাবেক সকল দরখাস্তের সহিত ‘‘১-৩১৪৩-০০০০-১৮৫৪” খাতে জমা দেওয়া ফি সংμান্ত ট্রেজারি চালানের মূল কপি সংযুক্ত থাকিতে হইবে।
৩৬১। পরিদর্শকের কতিপয় আদেশের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত আপিল ও উহার নিষ্পত্তি
(১) ধারা ৩২৭ মোতাবেক সকল আপিল-
(ক) স¥ারকলিপি আকারে দাখিল করিতে হইবে;
(খ) যে আদেশের বিরুদ্ধে উহা করা হইতেছে উহার স্মারকে বর্ণনা করিতে হইবে;
(গ) উহাতে প্রয়োজনীয় কোর্ট ফি সংযোজন করিতে হইবে; এবং
(ঘ) যে আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হইতেছে তাহার একটি নকল স¥ারকলিপির সহিত থাকিতে হইবে।
(২) আপিল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় শুনানির সুযোগ প্রদান করিয়া আপিল আবেদন প্রাপ্তির ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে উহা নিষ্পত্তি করিবে।
(৩) আপিল কর্তৃপক্ষ আপিল শুনানির জন্য তারিখ ও স্থান নির্ধারণ করিয়া আপিলকারী এবং মহাপরিদর্শককে অথবা ক্ষেত্রবিশেষে, পরিদর্শককে নোটিস প্রেরণ করিতে পারিবে।
(৪) আপিলকারী যদি তাহার আরজিতে অ্যাসেসর নিয়োগের অনুরোধ করিয়া থাকেন তাহা হইলে তিনি যে রেজিস্টার্ড সমিতির সদস্য উহার নামও আপিলে উল্লেখ করিবেন।
(৫) আপিলকারী কর্তৃক এসেসর নিয়োগের অনুরোধ থাকিলে অথবা আপিল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজন মনে করিলে উপ-বিধি (১) এর অধীন পেশকৃত আপিল আবেদন দুইজন এসেসরের সহায়তায় শুনানি করিবে এবং উক্ত এসেসরদ্বয়ের একজনকে আপিল কর্তৃপক্ষ নিয়োগ করিবে এবং সংশ্লিষ্ট শিল্পের নির্ধারিত কোন প্রতিনিধিত্বকারী সংস্থার নিকট অন্য একজন এসেসর নিয়োগের জন্য অনুরোধ করিবে এবং উক্ত প্রতিনিধিত্বকারী সংস্থা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোন এসেসর নিয়োগ না করিলে বা তাহাদের নিয়োজিত ও মনোনীত এসেসর আপিলের শুনানির জন্য নির্দিষ্ট সময়ে নির্ধারিত স্থানে উপস্থিত হইতে ব্যর্থ হইলে এবং উক্ত ব্যর্থতা কোন যুক্তিসংগত কারণ ব্যতীত হইয়াছে বলিয়া মনে করিলে আপিল কর্তৃপক্ষ এসেসরের সাহায্য ব্যতীত আপিলের শুনানি চলমান রাখিতে পারিবে।
(৬) আপিলকারী কর্তৃক এসেসর নিয়োগের অনুরোধ না থাকিলে আপিল কর্তৃপক্ষ কোন এসেসর ব্যতীত আপিল কার্যμম নিষ্পত্তি করিতে পারিবে।
(৭) আপিলকারী উপ-বিধি (৫) মোতাবেক অ্যাসেসরদের সহায়তায় মামলা শুনানির জন্য অনুরোধ করিয়া থাকিলে স¥ারকলিপি পাইবার পর আপিল কর্তৃপক্ষ অ্যাসেসরদের খরচ জমা প্রদানের জন্য আপিলকারীকে নির্দেশ প্রদান করিবে।
(৮) আপিলকারী যদি তাহার আপিলে উল্লেখ না করেন, তিনি কোন সমিতির সদস্য তাহা হইলে আপিল কর্তৃপক্ষ নিজ বিবেচনা অনুযায়ী উপযুক্ত সমিতিকে অ্যাসেসর নিয়োগ করিবার আহবান করিতে পারিবে।
(৯) উপ-বিধি (৫) মোতাবেক নিযুক্ত অ্যাসেসর আপিল শুনানির জন্য প্রতিদিন আপিল কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত ফি এবং ভ্রমণ ভাতা প্রাপ্য হইবেন।
(১০) অ্যাসেসরদের ফি ও ভ্রমণ ভাতা সরকার পরিশোধ করিবে, কিন্তু যেখানে আপিলকারীর অনুরোধμমে অ্যাসেসর নিযুক্ত হইয়াছে সেই ক্ষেত্রে আপিলকারী কর্তৃক উপ-বিধি (৭) মোতাবেক জমাকৃত টাকায় অ্যাসেসরকে ভ্রমণ ভাতা প্রদান করিতে হইবে এবং তারপর কোন টাকা উদ্বৃত্ত থাকিলে উহা আপিলকারীকে ফেরত প্রদান করিতে হইবে।
৩৬২। নোটিস জারি ও বিবরণী পেশ
(১) ধারা ৩৩৩(ক) মোতাবেক প্রত্যেক আদেশ নি¤ড়ববর্ণিত পদ্ধতিতে জারি করিতে হইবে, যথা:-
(ক) হাতে হাতে বা ডাকযোগে লিখিত নোটিস প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) সাধারণ সার্কুলার প্রণয়নের মাধ্যমে;
(গ) গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে।
(২) ধারা ৩৩৩(খ) মোতাবেক প্রতিষ্ঠানের মালিক বা ব্যবস্থাপক মহাপরিদর্শকের নিকট নিম্মোক্ত তারিখের মধ্যে নির্দিষ্ট ফরমে দুই প্রস্থ করিয়া বিবরণী দাখিল করিবেন, যথা:-
(ক) ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে ফরম-৮০ অনুযায়ী অর্ধবার্ষিক বিবরণী;
(খ) ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ফরম-৮১ অনুযায়ী বার্ষিক বিবরণী।
৩৬৩। রেকর্ড সংরক্ষণ
আইন এবং এই বিধিমালার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে প্রদত্ত সকল নোটিস, আদেশ, রসিদ, সার্টিফিকেট, দলিলপত্র ও রেজিস্টার ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ কর্তৃক পরবর্তী তিন বৎসর পর্যন্ত সংরক্ষণ করিতে হইবে, এবং পরিদর্শক চাহিবামাত্র উহা ত্াহার নিকট উপস্থাপন করিতে হইবে।
৩৬৪। আইন, বিধি এবং প্রবিধানের সার-সংক্ষেপ ও মহাপরিদর্শকের দপ্তরের ঠিকানা প্রদর্শন
ধারা ৩৩৭ মোতাবেক আইন, বিধি এবং প্রবিধানের জরুরি বা গুরুত্বপূর্ণ বিধানসমূহের সারসংক্ষেপ বাংলায় এবং শ্রমিকগণের নিকট সহজবোধ্য ভাষায় লিখিয়া শ্রমিকদের জন্য প্রদর্শনের ব্যবস্থা করিতে হইবে এবং উহার সহিত মহাপরিদর্শক ও সংশ্লিষ্ট উপ-মহাপরিদর্শকের কার্যালয়ের ঠিকানা, ই-মেইল নম্বর, অন-লাইন ঠিকানা ও টেলিফোন নম্বর এবং উক্ত প্রতিষ্ঠানের ঠিকানাসহ নাম ফলক ও নিয়োজিত বা তালিকাভুক্ত রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের ঠিকানা ও টেলিফোন নম্বর প্রকাশ্য স্থানে নোটিস আকারে প্রদর্শন করিতে হইবে।
৩৬৫। সাধারণ ক্ষেত্রে কোর্ট ফিস
(১) ধারা ৩৪৬ মোতাবেক কোন প্রকার দরখাস্ত, কার্যধারা বা আপিলের জন্য কোন কোর্ট ফি বা অন্য কোন ফি প্রদান করিতে হইবে না, তবে সাক্ষীকে সমন জারির ক্ষেত্রে প্রত্যেক সাক্ষীর জন্য দশ টাকা হারে ফি প্রদেয় হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, আদালত দরখাস্তকারীর দারিদ্রতার কথা বিবেচনা করিয়া উক্ত ফি হ্রাস করিতে বা সম্পূর্ণ মওকুফ করিতে পারিবে :
আরও শর্ত থাকে যে, সরকারের প্রাধিকারপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তা কর্তৃক দায়েরকৃত দরখাস্তের ক্ষেত্রে উক্তরূপ ফি প্রদেয় হইবে না।
(২) আদালতের রায় বা উহার নিকট দাখিলকৃত যেকোন দলিলের অনুলিপি সংগ্রহের জন্য আদালত ফি নির্ধারণ করিতে পারিবে এবং উক্ত ফি প্রদান সাপেক্ষে যে কোন ব্যক্তি উক্ত অনুলিপি সংগ্রহ করিতে পারিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, আদালত দরখাস্তকারীর দারিদ্রতার কথা বিবেচনা করিয়া বিনামূল্যে অনুলিপি সরবরাহের আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।
৩৬৬। অনুযোগ নিষ্পত্তি
কারখানা বা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কোন শ্রমিক বা কোন মালিক কর্তৃক অসৎ শ্রম আচরণ সংঘটনের বিষয়ে উহা সংঘটিত হইবার ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে প্রতিকার চেয়ে শ্রম পরিচালক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট আবেদন করিতে হইবে এবং এইরূপ আবেদন প্রাপ্তির ৩০ (ত্রিশ) কর্মদিবসের মধ্যে শ্রম পরিচালক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উহা নিষ্পত্তি করিবেন।
৩৬৭। রহিতকরণ ও হেফাজত
(১) এই বিধিমালা কার্যকর হইবার সঙ্গে সঙ্গে নি¤ড়ববর্ণিত বিধিমালা বা বিধি-বিধান রহিত হইবে, যথা:-
(ক) ধারা ৩৫৩ -তে উল্লিখিত রহিত আইনসমূহের অধীন প্রণীত বিধি, প্রবিধান বা স্কীম; এবং
(খ) বাংলাদেশ শিক্ষাধীনতা প্রশিক্ষণ বিধিমালা, ২০০৮।
(২) উক্তরূপ রহিতকরণ সত্বেও রহিত বিধি, প্রবিধি বা স্কীমের অধীন-
(ক) কৃত কোন কাজ কর্ম বা জারিকৃত কোন আদেশ, বিজ্ঞপ্তি বা প্রজ্ঞাপন অথবা প্রদত্ত কোন নোটিস, দায়েরকৃত কোন অভিযোগ বা পেশকৃত কোন দরখাস্ত বা গৃহীত কোন কার্যধারা এই বিধিমালার সহিত সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া সাপেক্ষে, বলবৎ থাকিবে;
(খ) কোন আদালত বা ট্রাইব্যুনালে কোন মামলা বা কার্যধারা চলমান থাকিলে উহা এমনভাবে চলমান থাকিবে বা নিষ্পত্তি করিতে হইবে যেন এই বিধিমালা প্রণীত হয় নাই।