02 Mar 2026 +880 1886 456688
image

Laws & Rules

দন্ডবিধি, ১৮৬০
Click here for Deep-Dive

দন্ডবিধি, ১৮৬০

: ( )
১২০। কারাদন্ডে দন্ডনীয় অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্রের গোপনকরণ

কোন ব্যক্তি যদি কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটনের সুবিধা বিধানের উদ্দেশ্যে অথবা তার কর্তৃক অনুরূপ অপরাধের সুবিধা হবে জানা –

অপরাধটি অনুষ্ঠিত হওয়ার ক্ষেত্রে (If ofrence be committed):-

কোন কার্য কর্তৃক অথবা কোন কার্য করা হতে বেআইনীভাবে বিরত থেকে ইচ্ছাপূর্বক অনুরূপ অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব গোপন করে, অথবা অনুরূপ ষড়যন্ত্র সম্পর্কে এমন কোন বিবরণ দান করে যে, ষড়যন্ত্রটি সম্পর্কে মিথ্যা বলে সে জানে,

অপরাধটি অনুষ্ঠিত না হওয়ার ক্ষেত্রে (If offence be not committed):-

অপরাধটি যদি অনুষ্ঠিত হয় তবে সে ব্যক্তি অনুরূপ অপরাধের জন্য বিহিত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এই কারাদণ্ডের মেয়াদ অপরাধটির জন্য বিহিত দীর্ঘতম মেয়াদের এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত অথবা অপরাধটি অনুষ্ঠিত না হলে, এক-অষ্টমাংশ পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের হবে, অথবা সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য যেরূপ অর্থদণ্ডেও বিধান করা হয়েছে সেরূপ অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে। 

১২১। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা বা যুদ্ধ ঘোষণার উদ্যোগ করা বা যুদ্ধ ঘোষণার সহায়তা করা

কোন ব্যক্তি যদি বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে অথবা অনুরূপ যুদ্ধের উদ্যোগ গ্রহণ করে অথবা অনুরূপ যুদ্ধে সহায়তা করে, তবে সে ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে অথবা যাবজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হবে।

উদাহরণ

Illustration

ক বাংলাদেশের বিরুদ্ধে একটি অভু্যত্থানে যোগদান করে । ক এই ধারায় বর্ণিত দোষে দোষী হবে।

১২২। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করিবার উদ্দেশ্যে অস্ত্রশস্ত্র প্রভৃতি সংগ্রহ করণ

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করার জন্য অথবা যুদ্ধারম্ভ করার উদ্দেশ্যে প্রস্তুত হওয়ার জন্য কোন ব্যক্তি যদি ব্যক্তিবল, অস্ত্রশস্ত্র অথবা গোলাবারুদ সংগ্রহ করে অথবা অপর কোনভাবে যুদ্ধারম্ভের প্রস্তুতি গ্রহণ করে, তবে সে ব্যক্তি অনধিক দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

১২৩। যুদ্ধ সুগম করিবার অভিপ্রায়ে ষড়যন্ত্র গোপনকরণ

কোন ব্যক্তি যদি কোন কাজ কর্তৃক কোন কাজ করা হতে বেআইনীভাবে বিরত থাকার মাধ্যমে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধারম্ভের ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব গোপন করে এবং যুদ্ধারম্ভের সুবিধা বিধানের উদ্দেশ্যেই অথবা অনুরূপ গোপন করার ফলে যুদ্ধারম্ভের সুবিধা হবে জেনেই তা করে, তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হবে।

১২৩ক। রাষ্ট্র সৃষ্টি নিন্দাকরণ ও উহার সার্বভৌমত্বের বিলোপ সমর্থন করা।

(১) কোন ব্যক্তি যদি বাংলাদেশের মধ্যে বা বাইরে থেকে বাংলাদেশের নিরাপত্তার পক্ষে ক্ষতিকর হতে পারে অথবা বাংলাদেশের রাষ্ট্ৰীয় সীমার অভ্যন্তরীণ সকল এলাকার অথবা কোন এলাকা বিশেষের দিক হতে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের বিপজ্জনক হতে পারে এমন পদ্ধতিতে কোন ব্যক্তিকে অথবা জনসাধারণের সমগ্র অংশ বা কোন অংশবিশেষকে প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে অথবা তার কাজ কর্তৃক অনুরূপ কোন ব্যক্তি অথবা জনসাধারণের সমগ্র অংশ বা কোন অংশবিশেষ প্রভাবিত হবে জেনে, উচ্চারিত বা লিখিত কথা কর্তৃক কিংবা চিহ্ন বা দৃশ্য প্রতীক কর্তৃক ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ রাষ্ট্রসমূহের এলাকার সাথে একত্রীকরণের মাধ্যমে কিংবা অপর কোনভাবে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমার অভ্যন্তরবর্তী সকল এলাকার বা কোন এলাকাবিশেষের দিক হতে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব খর্ব করার বা কোন বিলোপের সমর্থন বা সে মর্মে প্রচারণা করে, তবে সে ব্যক্তিকে দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হবে।

(২) প্রাসঙ্গিক সময়ে বলবৎ অপর কোন আইনে যা কিছুই বিধান করা হয়ে থাকুক না কেন এই ধারামতে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে তার তদন্ত বা বিচারকালে যে আদালতে তাকে সোপর্দ করা হবে সে আদালত আইনসম্মত ভাবেই যে পর্যন্ত না বিষয়টি চূড়ান্তরূপে নিস্পত্তি হয় সে পর্যন্ত উক্ত ব্যক্তির গতিবিধি, অন্যান্য ব্যক্তির সাথে তার মেলামেশা বা সহচার্য বা যোগাযোগ এবং খবর সরবরাহ ও মতামত প্রচারণা বিষয়ক উক্ত ব্যক্তির কার্যকলাপ সম্পর্কে যে কোন আদেশ, যা আবশ্যকীয় বলে পরিগণিত হয়-প্রদান করতে পারবেন।

(৩) উপধারায় (২)-এ উল্লেখিত আদালতের সাথে সম্পর্কের দিক হতে যে আদালত একটি আপীল অথবা রিভিশনের আদালত সে আদালতও উক্ত উপধারা বলে কোন আদেশ প্রদান করতে পারেন।

১২৪। কোন আইনসংগত ক্ষমতা প্রয়োগে বাধ্য করা বা বাধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে প্রেসিডেন্ট, গভর্নর প্রভৃতিকে আক্রমনকরণ

কোন ব্যক্তি যদি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি গভর্নর প্রমুখ ব্যক্তিকে আইনানুগ ক্ষমতা সমূহের যে কোন একটি যে কোন পদ্ধতিতে প্রয়োগ করতে অথবা প্রয়োগ করা হতে বিরত থাকতে প্ররোচিত বা বাধ্য করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ রাষ্ট্রপতি বা সরকারকে আক্রমণ করে,

অথবা বেআইনীভাবে নিয়ন্ত্রণ করে, অথবা বেআইনীভাবে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করে অথবা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে অথবা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের ভীতি প্রদর্শন করে ভীতবিহ্বল করে,

অথবা ভীতবিহ্বল করার চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্ৰম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হবে।

১২৪ক। রাষ্ট্রদ্রোহ

কোন ব্যক্তি যদি উচ্চারিত বা লিখিত কথা বা উক্তি দ্বারা, অথবা চিহ্নাদি দ্বারা, অথবা দৃশ্যমান প্রতীকের সহায়তায় অথবা অপর কোনভাবে বাংলাদেশে আইনানুসারে প্রতিষ্ঠিত সরকারের প্রতি ঘৃণা বা বিদ্বেষ সৃষ্টি করে বা করার চেষ্টা করে অথবা বৈরিতা উদ্রেক করে বা করার চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজীবন অথবা যে কোন কম মেয়াদের কারাদণ্ডে যার সাথে অর্থদণ্ড যোগ করা যাবে অথবা তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে যার সাথে অর্থদণ্ড যোগ করা যাবে, অথবা তাকে অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

ব্যাখ্যা (Explanation) ১:- ‘বৈরিতা’ বলতে রাজানুগত্যহীনতা এবং সর্বপ্রকার শক্রতার ভাব বুঝায়।

ব্যাখ্যা (Explanation) ২:- ঘৃণা, বিদ্বেষ বা বৈরিতা সৃষ্টি করা বা সৃষ্টি করার চেষ্টা করা ছাড়াই আইনসম্মত উপায়ে পরিবর্তন বা সংশোধনের উদ্দেশ্যে সরকারের গৃহীত ব্যবস্থাসমূহের প্রতি অসমর্থন প্রকাশ এই ধারামতে অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না।

ব্যাখ্যা (Explanation) ৩:- ঘৃণা, বিদ্বেষ বা বৈরিতা সৃষ্টি করার বা সৃষ্টি করার চেষ্টা করা ছাড়াই সরকারের কোন শাসন পরিচালন বিষয়ক বা অন্যরূপ কার্য সম্পর্কে অসমর্থনমূলক অভিমত বা মন্তব্য প্রকাশ এই ধারামতে অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না।

১২৫। বাংলাদেশের মিত্র বা বাংলাদেশের সহিত শান্তিতে বসবাসকারী কোন এশীয় শক্তির সহিত যুদ্ধ করা বা যুদ্ধের প্ররোচনা দেওয়া

কোন ব্যক্তি যদি বাংলাদেশের সাথে মৈত্রীবন্ধনে আবদ্ধ অথবা শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান কোন এশীয় শক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ আরম্ভ করে অথবা অনুরূপ যুদ্ধ আরম্ভ । করার চেষ্টা করে অথবা অনুরূপ যুদ্ধারম্ভের সহায়তা করে, তবে সে ব্যক্তিকে যাবজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে এবং এই দণ্ডের সাথে অর্থদণ্ডও যোগ করা যাবে, অথবা সে ব্যক্তিকে সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে এবং এই দণ্ডের সাথে অর্থদণ্ডও যোগ করা যাবে, অথবা সে ব্যক্তিকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

১২৫। বাংলাদেশের সহিত মিত্রতায় বা শান্তিতে বসবাসকারী কোন দেশের এলাকায় লুটতরাজ করা

কোন ব্যক্তি যদি বাংলাদেশের সাথে মৈত্রবন্ধনে আবদ্ধ বা শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান কোন শক্তির রাষ্ট্রীয় এলাকার উপর হামলা বা লুটতরাজ সংঘটন করে অথবা হামলা বা লুটতরাজ সংঘটনের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করে, তবে সে ব্যক্তিকে সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্ৰম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তৎসহ তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে ও অনুরূপ হামলা বা লুটতরাজে ব্যবহৃত বা ব্যবহার করার জন্য উদ্দিষ্ট যে কোন সম্পত্তি অথবা অনুরূপ হামলা বা লুটতরাজ হতে লদ্ধ যে কোন সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা যাবে।

১২৭। ধারা ১২৫ ও ১২৬ এ উল্লিখিত যুদ্ধ বা লুটতরাজ দ্বারা সংগৃহীত সম্পত্তি গ্রহণ করা

১২৫ ও ১২৬ ধারা দুইটিতে উল্লেখিত অপরাধসমূহের যে কোনটি সংঘটনক্রমে লব্ধ সম্পত্তি বলে জানা সত্ত্বেও কোন ব্যক্তি যদি অনুরূপ কোন সম্পত্তি গ্রহণ করে, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে ও অনুরূপ গৃহীত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হবে।

১২৮। সরকারী কর্মচারী কর্তৃক সেচ্ছায় নিজের হেফাজত হইতে রাষ্ট্রীয় বন্দী বা যুদ্ধবন্দীকে পলায়ন করিতে দেওয়া

কোন ব্যক্তি যদি একজন সরকারী কর্মচারী হওয়া সত্ত্বেও এবং রাজবন্দি বা যুদ্ধবন্দির হাজতের দায়িত্ব সম্পন্ন হওয়া সত্ত্বেও যে স্থানে অনুরূপ বন্দি আটক আছে ইচ্ছাকৃতভাবে সে স্থান হতে তাকে পলায়ন করতে দেয়, তবে অনুরূপ ব্যক্তি যাবজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

১২৯। সরকারী কর্মচারী কর্তৃক অবহেলাবশতঃ নিজের হেফাজত হইতে রাষ্ট্রীয় বন্দী বা যুদ্ধবন্দীকে পলায়ন করিতে দেওয়া

কোন ব্যক্তি যদি একজন সরকারী কর্মচারী হওয়া সত্ত্বেও এবং রাজবন্দি বা যুদ্ধবন্দির হাজতের দায়িত্বসম্পন্ন হওয়া সত্ত্বেও যে স্থানে অনুরূপ বন্দি আটক আছে, ইচ্ছাকৃতভাবে সে স্থান হতে তাকে পলায়ন করতে দেয় তবে অনুরূপ ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হবে।

১৩০। উক্তরূপে বন্দীর পলায়নে সহায়তা করা বা তাহাকে উদ্ধার করা বা আশ্রয় দেওয়া অথবা তাহার পুনঃ গ্রেফতারে বাধা দেওয়া

কোন ব্যক্তি যদি জ্ঞাতসারে কোন রাজবন্দিকে বা যুদ্ধবন্দিকে আইনসম্মত হাজত হতে পলায়ন করতে সহায়তা করে বা আনুকূল্য দান করে অথবা অনুরূপ কোন বন্দিকে উদ্ধার করে বা উদ্ধার করার চেষ্টা করে অথবা অনুরূপ যে বন্দি আইনসম্মত হাজত হতে পলায়ন করেছে তাকে আশ্রয়দান করে বা লুকিয়ে রাখে অথবা অনুরূপ বন্দিকে পুনরায় গ্রেফতার করার কাজে প্রতিরোধ সৃষ্টি করে বা প্রতিরোধ সৃষ্টি করার চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

ব্যাখ্যা (Explanation):-

যদি কোন রাজবন্দি বা যুদ্ধবন্দিকে বাংলাদেশের মধ্যে নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য শর্তাধীনে মুক্তি দেওয়া হয়, তবে উক্ত বন্দিকে যে নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে অবস্থানের শর্তে মুক্তি দেওয়া হয়েছে বন্দি উহার বাইরে গেলে সে আইনসম্মত হাজত হতে পলায়ন করেছে বলে গণ্য হবে। 

img