02 Mar 2026 +880 1886 456688
image

Laws & Rules

দন্ডবিধি, ১৮৬০
Click here for Deep-Dive

দন্ডবিধি, ১৮৬০

: ( )
১৩১। বিদ্রোহে উসকানি দেওয়া বা কোন অফিসার, সৈনিক, নাবিক, বা বৈমানিককে তাহার আনুগত্য বা কর্তব্যচ্যুত করার চেষ্টা করা

কোন ব্যক্তি যদি বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর নৌবাহিনীর বা বিমানবাহিনীর কোন অফিসারের সৈনিকের, নাবিকের বা বৈমানিকের বিদ্রোহ সংঘটনে সহায়তা করে, অথবা অনুরূপ কোন কর্মকর্তা সৈনিক, নাবিক বা বৈমানিককে তার আনুগত্য কিংবা তার কর্তব্য হতে বিচ্যুত করার চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হবে।

ব্যাখ্যা (Explanation):-

এই ধারায় উল্লেখিত ‘অফিসার সৈনিক নাবিক ও বৈমানিক বলতে সেনাবাহিনী আইন, ১৯১১ সালের সেনাবাহিনী আইন, নৌবাহিনী শৃঙ্খলা আইন কিংবা ১৯৩৪ সালের নৌবাহিনী আইন কর্তৃক সংশোধিত সে আইন, বিমানবাহিনী আইন কিংবা ১৯৩২ সালের বিমানবাহিনী আইন সাপেক্ষে যে কোন ব্যক্তিকে বুঝাবে।

১৩২। বিদ্রোহে উসকানি দেওয়া, যদি তাহার ফলে বিদ্রোহ সংঘটিত হয়

কোন ব্যক্তি যদি বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর বা বিমানবাহিনীর কোন কর্মকর্তা, সৈনিক, নাবিক বা বৈমানিকের বিদ্রোহ অনুষ্ঠানে সহায়তা বা প্ররোচনা দান করে এবং এই সহায়তা বা প্ররোচনার কারণে যদি বিদ্রোহ সংঘটিত হয়, তবে সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে অথবা যাবজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হবে।

১৩৩। কোন অফিসার, সৈনিক, নাবিক বা বৈমানিক কর্তৃক তাহার ঊর্ধ্বতন অফিসারের উপর কর্তব্যরত থাকাকালে হামলায় উসকানি দেওয়া

যখন কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর, নৌ-বাহিনীর বা বিমানবাহিনীর কোন কর্মকর্তা, সৈনিক, নাবিক বা বৈমানিককে তার উধ্বতন কোন কর্মকর্তা তার দায়িত্ব সম্পাদনকালে উধ্বতন কর্মকর্তা আক্রমণ করার কাজে সহায়তা বা প্ররোচনা দান করে। তখন উক্ত ব্যক্তিকে তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হবে।

১৩৪। অনুরূপ আক্রমণে সহায়তাকরণ, আক্রমণ সংঘটিত হইবার ক্ষেত্রে

কোন ব্যক্তি যদি বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর, নৌবাহিনীর বা বিমানবাহিনীর কোন কর্মকর্তা সৈনিক, নাবিক বা বৈমানিককে তার দায়িত্ব সম্পাদনকালে উধ্বতন কর্মকর্তাকে আক্রমণ করার কাজে সহায়তা বা প্ররোচনা দান করে এবং এইরূপ সহায়তা বা প্ররোচনার কারণে আক্রমণ অনুষ্ঠিত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তিকে সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে এবং তাকে তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

১৩৫। সৈনিক, নাবিক বা বৈমানিকের পলায়নে সহায়তাকরণ

কোন ব্যক্তি যদি বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর, নৌবাহিনীর বা বিমানবাহিনীর কোন কর্মকর্তা, সৈনিক, নাবিক বা বৈমানিককে বাহিনী হতে পলায়নে সহায়তা বা প্ররোচনা দান করে তবে উক্ত ব্যক্তিকে দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে।

১৩৬। পলাতককে আশ্রয়দান করা

এই ধারার ব্যতিক্রমে উল্লেখিত ব্যক্তি ছাড়াই যদি অন্য কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর, নৌবাহিনীর বা বিমানবাহিনীর কোন কর্মকর্তা, সৈনিক, নাবিক বা বৈমানিককে উক্ত কর্মকর্তা, সৈনিক, নাবিক বা বৈমানিক তার বাহিনী হতে পলায়ন করেছে জানাসত্ত্বেও আশ্রয়দান করেন বা রক্ষা করেন, তবে উক্ত ব্যক্তিকে দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা হবে।

ব্যতিক্রম (Exeption):-

স্ত্রী তার স্বামীকে আশ্রয়দান বা রক্ষা করলে তখন এই বিধান প্রয়োগযোগ্য নয় ।

১৩৭। পোতাধ্যক্ষের অবহেলার দরুন বাণিজ্যপোতে গোপনকৃত পলাতক

কোন সওদাগরী জাহাজে বাংলাদেশের সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী বা বিমানবাহিনী হতে পলায়নকারী আত্মগোপন করলে সে জাহাজের অধ্যক্ষ বা ভারপ্রাপ্ত ব্যক্তি অনুরূপ আত্মগোপন সম্পর্কে অজ্ঞ থাকলেও অনধিক পাঁচশত টাকা পর্যন্ত অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবেন-যদি অপরাধটি এমন অবস্থায় অনুষ্ঠিত হয় যে, অনুরূপ অধ্যক্ষ বা ভারপ্রাপ্ত ব্যক্তি তার কোন কর্তব্যে অবহেলা না হলে অথবা জাহাজে কোনরূপ শৃঙ্খলার অভাব না হলে অনুরূপ আত্মগোপন সম্পর্কে জানতে বা অবহিত হতে পারতেন 

১৩৮। সৈনিক, নাবিক বা বৈমানিক কর্তৃক অবাধ্যতা প্রদর্শনে সহায়তাকরণ

কোন ব্যক্তি যদি জ্ঞাতসারে বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর, নৌবাহিনীর অথবা বিমানবাহিনীর কোন কর্মকর্তা, সৈনিক, নাবিক বা বৈমানিকের অবাধ্যতামূলক কাজে সহায়তা বা প্ররোচনা দান করে এবং এইরূপ প্ররোচনার ফলে অনুরূপ অবাধ্যতামূলক কার্যটি অনুষ্ঠিত হয়, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

১৩৯। কতিপয় আইনের অধীন ব্যক্তিগণ

১৯৫২ সালের সেনাবাহিনী আইন, ১৯৬১ সালের নৌবাহিনী অধ্যাদেশ, ১৯৫৩ সালের বিমানবাহিনী আইনের আওতাধীন কোন ব্যক্তি এই পরিচ্ছেদে বর্ণিত কোন অপরাধের জন্য এই আইনের বিধানবলে দণ্ডিত হবেন না।

১৪০। সৈনিক, নাবিক বা বৈমানিক কর্তৃক ব্যবহৃত পোশাক পরিধান করা বা প্রতীক ধারণ করা

কোন ব্যক্তি যদি বাংলাদেশের সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী বা বিমানবাহিনীতে কার্যরত সৈনিক, নাবিক বা বৈমানিক না হওয়া সত্ত্বেও যাতে সে অনুরূপ সৈনিক, নাবিক ও বৈমানিক বলে বিশ্বাস সৃষ্টি করা যায়, সে উদ্দেশ্যে অনুরূপ কোন সৈনিক, নাবিক বা বৈমানিকের কোন পোশাক পরিধান করে অথবা অনুরূপ কোন পোশাক বা প্রতীকের সদৃশ কোন প্রতীক বহন করে, তবে উক্ত ব্যক্তি তিন মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা পাচশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে। 

img