- ১১১। মজুরি ও উহার রেকর্ড সংরক্ষণ।
- ১১২। মজুরি পরিশোধের মেয়াদ ও পরিশোধের নোটিস
- ১১৩। মজুরি ও অন্যান্য পাওনাদি সম্পর্কে আপোষ-মীমাংসা
- ১১৪। অসম্পূর্ণ মাসের কাজের ক্ষেত্রে মজুরি হিসাব পদ্ধতি
- ১১৫। কর্তব্যে অনুপস্থিতির জন্য মজুরি কর্তন
- ১১৫। কর্তব্যে অনুপস্থিতির জন্য মজুরি কর্তন
- ১১৬। ক্ষতি বা বিনষ্টির জন্য মজুরি কর্তনের রেকর্ড
- ১১৭। অগ্রিম
- ১১৮। মৃত শ্রমিকের অপরিশোধিত মজুরি ও অন্যান্য পাওনা পরিশোধ
- ১১৯। মৃত শ্রমিকের অপরিশোধিত মজুরি আদালতে জমা প্রদান
- ১২০। মজুরি পরিশোধের জন্য শ্রম আদালতে দরখাস্ত
দশম অধ্যায় : মজুরি ও উহার পরিশোধ ( বিএলআর-২০১৫ )
১১১। মজুরি ও উহার রেকর্ড সংরক্ষণ।
(১) প্রতিটি কারখানায় বা প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত সকল শ্রমিকদের শ্রমিক রেজিস্টারের μমানুসারে মজুরিকাল অনুযায়ী মজুরি পরিশোধের একটি রেকর্ড ফরম-৩৮ অনুযায়ী সংরক্ষণ করিতে হইবে এবং মজুরি পরিশোধের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি তাহার সুবিধা অনুযায়ী উহা কম্পিউটারে সংরক্ষণ করিতে পারিবে :
তবে শর্ত থাকে যে, মজুরি পরিশোধকালে মুদ্রিত কপিতে রেভিনিউ স্ট্যাম্প ব্যবহার করিয়া শ্রমিকের স্বাক্ষর গ্রহণ করিতে হইবে।
(২) যদি কোন শ্রমিক তাহার মজুরি তাহার ব্যাংক হিসাবে গ্রহণ করিতে চাহেন তবে মালিক উহা ব্যাংক চেক অথবা সরাসরি ব্যাংক হস্তান্তর (ইধহশ ঞৎধহংভবৎ) এর মাধ্যমে পরিশোধ করিতে পারিবেন এবং মজুরি স্লিপ প্রদান করিবেন এবং এইক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষ মহিলা শ্রমিকদের ব্যাংক হিসাব খোলা ও পরিচালনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করিবে।
(৩) প্রতি মজুরি মেয়াদে প্রত্যেক শ্রমিককে মজুরি পরিশোধের পূর্বে মালিক ফরম-৩৮ অনুযায়ী একটি মজুরি সিøপ প্রদান করিবেন যাহাতে শ্রমিকের প্রাপ্য মজুরি, অধিকাল ভাতা, কর্তন (যদি থাকে) ও পরিশোধযোগ্য মোট মজুরি উল্লেখ থাকিবে।
(৪) প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানে যে কোন ধরনের শ্রমিককে কাজে নিয়োজিত করিবার পূর্বেই তাহার মজুরি ঘোষণা করিতে হইবে।
(৫) প্রতিটি কারখানা বা প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত শ্রমিকদের মধ্যে যাহারা নিরবিচ্ছিনড়বভাবে ১ (এক) বৎসর চাকরি পূর্ণ করিয়াছেন তাহাদেরকে বৎসরে দুইটি উৎসব ভাতা প্রদান করিতে হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, প্রতিটি উৎসব ভাতা মাসিক মূল মজুরির অধিক হইবে না, উহা মজুরির অতিরিক্ত হিসাবে বিবেচিত হইবে।
(৬) ঠিকাহার বা ফুরণ ভিত্তিক (পিস রেট) মজুরির হিসাব হইবে নি¤ড়বরূপ, যথা:-
(ক) কারখানার ফ্লোর ইন-চার্জের মাধ্যমে শ্রমিকদের নিকট হইতে প্রাথমিক ধারণা নিয়া উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ বা মালিক ফুরণ ভিত্তিক (পিস রেট) মজুরি নির্ধারণ করিবেন;
(খ) ফুরণ ভিত্তিক (পিস রেট) মজুরি প্রদানকালে প্রত্যেক শ্রমিককে পে-স্লিপ প্রদান করিতে হইবে এবং পে-স্লিপে মজুরির খাতওয়ারী বিস্তারিত বিবরণ লিপিবদ্ধ থাকিবে;
(গ) কোন প্রকৃতি (ঝঃুষব) এর ফুরণ ভিত্তিক (পিস রেট) মজুরির হার সম্পর্কে কোন পর্যায় হইতে কোন আপত্তি উত্থাপিত হইলে উহা কর্তৃপক্ষ কর্তৃক পুনর্বিবেচনার সুযোগ থাকিবে;
(ঘ) আংশিক কাজের ক্ষেত্রে শ্রমিককে তাহার প্রাপ্য নির্ধারিত গ্রেডে ন্যূনতম মজুরিতে ঘাটতি থাকিলে উহা মালিক পূরণ করিয়া প্রদান করিবেন;
(ঙ) কাজের স্বল্পতার কারণে কোন মাসে কোন শ্রমিক মাসের সকল কর্মদিবসে উপস্থিত থাকিবার পরও নির্ধারিত গ্রেডের প্রাপ্য ন্যূনতম মজুরি অপেক্ষা কম মজুরি পাইলে কারখানা কর্তৃপক্ষকে উহা পূরণ করিতে হইবে;
(চ) গ্রেডে প্রাপ্য মজুরি বা ফুরণ ভিত্তিক (পিস রেট) মজুরির মধ্যে যাহা অধিক হইবে শ্রমিকদেরকে সেই মজুরি প্রদান করিতে হইবে;
(ছ) কারখানায় যদি কাজ না থাকে তাহা হইলে শ্রমিকদের নির্ধারিত গ্রেডের প্রাপ্য মূল মজুরি প্রদান করিতে হইবে;
(জ) ফুরণ ভিত্তিক (পিস রেট) মজুরি বিষয়ক উপরি-উক্ত বিধানসমূহ যথাযথভাবে বাস্তবায়ন হইতেছে কিনা উহা কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর নজরদারী করিবে।
১১৩। মজুরি ও অন্যান্য পাওনাদি সম্পর্কে আপোষ-মীমাংসা
(১) কোন শ্রমিকের প্রাপ্য মজুরি ও অন্যান্য পাওনাদি বে-আইনীভাবে কর্তন বা অনুরূপ কারণে উত্থিত দাবি শ্রমিক নিজে অথবা তাহার দ্বারা ক্ষমতাপ্রাপ্ত হইয়া তাহার পক্ষে প্রতিষ্ঠানের যৌথ দরকষাকষি প্রতিনিধি লিখিতভাবে সংশ্লিষ্ট মালিককে অবহিত করিতে পারিবেন।
(২) মালিক দাবি প্রাপ্তির পরবর্তী ১০ (দশ) দিনের মধ্যে উহা নিষ্পত্তির কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।
(৩) উপ-বিধি (২) অনুযায়ী মালিক ব্যর্থ হইলে দাবি পেশকারী পক্ষ বিষয়টির নিষ্পত্তিকল্পে ধারা ১২৪ (ক) অনুযায়ী মহাপরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত পরিদর্শকের নিকট
লিখিত আবেদন করিতে পারিবেন।
(৪) উপ-বিধি (৩) এর অধীন আবেদন পাইবার পর মহাপরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত পরিদর্শক সর্বোচ্চ ২০ (বিশ) দিনের মধ্যে বিষয়টি নিষ্পত্তি করিবার লক্ষ্যে কার্যকর
পদক্ষেপ গ্রহণ করিবেন এবং বর্ণিত উদ্যোগ গ্রহণ করিবার তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে আবেদনের বিষয়টি নিষ্পত্তি করিয়া লিখিতভাবে সিদ্ধান্ত প্রদান করিবেন।
(৫) ধারা ১২৪(ক) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে মহাপরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত পরিদর্শক আপোষ মীমাংসাকারী বা মধ্যস্থতাকারী হিসাবে গণ্য হইবেন এবং তিনি উত্থাপিত বিরোধীয় বিষয়টি নিষ্পত্তিকল্পে সংশ্লিষ্ট পক্ষদের শুনানি গ্রহণ ও কাগজপত্রাদি (যদি থাকে) পর্যালোচনান্তে সিদ্ধান্ত প্রদান করিবেন।
(৬) সর্বসম্মত মতামতের ভিত্তিতে আপোষ মীমাংসাকারী বা মধ্যস্থতাকারী কর্তৃক প্রদত্ত সিদ্ধান্ত প্রতিপালন সংশ্লিষ্ট পক্ষদের উপর বাধ্যতামূলক হইবে এবং সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত ব্যতীত আপোষ মীমাংসাকারী বা মধ্যস্থতাকারী কর্তৃক প্রদত্ত সিদ্ধান্তে সংক্ষুব্ধ পক্ষ ইচ্ছা করিলে প্রতিকার চাহিয়া সিদ্ধান্ত প্রদানের তারিখ হইতে ৬ (ছয়) মাসের মধ্যে শ্রম আদালতে আবেদন করিতে পারিবে।
(৭) ধারা ১৬১ (৩) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে ঠিকাদারের পক্ষ হইতে কোন আচরণবিধির লংঘনের কারণে ঠিকাদার কর্তৃক প্রদেয় ক্ষতিপূরণের অংশ নির্ধারণের লক্ষ্যে মালিক মোট ক্ষতিপূরণ জমা প্রদানের রসিদসহ উহা জমা প্রদানের তারিখ হইতে ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে মহাপরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত পরিদর্শকের নিকট আবেদন করিবেন।
(৮) মহাপরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত পরিদর্শক মালিক এবং ঠিকাদারের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করিয়া সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিবেন।
(৯) ধারা ১২৪(ক) ও ১৬১(৩) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে মহাপরিদর্শক তাহার উপর অর্পিত ক্ষমতা লিখিতভাবে অফিস আদেশ দ্বারা এলাকা ভিত্তিক অন্য কোন পরিদর্শক বা পরিদর্শকগণকে প্রদান করিতে পারিবেন।
(১০) মহাপরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত পরিদর্শক ধারা ১২৪ (ক) অনুযায়ী নোটিস প্রদান করিলে সংশ্লিষ্ট পক্ষের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক হইবে।
১১৪। অসম্পূর্ণ মাসের কাজের ক্ষেত্রে মজুরি হিসাব পদ্ধতি
(১) কোন শ্রমিকের চাকরি তাহার মজুরির মেয়াদ পূর্ণ হইবার পূর্বে অবসান হইলে অথবা কোন শ্রমিক মাস শুরু হইবার পরে কাজে যোগদান করিলে উভয় ক্ষেত্রে অসম্পূর্ণ মাসের জন্য শ্রমিকের মজুরি হিসাবের ক্ষেত্রে তাহার সাপ্তাহিক ও অন্যান্য ছুটিসহ কর্মকালীন দিনগুলিকে গণনা করিতে হইবে।
(২) বাড়ী ভাড়া ভাতা, যাতায়াত ভাতা এবং চিকিৎসা ভাতাসহ মাসের মোট মজুরিকে উক্ত মাসের মোট দিনগুলি দ্বারা ভাগ করিয়া উক্ত মেয়াদের দিনগুলিকে গুণ করিয়া মজুরি হিসাব করিতে হইবে।
১১৫। কর্তব্যে অনুপস্থিতির জন্য মজুরি কর্তন
(১) ধারা ১২৬ (২) অনুযায়ী কর্তব্যে অনুপস্থিতির জন্য মজুরি কর্তনের ক্ষেত্রে মজুরি বলিতে শ্রমিকের মূল মজুরি ও মহার্ঘ ভাতা এবং এডহক বা অন্তর্বর্তী মজুরি (যদি থাকে) কে বুঝাইবে এবং শ্রমিকের মাসিক মূল মজুরি ও মহার্ঘ ভাতা এবং এডহক বা অন্তর্বর্তী মজুরি (যদি থাকে) কে ৩০ (ত্রিশ) দ্বারা ভাগ করিয়া দৈনিক মজুরির পরিমাণ
নির্ধারণ করিতে হইবে এবং উহা সংশ্লিষ্ট শ্রমিককে অবহিত করিতে হইবে।
(২) আইন এবং প্রতিষ্ঠানের বিধিমালায় বর্ণিত ক্ষেত্র ব্যতীত কোন অনুপস্থিতিতে মজুরি কর্তন করা যাইবে না।
১১৫। কর্তব্যে অনুপস্থিতির জন্য মজুরি কর্তন
(১) ধারা ১২৬ (২) অনুযায়ী কর্তব্যে অনুপস্থিতির জন্য মজুরি কর্তনের ক্ষেত্রে মজুরি বলিতে শ্রমিকের মূল মজুরি ও মহার্ঘ ভাতা এবং এডহক বা অন্তর্বর্তী মজুরি (যদি থাকে) কে বুঝাইবে এবং শ্রমিকের মাসিক মূল মজুরি ও মহার্ঘ ভাতা এবং এডহক বা অন্তর্বর্তী মজুরি (যদি থাকে) কে ৩০ (ত্রিশ) দ্বারা ভাগ করিয়া দৈনিক মজুরির পরিমাণ
নির্ধারণ করিতে হইবে এবং উহা সংশ্লিষ্ট শ্রমিককে অবহিত করিতে হইবে।
(২) আইন এবং প্রতিষ্ঠানের বিধিমালায় বর্ণিত ক্ষেত্র ব্যতীত কোন অনুপস্থিতিতে মজুরি কর্তন করা যাইবে না।
১১৬। ক্ষতি বা বিনষ্টির জন্য মজুরি কর্তনের রেকর্ড
(১) ধারা ১২৭ এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সকল কর্তন ও উহা আদায়ের রেকর্ড ফরম- ৩৯ অনুযায়ী সংরক্ষণ করিতে হইবে।
(২) মজুরি কর্তনের বার্ষিক বিবরণী নির্ধারিত ফরমে পঞ্জিকা বর্ষ শেষ হইবার পরবর্তী ১৫ (পনের) ফেব্রুয়ারির মধ্যে মহাপরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত পরিদর্শকের নিকট দাখিল করিতে হইবে।
১১৭। অগ্রিম
(১) ইতিমধ্যে অর্জিত হয় নাই এমন পরিমাণ মজুরি অগ্রিম প্রদানের ক্ষেত্রে চাকুরিতে নিযুক্ত ব্যক্তির পরবর্তী দুইটি মাসে যে পরিমাণ মজুরি অর্জন করিবার সম্ভাবনা রহিয়াছে উহা অপেক্ষা অধিক অগ্রিম প্রদান করা যাইবে না।
(২) প্রদত্ত অগ্রিম অনধিক ১২ (বার) মাসের মধ্যে কিস্তিতে আদায় করা যাইবে এবং কোন কিস্তির পরিমাণ মজুরির এক-তৃতীয়াংশের অধিক হইতে পারিবে না।
(৩) সমস্ত অগ্রিমের পরিমাণ এবং উহার উসুল ফরম-৪০ অনুযায়ী নির্ধারিত রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত করিতে হইবে।
১১৮। মৃত শ্রমিকের অপরিশোধিত মজুরি ও অন্যান্য পাওনা পরিশোধ
(১) প্রত্যেক শ্রমিককে কাজে যোগদানের সময় তাহার অবর্তমানে তাহার অপরিশোধিত মজুরি ও অন্যান্য পাওনা গ্রহণের জন্য ফরম-৪১ অনুযায়ী মনোনয়ন প্রদান করিতে হইবে।
(২) উক্ত মনোনয়ন ফরমে শ্রমিকের নিজের ছবি এবং মনোনীত ব্যক্তির ছবি সংযুক্ত করিতে হইবে :
তবে শর্ত থাকে যে, শ্রমিক ইচ্ছা করিলে সময় সময় উক্ত মনোনয়ন একই প্রμিয়ায় পরিবর্তন করিতে পারিবে।
১১৯। মৃত শ্রমিকের অপরিশোধিত মজুরি আদালতে জমা প্রদান
(১) যদি মৃত শ্রমিকের কোন নমিনী না থাকে অথবা কোন উত্তরাধিকারী না পাওয়া যায় সেই ক্ষেত্রে মালিক কর্তৃক ফরম-৪২ অনুযায়ী শ্রম আদালতে অর্থ প্রদান করিতে হইবে।
(২) আদালত উহার নিকট জমাকৃত অর্থের একটি প্রাপ্তি স্বীকার রসিদ ফরম-৪৩ অনুযায়ী প্রদান করিবে।
১২০। মজুরি পরিশোধের জন্য শ্রম আদালতে দরখাস্ত
ধারা ১৩২ মোতাবেক কোন চাকরিরত বা চাকরিচ্যুত শ্রমিক নিজে অথবা শ্রমিকের মৃত্যু হইলে তাহার কোন উত্তরাধিকারী অথবা কোন আইনসংগত প্রতিনিধি অথবা মৃত শ্রমিকের উত্তরাধিকারীগণের আবেদনের প্রেক্ষিতে তাহাদের পক্ষে শ্রমিকের পাওনা পরিশোধের জন্য প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ফরম-৪৪, ৪৪(ক) বা ৪৪(খ) অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট শ্রম আদালতে দরখাস্ত পেশ করিতে হইবে।