02 Mar 2026 +880 1886 456688
image

Laws & Rules

বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬
Click here for Deep-Dive

বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫

একাদশ অধ্যায় : মজুুরি বোর্ড ( বিএলআর-২০১৫ )
১২১। মজুরি বোর্ডে মালিক ও শ্রমিকগণের প্রতিনিধি মনোনয়ন।

(১) সরকার ধারা ১৩৮(৬) বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে উক্ত ধারার উপ-ধারা (২) মোতাবেক মজুরি বোর্ডে মালিক সংগঠনের প্রতিনিধি ও শ্রমিকগণের প্রতিনিধি মনোনয়নের লক্ষ্যে মালিক ও শ্রমিকগণের ফেডারেশনসমূহে সর্বাধিক প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠনের নিকট হইতে এবং উপ-ধারা (৩) বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট শিল্পের সর্বাধিক প্রতিনিধিত্বকারী মালিক সংগঠন ও ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশনের অথবা ফেডারেশনের অবর্তমানে সর্বাধিক প্রতিনিধিত্বকারী ইউনিয়নের নিকট মনোনয়ন যাচনা করিবে।

(২) উপ-বিধি (১) এর অধীন মনোনয়ন যাচনা করিবার ক্ষেত্রে শ্রম পরিচালকের রেকর্ড অনুযায়ী ফেডারেশনের সদস্যপদ বিবেচনায় লইতে হইবে।

(৩) উভয় ক্ষেত্রেই শ্রম পরিচালকের মাধ্যমে মনোনয়ন যাচনা করিতে হইবে : 

তবে শর্ত থাকে যে, কোন শিল্পের প্রতিনিধি মনোনয়নের ক্ষেত্রে যদি উক্ত শিল্পে কোন রেজিস্টার্ড ইউনিয়ন না থাকে, সেইক্ষেত্রে শ্রম পরিচালক জাতীয় ফেডারেশনসমূহের মধ্য হইতে উক্ত শিল্পের সহিত সংশ্লিষ্টতা রহিয়াছে এইরকম সংগঠনের নিকট প্রতিনিধির মনোনয়ন যাচনা করিবেন এবং এইরকম সংশ্লিষ্টতা না পাওয়া গেলে সরকার নিজ বিবেচনায় শ্রমিক ও মালিক পক্ষের প্রতিনিধিত্ব করিতে পারে এমন ব্যক্তিদেরকে উক্ত শিল্পের মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধি হিসাবে মনোনীত করিবে।

(৪) যদি কোন কারণে সর্বাধিক প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন প্রতিনিধি মনোনয়ন প্রদান না করে তাহা হইলে সরকার দ্বিতীয় ও তৃতীয় সর্বাধিক প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠনসমূহের নিকট মনোনয়ন যাচনা করিতে পারিবে।

১২২। বোর্ডের সভা

(১) বোর্ডের সচিব চেয়ারম্যানের সহিত আলোচনাμমে প্রত্যেক সদস্যকে লিখিতভাবে নোটিস প্রদান করিয়া বোর্ডের সভা আহবান করিবেন এবং সভার স্থান ও সময় চেয়ারম্যান কর্তৃক নির্ধারিত হইবে।

(২) বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত পদ্ধতিতে উহার সভা অনুষ্ঠিত হইবে।

(৩) চেয়ারম্যান বোর্ডের প্রত্যেক সভায় সভাপতিত্ব করিবেন, তবে তিনি অনুপস্থিত থাকিলে একজন নিরপেক্ষ সদস্য সভায় সভাপতিত্ব করিতে পারিবেন।

(৪) ধারা ১৩৯ মোতাবেক, বোর্ডের নিকট প্রেরিত বিষয়ের প্রম সভায়, বোর্ডের চেয়ারম্যান, নিরপেক্ষ সদস্য, মালিকদের একজন প্রতিনিধি এবং শ্রমিকদের একজন প্রতিনিধি উপস্থিত হইলে সভার কোরাম হইবে :

তবে শর্ত থাকে যে, পরবর্তী সভাসমূহে অনুরূপ কোন সদস্য অনুপস্থিত থাকিলেও বোর্ডের কার্যμমের অগ্রগতি ব্যাহত হইবে না এবং কোন সদস্যের অনুপস্থিতি সত্ত্বেও বোর্ডের কার্যμম বাতিল হইবে না।

(৫) ধারা ১৩৯ অনুযায়ী বোর্ডের নিকট প্রেরিত কোন বিষয় প্রেরণের ৬ (ছয়) মাসের মধ্যে বোর্ড নিষ্পত্তি করিবে:

তবে শর্ত থাকে যে, বোর্ডের কোন সুপারিশ কেবলমাত্র বিলম্বে প্রদানের কারণে বাতিল হইবে না।

১২৩। বোর্ডের কার্যকালের মেয়াদ

(১) আইন ও এই বিধিমালায় ভিনড়বতর কোন বিধান না থাকিলে বোর্ডের সদস্যদের কার্যকালের মেয়াদ তাহাদের নিযুক্তি সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হইবার তারিখ হইতে ৩ (তিন) বৎসর হইবে।

(২) উপ-বিধি (১) এ ভিনড়বতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, মেয়াদ উত্তীর্ণ হইবার পরেও স্থলাভিষিক্তদের নিয়োগ সরকারি গেজেটে প্রকাশিত না হওয়া পর্যন্ত সদস্যগণ তাহাদের পদে বহাল থাকিবেন।

(৩) যে কোন সদস্য তাহার কার্যকাল শেষ হইবার পর পুনর্নিয়োগের যোগ্য হইবেন।

(৪) যে কোন সদস্য সরকারকে লিখিতভাবে নোটিস প্রদান করিয়া সদস্য পদ হইতে পদত্যাগ করিতে পারিবেন এবং সরকার যে তারিখে তাহার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করিবেন সে তারিখ হইতে পদটি শূন্য হইবে।

(৫) চেয়ারম্যানের নিকট হইতে ছুটি গ্রহণ না করিয়া কোন সদস্য (চেয়ারম্যান ব্যতীত) পরপর তিনটি অনুপস্থিত থাকিলে সরকার সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা তাহার আসন শূন্য ঘোষণা করিতে পারিবে।

(৬) অসদাচরণ বা অন্য কোন কারণে বোর্ডের কোন সদস্যের উক্ত পদে বহাল থাকা জনস্বার্থের পরিপন্থী বলিয়া বিবেচিত হইলে সরকার তাহাকে বোর্ডের সদস্যপদ হইতে অপসারণ করিতে পারিবে।

(৭) বোর্ডের যে কোন শূন্য পদ সরকার, বোর্ডের প্রতিনিধিত্বমূলক স্বার্থ ক্ষুণড়ব না হয়, এমনভাবে পূরণ করিবে।

(৮) সাময়িক শূন্য পদ পূরণের জন্যে কোন সদস্য নিয়োগ করা হইলে তিনি শুধু তাহার পূর্বসূরীর কার্যকালের অবশিষ্ট মেয়াদের জন্য উক্ত পদে বহাল থাকিবেন।

১২৪। সদস্যের বাংলাদেশ ত্যাগ

(১) চেয়ারম্যান ব্যতীত যদি বোর্ডের কোন সদস্য বাংলাদেশ ত্যাগ করিয়া থাকেন তবে তিনি তাহার দেশত্যাগের এবং প্রত্যাবর্তনের সম্ভাব্য তারিখ চেয়ারম্যানকে অবহিত করিবেন।

(২) কোন সদস্য যদি ৬ (ছয়) মাসের অধিক সময় বাংলাদেশের বাইরে অবস্থান করিতে চাহেন তবে চেয়ারম্যান সরকারকে প্রয়োজনবোধে উক্ত মেয়াদের জন্যে একজন সাময়িক বিকল্প সদস্য নিয়োগের উদ্দেশ্যে বিষয়টি অবগত করিবেন।

(৩) যেক্ষেত্রে চেয়ারম্যান দীর্ঘ ছুটিতে যান বা প্রেষণে বাংলাদেশের বাহিরে প্রেরিত হন সেই ক্ষেত্রে তাহার অনুপস্থিতিকালের জন্য সরকার অন্য কোন ব্যক্তিকে চেয়ারম্যান হিসাবে নিয়োগ করিতে পারিবে অথবা নিরপেক্ষ সদস্যকে সাময়িকভাবে চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালনের জন্য নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে।

১২৫। বোর্ডের সদস্যদের ভাতা

চেয়ারম্যান ব্যতীত বোর্ডের সদস্যগণ সভায় উপস্থিতির জন্য সরকার কর্তৃক নির্ধারিত হারে ভাতা পাইবেন।

১২৬। কর্মচারী বোর্ডের নিয়োগ

সরকার বোর্ডের একজন সচিব ও প্রয়োজনমত অন্যান্য কর্মচারী নিয়োগ করিতে পারিবে:

তবে শর্ত থাকে যে, বোর্ডের সচিব হিসাবে সহকারী শ্রম পরিচালক বা সহকারী মহাপরিদর্শকের নি¤েড়বর পদমর্যাদার কোন কর্মকর্তাকে নিয়োগ করা যাইবে না।

১২৭। বোর্ড সচিবের দায়িত্ব

(১) সচিব বোর্ডের সকল সভায় অংশগ্রহণ করিবেন এবং নি¤ড়ববর্ণিত কাজে চেয়ারম্যানকে সহযোগিতা করিবেন, যথা:

(ক) সভা আহবান;

(খ) সভার কার্যবিবরণীর রেকর্ড সংরক্ষণ;

(গ) সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কার্যμম গ্রহণ; এবং

(ঘ) চেয়ারম্যান কর্তৃক নির্দেশিত আইনানুগ নির্দেশ প্রতিপালন।

(২) সচিব সভার আলোচনায় অংশগ্রহণ ও ভোট প্রদান করিতে পারিবেন না তবে বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বা চেয়ারম্যানের নির্দেশ মতে বোর্ডের সভায় সংশ্লিষ্ট কাগজপত্রাদি ও তথ্যাদি উপস্থাপন করিতে পারিবেন।

১২৮। মজুরির নিমড়বতম হার নির্ণয়ের পদ্ধতি

(১) বোর্ড নিমড়বতম মজুরির হারের সুপারিশ সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রকাশ করিবে যেন সংশ্লিষ্ট যে কোন পক্ষ উক্ত প্রজ্ঞাপন প্রকাশের ১৪ (চৌদ্দ) দিনের মধ্যে তাহাদের আপত্তি বা সুপারিশ উপাত্তসহ লিখিতভাবে অবহিত করিবার সুযোগ পান।

(২) উপ-বিধি (১) মোতাবেক প্রদত্ত আপত্তি বা সুপারিশ বিবেচনার পর বোর্ড মূল প্রস্তাবের সংশোধন করিতে অথবা মূল প্রস্তাব ঠিক রাখিতে পারিবে এবং সেই অনুযায়ী সরকারের নিকট সুপারিশ করিতে পারিবে।

(৩) মালিক বা শ্রমিক পক্ষের অনুরোধে বোর্ডের যে কোন সভায় উপস্থিত হইয়া আলোচনায় অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে চেয়ারম্যান যে কোন বিশেষজ্ঞ বা উপদেষ্টাকে অথবা প্রয়োজনবোধে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের কোন কর্মকর্তাকে আমন্ত্রণ করিতে পারিবেন।

(৪) উপ-বিধি (৩) এর অধীন আমন্ত্রিত বিশেষজ্ঞ, উপদেষ্টা বা কর্মকর্তা সভার আলোচ্য বিষয়ে তাহার মতামত প্রদান করিতে পারিবেন কিন্তু তাহার কোন ভোটাধিকার থাকিবে না।

(৫) চেয়ারম্যান ও নিরপেক্ষ সদস্য ব্যতীত বোর্ডের সদস্য ও উপদেষ্টাদের ব্যয় সংশ্লিষ্ট পক্ষ বহন করিবেন।

১৩০। কমিটি গঠন

(১) যে কোন নির্দিষ্ট বিষয়ে তদন্ত করিয়া বোর্ডের নিকট সুপারিশ দাখিলের জন্য বোর্ড বিভিনড়ব কমিটি গঠন করিতে পারিবে এবং যে কোন এলাকার বা যে কোন শ্রেণির

শিল্পের শ্রমিকদের নিমড়বতম মজুরির হার নির্ধারণে প্রয়োজনীয় অনুসন্ধানপূর্বক সুপারিশ পেশ করিয়া বোর্ডকে সহায়তা করিবার জন্যে অনুরূপ যে কোন কমিটিকে বোর্ড নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে।

(২) উক্তরূপ কমিটিতে মালিকের প্রতিনিধিত্বকারী একজন সদস্য, শ্রমিকদের প্রতিনিধিত্বকারী একজন সদস্য এবং একজন নিরপেক্ষ সদস্য (যিনি চেয়ারম্যানও হইবেন) থাকিতে হইবে।

(৩) তদন্ত করিবার উদ্দেশ্যে তদন্ত কমিটির চেয়ারম্যান বোর্ডের চেয়ারম্যানের অনুরূপ ক্ষমতা ভোগ করিবেন।

(৪) কমিটির চেয়ারম্যান বা কোন সদস্যের বা কোন কমিটির কোন উপদেষ্টা বা বিশেষজ্ঞের বিধি ১৩২ মোতাবেক প্রদত্ত বোর্ডের চেয়ারম্যান বা বোর্ডের যে কোন সদস্য, উপদেষ্টা বা বিশেষজ্ঞের সমান ক্ষমতা থাকিবে।

(৫) কমিটির চেয়ারম্যান ও সদস্যদের পারিশ্রমিক সরকার কর্তৃক নির্ধারিত হইবে।

১৩১। সাক্ষীদের উপস্থিতি

আইন মোতাবেক কোন তদন্তের ক্ষেত্রে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ এবং সাক্ষীদের হাজির হইতে বাধ্য করাসহ দলিলপত্র উপস্থাপনে বাধ্য করিবার জন্য ১৯০৮সনের দেওয়ানী কার্যবিধি (১৯০৮ সনের ৫নং আইন)-তে বর্ণিত ক্ষমতা চেয়ারম্যানের থাকিবে।

১৩২। তথ্য সংগ্রহের ব্যাপারে বোর্ডের ক্ষমতা, ইত্যাদি

আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে চেয়ারম্যান বা বোর্ডের যে কোন সদস্য অথবা চেয়ারম্যান কর্তৃক যথাযথভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত যে কোন উপদেষ্টা বা বিশেষজ্ঞ বা বোর্ডের অধীন কর্মরত যে কোন কর্মকর্তা

(ক) যে কোন যুক্তিসঙ্গত সময়ে কোন কারখানায় বা শিল্পে ব্যবহৃত যে কোন স্থানে বা প্রাঙ্গণে প্রবেশ করিতে পারিবেন;

(খ) যে কোন রেজিস্টার বা অন্যান্য দলিলপত্র তলব করিতে এবং সরেজমিনে যে কোন লোকের সাক্ষ্য গ্রহণ করিতে পারিবেন; এবং

(গ) প্রশড়বমালা বিলি করিয়া বা অন্যভাবে লিখিত তথ্য সংগ্রহ করিতে পারিবেন।

১৩৩। নিমড়বতম মজুরি প্রদানে বাধ্যবাধকতা ও হার প্রচার

(১) কোন মালিক বা ঠিকাদার বা ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ কোন শ্রমিক বা কর্মচারীকে আইনের অধীন ঘোষিত নিমড়বতম মজুরি হারের চেয়ে কম মজুরি প্রদান করিতে পারিবেন না।

(২) যদি কোন মালিক বা ঠিকাদার বা ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ ঘোষিত নিমড়বতম মজুরি অপেক্ষা শ্রমিক বা কর্মচারীকে কম প্রদান করেন তাহা হইলে বকেয়া মজুরির ৫০% হারে অতিরিক্ত ক্ষতিপূরণ হিসাবে শ্রমিক বা কর্মচারী দাবি করিতে পারিবেন।

(৩) সরকার নিমড়বতম মজুরির হার সংশ্লিষ্ট মালিক ও শ্রমিকদের অবহিত করিবার জন্য যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে।

(৪) সরকার কর্তৃক ঘোষিত মজুরির নিমড়বতম হার বাংলা ভাষায় নোটিস আকারে মালিক কারখানায় বা কারখানার অন্য কোন উপযুক্ত স্থানে প্রদর্শনের ব্যবস্থা করিবেন।

(৫) উপ-বিধি (৪) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, নি¤ড়বতম মজুরির হার প্রয়োজনে ইংরেজি ভাষাতেও নোটিস আকারে প্রদর্শন করা যাইবে।

(৬) নি¤ড়বতম মজুরি প্রযোজ্য হয় এমন প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ বা বাইরের কাজে মালিক বা ঠিকাদার কর্তৃক নিযুক্ত শ্রমিকদের ক্ষেত্রে যে কারখানায় বা প্রতিষ্ঠানে বা স্থানে কাজ প্রদান করা হয়,সেখানে সংশ্লিষ্ট শিল্পে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত মজুরির হার ও গেজেট প্রকাশের তারিখ উল্লেখপূর্বক নোটিস প্রদান করিতে হইবে।

img